লঞ্চের ভাড়া বাড়লো
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর ভাড়া বাড়ছে গণপরিবহনের। এরই ধারাবাহিকতায় ঞ্চের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। প্রথম ১০০ কিলোমিটারের প্রতি কিলোমিটারে ২৩ পয়সা ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।
এ ছাড়া ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ২০ পয়সা। এছাড়া, লঞ্চের সর্বনিম্ন ভাড়া ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নৌ পথের ভাড়া বৃদ্ধির কথা জানান।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানো হয় বাসের ভাড়া। দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা।
যদিও বিআরটিএ যাত্রীবাহী বাসের ভাড়া দূরপাল্লার পথে কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল বাস মালিকদের সংগঠনগুলো।
ইসি আনোয়ারুল
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আগামী জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে বলে আশা করি। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে এমন আশার কথা জানান তিনি।
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বর বাদ দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করার চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন। বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভোট হবে না। পরীক্ষা শেষে জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে আশা করি।
তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যুক্ত থাকেন। তাই এই সময়টাতে নির্বাচন করা কঠিন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে সরকারের সাথে চিঠি চালাচালি করতে হয় এমন কোন নজির নেই। সরকারের সাথে নির্বাচন উপযোগীর তালিকা চাওয়া হয়েছে।
নির্বাচনে তারিখ পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাস্তবতার নিরিখে নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।
এর আগে সেপ্টেম্বরে তফসিল দিয়ে নভেম্বরের মাঝামাঝি ভোট শুরু করতে চেয়েছিল ইসি। এমনকি সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার সম্ভাব্য তারিখও ঘোষণা করেছিল। তবে সরকারের আপত্তি ও নানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ইসি। বিশেষ করে শিক্ষা ও পুলিশ প্রশাসন এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০২৭ সালের জানুয়ারির আগে নির্বাচন চায় না।
ছবি : সংগৃহীত
সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের ১২টি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। বাহিনীটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় হেলমেট ব্যবহার, কাগজপত্র সঙ্গে রাখা, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের নির্দেশনা
> মোটরসাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে হেলমেট এবং গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে সিটবেল্ট ব্যবহার করুন।
> মোটরসাইকেলে চালকসহ আরোহী কোনোভাবেই দুইয়ের অধিক হবে না।
> মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকুন।
> নির্ধারিত গতিসীমা এবং ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলুন।
> বড় এবং ভারী যানবাহনের ব্লাইন্ড স্পট সম্পর্কে সচেতন থাকুন, যাতে চালক আপনাকে দেখতে পায়।
> লেন পরিবর্তন কিংবা টার্ন নেওয়ার পূর্বে ইন্ডিকেটর ব্যবহার করুন।
> অন্য পরিবহনের সাথে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।
> বিরূপ আবহাওয়ায় গতি কমিয়ে সাবধানে গাড়ি চালান।
> ট্রাফিক জ্যাম কিংবা অন্য চালকদের ভুলে মেজাজ হারাবেন না।
> মাদক সেবন করে, নিদ্রাচ্ছন্ন চোখে কিংবা উল্টো পথে গাড়ি চালাবেন না।
> মহাসড়কে ওভারটেকিং থেকে বিরত থাকুন, নির্ধারিত লেন মেনে গাড়ি চালান হালনাগাদকৃত কাজগপত্র সঙ্গে রাখুন।
> বাংলাদেশ পুলিশ এসব নির্দেশনা মানার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আপনার ও আপনার পরিবারের নিরাপত্তায় সতর্ক থাকুন।
ছবি : সংগৃহীত
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে বাসের পাশাপাশি লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক, নৌ ও রেল মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবি। তিনি বলেছেন, লঞ্চে প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে ২৩ পয়সা করে এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে ২০ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।
তবে রেল ও ফেরির ভাড়া না বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ অবস্থানের কথা জানান মন্ত্রী রবি।
তিনি বলেন, “যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩ টাকা ১৮ পয়সা করা হয়েছে।
“১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৭২ পয়সা করা হয়েছে, অর্থাৎ বেড়েছে ২০ পয়সা।”
রেল ও ফেরির ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নে মন্ত্রী রবি বলেন, “এখন পর্যন্ত রেলের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়নি। ভাড়া না বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। চাইব ভাড়াটা যাতে না বাড়িয়ে অ্যাডজাস্ট রাখা যায়।
“ফেরিতে লোকসান হলেও জনস্বার্থে ভাড়া না বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।”
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর এর আগে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।
দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয় ২ টাকা ৭০ পয়সা।
এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা এবং মিনিবাসে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগের দিন থেকে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়।
নতুন দর অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা) তিনি ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটা নতুন ইতিহাস সৃষ্টির মাধ্যমে বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার পর জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন। তিনি দেশের আবেগ অনুভূতি এবং আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাংলায় এ ভাষণ দেবেন।’
এদিন সরকারপ্রধান এবারের অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবেলা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যও দেবেন।
বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন।
ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারের কৃষকদের জন্য চাহিদার তুলনায় বেশি সার বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার। তবুও জেলাজুড়ে সারের জন্য হাহাকার করছে কৃষকরা।কারন ভর্তুকির সার প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে পাচারকারী সিন্ডিকেটেে হাত ধরে চলে যাচ্ছে মিযানমারে। ফলে তৈরি হয়েছে সার সংকট। আর সংকট নিয়েই বেকায়দায় পড়েছে সরকারএ থেকে উত্তোরনের জন্য সীমান্তের দলীয় কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন উখিয়া- টেকনাফের সংসদ সদস্য।
অন্যদিকে চলতি বছরের জুন থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯০৮ কেজি সার জব্দ করেছে বিজিবি ও কোস্টগার্ড। এ সময় ১২৭ জনকে আটক করে মামলা করেছে সংস্থা দুটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ বেশি থাকার পরও সারের একটি অংশ পাচার হয়ে যাওয়ায় সরবরাহব্যবস্থায় চাপ তৈরি হচ্ছে।
সংঘবদ্ধ পাচারকারীরা বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে নৌকার মাঝি, উপকূল ও সীমান্তঘেঁষা এলাকার বাসিন্দা এবং ভাড়ায় লোক ব্যবহার করে সার পাচার করছে। কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া, সেন্টমার্টিন, কুতুবদিয়াসহ উপকূলীয় এলাকা এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু ও ঘুমধুম সীমান্ত এ কাজে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। জেলা প্রশাসন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে কক্সবাজারের জন্য ইউরিয়ার চাহিদা ১ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে সরকার বরাদ্দ দিয়েছে ২ হাজার ৩৪৩ মেট্রিক টন। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে ৫০০ মেট্রিক টন বেশি ইউরিয়া বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
একইভাবে টিএসপির চাহিদা ৪৭৫ মেট্রিক টনের বিপরীতে ৪৭৫ মেট্রিক টন, ডিএপির চাহিদা ৭৮৯ মেট্রিক টনের বিপরীতে ৮৮৯ মেট্রিক টন এবং এমওপির চাহিদা ৩৬৮ মেট্রিক টন। তারপরও সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের একাংশ প্রয়োজনমতো সার না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের প্রান্তিক চাষি সাইফুদ্দিন মোবারক বলেন, ‘আমি সারের জন্য ডিলারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। কিন্তু আমার প্রয়োজনমতো সার পাইনি। অথচ প্রায়ই প্রতিদিন আমার ও আমার পাশের ইউনিয়ন দিয়ে মিয়ানমারে সারসহ নানা পণ্য পাচার হচ্ছে।
টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কচুবনিয়ার কার্ডধারী কৃষক আবদুল গফুর বলেন, যাদের সার কম লাগে, তারা ঠিকঠাক সার পাচ্ছেন। কিন্তু যাদের জমির পরিমাণ বেশি, তারা সার পাচ্ছেন না। তাঁর অভিযোগ, ডিলাররা কৃষক নন এমন অনেকের কাছেও খুচরা সার বিক্রি করছেন।
পরে সেই সার মজুত করে পাচার করা হচ্ছে। ফলে প্রান্তিক কৃষকেরা সার না পেলেও পাচারকারীরা সার পাচ্ছেন। কোস্টগার্ড ও বিজিবির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে, জুন থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্ত থেকে মোট ২ লাখ ৪৭হাজার ৯০৮ কেজি সার জব্দ করা হয়েছে। একই সময়ে ১২৭ জনকে আটক করে সার পাচারের অভিযোগে মামলা করেছে সংস্থা দুটি। এর মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ, সেন্টমার্টিন, কুতুবদিয়াসহ বিভিন্ন উপকূল থেকে ৩ হাজার ২৫২ বস্তা বা ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬০০ কেজি সার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড।
সার পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮২ জনকে আটক করে জেলার বিভিন্ন থানায় ৯টি মামলা করেছে সংস্থাটি। কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন সাব্বির আলম সুজন বলেন, অভিযানে আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশই শ্রমিক। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে মামলাগুলোতে মূলহোতাদের আসামি করার চেষ্টা করা হয়। এরপর বাকি দায়িত্ব তদন্ত কর্মকর্তার। একই সময়ে ৬৪ বিজিবি ৫০ হাজার ৪০০ কেজি, ১১ বিজিবি ২ হাজার ৯০০ কেজি, ৩০ বিজিবি ৫ হাজার কেজি, ২ বিজিবি ৭০০ কেজি এবং ৩৪ বিজিবি ১৪ হাজার ৩০৮ কেজি সার জব্দ করেছে। এ ছাড়া উখিয়া ও টেকনাফ থেকে ৪৫ জনকে আটক করে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছে বিজিবি। সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানান, এসব মামলার অধিকাংশ আসামিই বহনকারী। এদিকে ১৮ সেপ্টেম্বর উখিয়ার স্থানীয় জনতা ১০২ বস্তা সার উদ্ধার করে কৃষি কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছে।
টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, অভিযানের সময় যাঁদের হাতে-নাতে ধরা হয়েছে, তাঁদের আসামি করার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য কিংবা প্রাথমিকভাবে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে যাঁদের নাম পাওয়া গেছে, তাঁদেরও আসামি করা হয়েছে। অন্তরালে থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার দায়িত্ব তদন্তকারী সংস্থার। উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের দায়িত্বে থাকা বিজিবির প্রতিটি ব্যাটালিয়ন সার পাচার রোধে কাজ করছে।
স্থলপথে নজরদারি কঠোর করায় পাচারকারীরা জলপথ বেছে নিয়েছে। কোস্টগার্ড ও বিজিবির অভিযানে মাঝেমধ্যে সারবোঝাই ট্রলার, কার্গো বোট ও বহনকারীরা আটক হলেও পাচারের নেপথ্যে থাকা মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। ফলে একের পর এক চালান জব্দ হলেও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ এই বাণিজ্য। খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মিয়ানমারে বাংলাদেশের তুলনায় সারের দাম কয়েক গুণ বেশি।
পাচারকারীরা দেশে ১ হাজার ৩৫০ টাকা দামের এক বস্তা ইউরিয়া মিয়ানমারে প্রায় ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। এই বিপুল দামের পার্থক্য পাচারকারীদের উৎসাহিত করছে। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আইনজীবী শাহীন শাহ বলেন, সার পাচারে তিনটি গ্রুপ জড়িত। এর মধ্যে ছোটখাটো ইয়াবা কারবারিরা সরাসরি পাচার করে। পাশাপাশি কিছু ডিলার ও কৃষি কার্ডধারী প্রান্তিক কৃষক টাকার লোভে পাচারকারীদের হাতে সার তুলে দেন। তাঁর দাবি, অনেক ক্ষেত্রে ইয়াবা ও মানবপাচারকারীদের গডফাদাররা সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাচারে অর্থ লগ্নি করেন।
মাঠপর্যায়ে কাজ করা কৃষি অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, সার পাচারচক্রটি অন্তরালে থেকে প্রান্তিক কৃষকদের ব্যবহার করে ডিলারদের কাছ থেকে সার সংগ্রহ করে।
পরে তা উপকূলীয় এলাকায় নিয়ে মজুত করা হয়। সুযোগ বুঝে নৌকার মাঝি, সীমান্তে বসবাসকারী কৃষক কিংবা রাখালদের মাধ্যমে সেগুলো ওপারে পাচার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ডিলারদের সঙ্গে পাচারকারীদের যোগসাজশও থাকে বলে জানান তিনি। টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, সীমান্তে বসবাসকারী লোকজন সচেতন না হলে পাচার রোধ করা প্রায় অসম্ভব। তবে সার বিতরণের সময় তাঁদের একজন কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে পাচার রোধে কাজ করছেন। তিনি বলেন, সীমান্তের পাচারকারী চক্র একই।
যারা মাদক ও অস্ত্র আনে কিংবা মানবপাচারে জড়িত, তারাই সার পাচারের মূলহোতা। উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিস সরকার বলেন, সার পাচার রোধে তাঁরা কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন। কৃষকদের সার দেওয়ার সময় বস্তা খুলে দেওয়া হচ্ছে। উখিয়ায় পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ১২টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজন ডিলারের নামেও মামলা রয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের অন্তত ১৫টি পয়েন্ট দিয়ে সার মিয়ানমারে পাচারের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আনজুমানপাড়া অন্যতম প্রধান রুট। টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের উলুবনিয়া, হারাইঙ্গাঘোনা, ঝিমংখালী, কানজরপাড়া, তুলাতলি, কোনারপাড়া ও আমতলী এবং হ্নীলার লেদা, দমদমিয়া খাল, হ্নীলা বাজার, স্টেশন ও রঙ্গিখালীকেও স্থানীয়ভাবে পাচারের রুট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী অধিকাংশ স্থানকে পাচারের পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। টেকনাফ থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি তাঁর থানায় সার পাচারসংক্রান্ত কিছু মামলা হয়েছে। সারের এই বিপুল মূল্যপার্থক্যের পেছনে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলের পরিস্থিতিও ভূমিকা রাখছে বলে মনে করেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও মিয়ানমারের সিটওয়েতে বাংলাদেশের সাবেক কনস্যুলেট প্রধান ও কূটনীতিক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অধিকাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ এখন আরাকান আর্মির হাতে।
ওই এলাকায় এ মৌসুমে প্রায় ৫ লাখ একর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে। কিন্তু মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সেনাবাহিনী ওই অঞ্চলে সার সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সেখানে সারের চাহিদা রয়েছে। চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে এবং সেই সুযোগ নিচ্ছে চোরাকারবারিরা। তিনি বলেন, আরাকান আর্মি দুটি উপায়ে সার সংগ্রহের চেষ্টা করছে একটি সমঝোতার মাধ্যমে, অন্যটি চোরাকারবারের মাধ্যমে।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, কোস্টগার্ড কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পাচারের একটি অংশই উদ্ধার করতে পারছে। এদিকে জেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তা সহ একটি গোয়েন্দা সংস্থা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করে সার পাচার, অতিরিক্ত দাম নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগে সীমান্তবর্তী এলাকার প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনিয়মে জড়িত ডিলারদের নিয়ে কালো তালিকা করেছে। সেখানে কক্সবাজারের কয়েকজন ডিলারের নামও রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক ড. বিমল কুমার প্রামাণিক বলেন, জেলার চাহিদার তুলনায় এ মৌসুমে সরকার বেশি সার বরাদ্দ দিয়েছে।
তাই সার সংকটের প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন, নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকায় জেলার কয়েকটি উপজেলার কিছু ডিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অনিয়মে জড়িত ডিলারদের নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কালো তালিকা করেছে এবং সেখানে এ জেলারও কয়েকজনের নাম রয়েছে। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সার পাচারে যারা জড়িত, তারাই ইয়াবা, আইসসহ নানা ধরনের মাদক পাচারে জড়িত।
ওপার থেকে ডলার কিংবা টাকা আসার সুযোগ নেই। তাই পণ্য বিনিময় প্রথাতেই পাচার চলে বলে তাঁর দাবি। উখিয়া- টেকনাফের সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, একটি সিন্ডিকেট সার মিয়ানমারে পাচারে জড়িত। সেই পাচার রোধে আমি দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি জনগনকে সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছি, অনুরোধ করেছি। এর পরেই উখিয়ায় উখিয়ার সচেতন যুবকরা পাচারকারী সিন্ডিকেট থেকে সার জব্দ করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছে। আশা করছি এভাবে সীমান্তের লোকজন সচেতন হলে পাচার শূন্যের কোটায় নেমে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন, আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।’
একইসঙ্গে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সুলভ অর্থায়ন নিশ্চিত করাসহ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা, জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান তহবিলের পূর্ণ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আজ স্থানীয় সময় বিকেলে জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের উদ্যোগে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম, অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
তিনি বলেন, এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ১২ থেকে ১৮ শতাংশ পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। এতে কোটি কোটি মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যনিরাপত্তাও গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়বে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় ১ শতাংশের সমপরিমাণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের বাজেটে জলবায়ু অভিযোজনের জন্য প্রায় ৩ দশমিক ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সহায়তা ছাড়া বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির ঝুঁকি এড়াতে পারবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। একইসঙ্গে পানি সংরক্ষণ, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস, জলাভূমি পুনরুজ্জীবন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণের লক্ষ্যে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খননের কাজ চলছে। পদ্মা ব্যারাজ ও তিস্তা ব্যারাজের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের কাজও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাশাপাশি পাটজাত পণ্য, পরিবেশবান্ধব পরিবহন, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন ও সার্কুলার অর্থনীতির উদ্যোগসহ সবুজ শিল্পের প্রসারে কাজ করছে সরকার। একইসঙ্গে একটি জাতীয় কার্বন বাজার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এককভাবে বাংলাদেশের পক্ষে এসব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। ‘অভিন্ন কিন্তু পৃথক দায়িত্ব ও নিজ নিজ সক্ষমতা’ নীতির ভিত্তিতে সম্মিলিত পদক্ষেপ এখন অপরিহার্য।
জলবায়ু মোকাবিলায় পাঁচটি জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথমত, প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সীমা বজায় রাখতে বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে হবে।
দ্বিতীয়ত, জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য অভিযোজন খাতে পূর্বানুমেয় ও সুলভ অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
তৃতীয়ত, জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তিতে আরও বেশি প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক জলবায়ু উত্তরণের পথ তৈরি করতে হবে।
চতুর্থত, সুলভ অর্থায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণ করতে হবে।
সর্বশেষে, ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান তহবিলের পূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিতভাবে এর অর্থ পুনঃপূরণের আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তার জলবায়ু পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে সহায়তা করবে, এমন অংশীদারত্ব প্রত্যাশা করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেবেন।