বেনজীর আহমেদ
বেনজীর আহমেদ, সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন ১৯৮৮ সালে। এরপর দীর্ঘ চাকরি জীবনের শেষের দিকে পুলিশ ও র্যাবের সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ের মধ্যে ক্ষমতার অব্যবহার করে গড়ে তোলেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়। তার বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার নানা অপকর্ম প্রকাশ হয়। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত হয়। এরপর একে একে তার অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির নানা তথ্য বের হতে থাকে। শুধু তাই নয় তার পরিবারের সদস্যদেরও বিপুল সম্পদের খোঁজ পায় দুদক।
দুদকের অনুসন্ধানের মধ্যে ২০২৪ সালের ৪ মে সপরিবার দেশ ছাড়েন বেনজীর। তার দেশ ত্যাগের পরও আইনি প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
এরমধ্যে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে রেড নোটিশ জারি করতে আবেদন করে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)। নোটিশও জারি করা হয়। ওই পরোয়ানার প্রেক্ষিতে দুবাইয়ে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
আজ রোববার (১৪ জুন) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র এআইজি শাহাদাত হোসেন। এদিকে, বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে তার অবৈধ সম্পদ, লুটপাট, দখলসহ বিভিন্ন অপকর্মের কথা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা : বেনজীরের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৫-২০ সাল পর্যন্ত র্যাবের মহাপরিচালক এবং পরে আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুমের সঙ্গে তার জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ২০২১ সালে র্যাব এবং বেনজীর আহমেদসহ কয়েকজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট। ওই সময় ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট উল্লেখ করে, ২০০৯ সাল থেকে ৬০০-এর বেশি গুম এবং ২০১৮ সাল থেকে প্রায় ৬০০ বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে র্যাবের বিরুদ্ধে।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ : দুদকের দেওয়া চার্জশিট অনুযায়ী, বেনজীরের প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সম্পদ বিবরণীতে তিনি ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার স্থাবর ও ৫ কোটি ৭৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু দুদকের তদন্তে স্থাবর ৭ কোটি ৫২ লাখ এবং অস্থাবর ৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য বেরিয়ে আসে, যা ঘোষণার চেয়ে অনেক বেশি। এ ছাড়া নিজের মেয়ে জাহরা জাবিন বিনতের সম্পদও তিনি সম্পদ বিবরণীতে গোপন করেছিলেন।
অর্থ পাচার : অবৈধ আয়ের উৎস ও মালিকানা গোপন করতে বেনজীর আহমেদ বিভিন্ন ব্যাংক, ব্যবসা ও যৌথ মূলধনি প্রতিষ্ঠানে অর্থ বিনিয়োগ এবং স্থানান্তর করেছেন। স্ত্রী জিসান মির্জার নামে দুবাইয়ে ১ কোটি ৪ লাখ ৭৯ হাজার দিরহাম মূল্যের দুটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে।
এ ছাড়া সেখানকার দুটি ব্যাংক হিসাবে ১ লাখ ৬২ হাজার দিরহাম পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ জব্দ ও হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন আদালত।
শুধু দুবাই নয়, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও বিনিয়োগের তথ্য চেয়ে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল রিকোয়েস্ট’ (এমএলআর) পাঠিয়েছে দুদক।
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, জমি, ফ্ল্যাটের ছড়াছড়ি : আদালত ইতোমধ্যে বেনজীর ও তার পরিবারের নামে থাকা ৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, ব্যাংক হিসাব ও বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ৫ মার্চ একদিনেই ঢাকার গুলশানের ‘র্যাংকন আইকন টাওয়ারে’ চারটি ফ্ল্যাট কেনেন তিনি। ৯ হাজার ১৯২ বর্গফুটের এসব ফ্ল্যাটের দাম দেখানো হয় মাত্র ২ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা বাজারদরের তুলনায় অস্বাভাবিক রকম কম। সরকারি চাকরিজীবী হওয়া সত্ত্বেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো অনুমোদন ছাড়াই তিনি এসব ব্যবসা ও সম্পদ করেছেন।
জমি দখল : মাদারীপুর ও গোপালগঞ্জে ‘সাভানা ইকো রিসোর্টের’ নামে প্রায় ৬০০-৬২১ বিঘা জমি কেনা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এলাকার বেশ কয়েকটি সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারকে ভয় দেখিয়ে ও জোর করে এসব জমি বিক্রি করতে বাধ্য করা হয়। এ ছাড়া গাজীপুরের কালীগঞ্জেও হিন্দু ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের জমি কম দামে কেনা এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ নিয়ে দুদক কাজ করছে বলে জানা গেছে।
ইসিএ এলাকায় জমি : সাভানা রিসোর্টের প্রাথমিক পরিবেশ ছাড়পত্রের মেয়াদ শেষ হলেও চূড়ান্ত ছাড়পত্রের কোনো আবেদন করেননি বেনজীর। এমনকি রিসোর্টের কাজ তদারকির জন্য পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। সাবেক আইজিপি নুর মোহাম্মদ এ বিষয়ে বলেছিলেন, ব্যক্তিগত কাজে পুলিশের ব্যবহার সম্পূর্ণ অপরাধমূলক।
এ ছাড়া পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) সেন্ট মার্টিনে ১ দশমিক ৭৫ একর এবং কক্সবাজারের ইনানী সৈকতের কাছে স্ত্রী-কন্যাদের নামে ৭২ শতক জমি কিনেছেন সাবেক এই আইজিপি।
দুদকের মামলা : ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগে বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
অভিযোগপত্র বা চার্জশিট : দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেনজীর তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ গোপন করেছেন এবং তার নামে অন্তত ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে।
আদালতের পরোয়ানা : অভিযোগপত্র গ্রহণের পর চলতি বছরের মার্চ মাসে ঢাকার একটি বিশেষ আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর মে মাসে তার অনুপস্থিতিতেই আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা : ২০২১ সালের ডিসেম্বরে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও ট্রেজারি বিভাগ র্যাবের সাবেক ও বর্তমান ৭ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়, যার মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল।
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের আইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
৯ দিনের সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি। গতকাল (শনিবার, ৩ অক্টোবর) তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন।
সফরের প্রথম পর্যায়ে সেনাবাহিনী প্রধান অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিতব্য ‘ল্যান্ড ফোর্সেস ইন্টারন্যাশনাল ল্যান্ড ডিফেন্স এক্সপোজিশন ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করবেন। পাশাপাশি, মেলবোর্নে অবস্থিত ডেকিন ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন করবেন।
পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিতব্য ‘অ্যাসোসিয়েশন অব দ্য ইউএস আর্মি অ্যানুয়াল মিটিং অ্যান্ড এক্সপোজিশনে যোগদান করবেন।
সফরকালে সেনাবাহিনী প্রধান উভয় দেশের প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।
ভূমিকম্প
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল মধ্যরাতে মাত্র ৭৫ মিনিটের ব্যবধানে পরপর তিন ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টা থেকে রাত দেড়টার মধ্যে হওয়া এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার, ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরা। এরপর ভোরেও ৪ দশমিক ৮ মাত্রার ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এ তথ্য দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, শনিবার রাত ১২টা ১২ মিনিটে মিয়ানমার বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় একটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এর মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৯। এতে কক্সবাজার ও টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা কেঁপে ওঠে। এমনকি চট্টগ্রামেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
মিয়ানমারের ভূমিকম্পের ঠিক এক মিনিট পর বাংলাদেশ ভারত সীমান্তে মিজোরামের লুংলেই এলাকায় রিখটার স্কেলের ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এতে করে দেশের চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হয়।
এরপর রাত ১টা ২৭ মিনিটে ত্রিপুরার আগরতলায় রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। এতেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্যেও ত্রিপুরার ডালাই এলাকায় ৩ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, ভোরের দিকে আরও একটি ভূকম্পন রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঢাকা থেকে ৪৪৩ কিমি দূরত্বে ৪ দশমিক ৮ মাত্রার এ ভূমিকম্প ভোর ৪টায় অনুভূত হয়। তবে ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নূর ইসলামের ‘ফু-ওয়াং বোলিং অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’সহ ঢাকার চারটি বার ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিভিন্ন সংস্থা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) এনবিআরের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এনবিআরের জনসংযোগ দপ্তর এ তথ্য জানায়।
অভিযান চালানো অন্য তিন প্রতিষ্ঠান হলো- আরএ ডাব্লিউ ক্যানভাস রেস্টুরেন্ট, হাবিব হোটেল ইন্টারন্যাশনাল, মার্গারিটা লাউঞ্জ।
এনবিআর জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার কয়েকটি বার, রেস্টুরেন্ট, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউজ ও ডিউটি ফ্রি শপে অবৈধ উৎস থেকে অ্যালকোহল বা অ্যালকোহলজাত পণ্য সংগ্রহ, প্রযোজ্য শুল্ক-মূসক ও আয়কর ফাঁকি এবং অননুমোদিত গ্রাহকের কাছে এসব পণ্য সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংবাদপড়ুন
অভিযানের জন্য কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) চারটি দল গঠন করে। এসব দলের সঙ্গে এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট, সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি), মূসক নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকার (উত্তর) কর্মকর্তারা যুক্ত রয়েছেন।
অভিযানের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে পরিদর্শন, তল্লাশি, নথিপত্র যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য আটক করার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে মজুত থাকা অ্যালকোহল ও অ্যালকোহলজাত পণ্যের পরিমাণ, সেগুলোর বৈধ উৎস, আমদানি ও ক্রয়সংক্রান্ত দলিল, প্রযোজ্য শুল্ক-মূসক ও আয়কর পরিশোধ এবং পণ্যের বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে। অভিযানে কোনো অনিয়ম বা রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরে টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড’র অনুমোদিত ওয়্যারহাউজের বাইরে আরও দুটি অননুমোদিত ওয়্যারহাউজে মদ মজুত পাওয়ার কথা জানায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর ( সিআইআইডি)। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির চারটি ওয়্যারহাউজই সিলগালা করা হয়েছে বলেও জানায় সংস্থাটি।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ডিপ্লোমেটিক ওয়্যারহাউজ ‘টস বন্ড’ বিদেশি কূটনীতিকদের শুল্কমুক্ত অ্যালকোহল সরবরাহ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি আলোচিত ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের। টস বন্ডের বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত পণ্য খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ আসায় তা নিয়ে কয়েক মাস ধরেই অনুসন্ধান চলছিল।
এনবিআর কর্মকর্তারা শেখ নূর ইসলামকে ওয়্যারহাউজটির মালিক বললেও ফু-ওয়াং দাবি করেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম বা তার পরিবারের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।
ফু-ওয়াং কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে টস বন্ডকে শেখ নূর ইসলামের প্রতিষ্ঠান হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, সম্প্রতি টস বন্ড নামের একটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটিকে শেখ নূর ইসলামের প্রতিষ্ঠান হিসেবে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’।
সম্প্রতি ঢাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজের প্রকল্প এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় ক্ষমতাসীনদের দায়ী করার পর এসব তদন্তের গতি বাড়ে।
ফু-ওয়াং বলছে, “কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে শেখ নুর ইসলামের কন্যা দিশা ইসলামের বিয়ে শেখ নুর ইসলাম বা তার পরিবার মেনে নেননি।
“উক্ত বিয়ের পর থেকেই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে শেখ নুর ইসলাম ও তার পরিবারের সকল প্রকার সামাজিক ও পারিবারিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।”
এআই জেনারেটেড প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টানা ১০ দিনের ছুটি পাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসার ছুটির তালিকা এবং সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এ বন্ধ উপভোগ করা যাবে। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে ছুটির সময়সূচিতে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে।
এদিকে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটিও বাড়িয়েছে সরকার। আগামী ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে নতুন করে ছুটি ঘোষণা করায় এবারের দুর্গাপূজায় সরকারি চাকরিজীবীরা মোট পাঁচদিনের ছুটি পাচ্ছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর (মঙ্গলবার) মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর (বুধবার) বিজয়া দশমী উপলক্ষে আগে থেকেই ছুটি নির্ধারিত ছিল। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) নতুন করে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাচ্ছেন।
অন্যদিকে ২০২৬ সালের সরকারি, বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচদিনের ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। ছুটি শুরুর আগে ও পরে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শিক্ষার্থীরা আরও চারদিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পেতে পারে।
পরদিন ২৫ অক্টোবর রোববার লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আরও একদিন ছুটির সুযোগ রয়েছে। ফলে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৬ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১০ দিনের পাওয়া যাবে। তবে এ ছুটির বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটির সময়সূচিতে পরিবর্তনও আসতে পারে।
এদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কলেজ-৪ শাখার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কলেজে এ বছর ১৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ১০ দিনের ছুটি রাখা হয়েছে। এ হিসাবের মধ্যে মাঝের দুই শুক্রবার ও শনিবার অন্তর্ভুক্ত নয়। দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমীর পাশাপাশি প্রবারণা পূর্ণিমা ও ২৫ অক্টোবরের লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে এই ছুটি রাখা হয়েছে।
আগামীতে পাঠ্যবই ছাপায় মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, নিম্নমানের বই সরবরাহের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।
আজ শনিবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘কচুয়া উপজেলা সমিতি, ঢাকা’ আয়োজিত ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে যেসব নিম্নমানের বই পাওয়া গেছে, সেগুলো বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে। পাঠ্যপুস্তক ছাপায় গুণগত মানে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। কাগজ, কালি ও ছাপাখানা ইত্যাদি বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী চান দেশীয় মুদ্রণশিল্প গড়ে উঠুক, তাই এ বছর বিদেশি কোনো কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেওয়া হয়নি।’
তিনি বলেন, অতীতে যেমন সময়মতো বই দেওয়া সম্ভব হয়েছিল, আগামীতেও গুণগত মানের বই সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।
মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে বর্তমানে ১৫০টি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 'মিড ডে মিল' কর্মসূচি চালু রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে কুপন দিয়ে ক্যান্টিন থেকে নিজেদের পছন্দমতো খাবার কিনতে পারে, সেজন্য কুপন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। খাদ্যতালিকায় নতুন খাদ্য যুক্ত করার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতি ও উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে খাবার সরবরাহ প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে, যা কয়েকটি জেলায় পাইলটিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা সংক্রান্ত কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যাতে মূল্যবান সময় নষ্ট না হয়, সে জন্য নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। বর্ষাকালীন দুর্যোগ পরিহার করা হবে। পরীক্ষার নিরাপত্তা বাড়াতে আগামীতে দুই সেট প্রশ্নপত্র দুটি ভিন্ন স্থান— বিজি প্রেস ও আর্মি সিকিউরিটি প্রেস থেকে ছাপানো হবে।
পাশাপাশি পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় বাস্তবসম্মত পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ ছাড়া চতুর্থ শ্রেণিতে স্পোর্টস ও কালচারাল বই অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় নতুন কারিগরি সিলেবাসে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন এবং সেখানে তৃতীয় ভাষা চালুর পরিকল্পনার কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। একই সাথে সৌদি আরবে একটি টেকনিক্যাল স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক 'এডুকেশন হাব' হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার 'ক্রস বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম' চালু করতে যাচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে সেরা ৫০০-এর মধ্যে থাকা বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে সেটির অনুমোদনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করা হবে।
কচুয়া উপজেলা সমিতি, ঢাকার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুন নাহার বেবি।
অনুষ্ঠানে কচুয়ার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সমবায় ভবনে ইউএনও এবং ডিডি (এলজি)-দের অংশগ্রহণে ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভা’য় কথা বলেন। ছবি: বাসস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে শুধু ঘোষণা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকেননি। ইতোমধ্যে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনের ছাদে সৌর প্যানেলে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে ১ হাজার ইউনিট নিজে ব্যবহার করেছেন এবং জাতীয় গ্রিডে ১২শ’ ইউনিট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, গত তিন দিনে এই পরিমাণ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সমবায় ভবন থেকে শুরু করে সকল জাতীয় ভবনের ছাদ ব্যবহার করে নিজস্ব চাহিদা পূরণের পাশাপাশি সরকারকে সৌর বিদ্যুৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়াকে ব্যবসা হিসেবে দেখার কথাও বলেছেন প্রতিমন্ত্রী।
আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সমবায় ভবনে দেশের সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং ডিডি (এলজি)-দের অংশগ্রহণে ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভা’য় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।
দুর্গাপূজা সামনে রেখে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলার ঝুঁকির বাপারে মাঠপর্যায়ে ইউএনওদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো বিশৃঙ্খলা হতে দেওয়া যাবে না।
এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে ইউএনওদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সরকার।’
প্রতিমন্ত্রী ইউএনওদের উদ্দেশে বলেন, এলাকার গরিব মানুষ ইউএনওর কাছে হাত পাতে। প্রত্যেক ইউএনওর জন্য ঐচ্ছিক ফান্ড দেওয়া জরুরি। এতে গরিবদের তাৎক্ষণিক ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া যায়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই অর্থের জোগান না দিতে পারলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় রাজস্ব আয় থেকে বরাদ্দ দেওয়ার আয়োজন করবে। বিদ্যুতের নেট মিটারিং পদ্ধতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সাথে বসে ফয়সালা করার কথাও বলেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে ইউএনওদের তত্ত্বাবধানে। কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম মুয়াজ্জিন কার্ড, খাল খননসহ নানা কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ সরাসরি তদারকি করছেন। প্রতিবছর ডিসি সম্মেলনের মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বার্ষিক সম্মেলন হলে সরাসরি উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও দাবি-দাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা সম্ভব।
বিএনপি সরকার জনগণের সরকার এবং নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম । তিনি বলেন, স্বৈরাচার আমলে সরকারের নির্দেশনা মানতে গিয়ে অনেক কর্মকর্তাই নিজেদের চাকরি হারিয়েছেন; কিন্তু বিএনপি সরকার কাউকে বলবে না— দিনের ভোট রাতে করতে, ডামি নির্বাচন করতে।
তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু করেছে বিএনপি। মিরপুরের ঘটনায় উত্তরের কমিটি বাতিল করা হয়েছে, সংসদ সদস্যকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়, এমপির ব্যক্তিগত দায় সরকার নেবে না। এছাড়া নদী ও পুকুরের পানি পরিশোধনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ বাড়িয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।