ছবি : সংগৃহীত
এবার ঢাকার ২০টি আসনে মোট ভোটার প্রায় ৮৫ লাখ (৮৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৫ জন)। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৩ লাখ ৫১ হাজার ৪৫০ জন এবং নারী ভোটার ৪১ লাখ ২৩ হাজার ৪২১ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ১১৪ জন।
ঢাকার ২০ আসনের মধ্যে ১৯টিতেই নারীদের থেকে পুরুষ ভোটার বেশি। শুধু ঢাকা-২০ আসনে পুরুষের থেকে নারী ভোটার বেশি। এই আসনে ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৯ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৭ হাজার ৮৩৫ জন। বিপরীতে নারী ভোটার এক লাখ ৮৮ হাজার ৮০২ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার দুজন।
ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে সব থেকে বেশি ভোটার ঢাকা-১৯ আসনে। এ আসনে মোট ভোটার ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯০৬ জন এবং নারী ৩ লাখ ৬৭ হাজার ১৫১ জন। এছাড়া ১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন।
অন্য আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-১ আসনে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ১৪০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৭৬ হাজার ৫০ জন, নারী ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের পাঁচজন। ঢাকা-২ আসনে ৪ লাখ ১৯ হাজার ২১৫ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৭ হাজার ৯০৮ জন, নারী ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন।
ঢাকা-৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬২ হাজার ১৫৯ জন। এদের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৪ হাজার ৯৭১ জন, নারী এক লাখ ৭৭ হাজার ১৮৪ জন এবং ৪ জন তৃতীয় লিঙ্গের। ঢাকা-৪ আসনে ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৮৬ হাজার ৪৬৭ জন, নারী এক লাখ ৭৬ হাজার ৩৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৫ জন।
ঢাকা-৫ আসনে ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৪ হাজার ৫৯৪ জন। এ আসনে নারী ২ লাখ ৫ হাজার ৩৯৭ জন এবং ৫ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ঢাকা-৬ আসনে ২ লাখ ৯২ হাজার ২৮২ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৫২ হাজার ৫১৯ জন, নারী এক লাখ ৩৯ হাজার ৭৬১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন।
ঢাকা-৭ আসনে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৬ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮১ জন, নারী ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১২ জন। ঢাকা-৮ আসনে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৫২ হাজার ৭৯৫ জন, নারী এক লাখ ২২ হাজার ৬৭৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের একজন।
ঢাকা-৯ আসনে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩৬০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৩ জন, নারী ২ লাখ ৩১ হাজার ৬৮২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৫ জন। ঢাকা-১০ আসনে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪ হাজার ৬০৪ জন, নারী এক লাখ ৮৪ হাজার ৫০ জন এবং ৬ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
ঢাকা-১১ আসনে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন। ঢাকা-১২ আসনে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩২০ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৪ হাজার ৩৪৯ জন, নারী এক লাখ ৫৮ হাজার ৯৬৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন।
ঢাকা-১৩ আসনে ৪ লাখ ৮ হাজার ৭৯১ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৯ হাজার ৮১২ জন, নারী এক লাখ ৯৮ হাজার ৯৭১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন। ঢাকা-১৪ আসনে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৪৪ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৩২ হাজার ৬৬ জন, নারী ২ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন।
ঢাকা-১৫ আসনে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন, নারী এক লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন। ঢাকা-১৬ আসনে ৪ লাখ ৪৯৯ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১ হাজার ১৬৮ জন, নারী এক লাখ ৯৯ হাজার ৩২৩ জন এবং ৮ জন তৃতীয় লিঙ্গের।
ঢাকা-১৭ আসনে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৪ হাজার ৭০৯ জন, নারী এক লাখ ৫৯ হাজার ৬০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন। ঢাকা-১৮ আসনে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৮৮৩ জন ভোটারের মধ্যে পুরুষ ৩ লাখ ১৩ হাজার ৫০ জন, নারী ৩ লাখ ৮২৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৬ জন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
সম্প্রতি ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানার ওসি বদলি, বিশেষ করে শাহ আলী থানার ওসি প্রত্যাহারের প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা জানতে চান, শুধু বদলি করাই কি সমস্যার সমাধান?
প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘না, বদলি প্রশাসনিক কারণে হয়, কোনো বিষয়ে কর্তব্য অবহেলার কারণে হয় অথবা কোনো কিছুর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে সে জন্য হয়। কিন্তু বদলিটা লাস্ট (শেষ) নয়, বদলির পরে তাদের বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং (বিভাগীয় ব্যবস্থা) হচ্ছে।’
ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসির ভাইরাল হওয়া ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি বলেন, কয়েকটি সংস্থার মাধ্যমে বিস্তারিত তদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষা শেষে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং বিভাগীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
ওই সাবেক ওসির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে কি না জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসেন ক্যান্টনমেন্ট থানার তৎকালীন ওসি মো. রাকিবুল হাসান।
অডিও বক্তব্যে রাকিবুল হাসানকে পুলিশের বর্তমান পরিস্থিতি, কর্মকর্তাদের পদায়ন ও অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি পুলিশের পদায়ন ও নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন।
তিনি দাবি করেন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, অথচ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা তা করছেন না। ওসি পদায়নে অর্থ লেনদেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মাধ্যমে পোস্টিং এবং যোগ্য কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করে অযোগ্যদের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
একইসঙ্গে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে ঠেকানোর সক্ষমতা পুলিশের নেই বলেও মন্তব্য করেন রাকিবুল। অডিওটি নিয়ে তদন্তের পর রাকিবুলকে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসির পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয় এবং গত ২৪ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।
শুনানি শেষে আদালত তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন। পরে মামলাটির তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগকে (ডিবি) দেওয়া হয়।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনার দুই দিন পর ‘প্রশাসনিক কারণ’ দেখিয়ে রাজধানীর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রত্যাহারের পর শনিবার মধ্যরাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করে থানা ত্যাগ করেন তিনি। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) হেডকোয়ার্টারের পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সই করা কার্যালয় আদেশে তাকে প্রত্যাহারের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
ডিএমপির জারি করা ওই অফিস আদেশে জাহাঙ্গীর আলমকে কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করার কারণ হিসেবে ‘প্রশাসনিক কারণ’ উল্লেখ করা হলেও এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি।
মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, শাহ আলী থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার রাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন তিনি।
ঘটনাস্থলের মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে শাহ আলী থানা অবস্থিত। সেখানে পুলিশের উপস্থিতিতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে- এমন অভিযোগের বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ সময়মতো ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল কিনা এবং কারও কোনো অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
গণমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসার পর গতকাল বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ ও ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ছাড় দেওয়া হবে না।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার গ্রেপ্তার হওয়া চারজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুট হওয়া মালপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর সায়েন্সল্যাব এলাকায় ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আইডিয়াল কলেজের সামনে এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জলকামানসহ বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই সংঘর্ষের জেরে ওই এলাকার বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের প্রতিবাদে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকেন। পরে তারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন। দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শতাধিক শিক্ষার্থীও সেখানে এসে যোগ দিলে সংলগ্ন আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুই কলেজের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিউমার্কেট, কলাবাগান ও ধানমন্ডি থানার প্রায় ৬০ জন পুলিশ সদস্য সায়েন্সল্যাব মোড় ও এর আশপাশের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে জলকামান।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুই কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি বলেন, ‘উভয় কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বর্তমানে নিজ নিজ ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান করছে। বাইরে থেকে কেউ যাতে উসকানি বা ঢিল ছুড়তে না পারে, সে জন্য পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’
রাজধানীর আদাবরের বাড়িটির জানালার কাচ ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা
গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৬টা। রামদা, চাপাতি, পিস্তলসহ ১৫-২০ জনের একটি দল হামলা চালায় রাজধানীর আদাবরের বাড়িটিতে। অভিযোগ, শ্যামলী হাউজিংয়ের আটতলা বাড়িটি দখল করার চেষ্টা চলছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, “দলবল নিয়ে এসে দুর্বৃত্তরা প্রথমে বলে, টাকা দে। বাসায় থাকিস, টাকা দিবি না?”
‘এই কথা বলতে বলতে বাসার মূল ফটকে কোপানো শুরু করে। জানালার কাচ ভাঙচুর করে। বাসার গেট খুলে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে খুলতে না পারায় ভাঙচুর করে পালিয়ে যায়।’
গতকালের এই ঘটনা ঘটেছে আটতলা একটি বাড়িতে। বাড়িটির মালিক আমিনুর রহমান একজন ব্যবসায়ী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরেও একবার বাড়িটি দখল করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আমিনুর রহমানের ভাতিজা মনির হোসেন।
গতকালের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মনির হোসেন বলেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ১৫-২০ জন লোক তাঁদের বাড়িটির সামনে আসেন। কিছুক্ষণ বাড়িটি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে চারজন মূল ফটকের সামনে আসেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের হাতে চাপাতি, একজনের হাতে রামদা ছিল। ফটকের একটু দূরে পিস্তল হাতে একজন দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনিই এই হামলার নির্দেশনা দিচ্ছিলেন।
মনির হোসেন দাবি করেন, ‘প্রথমে এসেই তাঁরা বাড়ির মূল ফটকের গেট খুলতে বলেন। সবাইকে বের হয়ে যেতে বলেন। কিন্তু বের না হওয়ায় বাইরে থেকে বলা শুরু করেন, “টাকা দে! বাড়িতে থাকিস, টাকা দিস না। বের হ।” এই কথা বলতে বলতে চাপাতি, রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে। গেটের সামনে থাকা সিসিটিভি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরা, জানালার কাচ ভাঙচুর করে। ইটের টুকরা দিয়ে দুইতলার আরও দুটি জানালার কাচ ভেঙে ফেলে। বাড়ির ভেতরে ঢুকতে না পেরে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ভাঙচুর করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।’
মনির হোসেনের অভিযোগ, ভাঙচুর চলাকালে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশকে খবর দেন। অথচ পুলিশ প্রায় তিন ঘণ্টা পরে পৌনে ১০টার দিকে এসে পৌঁছায়। পুলিশ ঠিক সময়ে এলে দুর্বৃত্তদের ধরা সম্ভব হতো।
পরে এ ঘটনায় আদাবর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান মনির হোসেন। তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তাঁরা জানেন না।
মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা ভয়ের মধ্যে আছি। ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছি না। আবার কখন কী হয়, বুঝতে পারছি না। এভাবে তো চলা যায় না। আমাদের সাহায্য করুন।’
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ বাড়িটি পরিদর্শন করেছে। তারা তদন্ত করে দেখছে। কোনো অগ্রগতি আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
আগেও দখল হয়েছিল বাড়িটি
মনির হোসেন দাবি করেন, ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট খোরশেদ আলম নামে এক ব্যক্তি বাড়িটি দখল করে নেন। পরে আদাবর থানায় একটি অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো সুরাহা হয়নি। একপর্যায়ে আদালতে মামলা করেন। আদালত আদাবর থানাকে তদন্ত করতে বলেন। পরবর্তী সময়ে এই মামলা পিবিআই তদন্ত করে। গত ১২ মার্চ বাড়িটি দখল ফেরত পান তাঁরা।
মনির হোসেন আরও বলেন, পিবিআই প্রায় চার মাস তদন্ত করে একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন। কিন্তু অভিযোগপত্রে কী আছে তাঁরা জানেন না। এর মধ্যে আবার হামলা চালানো হলো। তাঁরা এখন কী করবেন, কার কাছে সাহায্য চাইবেন, বুঝতে পারছেন না।
বাংলাদেশ পুলিশের দায়িত্ব পালনে সাহসিকতা,পেশাগত দক্ষতা,সেবায় বিশেষ অবদান এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা) পেয়েছেন রাজশাহী জেলা পুলিশের বাঘা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সিফাত রেজা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ পদক-২০২৫ প্রাপ্ত সদস্যদের মধ্যে পদক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পদকপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের হাতে পদক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।গত ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে পুলিশ সদস্যদের সাহসিকতা ও বীরত্ব,সেবায় বিশেষ অবদান, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে পদকপ্রাপ্তদের নির্বাচন করা হয়। এবারের তালিকায় মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্য চারটি ক্যাটাগরিতে পদকের জন্য নির্বাচিত হন,এর মধ্যে ৪৪ জন পিপিএম-সেবা পদক পান।
পদক গ্রহণের পর নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে এসআই সিফাত রেজা বলেন,“গত ১ মার্চ ২০২৫ হতে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন, সেবায় অনন্য নজির স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলার তদন্ত এবং উদ্ভাবনীমূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ আমাকে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) প্রদান করা হয়েছে। এটি আমার চাকরি জীবনের সর্বোচ্চ বড় প্রাপ্তি।”
পুলিশের দায়িত্ব পালনে এমন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি একজন কর্মকর্তার পেশাগত জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়।এসআই সিফাত রেজার এই অর্জনে রাজশাহী জেলা পুলিশসহ বাঘা থানার সহকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
প্রতিদিনই কেনাকাটা করতে আমরা কোথাও না কোথাও গিয়ে থাকি। অনেক ভোগান্তি শেষে কোথাও গিয়ে দেখলেন, সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তখন কাজ তো হলোই না বরং সময় নষ্ট। তাই বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট, দোকান ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া ও রায়েরবাগ।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসি পল্লি, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স এবং মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।