মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : শনিবার ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১:৩৪ পিএম

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ছাত্র সংগঠনগুলো ২০২৫ সালে শিক্ষার্থী কল্যাণ, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক কার্যক্রম চালিয়েছে।


গুচ্ছ পরীক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রদলের হটলাইন ও বিনামূল্যে যাতায়াত সেবা প্রদান

গত ২৫ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট, টার্মিনাল ও স্টেশনগুলোতে সাধারণত চাপ ও ভিড় বেড়ে যায়। বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা ভর্তিচ্ছুদের অনেকেই ছিল ক্যাম্পাস সম্পর্কে অজানা। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় ছাত্রদল বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করে, যাতে পরীক্ষার্থীরা শহর থেকে ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর রুট, থাকার ব্যবস্থা, পরিবহন নির্দেশনা ও জরুরি সহায়তা পেতে পারে।‌ এছাড়া বিনামূল্যে যানবাহন সার্ভিস চালু করে সংগঠনটি — যেখানে নির্দিষ্ট স্পটে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আনা-নেওয়া করা হয়।

চারটি আবাসিক হলে সাইকেল পাম্প স্থাপন ছাত্রদলের

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে সাধারণ বাহন হলো সাইকেল। কিন্তু হঠাৎ চাকা ফেঁসে গেলে ছাত্রদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিষয়টি মাথায় রেখে ছাত্রদল চারটি ছাত্র আবাসিক হলে স্থায়ী সাইকেল পাম্প স্থাপন করে, যাতে শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারে।

৪৭তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস ব্যবস্থায় ছাত্রদল

গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিসিএস পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রদলের এই উদ্যোগটি ক্যাম্পাসে অধিক আলোচনার জন্ম দেয়। দীর্ঘ রাস্তাপথে সময় ও খরচ দুটিই পরীক্ষার্থীদের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ছাত্রদল দুটি পূর্ণাঙ্গ যাত্রীবাহী বাস বিনামূল্যে চালায়, যেখানে শতাধিক পরীক্ষার্থী ঢাকাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেন। পরীক্ষার দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরীক্ষা শেষে একই বাসে নিরাপদে ফেরত আনা হয়।

যানজট নিরসনে সেকেন্ড গেটে ফুলের টব স্থাপন ছাত্রদলের

গত ১৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের প্রবেশ-বাহিরে বিশৃঙ্খলা ছিল। যানবাহন এলোমেলোভাবে দাঁড়ানো ও রিকশা-অটোরিকশার চাপ স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত করত। সমাধানে ছাত্রদল ফুলের টব দিয়ে পথ বিভাজন সৃষ্টি করে একটি নান্দনিক লেন-সিস্টেম তৈরি করে, যার ফলে চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরে এবং জায়গাটি সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়।

ঈদে ক্যাম্পাসে অবস্থানরতদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ

গত ৮ জুন ঈদে অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরতে পারেন না — বিশেষ করে দূরবর্তী অঞ্চলের বা সংকটাপন্ন অবস্থার শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ফাঁকা থাকলেও তাদের জন্য দিনটি একাকীত্ব নিয়ে আসে। এই চিত্র বদলাতে ছাত্রদল হল ও ক্যাম্পাসে থেকে যাওয়া শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করে। মেন্যু হিসেবে ছিল পোলাও, মাংস ও বিশেষ আইটেম। নেতাকর্মীরা নিজ হাতে রুমে রুমে খাবার পৌঁছে দেন। এটি ক্যাম্পাসে উৎসবের উষ্ণতা ছড়ায়।

কাগমারি সড়ক সংস্কারে ছাত্রদল

গত ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাগমারি সড়কের ভাঙ্গাচোরা অংশ বর্ষায় আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়ছিল। শিক্ষার্থী, এলাকাবাসী ও যানবাহন চলাচলে এতে ঘনঘন দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় ছাত্রদল নেতা শামীম ও অয়ন নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করেন, যাতে চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শহিদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল

গত ৭ অক্টোবর আবরারের স্মরণে ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

বড় পর্দায় বাংলাদেশ–ভারত ক্রিকেট ম্যাচ সম্প্রচারে ছাত্রদল

গত ২৪ সেপ্টেম্বর মান্নান হলের সামনে বড় স্ক্রিনে বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করেন ছাত্রদল। সেখানে শতশত শিক্ষার্থী একত্র হয় এবং খেলা দেখার উৎসব পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন

গত ১৪–১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার মাসে তিনদিনব্যাপী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ছাত্রদল। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একাধিক ক্যাটাগরিতে অংশ নেন। পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসে প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পবিত্র মাহে রমাদানকে স্বাগত জানান ইসলামী ছাত্র শিবির

পবিত্র মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ব্যতিক্রমী কর্মসূচির আয়োজন করে ইসলামী ছাত্র শিবির। রমাদানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এদিন ব্যানার প্রদর্শনী, ভ্রাতৃত্বের প্রতীক চিরকুট বিনিময় এবং বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।‌ রমজান মাসকে কেন্দ্র করে গত ২ মার্চ থেকে পুরো রমজানজুড়ে নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে সহীহ কুরআন শিক্ষা কোর্স পরিচালনা করে সংগঠনটি। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি

সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ২৬ই মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার ২০টি অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের মাঝে পাঞ্জাবি ও পায়জামা বিতরণ করেন। একইভাবে ঈদুল আজহায় ৭ ই জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মাঝে কুরবানির গোস্ত বিতরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্র শিবির।

ভর্তিচ্ছুদের সহযোগিতায় ইসলামী ছাত্র শিবির

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় গুচ্ছভুক্ত তিনটি ইউনিটের (এ, বি ও সি) ভর্তি পরীক্ষার সময় ২৫ এপ্রিল, ২ মে ও ৯ মে হেল্প ডেস্ক চালু করে ইসলামী ছাত্র শিবির। এ সময় হটলাইন নম্বর, আবাসন ও তথ্যসেবা, পানি, হাতপাখা, অভিভাবকদের জন্য ছাউনি, কলম ও বই উপহারসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আগস্ট মাসে চূড়ান্ত ভর্তির সময় চার দিনব্যাপী ভর্তি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
ধর্মীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ২৪ মে ও ১৭ সেপ্টেম্বর দুটি ধাপে মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অর্থসহ পাঁচ শতাধিক পবিত্র কুরআন বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সংগঠনটি।

বিভিন্ন সময়ে ইসলামী ছাত্র শিবির

ছাত্র অধিকার ও ক্যাম্পাস উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর ছাত্র সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে ৫২ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এসব দাবির অগ্রগতি ও পরিবহন সংকট নিরসনের বিষয়ে ১৫ অক্টোবর এবং ১৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রতিনিধিদল। এ সময় পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন, মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, হলের খাবারের মানোন্নয়ন এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোকেন সুবিধাসহ বিভিন্ন বাস্তবায়নযোগ্য দাবি তুলে ধরা হয়।
এছাড়া ৬ অক্টোবর আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ নভেম্বর জাঁকজমকপূর্ণ নবীন বরণ উৎসব ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রামের আয়োজন করে সংগঠনটি। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ভিক্টরি রান ইউথ শিবির এবং সেন্ট্রাল ফিল্ডে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজনের মাধ্যমে বছরজুড়ে তাদের কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।

 

নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ও মেস ফি সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ৮জন শিক্ষার্থীর পূর্ণ ভর্তি ফি এবং ৫ জন শিক্ষার্থীর অর্ধেক ভর্তি ও মেস ফি প্রদান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মাভাবিপ্রবি শাখা। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের পথে কোনো বাধা তৈরি করবে না। এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন, পড়াশোনায় মনোযোগ এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ গ্রহণে সহায়ক হয়েছে।


দুই ঈদে ভিন্ন ৫টি অস্বচ্ছল পরিবারকে ঈদসামগ্রী বিতরণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

২৫ মার্চ ও ৪ জুন দুইটি ঈদে ভিন্ন ৫টি অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য পাঞ্জাবি, পায়জামা এবং জুতা প্রদান করেছি এবং সকলকে ঈদ সালামি দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেছি। সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করেন।


হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ১৭ই মার্চ এবং ১২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকবার সুস্বাদু ভালো খাবার আয়োজন ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

অস্বচ্ছল পরিবারের পুনর্বাসন ও সচ্ছলতাকরণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৬ জুলাই ৮ সদস্যের একটি অস্বচ্ছল পরিবারকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। পরিবারের আয়ক্ষম সদস্যকে ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা, প্রক্রিয়া এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়, যার ফলে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে।


গুচ্ছভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত প্রচুর ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়, শিক্ষার্থীরা যাতে সঠিক সময়ে পরীক্ষার হলে অবস্থান করতে পারে এজন্য শতাধিক ভলান্টিয়ার দিয়ে শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত অটো চলাচল সুশৃঙ্খল করেছি। পরীক্ষার দিনে এক হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য বসার ব্যবস্থা এবং ঠান্ডা মিনারেল পানি নিশ্চিত করা হয়েছে।


গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার ভর্তিচ্ছুদের পাশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গুচ্ছের তিনটি ইউনিটের (এ, বি ও সি) ভর্তি পরীক্ষার (২৫ এপ্রিল, ২ মে ও ৯ মে) গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার সময়ে দূর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদে রাতে থাকার ব্যাবস্থা এবং মানসম্মত খাবার প্রদান করা হয়েছে। এতে তারা পরীক্ষার আগে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়।

ভার্সিটির ২য় গেট পর্যন্ত রাস্তার সম্পূর্ণ মেরামতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৮ নভেম্বর আমরা কাগমারী মোর থেকে ভার্সিটির ২য় গেট পর্যন্ত রাস্তার সম্পূর্ণ মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি,এবং এক ভাসানী মেলা শুরু হওয়ার আগেই রাস্তার ঢালাই সম্পন্ন করার ব্যাবস্থা করেছি। যা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত, যানজট কমানো এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা সভা ও “বিপ্লব থেকে বিজয়” কুইজ প্রতিযোগিতা

আগামী ৮ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিহাসবিষয়ক শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে দুটি বিশেষ অনুষ্ঠান।
২০২৫ সালে উদ্যোগ নেওয়া “বিপ্লব থেকে বিজয়” শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতায় থাকবে ২৫,০০০ টাকা পুরষ্কার। কুইজের বিষয়বস্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, গণঅভ্যুত্থান এবং স্বাধীনতার ইতিহাস।
সেই সঙ্গে, আধিপত্যবাদের বিরোধী আলোচনা সভায় অংশ নেবেন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃবৃন্দ, জুলাই আন্দোলনের নেতা এবং ডাকসু, রাকসু ও জাকসুর নেতৃবৃন্দ। উভয় অনুষ্ঠান ৮ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পূর্ণভাবে ২০২৫ সালে নেওয়া হয়েছে।

 


ভর্তি পরীক্ষায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সহযোগিতা

গত ২৫ এপ্রিল ও ৯ মে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলন পরীক্ষার্থী কল্যাণ বুথ স্থাপন করে। বুথগুলোতে পরীক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ব্যাগ, বাইক, হেলমেটসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদে জমা রাখার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন, হাতপাখা ও কলম বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষার দিনে প্রায় পাঁচশত অভিভাবকের বসার সুব্যবস্থা ও ছায়ার ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে তারা স্বস্তিতে অপেক্ষা করতে পারেন। এছাড়া কামগামী রোডে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করে যানজট নিরসনে সহায়তা করেন।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ক্যাম্পাস সবুজায়ন

ক্যাম্পাস সবুজায়নের লক্ষ্যে এবং তীব্র দাবদাহ থেকে শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসবাসীকে স্বস্তি দিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটির উদ্যোগে ১৫ জুলাই ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নানা প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিতে প্রকাশ্য ও ধারাবাহিক আন্দোলনে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন

গত ১৬ সেপ্টেম্বর মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু)-সহ বিভিন্ন ন্যায্য দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন, মিছিল ও সভা-সমাবেশে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন দলীয়ভাবে সামনের সারিতে থেকে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছে।
গত ১৫ অক্টোবর ভাসানী ছাত্র সমাবেশে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করা ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির পক্ষে নিয়মিতভাবে সমর্থন ও বিবৃতি প্রদান করেছে সংগঠনটি।

The Idea of Great Santosh এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাকসু বাস্তবায়ন বিভিন্ন কর্মসূচি।

গত ৫ জুলাই থেকে ২০ জুলাই মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু) বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের থেকে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে। গত ২১ জুলাই ছাত্র সমাবেশ, গত ১১ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত মাকসু বাস্তবায়নে দাবিতে মো. আক্তারুজ্জামান সাজু অনশন কর্মসূচি পালন করেন, ১৩- ২৭ আগস্ট অবস্থান ও পাটি মিছিল, ১৬ সেপ্টেম্বর ফের মানববন্ধন কর্মসূচি, ১৫ অক্টোবর ভাসানীর দরবার হলে ছাত্র সম্মেলন, ২২ অক্টোবর জুলাই বন্ধন, ১১ ডিসেম্বর মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, এছাড়া টিএসসি আন্দোলন ও ভাসানী স্মৃতি সংরক্ষণ আন্দোলন চলমান। যার নেতৃত্ব ছিল The Idea of Great Santosh-এর একদল চিন্তক যাদের মধ্যে অন্যতম মো. আক্তারুজ্জামান সাজু, কাশিফ আহমাদ, নাইম ইসলাম, ইয়ামিন, অনিক ইসলাম অপু প্রমূখ।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৭ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ছাত্রদলের একাংশের উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত হাজী সালেহ উদ্দিন নূরুল উলুম মাদ্রাসায় এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।


মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম, মেজবাউল হক মিজু, মো. নুরনবী হোসেন, মো. শামীম রেজা, দানিয়েল ইবনে আহাম্মেদ, সদস্য সাকলাইন হোসেন সাকিব, সাকিব আহাম্মেদসহ হল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।


এ সময় বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজু বলেন, ‘আপসহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য এবং গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতন, কারাগারের ভয়াবহ দিন ও চিকিৎসাবঞ্চিত থাকার মতো কোনো নির্যাতনই তাঁকে দমাতে পারেনি।’


তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আপসহীন দেশনেত্রী আজ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া সংগ্রামের ইতিহাস ও আদর্শকে ধারণ করে আমরা ছাত্রদল আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ব—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপসহীন দেশনেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’


ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম বলেন, ‘দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য তাঁর সারাজীবন বিসর্জন দিয়েছেন। তিনি দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য নিবেদিত ছিলেন। তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের কারণে দেশের মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের জন্য আদর্শ। এই আদর্শ ধারণ করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সামনে এগিয়ে যেতে চায় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে চায়।’


যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরনবী হোসেন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নেত্রী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেছেন। গণতন্ত্রের জন্য তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’


তিনি আরও বলেন, ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে।’


যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামীম রেজা বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রের প্রতীক। দেশ ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আমরা তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম হৃদয়ে ধারণ করে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।’

সর্বশেষ সব খবর

কমলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৮ পিএম

প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় সংগঠনের সদস্যরা ক্যাম্পাসের কয়েকটি স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত, সদস্যসচিব নাঈম হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। 


কর্মসূচি নিয়ে সংগঠনের উপদেষ্টা মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ। তাই আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।”


সংগঠনের সদস্যসচিব নাঈম হোসেন বলেন, “সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’ এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দেশনায়ক তারেক রহমানের সবুজ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আজকের একটি গাছই আগামী প্রজন্মের জন্য নির্মল বাতাস, ছায়া ও নিরাপদ পরিবেশের নিশ্চয়তা হতে পারে।”


সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ক্যাম্পাসকে আরও সবুজ করে তুলতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ রয়েছে।


সর্বশেষ সব খবর

কুবি ছাত্রদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৫ পিএম

প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর মোড় সংলগ্ন জামিয়া মোহাম্মদিয়া তা'লিমুল কুরআন মাদ্রাসায় (পাকিস্তান মসজিদ) এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।


এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়।


এ বিষয়ে কুবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার বলেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য একটাই, যাতে এতিম, অসহায়, দুস্থ ও কোমলমতি শিশুদের দোয়ায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে আল্লাহ তায়ালা জান্নাত দান করেন। আমাদের এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের মানুষের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। স্বৈরাচার এরশাদের আমল থেকে শেখ হাসিনার পতন পর্যন্ত তিনি আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেছেন।’


তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। পাশাপাশি সাড়ে ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির যেসব নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরাম এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আবদুল কাইয়ুমের মাগফিরাতও কামনা করছি। যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এভাবেই সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাবে।’


কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘এই দোয়ার আয়োজনটি মূলত ছিল আপসহীন দেশনেত্রী ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য। আজ তিনি এই পৃথিবীতে নেই। আমরা বাংলাদেশের জনগণ সবাই তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাঁর আপসহীনতার গুণাবলি এবং গণতন্ত্রের জন্য তাঁর যে সংগ্রাম, তা মনে ধারণ করে আগামী দিনে আমরা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে চাই।’


তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। পাশাপাশি আমরা প্রত্যাশা করি, বর্তমান সময়ের রাজনীতি এবং আগামী দিনের রাজনীতি হবে পরিবর্তনের রাজনীতি। চিরাচরিত নিয়মে কারও জন্মদিনে কেক কেটে উদযাপন করার পরিবর্তে আমরা এখন প্রতিটি মানুষের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করি। পাশাপাশি আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থী ভাই-বোন এবং এতিম শিশুরা, যারা বিভিন্ন সময় অর্থের অভাবে পাঠ্যপুস্তক কিংবা শিক্ষাসামগ্রী কিনতে পারে না, তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছি।’

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৩৮ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব আশরাফ উদ্দীন খান।


দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, জিয়া পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং ইউট্যাবের সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান।


এছাড়া ছাত্রদল ইবি শাখার আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন, সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ ও সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।


দোয়া মাহফিলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আজ ৮২তম জন্মদিন। তাঁর পুরো জীবনটাই বাংলাদেশের মানুষ এবং গণতন্ত্রের জন্য তিনি উৎসর্গ করেছেন। স্বাধীনতার পর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি বিগত সরকারের দ্বারা নিপীড়িত, নির্যাতিত ও নিষ্পেষিত হয়েছেন। আমরা মন খুলে এই মহান ব্যক্তির জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করব। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাত নসিব করেন।”

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫৯ পিএম

আন্তবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) বিতর্ক দল ‘বুটেক্সডিসি বুনন’। আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে প্রথম আলো বন্ধুসভা আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটিকে হারিয়ে শিরোপা জেতে দলটি।


বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতার পাশাপাশি ‘আগামীর বাংলাদেশ: তারুণ্যের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ব্র্যাকের শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও মাইগ্রেশন কর্মসূচির পরিচালক সাফি রহমান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক রাশেদা রওনক খান, ইউএনডিপি বাংলাদেশের হেড অব কমিউনিকেশন্স মো. আব্দুল কাইয়ুম, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চাইল্ড অ্যান্ড ইয়ুথ লিডারশিপের অ্যাডভাইজার ফারজুনী রেজা, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ব্র্যাকের ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম ও মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আব্দুল কাদির এবং এঞ্জেলস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বেনজীর আরাফার। আলোচনা সঞ্চালনা করেন বন্ধুসভার বিতর্ক ও অনুষ্ঠান সম্পাদক এসএম কামরুল ইসলাম।


সংসদীয় ধারার এ প্রতিযোগিতায় প্রথম পর্বে আটটি দল অংশ নেয়। সেখান থেকে চারটি দল পরবর্তী পর্বে উন্নীত হয়। পরবর্তী পর্বের বিজয়ী দুটি দল ফাইনালে মুখোমুখি হয়। চূড়ান্ত পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটিকে পরাজিত করে বুটেক্সডিসি বুনন চ্যাম্পিয়ন হয়।


চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন বুটেক্সের ৪৮তম ব্যাচের ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মাহমুদুল হাসান, অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাদ আল আশরাফি এবং ডাইস অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। ফাইনালের শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম।


বুটেক্স ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘২০২৬–২৭ কার্যনির্বাহী কমিটির এটি প্রথম সাফল্য। বড় মঞ্চে বুটেক্সকে তুলে ধরতে পারা এবং প্রতিযোগিতামূলক বিতর্কে বুটেক্স ডিবেটিং ক্লাবের জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে পারায় আমি গর্বিত।’


সাধারণ সম্পাদক সাদ আল আশরাফি বলেন, ‘নিজের বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করে বিজয় অর্জন করা সব সময়ই গর্ব ও সৌভাগ্যের বিষয়। এই সাফল্য শুধু তিনজন বিতার্কিকের নয়; ক্লাবের সদস্য, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষী সবার।’


ফাইনালের শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বুটেক্সডিসির জন্য কিছু করতে পারা সত্যিই এক অনন্য অনুভূতি। জাতীয় পর্যায়ে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করা অত্যন্ত গর্বের বিষয়।’


সমাপনী পর্বে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়া বিতার্কিক ও বিচারকদের সম্মাননা দেওয়া হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:২৮ পিএম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মশক নির্মূল অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) বাকৃবি প্লাটুন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।



উক্ত র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন, প্লাটুন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট অধ্যাপক এ কে এম রফিকুল ইসলাম, পিইউও বাকৃবি প্লাটুন ও সহকারী অধ্যাপক মো: তারিকুল ইসলাম, সামরিক প্রশিক্ষক সার্জেন্ট আতোয়ার রহমান এবং কর্পো: পাপেল মাহমুদসহ বাকৃবি বিএনসিসি সদস্যবৃন্দ।


আয়োজকরা জানান, দেশব্যাপী ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব রোধ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই আয়োজন।


সহকারী অধ্যাপক তারিকুল ইসলাম বলেন , বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) অধিদপ্তরের নির্দেশনায় দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুন এ র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযানের আয়োজন করেছে। এর মূল লক্ষ্য ডেঙ্গুর ভয়াবহতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিক সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সামাজিক কল্যাণে বিএনসিসির এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গঠনে সচেতনতা বাড়বে বলে আশা করছি ।


অধ্যাপক এ কে এম. রফিকুল ইসলাম বলেন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো দেশের যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এবং দুর্যোগের সময় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা।


তিনি আরও বলেন আজকের এই র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য। মশার কামড় থেকে হওয়া এই রোগটি রুখতে হলে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আজকের এই র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর