ছবি : সংগৃহীত
এবার ঢাকার ২০টি আসনে মোট ভোটার প্রায় ৮৫ লাখ (৮৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৫ জন)। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৩ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ জন এবং নারী ভোটার ৪১ লাখ ২৩ হাজার ৪২১ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ১১৪ জন।
ঢাকার ২০ আসনের মধ্যে ১৯টিতেই নারীদের থেকে পুরুষ ভোটার বেশি। শুধু ঢাকা-২০ আসনে পুরুষের থেকে নারী ভোটার বেশি। এই আসনে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৯ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৭ হাজার ৮৩৫ জন। বিপরীতে নারী ভোটার এক লাখ ৮৮ হাজার ৮০২ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার দুজন।
ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে সব থেকে বেশি ভোটার ঢাকা-১৯ আসনে। এ আসনে মোট ভোটার ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯০৬ জন এবং নারী ৩ লাখ ৬৭ হাজার ১৫১ জন। এছাড়া ১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।
অন্য আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-১ আসনে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ১৪০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭৬ হাজার ৫০ জন, নারী ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের পাঁচজন। ঢাকা-২ আসনে ৪ লাখ ১৯ হাজার ২১৫ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৭ হাজার ৯০৮ জন, নারী ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন।
ঢাকা-৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬২ হাজার ১৫৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৪ হাজার ৯৭১ জন, নারী এক লাখ ৭৭ হাজার ১৮৪ জন এবং ৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের। ঢাকা-৪ আসনে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৬ হাজার ৪৬৭ জন, নারী এক লাখ ৭৬ হাজার ৩৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৫ জন।
ঢাকা-৫ আসনে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৪ হাজার ৫৯৪ জন। এ আসনে নারী ২ লাখ ৫ হাজার ৩৯৭ জন এবং ৫ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ঢাকা-৬ আসনে ২ লাখ ৯২ হাজার ২৮২ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৫২ হাজার ৫১৯ জন, নারী এক লাখ ৩৯ হাজার ৭৬১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন।
ঢাকা-৭ আসনে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮১ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১২ জন। ঢাকা-৮ আসনে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৫২ হাজার ৭৯৫ জন, নারী এক লাখ ২২ হাজার ৬৭৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের একজন।
ঢাকা-৯ আসনে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ জন, নারী ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৫ জন। ঢাকা-১০ আসনে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪ হাজার ৬০৪ জন, নারী এক লাখ ৮৪ হাজার ৫০ জন এবং ৬ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
ঢাকা-১১ আসনে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন। ঢাকা-১২ আসনে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩২০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৪ হাজার ৩৪৯ জন, নারী এক লাখ ৫৮ হাজার ৯৬৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন।
ঢাকা-১৩ আসনে ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯১ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৯ হাজার ৮১২ জন, নারী এক লাখ ৯৮ হাজার ৯৭১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন। ঢাকা-১৪ আসনে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৬ জন, নারী ২ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন।
ঢাকা-১৫ আসনে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন, নারী এক লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন। ঢাকা-১৬ আসনে ৪ লাখ ৪৯৯ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১ হাজার ১৬৮ জন, নারী এক লাখ ৯৯ হাজার ৩২৩ জন এবং ৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
ঢাকা-১৭ আসনে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৪ হাজার ৭০৯ জন, নারী এক লাখ ৫৯ হাজার ৬০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন। ঢাকা-১৮ আসনে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৮৩ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫০ জন, নারী ৩ লাখ ৮২৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৬ জন।
ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম
ঢাকা শহরের যানজট কমাতে এবং পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাটারিচালিত রিকশার ওপর কড়াকড়ি আরোপসহ অঞ্চলভিত্তিক চলাচলের নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সম্প্রতি নগর ভবনে আয়োজিত এক সভায় রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে এই পরিকল্পনার কথা জানান।
ডিএসসিসি প্রশাসক এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, ‘ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা ওই এলাকার মধ্যেই চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় গিয়ে যাতে যানজট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজন অনুযায়ী দিন ও সড়কভিত্তিক চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘রিকশার সমস্যাটা কোত্থেকে আসলো, কীভাবে আসলো- সেটা বের করে সমাধান করতে হবে। এই সমস্যাটাও আমাদেরই, আমাদেরই সমাধান করতে হবে। সিটি কর্পোরেশনকেই সমাধান করতে হবে।’
আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরের রাস্তায় বর্তমানে এদিক-সেদিক, উল্টো দিকসহ বিভিন্নভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। এসব রিকশা চালকদের অনেকেই ট্রাফিক আইন ও চলাচলের শৃঙ্খলা মানছে না। ফলে নগরীর বিভিন্ন সড়কে অযাচিত যানজট আরও বাড়ছে।
রিকশা ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বন্যা, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় এসে ফুটপাত ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান নিচ্ছে।
কেউ রিকশা চালাচ্ছে, আবার কেউ ভ্যান নিয়ে সবজি বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি করছে। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষের ঢাকামুখী প্রবেশ নগরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের মানুষকে কি আমরা ঢাকা শহরে জায়গা দিতে পারব? এটাও তো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’ এ কারণে রিকশা ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থাকে নিবন্ধনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন আব্দুস সালাম।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা ঢাকায় প্রবেশের প্রবণতা বেড়েছে। এসব রিকশাকে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। এজন্য ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কেউ ঢাকা শহরে রিকশা চালাতে পারবে না। কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে চলাচল করা কিংবা ডেমরা থেকে নদী পার হয়ে রিকশা নিয়ে অন্য এলাকায় চলে আসার কোন সুযোগ থাকবে না। একইভাবে উত্তর সিটির রিকশাও নির্বিচারে এই এলাকায় চলাচল করতে পারবে না।
আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করে দেব। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে আমরা এই বিষয়টিকে একটি পদ্ধতির মধ্যে আনতে চাই। সেটার জন্য তো কিছুটা সময় লাগবে এবং এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা চাই।’
রিকশার পাশাপাশি বাস চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, ঈদের আগে যত্রতত্র বাস থামানো এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘যত্রতত্র যাতে বাস থামাতে না পারে, যত্রতত্র যেখান সেখান থেকে যাতে যাত্রী উঠাতে না পারে-এটাও একটা সিস্টেমে আনতে হবে।’
আব্দুস সালাম বলেন, পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কিছু সময় দেওয়া হয়েছে এবং এখন পরিবহন ব্যবস্থাকেও একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ চলছে। আশা করি, কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা পদ্ধতির মধ্যে চলে আসবে, ইনশাআল্লাহ।
শাহবাগ মোড়ে চালু হলো স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল
ঢাকার যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, তীব্র যানজট ঢাকার অন্যতম প্রধান সমস্যা। এতে প্রতিদিন নাগরিকদের মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। এ সমস্যা টেকসইভাবে সমাধানের লক্ষ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার মাধ্যমে যানবাহন চলাচল আরো নিয়মতান্ত্রিক ও গতিশীল করতে একটি বিশেষ পাইলট প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকার ২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর অংশ হিসেবে ডিএসসিসির আওতাধীন আটটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে সিগন্যাল ব্যবস্থা প্রস্তুত করা হয়েছে। এগুলো হলো-বাংলামোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম চত্বর, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ মোড়। এর মধ্যে শাহবাগ মোড়ে বৃহস্পতিবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, এই সিগন্যাল ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সরাসরি কারিগরি সহায়তায় স্থাপন করা হয়েছে।
প্রশাসক জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর আরো ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে শিগগিরই ডিএসসিসির আওতাধীন আরো ২২টি ইন্টারসেকশনে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে সংশ্লিষ্ট মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো সার্বক্ষণিকভাবে ম্যানুয়ালি সংকেত দেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে জানান প্রশাসক।
তবে প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থা সফল করতে চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি বলেন, সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধ করতে হবে।
চালক ও পথচারীদের সিগন্যাল অমান্য করার প্রবণতা পরিহার করতে হবে। ট্রাফিক সতর্কীকরণ সাইন, রোড মার্কিং, জেব্রা ক্রসিং ও নির্দিষ্ট লেন মেনে চলতে হবে। একই সঙ্গে ইন্টারসেকশনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা বা ভাসমান দোকান রাখা যাবে না।
ডিএসসিসি প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন, স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের ফলে নগরবাসীর কর্মঘণ্টা সাশ্রয় হবে এবং ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের দীর্ঘ সময় রোদ-বৃষ্টিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালনের চাপও কমবে। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল নিশ্চিত করতে ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে বলেও জানান তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোয়াজ্জেম হোসেন ও প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হাদিউজ্জামান এবং ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
রাস্তার ওপর হকার বসতে দেওয়া হবে না। তবে প্রশস্ত ফুটপাতের কিছু অংশে তাদের বসার সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। আজ বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকা ইউটিলিটি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডুরা) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ঢাকায় পরিচয়পত্র ছাড়া কেউ হকারি করতে পারবে না। তাদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর থাকবে এবং নির্ধারিত এলাকার বাইরে ব্যবসা করা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ‘রাস্তার ওপর হকার বসতে দেওয়া হবে না। তবে প্রশস্ত ফুটপাতের কিছু অংশে তাদের বসার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া শুক্রবার ও শনিবার হলিডে মার্কেট এবং অফিস সময়ের পর মতিঝিলে নাইট মার্কেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব নির্ধারিত স্থানে হকারদের জন্য টয়লেট ও পরিচ্ছন্নতার সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।’
ডিএসসিসি বলেন, ‘নগরের সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্ব সম্পর্কেও গণমাধ্যমকে সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে হবে। সিটি করপোরেশনের সমালোচনাকে আমি কখনোই নেতিবাচকভাবে দেখি না।’
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘বৃষ্টির পানি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয় পথ বা নিষ্কাশন ব্যবস্থা অনেক জায়গায় নেই। ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট, ঢাকা কলেজ ও গ্রিন রোড এলাকার পানি নিষ্কাশনের একটি পুরোনো পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি পুনরায় কার্যকর করতে দীর্ঘমেয়াদি ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। তবে এই কাজ এক-দুই মাসে শেষ করা সম্ভব নয়।’
তাৎক্ষণিকভাবে জলাবদ্ধতা কমাতে পাম্প কেনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগে কোনও কোনও এলাকায় বৃষ্টির পানি কয়েক দিন জমে থাকত, এখন পাম্পের মাধ্যমে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পানি সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
আব্দুস সালাম বলেন, ‘পুরান ঢাকার অনেক ড্রেন পুরোনো ও ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। ড্রেন ও খাল পরিষ্কারের কাজ চললেও বর্ষার কারণে খননকাজে সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’
ড্রেনে পলিথিনসহ নানা ধরনের বর্জ্য ফেলার কারণে পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের সচেতনতা ছাড়া শুধু সিটি করপোরেশনের পক্ষে জলাবদ্ধতা ও পরিচ্ছন্নতার সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। দোকানিদের দোকানের সামনে বিন বা বালতি রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের কর্মীরা সেখান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করবে। কিন্তু অনেক মার্কেট ও হকার এলাকায় ময়লা ফেলে যাওয়ায় আবারও এলাকা নোংরা হয়ে যাচ্ছে।’
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিক সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘কোথাও পানি জমে না থাকলে মশার লার্ভা জন্মানোর সুযোগ কমে যায়। যেসব ব্যক্তিগত জায়গায় সিটি করপোরেশনের কর্মীরা প্রবেশ করতে পারেন না, সেসব স্থানে সংশ্লিষ্ট মালিক বা ব্যবহারকারীকেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’
ব্যাটারিচালিত রিকশার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘ঢাকার সব এলাকায় যাতে নির্বিচারে এসব রিকশা চলাচল করতে না পারে, সে জন্য অঞ্চলভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্দিষ্ট অঞ্চলের রিকশা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মধ্যেই চলবে এবং কিছু সড়কে রিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা হতে পারে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিমালা প্রণয়নের পর তা বাস্তবায়ন করা হবে।’
ডিএসসিসির রাজস্ব আয় বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়ে আব্দুস সালাম বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং সাম্প্রতিক কয়েক মাসে সর্বোচ্চ সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নিজস্ব আয় বাড়াতে সরকারের কাছেও বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজে সিটি করপোরেশনের ব্যয় থাকলেও সংশ্লিষ্ট কিছু রাজস্ব অন্য সরকারি সংস্থার কাছে চলে যায়। এসব রাজস্বের একটি অংশ সিটি করপোরেশনকে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকার সমস্যা সমাধানে শুধু সিটি করপোরেশন নয়, ওয়াসা, রাজউক, বিদ্যুৎসহ নগরসেবার সঙ্গে যুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় প্রয়োজন। বিভিন্ন উন্নয়নকাজে রাস্তা কাটার পর সঠিক সময়ে তা মেরামত না হওয়ায় সিটি করপোরেশনকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তাই নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিতভাবে কাজ করার চেষ্টা চলছে।’
নাগরিকদের উদ্দেশে আব্দুস সালাম বলেন, ‘ঢাকা শহরের সমস্যা শুধু প্রশাসক বা সরকারের একার নয়। নগরের বাসিন্দা হিসেবে সবাইকে সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। জনগণ, গণমাধ্যম ও সিটি করপোরেশন একসঙ্গে কাজ করলে আগামী দুই বছরে ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব।’
রাজধানীর ব্যস্ততম নিউমার্কেট এলাকার নূরজাহান সুপার মার্কেটের সামনে বৃষ্টির কারণে জমে থাকা হাঁটু পরিমাণ পানি। ছবি: সংগৃহীত
বৃষ্টির শুরুর এক ঘণ্টাতেই হাঁটু পরিমাণ পানি জমে গিয়েছে রাজধানীর ব্যস্ততম নিউমার্কেট এলাকায়। এতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতা, ব্যবসায়ী, পথচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা। জলাবদ্ধতার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় রিকশাসহ ছোট যানবাহনের ভাড়াও বেড়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে নিউমার্কেট ও আশপাশের বিভিন্ন সড়কে পানি জমে যায়। এক ঘণ্টা পর বৃষ্টি কমে এলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছিল।
সরেজমিনে দেখা যায়, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, নূরজাহান মার্কেট, ঢাকা কলেজের মূল ফটক, নায়েমের গলি থেকে টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এবং নিউমার্কেটের দ্বিতীয় ফটক পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও হাঁটু পরিমাণ পানি জমে থাকায় স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারছেন না পথচারীরা।
এছাড়া, ঢাকা কলেজের মূল ফটক ও নায়েমের গলিতে পানি জমে থাকায় আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে। প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে বের হওয়া কিংবা হলে ফেরার সময় তাদের পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এদিকে, জলাবদ্ধতার কারণে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় বেচাকেনা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
নূরজাহান সুপার মার্কেটের দোকানদার আব্দুল গফুর বলেন, বিশ বছর ধরে এই এলাকায় ব্যবসা করছি। একটু বৃষ্টি হলেই মার্কেটের সামনে পানি উঠে যায়। পানি উঠলে ক্রেতা থাকে না। এই সমস্যার কোনো সমাধান হচ্ছে না।
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মিজান জানান, বৃষ্টি হলেই ঢাকা কলেজের গেট থেকে নায়েমের গলি-হলপাড়া পর্যন্ত জলাবদ্ধতা হয়। রাস্তায় পানি থাকায় খাওয়া-দাওয়াসহ প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে যেতে পারি না।
সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস দিয়ে ভাত বিক্রি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজানকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগ ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আগারগাঁও এলাকায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টরা সেখানে যান। তখন মিজান তাদের ওপর চড়াও হন। এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মী ও পুলিশের সদস্যদেরও আঘাত করেন মিজান। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ বিষয়ে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান। তার দোকানে ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, ডাল ও আলু খাওয়ার সুযোগ থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটি পরিচিতি পায়।
‘যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই লায়ন্স’—এই আন্তর্জাতিক সেবা দর্শনকে ধারণ করে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ডের সদস্য লায়ন আলহাজ্ব আবুল মেছেরের উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু শিবির ও মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার আবুল হোটেল সংলগ্ন সাউথ পয়েন্ট স্কুলের মাঠে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হয়।
সকাল ১০টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন লায়ন্স ক্লাব অফ ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ডের জেলা গভর্নর লায়ন নওজাত সারওয়াত ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন আবুল মেছের এবং সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-এ১-এর ইমিডিয়েট পাস্ট জেলা গভর্নর লায়ন এ কে এম গোলাম ফারুক, প্রথম ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন আবুল হোসেন খন্দকার, দ্বিতীয় ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন সাবিনা সিদ্দিকা, লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ড ক্লাবের প্রেসিডেন্ট লায়ন বিল্লাল হোসেন, চার্টার্ড প্রেসিডেন্ট লায়ন মো. শরিফুল ইসরাম (মঞ্জু), সাবেক ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন এড. মো. ইউসুফ খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং ডিরেক্টর লায়ন মো. আজাদুর রহমান।
এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামপুরা থানা বিএনপির সদস্য মাহাবুবুর রহমান এবং শোয়েব জয়, ২৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবু সায়েম মোল্লা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আকবর ইমাম বুলু, রামপুরা থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান টিটু সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এই মেডিকেল ক্যাম্পে চক্ষু পরীক্ষা, বিনামূল্যে চশমা বিতরণ, সাধারণ চিকিৎসাসেবা, চর্মরোগ ও শিশু চিকিৎসা, ডায়াবেটিস পরীক্ষা, ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় এবং গাইনি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ছানি রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়। এছাড়া পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
এই সামাজিক কর্মসূচির মূল আয়োজক লায়ন আবুল মেছের এই প্রতিবেদককে বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মনিরপেক্ষ সেবামূলক সংগঠন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল অন্ধত্ব প্রতিরোধ, ক্ষুধা নিরসন, ক্যানসার সচেতনতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় লায়ন্স ক্লাব অফ ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ড গত ৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্যোগ মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সেবাগ্রহণকারীরা বলেন, প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।