২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে ১ম থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তিতে লটারির ফল প্রকাশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর ২০২৫) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে ডিজিটাল লটারির ফল প্রকাশের কার্যক্রম শুরু হয়। ডিজিটাল লটারির ভর্তির ফল https://gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট এবং যেকোন টেলিটক মোবাইলে এসএমএস-এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে। টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে এসএমএস পদ্ধতি : GSA<Space>Result<Space>User ID লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে 16222 নম্বরেও ফল পাওয়া যাবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বড় স্ক্রিন বসানো হয়েছে। স্ক্রিনে একের পর এক স্কুলের নাম, আবেদনকারীদের আইডি ভেসে উঠছে। তাতে অটোমেটিক বা স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হচ্ছে। স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি সরাসরি দেখতে এখানে facebook.com/share/v/1AjzpikS2p ক্লিক করুন।
এদিকে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। লটারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রতিষ্ঠান প্রধান/অভিভাবক/শিক্ষার্থী লিংক থেকে তাদের নির্ধারিত আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবেন। ডাউনলোডকৃত ফলাফল প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে প্রতিষ্ঠান প্রধানেরা সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা ভর্তি কমিটির সভাপতি বরাবর ই-মেইলে প্রেরণ করে মাউশিকে অবহিত করতে হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ভর্তি কমিটির সভা আহ্বান করে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণপূর্বক শিক্ষার্থীদের ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।মাউশি জানিয়েছে, এবার সরকারি-বেসরকারি ৪ হাজার ৪৮টি বিদ্যালয়ে আসন আছে ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। মোট আসনের মধ্যে ৩ হাজার ৩৬০টি বেসরকারি বিদ্যালয়ে আছে ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসন। এ ছাড়া সরকারি ৬৮৮টি স্কুলে সিট রয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৩০টি।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন ত্রিভুজের ২০২৬-২৭ মেয়াদের ১৮ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে এনাটমি ও হিস্টোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিয়াউল হক এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. ফাহিম দায়িত্ব পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাশমিন ফেরদাউস, মো. আবু হুরাইরা আল রিজন, মো. মাহির আল মুনতাকিম, মো. মেহেদী হাসান মারুফ, নুসরাত জাহান অরিন ও মো. সজিব হোসেন শান্ত।
এ ছাড়া অর্থ সম্পাদক বুরহান উদ্দিন সিয়াম, সাংগঠনিক সম্পাদক তাসফিক কবির আদন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাকি মোহাম্মদ প্রমিজ, দপ্তর সম্পাদক ইফতেকার আল সাবিত, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. ফাহিম ফয়সল, সংগীত বিষয়ক সম্পাদক আল ফুয়াদ বিন হাবিব প্রিয় ও সাকিব ইসলাম, নৃত্য বিষয়ক সম্পাদক অদিতি বড়ুয়া মীম এবং নাট্য বিষয়ক সম্পাদক হোসাইন মো. মুহতারিম ছোয়াদ ও নিলয় বোস দায়িত্ব পেয়েছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত ত্রিভুজের নিয়মিত কার্যক্রম ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত বিভিন্ন বাস্তবতায় কিছুটা ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে সংগঠনটির সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পুনরায় চালু ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন অংকুরের ২০২৬-২৭ মেয়াদের কমিটিতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন দাবি করা অংকুরের কমিটিতে এমন অন্তর্ভুক্তি নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। পরে সমালোচনার মুখে কমিটিটি স্থগিত করে সংগঠনটি। একই সঙ্গে কমিটি গঠনে ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে অংকুর।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অংকুরের ২০২৬-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রান্ত সাহা প্রহরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি ২০১৯ সালে ছাত্রলীগের বাকৃবি শাখার কমিটিতে উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
কমিটি ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের অনেকে প্রশ্ন তোলেন, অংকুর যেখানে নিজেদের অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে দাবি করে, সেখানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন কীভাবে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেলেন। পাশাপাশি, তার রাজনৈতিক পরিচয় সংশ্লিষ্টদের জানা ছিল না- এমন দাবির বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে।
এরপর বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অংকুরের পক্ষ থেকে কমিটিটি স্থগিত করা হয়। পরদিন শুক্রবার (২ অক্টোবর) সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করা হয়।
এ বিষয়ে স্থগিত কমিটির সভাপতি, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও এগ্রোফরেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম বলেন, অংকুরের সঙ্গে তার আগে কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। সংগঠনটির কয়েকজন সদস্য তার কাছে এসে অংকুরের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে সহযোগিতা চান। পরে তিনি তাদের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
অধ্যাপক কাজী কামরুল ইসলাম বলেন, আমি আসলে এ ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। আমি ছাত্রজীবন থেকে এখন পর্যন্ত কখনো অংকুরের সঙ্গে জড়িতও ছিলাম না। ওরা আমার কাছে একদিন আমার জুনিয়র শিক্ষক অনিরুদ্ধকে নিয়ে আসে। তারা বলে, ফ্যাসিবাদের সময়ের পর থেকে অংকুরের কার্যক্রম একদম হারিয়ে গেছে, আমরা এই সংগঠনটিকে বাঁচাতে চাই। আমি তাদের সাহায্য করতে চাইলাম এবং বললাম, তাদের যেকোনো সহযোগিতা আমি করব।
তিনি বলেন, আমি তাদের বলেছিলাম, বিতর্কিত কাউকে কমিটিতে নেওয়া যাবে না। সম্ভবত যে শিক্ষকরা কমিটিটি করেছেন, তারা ওই ছেলের ব্যাপারে কিছু জানতেন না। সে ছেলেও নিজের সেই পরিচয় গোপন করেছে। আসলে এখানে তাদের একটু ভুল হয়ে গেছে।
কমিটি স্থগিতের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি গতকাল ঐ ছেলের বিষয়টি দেখা মাত্রই কল দিয়ে বললাম, এই কমিটি এখানেই স্থগিত করো এবং ওই ছেলেকে এক্ষুনি বের করো। সঙ্গে সঙ্গে একটি বিবৃতি দিতে বলি। পরবর্তীতে কমিটি করার সময় একদম ফ্রেশ ক্যান্ডিডেট নিয়ে কমিটি করার জন্য বলেছি। সর্বোপরি এটি তাদের একটি ভুল হয়ে গেছে।
নোবিপ্রবি'র টিএইচএম বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ রিনু ফাতেমা
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সহকারী অধ্যাপক ড. মোসাম্মৎ রিনু ফাতেমা।
বুধবার(৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) তামজীদ হোসাইন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোসাম্মৎ রিনু ফাতেমা কে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হলো এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে। বিধি মোতাবেক তিনি নির্ধারিত ভাতা ও সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।
বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সহকারী অধ্যাপক ড. মোসাম্মৎ রিনু ফাতেমা বলেন: ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।
আমার লক্ষ্য হবে শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বিভাগটিকে একটি আধুনিক, মানসম্মত ও উৎকর্ষমুখী বিভাগ হিসেবে গড়ে তোলা। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন এবং পর্যটন ও হসপিটালিটি শিল্পখাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরিতে আমি বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাই।
একই সঙ্গে গবেষণার পরিধি বৃদ্ধি এবং দেশ-বিদেশের পর্যটন ও হসপিটালিটি শিল্পের সঙ্গে বিভাগের সংযোগ আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় আমাদের বিভাগ ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি উৎকর্ষের কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
জরুরি চিঠিপত্র দ্রুত পাঠাতে দেশের সব সরকারি কলেজের সক্রিয় ই-মেইল ঠিকানা চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পাশাপাশি বিকল্প আরও একজনের সচল মোবাইল নম্বর (হোয়াটসঅ্যাপ) পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১ অক্টোবর) মাউশির সরকারি কলেজ শাখা-১ থেকে দেশের সব সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়- মাউশির কলেজ শাখা থেকে পাঠানো বিভিন্ন চিঠিপত্র সরকারি কলেজগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোর সক্রিয় ই-মেইল ঠিকানা এবং অধ্যক্ষসহ বিকল্প একজনের সচল মোবাইল নম্বর (হোয়াটসঅ্যাপ) অধিদপ্তরের কাছে থাকা প্রয়োজন।
এ কারণে প্রতিটি সরকারি কলেজের বর্তমান সক্রিয় ই-মেইল ঠিকানা এবং অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পাশাপাশি বিকল্প একজন কর্মকর্তার সচল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর পাঠাতে বলা হয়েছে।
৭ কর্মদিবসের মধ্যে তথ্য পাঠানোর নির্দেশ
চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কলেজগুলোকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কলেজের সক্রিয় ই-মেইল ঠিকানা এবং অধ্যক্ষসহ বিকল্প একজনের সচল মোবাইল নম্বর (হোয়াটসঅ্যাপ) মাউশির সরকারি কলেজ শাখা-১-এর সহকারী পরিচালক মো. ইকরামুল কবিরের বরাবর পাঠাতে হবে।
জরুরি প্রয়োজনে সরকারি কলেজগুলোর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও কার্যকর করতেই এ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষকসহ ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ১২৩তম সভায় তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বহিষ্কৃত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন-বেরোবির সাবেক প্রক্টর ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদ মণ্ডল এবং গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান।
এ ছাড়া বহিষ্কৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাহাবুবার রহমান ওরফে বাবু, তৎকালীন সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান রাসেল, সহকারী রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান, সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলাশ, এমএলএসএস মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, নিরাপত্তাকর্মী নুর আলম মিয়া এবং এমএলএসএস এ কে এম আমির হোসেন।
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণা করেছে। এর আগে ৯ এপ্রিল বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।
যেভাবে আলোচনায় আবু সাঈদ
২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
তার মৃত্যুর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনাটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত ঘটনায় পরিণত হয়।
আসন্ন ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ছয়টি বিভাগে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) বিষয়ে অনুমোদন দিয়ে চিঠি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে।
অনুমোদন পাওয়া এসব বিভাগের মধ্যে রয়েছে-আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এন্ড ডেটা সাইন্স, এগ্রিকালচার, মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, হিসাববিজ্ঞান, পরিবেশ বিজ্ঞান ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ।
বিভাগ অনুমোদনের চিঠিতে বেশকিছু শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত থাকবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়। এ ছাড়া গুচ্ছ ভর্তির কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করবে এ বিশ্ববিদ্যালয়। ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইস্রাফীল বলেন, সরকার ছয়টি বিভাগ অনুমোদন দিয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
প্রতিটি বিষয়ে ৪০ থেকে ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হবে। ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় আদর্শ সুনাগরিক ও আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে যোগ্য গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে বদ্ধপরিকর।
উপাচার্য ড. ইস্রাফীল আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে এমনভাবে পরিচালনা করতে চাই যেন গ্র্যাজুয়েট হওয়ার পর কোনো শিক্ষার্থী বেকার না থাকে। দেশ ও বিদেশের চাহিদা মাফিক গ্র্যাজুয়েট তৈরি করবে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়।