ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র থেকে গত ১৪ মাসে ৬৭৫ বাংলাদেশি বহিষ্কার হয়েছেন বলে সেখানকার ‘ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট’ (আইসিই) এর মিডিয়া সেল জানিয়েছে।
এর মধ্যে ৩৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অন্যরা বেআইনি পথে সীমান্ত পার হওয়ার সময় ধরা পড়েন কিংবা স্বেচ্ছায় ধরা দেন। গত ৪ মার্চ এই তথ্য দিয়েছে অভিবাসন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাটি।
আইসিই’র এক মুখপাত্র বলেন, ‘কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার পেট্রোল’ এর ‘হোম অ্যাপ’ ব্যবহার করে অবৈধরা স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরতে পারছেন। গ্রেপ্তারের পর সাজাপ্রাপ্ত আসামির ন্যায় দেশে ফেরার চেয়ে স্বেচ্ছায় ফিরতে চাইলে ফ্রি টিকেটের পাশাপাশি নগদ ২ হাজার ৬০০ ডলার দিচ্ছে ফেডারেল সরকার। এভাবে যারা ফিরছেন, তারা অদূর ভবিষ্যতে অন্য কোনো প্রোগ্রামে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে আসার সুযোগ পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ লাখ ৫ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর বাইরে আরো ১৯ লাখের মত স্বেচ্ছায় ফিরে গেছেন।
এ বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩০ লাখের মত অবৈধ অভিবাসী স্বেচ্ছায় যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে গেছেন বলে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দাবি করেছে। এর মধ্যে ৭ লাখ ১৩ হাজার জনের বিরুদ্ধে অনেক পুরনো ‘ডিপোর্টেশনের’ নির্দেশ ছিল।
সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় আইন ও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে সংরক্ষিত ও সংবেদনশীল স্থাপনা বা ঘটনা-সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও ধারণ এবং স্থানীয় আইন, জননিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার বিরোধী কোনো বিষয়বস্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ বা প্রচার না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দূতাবাসের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান মো. রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্থানীয় সৌদি আইন ও সামাজিক শান্তি-শৃঙ্খলা পরিপন্থি বা বিরোধী যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা বাধ্যতামূলক। এ লক্ষ্যে দূতাবাসের পক্ষ থেকে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
<iframe src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fbdembassyriyadh%2Fposts%2Fpfbid033FFwdHQEhQys7vcJjyTUWQKZBTuE8AVnFPjpG1R83BQ9N7Da2n9freCcmp6MdCCNl&show_text=true&width=500" width="500" height="589" style="border:none;overflow:hidden" scrolling="no" frameborder="0" allowfullscreen="true" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share"></iframe>
এতে বলা হয়, সংরক্ষিত এলাকা বা স্থাপনা, সংবেদনশীল ঘটনা বা বিষয় এবং অপ্রয়োজনীয় যেকোনো ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছে দূতাবাস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (টুইটার) ইত্যাদিতে স্থানীয় আইন, জননিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার বিরোধী কোনো বিষয়বস্তু প্রকাশ, প্রচার, সংরক্ষণ, আদান-প্রদান এবং এতে লাইক, কমেন্ট বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ ছাড়া ডিপ্লোম্যাটিক কোয়ার্টার ও বাংলাদেশ দূতাবাস এলাকার বিষয়ে বলা হয়েছে, সেবা গ্রহণের আগে বা পরে দূতাবাসের অভ্যন্তরে, বাইরে কিংবা আশপাশের এলাকায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘোরাফেরা করা যাবে না। একই সঙ্গে অনুমতি ছাড়া ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
দূতাবাস জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য করা স্থানীয় সৌদি আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সকল প্রবাসীর দায়িত্বশীল আচরণ, সচেতনতা এবং সৌদি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন একদিকে যেমন নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল প্রবাসজীবন নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে সৌদি আরবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখবে। এ বিষয়ে সকলের সচেতনতা এবং সর্বাত্মক সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ভবন
পারমিটের বেশি সময় মার্কিন ভূখণ্ডে অবস্থান করলে ভবিষ্যতে দেশটি ভ্রমণে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের ভেরিফায়েড পেজ থেকে করা ভিসা সংক্রান্ত এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, একটি ইউএস ভিসা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের নিশ্চয়তা দেয় না। দেশটিতে আপনার প্রবেশের মেয়াদ ও শর্তাবলি নির্ধারণ করেন প্রবেশস্থলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা।
আপনি যদি পারমিটের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন বা আপনার ভিসার ধরন অনুযায়ী অনুমোদিত নয় এমন কার্যক্রমে জড়িত হন, তাহলে ভবিষ্যতে আপনার উপর যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ হতে পারে। সঠিকভাবে ভিসা ব্যবহার করা আপনার দায়িত্ব।
ছবি : সংগৃহীত
পরিবেশ সুরক্ষা, নাগরিক দায়িত্ববোধ ও সামাজিক সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে ফ্রান্সের সেন্ট-দেনি শহরে বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস উদযাপনে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা। স্থানীয় সময় রোববার সকালে প্রবাসী সংগঠন ‘সলিডারিটি আজি ফ্রান্স’ (সাফ)-এর উদ্যোগে এবং সেন্ট-দেনি সিটি করপোরেশনের (মেরি দো সেন্ট-দেনি) সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এতে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ২৪০ জনেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। সকাল থেকেই তারা শহরের বিভিন্ন সড়ক ও এলাকার ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দেন।
কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ ও স্বেচ্ছাসেবীদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট-দেনির মেয়র বাল্লি বাগায়োকো, কাউন্সিলর নোরা বেনসালাহ, মারিয়া অ্যাডজান্টে এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্থানীয় প্রতিনিধি নাহিদুল মুহাম্মদসহ মেরি দো সেন্ট-দেনির অন্যান্য কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা।
‘সাফ’-এর সভাপতি এনকে নয়ন বলেন, “পরিচ্ছন্নতা শুধু বিশেষ কোনো দিবসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; পরিবেশ রক্ষা ও সুস্থ জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিনই আমাদের নিজ নিজ এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখা প্রয়োজন। নাগরিকদের সম্মিলিত সচেতনতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য সুন্দর শহর গড়ে তোলা সম্ভব।”
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সলিডারিটি আজি ফ্রান্সের সহ-সভাপতি মামুন হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক শাহিন আহমদ মোড়ল। এছাড়া মেয়র ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের উপস্থিতি স্বেচ্ছাসেবীদের মাঝে উদ্দীপনা যোগায়।
সেন্ট-দেনির মেয়র বাল্লি বাগায়োকো এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবীর হাতে সিটি করপোরেশন ও আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা সনদ তুলে দেওয়া হয়।
সম্মাননা অনুষ্ঠানে শাকিল সৈয়দ
বাংলাদেশে সমাজসেবামূলক কাজের মাধ্যমে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে বিশেষ অবদানের জন্য জার্মান সরকারের কাছ থেকে সম্মাননা (এনগেজমেন্ট প্রাইস) পেয়েছেন শাকিল সৈয়দ। তিনি বাংলাদেশ ও জার্মানির দ্বৈত নাগরিক। গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জার্মানির ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (বিএমজেড) এই সম্মাননা দেয়। শাকিল সৈয়দসহ মোট সাত ব্যক্তি এবার এই সম্মাননা পেয়েছেন।
জার্মানির বন শহরে বিএমজেডের দপ্তরে আয়োজিত ‘ওপেন ডে’ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননা তুলে দেন উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান।
শাকিল সৈয়দ জার্মানির নুরেমবার্গে থাকেন। তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকা অঞ্চলে প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা-পরিচালনাসহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত আছেন। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘আশা-বাংলাদেশের জন্য প্রত্যাশা’ নামের সংগঠনের মাধ্যমে সমাজসেবামূলক কাজ করে আসছেন।
বিএমজেডের প্রশংসাপত্রে বলা হয়, শাকিল সৈয়দ তাঁর কাজের মাধ্যমে জার্মানির মানুষের কাছে বাংলাদেশের জনগণের জীবনচিত্র তুলে ধরছেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ বোঝার ক্ষেত্রে জার্মানির সঙ্গে সেতুবন্ধন তৈরি করছেন।
উন্নয়নমন্ত্রী রিম আলাবালি রাদোভান বলেন, শাকিল সৈয়দসহ সম্মাননা পাওয়া সাত ব্যক্তি আন্তর্জাতিক সংহতি-সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে এই সময়ে তাঁদের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যখন জাতীয়তাবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদ বাড়ছে। ‘আগে আমরা’ ধরনের মানসিকতা আরও জোরালো হচ্ছে।
সম্মাননা পাওয়া অন্য ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন জার্মানির কোলনের গ্লোরিয়া নিয়াকুয়ে, ডুসেলডর্ফের ইউলিয়ুস লাটজেল, বার্লিনের বাতিয়া ব্লাঙ্কার্স, কারিন ম্লোডক ও নাতালিয়া ফিব্রিগ। এ ছাড়া মরণোত্তর সম্মাননা পেয়েছেন বন শহরের ইয়েন্স মার্টেন্স।
মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটিকে নিয়ে বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের লিমিটেড এর উদ্যোগে এক জমকালো বিজনেস মিটিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের বিভিন্ন পরিকল্পনা, ব্যবসায়িক সম্ভাবনা, ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশীদারিত্বের সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের ভাইস চেয়ারম্যান জনাব মামুনুর রশীদ মজুমদার, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও ডিরেক্টর মার্কেটিং জনাব ফেরদাউস রহমান রুমি।
প্রোগ্রামটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেন জনাব তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে বক্তব্য রাখেন জনাব রাশেদ বাদল, জনাব সেলিম উদ্দিন এবং জনাব হারুন অর রশিদ। এছাড়াও বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের বিভিন্ন অংশীদারিত্ব গ্রহণকারী সদস্যবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে প্রকল্পের প্রতি আস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
সভায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত অতিথিরা বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের পরিকল্পনা ও কার্যক্রম সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং একটি সম্ভাবনাময় এগ্রো-ট্যুরিজমভিত্তিক উদ্যোগ হিসেবে প্রকল্পটির সফলতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বুকিত বিনতান এলাকায় অবস্থিত রাধুনী বিলাস রেস্টুরেন্টে।
বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে দেশের কৃষি, পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ব্যবসায়িক সভা ও মতবিনিময় কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্ট-সমৃদ্ধ কৃষি, সুন্দর প্রকৃতি ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের পথে একসঙ্গে এগিয়ে চলার প্রত্যয়।
রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় সফরে ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির।
রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ভুটানের সংসদ ভবনের সম্মুখে বাংলাদেশ, নেপাল, পাকিস্তান ও ভুটানের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উপস্থিত ছিলেন তিনি।
আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এমন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সফর বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পঞ্চগড়ের একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিসরে তাঁর এই অংশগ্রহণ পঞ্চগড়বাসীর জন্যও গর্ব ও সম্মানের বিষয়।