ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:০৮ পিএম

পাবলিক পরীক্ষায় সাইলেন্ট এক্সপেল (নীরব বহিষ্কার)–এর পুরোনো নিয়ম বাদ দেওয়া হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯ ধারায় সাইলেন্ট এক্সপেলের কথা বলা হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ থেকে নীতিমালা ২৯ ধারা বাতিল বলে গণ্য হবে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬–এর ২৯ অনুচ্ছেদটি বাতিল করা হলো।


শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশের পর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা পরিচালনা–সংক্রান্ত নীতিমালা–২০২৬–এর সংশ্লিষ্ট ২৯ অনুচ্ছেদ বাতিলে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।


অনুচ্ছেদ নম্বর ২৯ কী


কোনো পরীক্ষার্থীকে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ্যে বহিষ্কার করলে যদি আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে অথবা কক্ষ প্রত্যবেক্ষকসহ পরীক্ষাসংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা–কর্মচারীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, কেবল সে ক্ষেত্রেই নীরব বহিষ্কার করা যাবে। তবে বিষয়–পত্রের পরীক্ষা শেষে প্রত্যবেক্ষকের সুস্পষ্ট বিবরণসহ গোপনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত করে উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে। (উত্তরপত্রের ওএমআরের প্রথম অংশ আলাদা করা যাবে না)।


উল্লেখিত অনুচ্ছেদটি এই বিজ্ঞপ্তি জারির তারিখ থেকে বাতিল বলে গণ্য হবে।



সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০১ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০১ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০১ পিএম

মৎস্য উৎপাদনে দেশের সক্ষমতা আরও বাড়াতে গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং জলজ পরিবেশ সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা।


‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) হাবিপ্রবিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


দিনটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। ভাইস- চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে র‌্যালিতে মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক- শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা- কর্মচারীরা অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের অনেকে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়ে ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করেন।


ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‌্যালিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। পরে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মৎস্য খাতের গুরুত্ব তুলে ধরতে শিক্ষার্থীরা একটি জনসচেতনতামূলক মৎস্য নাটিকা পরিবেশন করেন। র‌্যালি-পরবর্তী বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনামউল্যা বলেন, দেশের অর্থনীতি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মৎস্য খাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতির গতিশীলতা এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এ খাতের অবদান রয়েছে।


তিনি বলেন, মৎস্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদনের গুণগত মান ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করাও জরুরী। এ জন্য রোগ ব্যবস্থাপনা, উন্নত জাত উদ্ভাবন, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি এবং জলজ পরিবেশ সংরক্ষণে গবেষণার পরিধি আরও বাড়াতে হবে। হাবিপ্রবির শিক্ষক ও গবেষকদের উদ্ভাবিত জ্ঞান ও প্রযুক্তি যাতে মাঠপর্যায়ের মৎস্যচাষি ও উদ্যোক্তাদের কাজে আসে, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। গবেষণাগারে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব উৎপাদন ব্যবস্থায় কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে দেশের মৎস্য খাত আরও সমৃদ্ধ হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. নওশের ওয়ান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. মো. মাসুদুল হাসান খান।এ ছাড়া মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর মো. ফরিদুল্লাহ, সংশ্লিষ্ট অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর প্রফেসর ড. আবুল কালামসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে একদিকে যেমন মৎস্য খাতের অর্থনৈতিক ও পুষ্টিগত গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, অন্যদিকে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদনে গবেষণা ও জনসচেতনতার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪৪ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) মার্কেটিং বিভাগে নতুন সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা উপেক্ষা করে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শাহীদ মিয়াকে মার্কেটিং বিভাগে সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজ বিভাগ থেকে সভাপতি নিয়োগের দাবিতে সকাল ৯টা থেকে ব্যবসায় প্রশাসন অনুসদ ভবনে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। তারা নিজ বিভাগের শিক্ষকদের থেকে সভাপতি নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।


তারা জানিয়েছে, স্পষ্ট বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য বিভাগ থেকে সভাপতি নিয়োগ দিয়েছে প্রশাসন। আমরা রাজনীতি বুঝি না, নীতিমালা অনুযায়ী নিজ বিভাগ থেকে সভাপতি নিয়োগ দিতে হবে। এক দফা দাবিতে অনঢ় থাকবে তারা।


এর আগে গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট) ওই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সাদিকুল আজাদের সভাপতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১৮ তারিখ থেকে পরবর্তী পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ডিনকে দায়িত্ব দেয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানা যায়।


রেজিস্ট্রার দপ্তর এই নিয়োগের যথাযথ ব্যাখ্যা দিতে পারেননি এবং কেন এমনটা করা হয়েছে তাও অবগত নন তারা। যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক উপাচার্য তিনিই ভালো বলতে পারবেন বলে এড়িয়ে গেলেন তারা। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদ্য বিদায়ী সভাপতির পর রোটেশনে সভাপতির দায়িত্বে সহকারী অধ্যাপক মাজেদুল হক আসার কথা। তিনি আওয়ামীপন্থি শিক্ষক ও শেখ হাসিনাকে ফেরানোর ‘ষড়যন্ত্রে জড়িত’ বলে অভিযোগ থাকায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে, এর পরের জনকে দিতে হলে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়ে রেজুলেশন করতে হয়। তাই আপাতত পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ডিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনেকের মন্তব্য।


এদিকে নথিতে দেখা গেছে, সদ্য বিদায়ী সভাপতি সাদিকুল আজাদের পর মার্কেটিং বিভাগের সভাপতির যোগ্যতা অর্জন করেছে সহকারী অধ্যাপক মাজেদুল হক, পরের সিরিয়ালে মো. রুহুল আমিন ও মো. আলাল উদ্দিন। 


বিশ্ববিদ্যালয়ে সভাপতি নিয়োগ নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিভাগ যদি নতুন হয় এবং সহকারী অধ্যাপক পদের শিক্ষক না থাকেন তাহলে অন্য যেকোনো বিভাগ থেকে সভাপতি নিয়োগ দেওয়া যাবে। অন্যথায় সিনিয়র মেইনটেইন করে নিজ বিভাগ থেকে সভাপতি নিয়োগ পাবেন। তবে সর্বনিম্ন সহকারী অধ্যাপক পদমর্যাদার শিক্ষক থাকা আবশ্যক। কোনো যৌক্তিক কারণে পদ শূন্য হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন দায়িত্ব পান।


সদ্য বিদায়ী সভাপতি সাদিকুল আজাদ জানান, ‘আমার মেয়াদ আজ পূর্ণ হয়েছে। শুনেছি প্রশাসন পরবর্তী সংশ্লিষ্ট ডিনকে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কিভাবে কেন এমন সিদ্ধান্ত হলো আমি জানি না।’ 


এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নবনিযুক্ত সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন আব্দুস শহীদ মিয়া বলেন, ‘নিয়োগটা হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য দেওয়া হয়েছে কারণ বিজ্ঞপ্তিতে ‘পুনরাদেশ না দেওয়া অব্দি’ উল্লেখ করা হয়েছে।’


নীতিমালার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সভাপতি কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে কি হবে না, বিষয়টির প্রসেস সম্বন্ধে আমি অবগত নই। চিঠি পেয়ে বিভাগে গিয়েছিলাম আজ।’


জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মন্তব্য করতে অপারগতা দেখিয়েছেন।


সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:২৮ পিএম

সবুজ ও নির্মল ক্যাম্পাস গড়ে তোলার প্রত্যয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি।


আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরের অনুষদ ভবনের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।


এর আগে মীর মুগ্ধ সরোবর ও বোটানিক্যাল গার্ডেনে বিলাতি গাব ও আমের চারা রোপণ এবং খালেদা জিয়া হল ও উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা (রা) হল নিকটস্থ পেয়ারা বাগানে বিলাতি গাবের বীজ বপন করে সংগঠনটি। পাশাপাশি শাহ আজিজুর রহমান হলেও বীজ বপন ও গাছ লাগান তারা।


আনুষ্ঠানিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমান, অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী, সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখ-সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সৈয়দ মাকসুদুর রহমান বলেন, ''বৃক্ষ আমাদের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বিশুদ্ধ বায়ু নিশ্চিত এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপিত গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণও আমাদের সবার দায়িত্ব। গাব গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের কাছে আমার প্রত্যাশা থাকবে, তারা যেন রোপিত গাছগুলোর পরিচর্যা করে। আমরা আশা করি, খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।" 


খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আব্দুল গফুর গাজী বলেন, "খুলনা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির এই মহতী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে আমরা আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই। একই সঙ্গে প্রত্যাশা করি, এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং পরিবেশের সুরক্ষা ও সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে সংগঠনটি আরও ব্যাপকভাবে এমন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।"


জেলা কল্যাণের সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখ বলেন, "আমার দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণে ক্যাম্পাস, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ এলাকায় আমরা বিলাতি গাব গাছ দেখিনি। অথচ এই গাছটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এর ফল খুবই সুস্বাদু। তাই খুলনা থেকে আমরা এই বিলাতি গাব গাছ এনেছি। ক্যাম্পাসের পরিবেশ রক্ষা ও সুস্বাদু এই ফল মানুষ ও পশু-পাখির আহারের জন্য আমরা এই গাছ লাগিয়েছি। আমরা আশাবাদী এ বৃক্ষ আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে যাবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও মানুষের কল্যাণে কাজে আসবে। আমাদের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। পরবর্তীতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।"

সর্বশেষ সব খবর

জোহা ও মোজাহিদ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:১৫ পিএম

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার ২০২৬–২৭ কার্যবর্ষের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রবিউস সানি জোহা এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মোজাহিদ হোসেন মনোনীত হয়েছেন।


আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক সাইশা সুলতানা সাদিয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


দায়িত্ব পাওয়ার পর নব-মনোনীত সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাহিদ হোসেন বলেন, “বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম সবসময় তরুণ লেখকদের নিয়ে কাজ করে। কেননা তরুণ সমাজই দেশের মূল চালিকাশক্তি। সেই জায়গা থেকে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থী এবং যারা লিখতে ভালোবাসেন ও লেখালেখিতে আগ্রহী, তাদের সৃজনশীল ও মুক্তচিন্তার লেখক হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করা। যাতে আমরা সবাই আমাদের লেখনীর মাধ্যমে দেশ ও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারি। এ জন্য আমি সংগঠনের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।”


নব-মনোনীত সভাপতি মো. রবিউস সানি জোহা বলেন, “সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রয়াসে লেখক ফোরামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পথে আমরা একসঙ্গে এগিয়ে যেতে চাই। সৃজনশীলতা, মননশীলতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে আমাদের শাখাকে একটি প্রাণবন্ত, আলোকিত ও সম্ভাবনাময় সাহিত্যিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসর হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় আমাদের এই পথচলা আরও সমৃদ্ধ ও সফল হবে-এই প্রত্যাশা রাখি।”


প্রসঙ্গত, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। 


তরুণ লেখকদের পরামর্শ দেওয়া, জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় লেখা প্রকাশে সহযোগিতা, লেখালেখিবিষয়ক সভা, সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে সংগঠনটি।


বর্তমানে দেশের ২২টিরও বেশি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের লেখালেখিতে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করছে তরুণ লেখকদের এই সংগঠনটি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:১৯ পিএম

গৌরব ও ঐতিহ্যের ৬৫ বছর পেরিয়ে ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও কবুতর অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এর আগে সকাল ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হেলিপ্যাডে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে কবুতর অবমুক্ত ও বেলুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করা হয়।


উদ্বোধন শেষে হেলিপ্যাডসংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ করা হয়। এরপর উপাচার্যের বাসভবনসংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতেও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।


দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কামনায় সব মসজিদ ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক, কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হেলাল উদ্দীন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটির সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম, বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক ও সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যবৃন্দসহ সকল বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো.শহীদুল হক বলেন, কোনো গবেষণা সফল করতে হলে কমপক্ষে পাঁচ বছর ধরে কাজ করে যেতে হয়। আগামী ১৫ থেকে ২০ বছর পর বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যেসব প্রযুক্তির প্রয়োজন হতে পারে, সেগুলো এখন থেকেই নির্ধারণ করে উন্নয়নের কাজ করতে হবে। ঐতিহ্যগতভাবে গত ৬৫ বছর ধরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পুষ্টি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে আসছে। তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবিষ্কৃত এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে এই দায়িত্ব পালনের করে যেতে হবে।


‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৬১ হাজার ৬৯৯ জন প্রাক্তন শিক্ষার্থী দেশ বিদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিদেশি শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ দেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুলিশ সদস্য, শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, প্রশাসন, শিক্ষকতা সহ গবেষণা ও বিভিন্ন পেশায় দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

‎তিনি আরও বলেন, দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এসব প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংযুক্ত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অর্জন কর্মকর্তা কর্মচারী থেকে শুরু করে শিক্ষক ও গবেষক সবার আন্তরিক প্রচেষ্টার ফসল। এই অর্জন শেষ নয়, বরং এটি একটি সূচনা। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে তার নিজস্ব মহিমা ও গৌরব নিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যেতে হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৩৫ পিএম

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর মধ্যে দুজনকে সাময়িক বহিষ্কার এবং তিনজনকে জরিমানা ও মুচলেকার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার (১৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 


সাময়িক বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দ মাজেদুল ইসলাম প্রান্ত ও ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বর্ষণ বণিক। তাঁরা যথাক্রমে বুটেক্স ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছে।


এছাড়া ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মোহাইমিনুল হোসাইনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও মুচলেকা এবং ৪৯তম ব্যাচের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সুমন সরকার ও ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দেবনাথ মৌলিক চন্দ্রকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা ও মুচলেকার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। 


এদিকে বিজ্ঞপ্তিতে শাস্তিপ্রাপ্ত সুমন সরকারের আইডি ও বিভাগ ভুল এসেছে বলে ঘটনার তদন্ত কমিটি থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়। যেখানে সুমন সরকারের বিভাগ অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিবর্তে ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং উল্লেখ আছে।


বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ৬ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর গেটে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও ঘটনার সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে শৃঙ্খলা বোর্ডের ১৮তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 


বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে শৃঙ্খলাজনিত অপরাধ ও অসদাচরণের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বুটেক্স শৃঙ্খলা বোর্ড বিধান ২০১৫ এর ধারা ৩(ঘ) অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


এবিষয়ে ঘটনার ভুক্তভোগী মিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “শৃঙ্খলা কমিটির নোটিশের পর প্রক্টর স্যার ও রেজিস্ট্রার ম্যামের কাছ থেকে আমি বিস্তারিত জানতে চাই। প্রক্টর স্যার রেসপন্স না করলেও রেজিস্ট্রার ম্যাম আমাকে জানায়, এটি আসলে চূড়ান্ত শাস্তির নোটিশ নয়। এই নোটিশের পরবর্তী তাদেরকে শোকজ করা হবে। সেই শোকজ এর উপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় শৃঙ্খলা কমিটির মিটিং বসবে এবং এরপর সিন্ডিকেট সভায় তা পাশ হবে। আমরা সে চূড়ান্ত শাস্তি কি হয় তা দেখার অপেক্ষায় আছি। তবে এই সাময়িক বহিষ্কার যদি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে থাকে, তবে তা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।”


তিনি আরো বলেন, “এমন ঘটনা যদি আবার ঘটে সেই ক্ষেত্রে প্রশাসন কিভাবে করে কি পদক্ষেপ নিবে বারবার প্রশ্ন করার পরেও এখনো পর্যন্ত তা ক্লিয়ার না, কারণ এই ঘটনার মূলসূত্রই ছাত্ররাজনীতির কারণে। সে ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না আসা পর্যন্ত প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্তে আমরা কেউ সন্তুষ্ট না। আমরা চাই, ভিসি স্যার পূর্বে ক্যাম্পাসের ভিতর কেউ ছাত্ররাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলে তার ছাত্রত্ব বাতিল করার যে নিয়মের কথা বলেছিল, সেটি যত দ্রুত সম্ভব সিন্ডিকেট সভার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবে।”


চূড়ান্ত শাস্তির প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করে ঘটনার আরেক ভুক্তভোগী রাইয়ান সিদ্দিকী পর্ব বলেন, “প্রশাসন সাময়িক বহিষ্কার বলতে ঠিক কী বুঝিয়েছেন, তা নোটিশে স্পষ্ট নয়। তার মতে, যারা সরাসরি হামলায় জড়িত, তাদের তুলনায় আশপাশে থাকা কয়েকজন বেশি কঠোর শাস্তি পেয়েছেন।”


শাস্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মাহাবুবুর রহমান বলেন, “শাস্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে দুইজনকে প্রাথমিকভাবে একটি সাময়িক বহিষ্কার দেওয়া হয়েছে, পরে তাদের শোকজ পত্র দেওয়ার মাধ্যমে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে তাঁরা সেটার উত্তর দিবে এবং সেটি পুনরায় আরেকটি কমিটি যাচাই-বাছাই করবে। তারপর শৃঙ্খলা বোর্ডে তাঁদের শাস্তি চূড়ান্ত হবে। যেকোনো গঠনমূলক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এটিই আইনি নিয়ম। এর আগে ক্যাম্পাসে মাঠে সংগঠিত মারামারি ঘটনায়ও এমন আইন অনুসরণ করা হয়েছে। আর কেউ যেকোনো পর্যায়ে ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে রিট করতে পারে যা হাইকোর্টের বিষয়। আর এখানে শাস্তিপ্রাপ্তরা রিট করলে বিশ্ববিদ্যালয় কি করবে, সেটা পরের বিষয়। এখন বিশ্ববিদ্যালয় যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটা আগে নিয়মমাফিক অনুসরণ করা হবে।”


উল্লেখ্য, গত ৬ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বুটেক্সের ৪৯তম ব্যাচের চার শিক্ষার্থী হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন  ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলনে হামলাকারীদের বিচার দাবি করেন। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা বর্জনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

সর্বশেষ সব খবর