রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন।
দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জন্য আমাদের নতুন সংগ্রামে নামতে হবে।
শনিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো-আমরা মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম তার বাস্তবায়ন করা।
তিনি আরো বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম নির্বাচন কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা অনুভব করেছেন। মানুষ আমাদের দলের পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।
নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনের আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেওয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো। নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, ভোট দেওয়া দেশের ৫২ শতাংশ মানুষ মূলত আমাদের এই ম্যানিফেস্টোর পক্ষেই রায় দিয়েছেন। কাজেই এই ম্যানিফেস্টোতে যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দেবো। আমরা এমন একটি দেশ তৈরি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে। নারী পুরুষ শিশু সবাই নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।
তিনি বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম যে, আমাদের উপরে যেরকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে তাতে আমরা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।
তারেক রহমান বলেন, আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না।
দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেনও এতে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময় সভা।
মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের পর বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মোসা. রাবেয়া খাতুন। তাঁর এমন সিদ্ধান্তে পরিবারের অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রশ্ন, উচ্চশিক্ষিত একজন নারী কেন বাসচালক হিসেবে পেশা বেছে নেবেন? তবে এসব প্রশ্নকে বাধা হিসেবে না দেখে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছেন রাবেয়া।
তাঁর কাছে বাস চালানো কেবল জীবিকার একটি মাধ্যম নয়, বরং প্রচলিত ধারণা ভেঙে নতুন কিছু করার এবং দেশের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার একটি সুযোগ।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে নারীদের জন্য বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস (পিংক বাস)’-এর উদ্বোধন করা হয়। এর আগে রাবেয়া খাতুনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর বাসচালক হওয়ার সিদ্ধান্ত, পরিবারের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ ভাবনা সম্পর্কে জানা যায়।
পিংক বাস চালক রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘এই কাজটাকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। পরিবার তো আসলে কখনোই এর পক্ষে না। তারা বলছেন, আমি মাস্টার্স পাস। ঢাকা ইউনিভার্সিটির অধীনে তিতুমীর কলেজ থেকে মাস্টার্স পাস করেছি। সেহেতু তাদের ধারণা, বাংলাদেশ আসলে এটা ডিজার্ভ করে না যে একজন মাস্টার্স পাস মেয়ে একজন চালক হিসেবে কাজ করবে।’
তবে রাবেয়া বাসচালক হিসেবে নিজের পরিচয়টাকে অন্যভাবে দেখতে চান। তিনি বলেন, ‘কিন্তু এটাকে চালক না ভেবে যদি আমি নিজেকে পাইলট ভাবি, তাহলে আমার অপরাধটা কী? কোনও অপরাধ নাই। আমি তো এটাই ভেবে কাজ করতে পারি।’
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি যখন ব্র্যাকে জব করতাম, তখন আমার সামনে, আমার হাত দিয়ে অনেক ভালো ভালো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এবং বড় বড় ফ্যামিলির সন্তানরা, যারা ব্র্যাকে ড্রাইভিং শিখে গিয়েছে বা বিআরটিসি ড্রাইভিংয়ের যে প্রশিক্ষণ সেন্টার, সেখানে ড্রাইভিং শিখে বাইরের কান্ট্রিতে তারা পার্টটাইম হিসেবে কাজ করে।’
রাবেয়ার ভাষ্য, বিদেশে গিয়ে অনেকেই ড্রাইভিং করে জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি পড়াশোনার খরচ চালান। বাংলাদেশ থেকে টাকা-পয়সা নিয়ে পড়াশোনা করতে গেছেন, এমন লোক খুবই কম। সেখানে তারা নিজেরাই রোজগার করে চলার চেষ্টা করেন।
রাবেয়া প্রশ্ন রাখে বলেন, ‘তো এটা যদি বহির্বিশ্বে গিয়ে আমরা করতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে এটা কেন করতে পারবো না?’
তার উত্তরও স্পষ্ট। বলেন, ‘আমরাই নতুন করে সৃষ্টি করবো, আমরা আমাদের দেশটাকে চেঞ্জ করার চেষ্টা করবো, যদি নতুন কিছু করা যায়। আমি সেটার লক্ষ্যেই আছি।’
পিংক বাসের আরেক চালক সুপ্রিয়া কুন্ডুর কাছেও এটি নতুন কিছু শেখার সুযোগ। নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাই তো ড্রাইভিং করে। দেশের বাইরে যাক বা দেশের মধ্যে থাক, সবাই ড্রাইভিং করে। কিন্তু আমার শেখার ইচ্ছা ছিল। তারপর যখন আমার এখানে জয়েনিং হলো, আমি এখানে আসলাম। এরপর আমাদের বাস সার্ভিসের জন্য ট্রেনিং দেওয়া হলো। তো অনেক ভালো লাগলো যে নতুন একটা জিনিস শিখবো।’
সুপ্রিয়া বলেন, যেকোনও কিছু শেখার প্রতি তার আগ্রহ রয়েছে। পিংক বাসে নারী চালক ও কন্ডাক্টর থাকায় নারীদের জন্য এটি বেশি ভালো হবে বলেও মনে করেন তিনি।
তার মতে, বর্তমানে অনেক ছোট ছোট মেয়েকে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এ কারণে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে মায়েদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করে। নির্দিষ্ট রুটে পিংক বাস চললে সন্তানদের নিরাপদে যাতায়াত নিয়ে মায়েরা নিশ্চিন্ত হতে পারবেন।
তিনি বলেন, ‘তারা যদি দেখে যে তাদের রুটের ভেতর তাদের গাড়িটা চলে, তাহলে তারা নিশ্চিন্তে থাকবে যে এই গাড়ি এই টাইমিংয়ে আসে বা এই সময়ে যায়, ওই বাসগুলোতেও উঠছে। তার মানে আমার মেয়েটা সেফলিভাবে বাসায় আসতে পারবে।’
সড়কে চলাচলকারী অন্য যানবাহন চালকদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন না সুপ্রিয়া। তিনি বলেন, ‘রাস্তায় যারা ড্রাইভার থাকবেন, তারা আমাদের প্রতিযোগী না। তারা আমাদের সহযোগী।’
সিএনজি, রিকশা বা অটোরিকশার চালকদের কথাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যাই চালান না কেন, তারা আমাদের কোনও প্রতিযোগী না। তাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তো আমরা নামিনি। আমরা এসেছি মহিলাদের একটা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য।’
আরেক চালক রিমাও পিংক বাসের অংশ হতে পেরে আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। তিনি বলেন, ‘আমি একজন নারী চালক। এই পিঙ্ক বাস যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে, আমি এই পিঙ্ক বাস পরিচালনার একটি অংশ হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত।’
নারীদের পেশা নিয়ে প্রচলিত ধারণার কথাও তুলে ধরেন তিনি। রিমা বলেন, ‘আমরা নারী বলতে খুবই নরম স্বভাবের হয়ে থাকি। আমরা শুধু নারী সেক্টরকে বোঝাই, গার্মেন্টস সেক্টর, বিভিন্ন নরমাল যে আমরা বেসরকারি বা সরকারি খুব ছোট প্রফেশন, আমরা বোঝাই। তো সেখানে আমরা যে এত বড় পিঙ্ক বাস সার্ভিস পরিচালনা করবো, আমি একজন নারী হিসেবে এখানে অংশগ্রহণ করতে পেরে খুবই আনন্দিত।’
প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে রিমা বলেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় কর্মকর্তাদের। আমাদের নারীদের শুধু এখানে কর্মসংস্থান নয়, মহিলা যে যাত্রীদের আমরা নিয়ে যাবো এবং সঠিকভাবে গন্তব্যস্থলে নিয়ে আসবো, এটার আমাদের সাহস প্রদান করার জন্যও ধন্যবাদ।’
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে স্মরণীয় ও অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
তিনি বলেছেন, এ সফর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘স্বর্ণালী অধ্যায়’ হিসেবে চিহ্নিত হবে। প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানাতে তাঁরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। আর এই সফরের সুফল শেষ পর্যন্ত দুই দেশের সাধারণ মানুষের কাছেই পৌঁছাবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিন ঢাকায় সফররত ভারতীয় শিল্প ও বাণিজ্য মহাসংঘের (সিআইআই) প্রতিনিধিদলের সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
হাইকমিশনার বলেন, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রথম অভিনন্দন জানান এবং ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।
তিনি বলেন, ‘আমি দিল্লির পক্ষ থেকে আপনাদের নিশ্চিত করছি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন ভারত সফর করবেন, তিনি সেখানে তাঁর প্রাপ্য সর্বোচ্চ সম্মানজনক সংবর্ধনা পাবেন। এই সফর হবে অত্যন্ত স্মরণীয়।’
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে নিঃশর্ত বিশ্বাসের ওপর গুরুত্বারোপ করে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে কিছু অমীমাংসিত বিষয় থাকলেও আলোচনার মাধ্যমে সেগুলোর সমাধান সম্ভব। পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ শুধু ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকভাবে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত নয়; দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নও অভিন্ন। আমরা শুধু পানি ভাগ করি না, আমরা স্বপ্নও ভাগ করি।
ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির কথা উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এই বার্তা দিয়েই বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য ভারতের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করারও আহ্বান জানান তিনি।
ভারতীয় হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর শেষ পর্যন্ত দুই দেশের সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের জন্য বড় ধরনের সুফল বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সিআইআইয়ের প্রতিনিধিদলের পাশাপাশি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষকদের স্বতন্ত্র পে-স্কেল বা আলাদা বেতন কাঠামো তৈরির বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের অনন্য ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে তাদের বেতন অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা বিষয়ক ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।
স্বতন্ত্র পে-স্কেল ও শিক্ষকদের মর্যাদা
শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ইতিবাচক চিন্তা রয়েছে। তবে বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠনের নানা ধরনের প্রস্তাব আসায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে হচ্ছে। শিক্ষকদের পে স্কেল অন্যদের সঙ্গে তুলনীয় না হওয়ার পক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, বেতন কম হোক কিংবা বেশি হোক—শিক্ষকদের সঙ্গে অন্য কারও পেশার তুলনা চলে না।
জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের এক সংসদ সদস্যের করা বেতনের তুলনামূলক সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এমন তুলনা শিক্ষকদের মর্যাদার সঙ্গে পুরোপুরি অসমাঞ্জস্যপূর্ণ। শিক্ষকদের শুধু আর্থিক সুযোগ-সুবিধা নয়, বরং তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ও জীবনমানের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি।
শিক্ষক সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপে জোর
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে বিদ্যমান শিক্ষক-সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন শূন্য পদ পূরণে ২০১৭ সাল থেকে মামলা ও নানা প্রশাসনিক জটিলতা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
কারিগরি শিক্ষার বিস্তার
অনুষ্ঠানে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষা ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘খেলায় খেলায় শিখি তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে স্কুল ড্রেস ও মিডডে মিল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার। আগামীতে দেশের সব উপজেলাকে মিডডে মিল কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীতে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ নামক দু’টি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত করা হচ্ছে। এছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ শীর্ষক পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি, ২০২৮ সাল থেকে প্রথম শ্রেণির কারিকুলামে খেলাধুলা বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ সময় মন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেশীয় খেলাগুলো প্রসারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এ সমস্যা নিরসনে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়ে ‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ গঠন করা যেতে পারে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ গড়তে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, শিশুদের আনন্দময় শিক্ষা দিতে হবে, যাতে তাদের শেখার আগ্রহ আসে। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে সকলকে একত্রে কাজ করতে হবে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক দেশের সব জায়গায় খেলার মাঠ বৃদ্ধি করা এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকাশে সরকার গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা বলেন।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত উপস্থিত ছিলেন।
ছবি : সংগৃহীত
লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আজ ভোর ৬টায় বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাদের বাংলাদেশে আনা হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় এই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ গমনের উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে বলে জানা যায়। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।
জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসনকৃত প্রত্যেককে পথখরচা, খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) বিএ এবং বিএসএস পরীক্ষা-২০২৫ সুষ্ঠুভাবে ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০:০০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা বিভাগের আয়োজনে ভার্চুয়ালি (অনলাইন প্ল্যাটফর্মে) এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ হাবিবুল্যাহ মাহামুদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য প্রদান করেন বাউবির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য বলেন, "বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা সম্পর্কে প্রচলিত নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তনে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীলভাবে পরীক্ষা গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য পরীক্ষা বিভাগ, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র, পরীক্ষা কমিটি, শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার্থীদের প্রতি মানবিক আচরণ করতে হবে, তবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধানের মধ্য থেকেই করতে হবে। তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ এগিয়ে চলছে এবং আইসিটি প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিশেষ টিম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন এবং পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটর করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও অনুমোদন সংক্রান্ত পেন্ডিং কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করেন।
মাননীয় উপাচার্য বিএ এবং বিএসএস পরীক্ষা-২০২৫ নকলমুক্ত, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে আয়োজনের পাশাপাশি উত্তরপত্র দ্রুত মূল্যায়ন এবং স্বল্পতম সময়ে ফলাফল প্রকাশের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। এ লক্ষ্যে পরীক্ষা শুরুর পর থেকেই মনিটরিং জোরদারের কথা জানান। তিনি আসন্ন পরীক্ষা নিয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে গণমাধ্যম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ইতিবাচক প্রচারণার ওপর গুরুত্ব দেন এবং পরীক্ষার সার্বিক সাফল্যের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন মাননীয় প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, মাননীয় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম এবং মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম।
সভাপতির বক্তব্যে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ হাবিবুল্যাহ মাহামুদ বলেন, "বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিনের জটিলতা থেকে বের হয়ে আসছে। এবারও পরীক্ষা কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের তুলনায় এক থেকে দেড় মাসেরও বেশি সময় এগিয়ে আনা হয়েছে এবং ফলাফল প্রকাশের সময়ও কমিয়ে আনা হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই এ পরীক্ষায় পুরাতন খাতা ব্যবহার করা যাবে না এবং একজন পরীক্ষার্থী ১০টি কোর্সের বেশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে তিনি আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সতর্কতার সাথে পরীক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানান। পরীক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত সহযোগিতা কামনা করেন। দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষার প্রস্তুতি ও কার্যক্রমে সময় দেওয়ার জন্য তিনি সকলকে পরীক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং সবার সহযোগিতায় সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উক্ত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসএইচএল-এর ডিন অধ্যাপক তানভীর আহসান, এসএসএস বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তালেব, বিএ/বিএসএস পরীক্ষা-২০২৫-এর ১ম ও ২য় সেমিস্টার (পার্ট-১) পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ড. মোঃ জাকির হোসেন তালুকদারসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের মতামত ও বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
আইসিটি উপদেষ্টা, পরীক্ষা-সংক্রান্ত কমিটির সদস্যবৃন্দ, তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক এবং পরীক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, বিভিন্ন উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের প্রধানগণ সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।
আসন্ন পরীক্ষায় সারা দেশের ২ শত ৮৮ টি কেন্দ্রে মোট ২ লাখ ৪৭ হাজার ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবেন। বিস্তারিত তথ্য ও আপডেটের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (www.bou.ac.bd) ভিজিট করার অনুরোধ করা হলো।