ছবি: সংগৃহীত।

  • প্রকাশ : শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৬:১৫ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত থেকে বেরিয়ে যাওয়া সাত কলেজ নিয়ে গঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। 


আজ সন্ধ্যার মধ্যে অধ্যাদেশ জারি না হলে মার্চ টু যমুনা কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।


বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় রাজধানীর সায়েন্সল্যাবে অবরোধকালীন সাত কলেজের পক্ষে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী জিয়াউর রহমান এই হুঁশিয়ারি দেন।


তিনি বলেন, আমাদের তিন জায়গায় অবরোধ চলছে আজ। গতকালও আমরা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছি। 


আজ দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত দেখবো। এর মধ্যে যদি অধ্যাদেশ জারি না করা হয়, তাহলে মার্চ টু যমুনা কর্মসূচি দেবো। কারণ অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক আচরণ করেছে।


এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হন। ১২টা ৪০ মিনিটে তারা সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবস্থান নেন। 


বিক্ষোভে অংশ নেন ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা।


এ সময় তারা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘রাষ্ট্র তোমার সময় শেষ, জারি করো অধ্যাদেশ’ এবং ‘আমি কে তুমি কে, ডিসিইউ ডিসিইউ’- এ ধরনের স্লোগান দেন।




  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১২ এএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অফিসার পরিষদ ২০২৬-২৭ বছরের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে বাকৃবি অফিসার পরিষদ।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।


বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান সরকার রোকন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মোতাহার হোসেন তালুকদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার পরিষদের সভাপতি ড. এ. কে. এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ। সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ করে নেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। পরে বক্তারা নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এসময় বক্তারা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছতা বাড়াতে নতুনদের নতুন কর্মস্পৃহা নিয়ে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় দেশের নেতৃত্ব ধরে রাখতে কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, বাকৃবির নবগঠিত অফিসার পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি শুভকামনা। বাকৃবিকে এগিয়ে নিতে হলে আপনাদের কর্মস্পৃহা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে হবে। শহীদ জিয়াউর রহমানের সেই কথা স্মরণ করতে চাই, তিনি বলতেন 'কথা কম কাজ বেশি'। আজকে যারা এই পরিবারে আছেন তারা সুন্দর ভাবে কাজ করে যাবেন।


এসময় মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আপনার বাসার আশেপাশে সন্ধ্যার পরে খেয়াল করলে দেখবেন মাদক বিক্রি হচ্ছে এবং সেবন হচ্ছে। আপনি কোথাও যাওয়ার পথে মাদকসেবীদের দেখেও এড়িয়ে গেলেন, ভাবলেন অমুকের ছেলে খাচ্ছে, আমার কি? আমার ছেলে মসজিদে যায়। কিন্তু মাদক একদিন আপনার মাদ্রাসাপড়ুয়া ছেলেকেও প্রভাবিত করবে। একদিন, দুইদিন করে সেবন করাবে এবং একপর্যায়ে সে আসক্ত হয়ে পড়বে।


তিনি বলেন, প্রশাসন বা এমপি, চেয়ারম্যান বা প্রশাসক তারা একা পারবে না যদি আপনারাও দায়িত্ব না নেন। সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিতে হবে এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, অফিসার পরিষদের বিজয়ীদের অভিনন্দন জানাই। আমাদের মূল উদ্দেশ্য দুটি। প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা। আর দ্বিতীয়ত আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে যেন কেউ বঞ্চিত না হয় সেজন্য প্রশাসনের সাথে নিয়মতান্ত্রিক ও সুন্দরভাবে আলোচনা করা।


নির্বাচিত অফিসারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা যে শপথ নিয়েছেন এবং শপথে যা উল্লেখ করেছেন, তার যথাযথভাবে অনুসরণ ও দায়িত্ব পালন করবেন। এতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। কোনো দাবিদাওয়া থাকলে তা প্রশাসনিক ও নিয়মতান্ত্রিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৯ পিএম

রাজধানীর সদরঘাটে প্রিন্স আওলাদ লঞ্চে অর্থ দাবি ও লেনদেনের অভিযোগের সংবাদ সংগ্রহকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনের কর্মীদের দ্বারা দুই সাংবাদিককে হেনস্তা, ধাক্কাধাক্কি এবং ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।


মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জবি প্রেসক্লাবের দপ্তর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ রোকুনুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।


জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মুসফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ লিমন ইসলামের উক্ত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সদরঘাটের ৪ নম্বর টার্মিনালে প্রিন্স আওলাদ লঞ্চে প্রবেশকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে লঞ্চকর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বিরোধ মীমাংসার নামে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসার অভিযোগ ওঠে।


এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সদস্য ও বাংলাদেশ বুলেটিনের জবি প্রতিনিধি আকাশ আহমেদ রুপম এবং পাবলিক নিউজের জবি প্রতিনিধি এটিএম হাসনাত হাবিবকে হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি করে ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় জবি শাখা ছাত্রদলের কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈকত, কাব্য, ইমন, আসিফ, লোক প্রশাসন বিভাগের আলিমুল, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের সাইন আহমেদ পবন, ইতিহাস বিভাগের ১৮তম ব্যাচের সাইদ ও নাইম, থিয়েটার বিভাগের ১৮তম ব্যাচের নাইম, আইইআর বিভাগের ১৮তম ব্যাচের তাজ এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের (আইএমএল) বহিষ্কৃত ছাত্রদল কর্মী শের আলীসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন।


যাদের বেশিরভাগই আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনের কর্মী হিসেবে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতা, মাদক সেবন ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।


জবি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধান ও তথ্য সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সাংবাদিকদের হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা মতপ্রকাশ ও সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ এবং গণতান্ত্রিক ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।


তাই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে জবি প্রেসক্লাব। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, হুমকি কিংবা হেনস্তার ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছে সংগঠনটি।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৩ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পরীক্ষার খাতার উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


এতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের পরীক্ষা-২০২৫-এর ২১০৭ নম্বর কোর্সের ২য় পরীক্ষকের উত্তরপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। উত্তরপত্রগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের কাছে দেয়া হয়েছিল বলে দাবি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রো-ভিসি তা অস্বীকার করেছেন।


আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।


অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আয়নুল হক আকন্দকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজ্জামান।


অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গঠিত তদন্ত কমিটি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।


কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। কাজ শুরু করে দিচ্ছি।’


প্রসঙ্গত, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ২১০৭ নম্বর কোর্সের ৬০টির বেশি উত্তরপত্র হারিয়ে যায়। 


বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কোর্সের ইন্টারনাল পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলম গত ১১ মে উত্তরপত্র নেন এবং ২০ মে বিভাগে জমা দেন। এরপর বিভাগীয় কর্মচারী জাবেদ আলীর দাবি, তিনি উত্তরপত্রগুলো কোর্সের দ্বিতীয় পরীক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের কাছে জমা দিয়েছিলেন।


তবে উপ-উপাচার্য দাবি, উত্তরপত্র তাঁর কাছে আসেনি। এই নিয়ে সৃষ্টি হয় দায় চাপানোর পরিস্থিতি। বিভাগে একটা আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয়।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:১৮ পিএম

রাজধানীর সদরঘাটে প্রিন্স আওলাদ লঞ্চে কর্মীদের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীর বিরোধের পর ৪০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও ২০ হাজার টাকায় মীমাংসার অভিযোগকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামনে এসেছে। জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিন এক পোস্টে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে উল্টো সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মীমাংসার টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুললেও অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আলিমূল ইসলাম অর্থ লেনদেনের কথা স্বীকার করেছেন। 


সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে সদরঘাটের ৪ নম্বর টার্মিনালে প্রিন্স আওলাদ লঞ্চে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। 


প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় দিয়ে দুই শিক্ষার্থী লঞ্চে প্রবেশের চেষ্টা করলে কর্মীরা তাদের বাধা দেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ঘটনাস্থলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত হন। তাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈকত, কাব্য, ইমন, আসিফ ও লোক প্রশাসন বিভাগের আলিমুল, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের সাইন আহমেদ পবন; ইতিহাস বিভাগের ১৮তম ব্যাচের সাইদ ও নাইম; থিয়েটার বিভাগের ১৮তম ব্যাচের নাইম; শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ১৮তম ব্যাচের তাজ এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের (আইএমএল) ১৮তম ব্যাচের বহিষ্কৃত ছাত্রদল কর্মী শের আলী ছিলেন বলে জানা গেছে। 


একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থীদের একজন লঞ্চের এক কর্মীকে মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ঘটনাস্থলে জবির আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। 


অভিযুক্তদের বেশিরভাগ জবি শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে। 


ঘটনার সময় লঞ্চের কয়েকজন কর্মীর মোবাইল ফোন ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে। একই সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও লঞ্চকর্মী আহত হন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। 


প্রিন্স আওলাদ লঞ্চের এক কর্মী পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় দিয়ে কিছু শিক্ষার্থী প্রায়ই সন্ধ্যা বা রাতে লঞ্চে এসে মাদক সেবন করেন। এ কারণে পরিচয়পত্র ছাড়া প্রবেশে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয় বলে দাবি করেন তিনি। 


ওই কর্মী আরও বলেন, ঘটনার পর তারা লঞ্চ মালিক সমিতির কার্যালয়ে বসেন। সেখানে আবারও কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। পরে বৈঠকে টাকা দাবি করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। 


প্রিন্স আওলাদ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. জিল্লু বলেন, আর্থিক লেনদেনের সঠিক পরিমাণ তিনি বলতে পারবেন না। তবে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তিনি। একই সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন না করে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান তিনি। 


লঞ্চটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক যুবরাজ হোসেন বলেন, ঘটনার পর সংশ্লিষ্টরা একসঙ্গে বসেছিলেন। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় ছাড়া যেন কেউ লঞ্চে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছে। 


এদিকে ঘটনার সময় মীমাংসার নামে চাঁদাবাজির কথা শুনে কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেন। এ সময় উপস্থিত বাংলাদেশ বুলেটিনের জবি প্রতিনিধি আকাশ আহমেদ রুপম এবং পাবলিক নিউজের জবি প্রতিনিধি এটিএম হাসনাত হাবিব সঙ্গে ছাত্রদলকর্মীরা বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের জোর করে বের করে দেয়। সাংবাদিকরা কীভাবে বিষয়টির মীমাংসা হচ্ছে, তা জানতে চাইলে তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। 


তবে এ ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে নিজ কর্মীদের সাফাই গেয়ে উল্টো সাংবাদিকদের উপর দায় দিয়ে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করেন জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিন। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ঐ পোস্টে তিনি দাবি করেন, লঞ্চের কর্মীরা জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও মারধর করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮, ১৯, ২০ ও ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ নিজেই ক্ষতিপূরণ দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা ও ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। 


শামছুল আরেফিন আরও দাবি করেন, নির্যাতিত জবিয়ানদের পক্ষ না নিয়ে কেউ কেউ সাংবাদিক পরিচয়ে আপস-মীমাংসার টাকা নিতে চেয়েছেন। তার ভাষ্য, এটি জবিয়ানদের আবেগ ও অনুভূতির পরিপন্থী। 


তবে অর্থ লেনদেনের বিষয়ে শামছুলের ওই বক্তব্যের সঙ্গে অভিযুক্ত ছাত্রদল কর্মী আলিমূল ইসলামের বক্তব্যের ভিন্নতা পাওয়া গেছে। 


ঘটনায় অভিযুক্ত জবির ২০ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী আলিমূল ইসলাম বলেন, তাদের বন্ধু সৈকতের সঙ্গে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের ঝামেলা হলে সৈকতের ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে লঞ্চের লোকজনের সঙ্গে সৈকত একটি কক্ষে ঢুকে গেলে ভেতর থেকে উচ্চস্বরে চিৎকার শুনতে পান বলে দাবি করেন তিনি। 


অর্থ লেনদেনের বিষয়ে জানতে চাইলে আলিমূল বলেন, কর্তৃপক্ষের সাথে হাতাহাতির সময় সৈকতের মোবাইল হারিয়ে যাওয়ার কারনে ক্ষতিপূরণ চাইলে পরে তারা এর জন্য তারা তাকে কিছু টাকা দিয়েছিল। 


ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদলের বহিষ্কৃত কর্মী শের আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঘটনার সময় ভেতরে ছিলেন এবং বিস্তারিত কিছু জানেন না। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের ছোট ভাই সৈকতের সাথে লন্সের স্টাফদের ঝামেলা লাগছিলো। আমরা গিয়ে সমাধান করে দিয়েছি। টাকার বিষয়ে সৈকতের কাছে শুনেন।’’ 


অর্থাৎ, সদস্যসচিবের পোস্টে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মীমাংসার টাকা নেওয়ার অভিযোগ তোলা হলেও তার নিজ সংগঠনের অভিযুক্ত কর্মীর বক্তব্যে ঘটনার পর অর্থ দেওয়ার কথা উঠে এসেছে। 


এ বিষয়ে জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 


জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন। ছাত্রদলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি করে থাকলে তার দায় ছাত্রদল নেবে না। তবে ছাত্রদলের কোনো কর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সাহিদ সুলতান, সিফাত মাহমুদ, সুস্মিতা দাস, তাসনীম তাবাসসুম প্রভা (বাঁ থেকে)

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৯ এএম

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের (এগ্রিরোভার্স) নতুন ক্রু কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। আগামী ছয় মাসের জন্য চারটি দলের রোভার ও গার্ল ইন রোভারদের নিয়ে ৩২ সদস্যের এ কাউন্সিল গঠন করা হয়।


সোমবার সংগঠনটির সম্পাদক অধ্যাপক ড. নাহিদ জেবা স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।


নতুন কাউন্সিলে রোভার সাহিদ সুলতান সবুজ (৩৯তম দল), রোভার সিফাত মাহমুদ (৩৫তম দল), গার্ল ইন রোভার সুস্মিতা দাস (৯৯তম দল) ও গার্ল ইন রোভার তাসনীম তাবাসসুম প্রভা (৯৯তম ‘খ’ দল) সিনিয়র রোভারমেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।


সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন কাউন্সিলের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমে গতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি নবীনদের নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে শেকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে।


১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপ শুরু থেকেই বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেবার মানসিকতা তৈরি, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ এবং ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।


ঢাকা জেলা রোভারের আওতাভুক্ত এ ইউনিটের পাঁচজন সদস্য এ পর্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘প্রেসিডেন্ট’স রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন।


  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৫ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মার্কেটিং বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অজয় পালকে আহ্বায়ক এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জয় সাহাকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে।


আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দির’-এর জন্য গঠনতন্ত্র প্রণয়ন এবং সে অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নয় সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠিত হলে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে।


কমিটিতে বাংলা বিভাগের ১৭তম ব্যাচের সুমন কুমার দাসকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ১৬তম ব্যাচের প্রিয়ন্ত স্বর্ণকার, সংগীত বিভাগের ১৭তম ব্যাচের অনন্ত বিশ্বাস, লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৮তম ব্যাচের গৌরব দাস, ফিন্যান্স বিভাগের ১৮তম ব্যাচের অবন্তি রায়, অর্থনীতি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের অতসী দাস এবং মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০তম ব্যাচের বিশাল কুমার সাহা।


কমিটিতে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পেয়ে জয় সাহা বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের সদস্য সচিব হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই দায়িত্ব আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের এবং একই সঙ্গে একটি বড় দায়িত্বের। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আমি নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।”


তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও সকলের অংশগ্রহণের একটি মিলনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। ঐক্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে।”


কমিটি গঠনের বিষয়ে আহ্বায়ক অজয় পাল বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মন্দিরের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মন্দিরের কার্যক্রমে সমন্বয়, শৃঙ্খলা ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”