নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
দীর্ঘদিন ধরে চলা অভ্যন্তরীণ বিরোধ, প্রকাশ্য বাগ্বিতণ্ডা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে এবার সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। বহিষ্কৃত দুই নেতা হলেন শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম ও প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন।
গত রোববার (২ আগস্ট) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁদের বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
তবে বিজ্ঞপ্তিতে দুই নেতার বিরুদ্ধে কী ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। বহিষ্কৃত দুই নেতা দাবি করেছেন, তাঁদের কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, সেটিও জানানো হয়নি।
দুই নেতা নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাঁদের বহিষ্কারের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও নেতৃত্বের বিরোধ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের নেতাদের মধ্যে বিরোধের একাধিক ঘটনা এর আগে প্রকাশ্যে এসেছে। গত ২১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলের তৎকালীন প্রভোস্ট ড. মো. তসলিম মাহমুদের সঙ্গে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসানের বাগ্বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, হলের একটি আবাসিক আসনকে কেন্দ্র করে ওই বিরোধের সূত্রপাত। পরে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন হলের প্রভোস্ট।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল আবদুল মালেক উকিল হলের সামনে ছাত্রদলের নেতাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শান্তিনিকেতন এলাকায় শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের সঙ্গে সংগঠনের এক নম্বর সহসভাপতি মো. আমিনুল ইসলামসহ কয়েকজনের হাতাহাতি হয়। পরে হলের সামনে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে সাব্বির হোসেনকে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়ার ঘটনাও দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ওই ঘটনার পর সাব্বির হোসেনকে সংগঠনের পক্ষ থেকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
তবে সাব্বির হোসেনের দাবি, তিনি সাবেক উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পর থেকেই সংগঠনের একটি অংশ তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এবং একপর্যায়ে তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাতও করা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
বহিষ্কৃত প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন বলেন, ছাত্রদলের সভাপতি বর্তমানে ক্যাম্পাসের জুনিয়র ব্যাচের ১ যুগের ও বেশি সিনিয়র ও সাধারণ সম্পাদক শিবিরের বাছাইকৃত কর্মী। তারপরও কেন্দ্রের সিদ্বান্ত অনুযায়ী আমরা তাদের নির্দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন প্রোগ্রামগুলো আয়োজন করে যাচ্ছিলাম।কিন্তু কমিটি দেওয়ার পর থেকেই ছাত্রদলের সভাপতি ও শিবিরের বাছাইকৃত কর্মী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সবকিছুকে স্বৈরাচারীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেছিলো।
তিনি আরোও বলেন, আমরা সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন, সহ-সভাপতি সাখাওয়াত সায়েম, প্রচার সম্পাদক খায়রুল আমান শাওন ও আমাদের অনুসারীদের নিয়ে আমাদের প্লাটফর্মটা দ্বার করাচ্ছিলাম।
শাওন আরোও বলেন, "নোবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতিকে ‘বুইড়া খাটাশ’ বলায় আমাকে বহিষ্কার করা হয়"।
তিনি আরোও বলেন, "তবে এটুকু সত্য যে, আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে কখনোই এমন কোনো কর্মকাণ্ডে একাত্ম হইনি, যা আমাদের দলীয় আদর্শ, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পরিপন্থী। চাঁদাবাজি, প্রকৌশলীকে হুমকি-ধমকি প্রদান, শিক্ষকবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, অবৈধভাবে হলের সিট দখল, বৈধভাবে বরাদ্দকৃত সিট বাতিলের জন্য হল প্রভোস্টের ওপর চাপ প্রয়োগ, জনসম্মুখে কাউকে হেনস্তা করা কিংবা অন্য কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে আমরা কখনো তাদের সঙ্গে ছিলাম না। তাদের সঙ্গে এসকল কর্মকান্ডে এক হতে না পারাই বহিষ্কারের কারণ হতে পারে"।
সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সায়েম বলেন, তাঁদের বহিষ্কারের আগে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি। তাঁর ভাষ্য, ‘আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কী, সেটাও আমরা জানি না। আমাদের কাছ থেকে কোনো কিছু জানতেও চাওয়া হয়নি। হুট করেই বহিষ্কার করা হয়েছে।’
সায়েমের দাবি, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটিকে ‘ভুজুংভাজুং কমিটি’ বলায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই দুই নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক টিম তাদের দফায় দফায় সতর্ক করেছে। কমিটি দেওয়ার আট মাস হয়ে গেলেও এক দিনের জন্যও তারা কোনো দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেনি।’
জাহিদ হাসানের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংগঠন ও কমিটিকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ মন্তব্য করার পাশাপাশি তাঁরা সংগঠনের নীতির বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়েছেন। এসব বিষয় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক টিমের নজরে ছিল।
শোকজ না দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই যে নোটিশের মাধ্যমে তাদের সতর্ক করতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক টিম অনলাইনে এবং বিভিন্ন মিটিংয়েও তাদের সতর্ক করেছে।’
তিনি আরও বলেন, সংগঠনের সিদ্ধান্তের ঊর্ধ্বে কেউ নন। দায়িত্ব নিয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশ না নিলে তাঁর বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাখা ছাত্রদলে গ্রুপিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহিদ হাসান। তাঁর ভাষ্য, ‘গ্রুপিং বা অন্তর্কোন্দল এগুলো আমাদের কোনো বিষয় নয়। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অমূলক। এখানে ছাত্রদলের যথাযথ নেতৃত্বের মাধ্যমেই সংগঠন পরিচালিত হচ্ছে।’
তাঁর দাবি, বহিষ্কৃত দুই নেতা কার অনুসারী, সেটি বিবেচনায় নিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি; বরং সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক অভিযোগের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে কমিটি ঘোষণার প্রায় এক মাসের মধ্যে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ও সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মেহেদী হাসান বাধনকে শোকজ করা হয়েছিল। পরে তাঁদের তিন মাসের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে শুধু ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের’ কথা বলা হয়েছে। অভিযোগের বিস্তারিত উল্লেখ না থাকায় এবং বহিষ্কৃত নেতাদের শোকজ করা হয়েছিল কি না, তা কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।
বিশেষ বৃত্তির অর্থ এখনো না পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রশাসন। যেসব শিক্ষার্থী পূর্বে অনলাইনে ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করেননি এবং ফলে বিশেষ বৃত্তির অর্থ পাননি, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করতে বলা হয়েছে।
আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অদ্য অনুষ্ঠিত বিশেষ বৃত্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে লগইন করে ব্যাংক হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন। আগামী ২৬ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর আইডি নম্বর, নাম, ব্যাংকের নাম, নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বর, শাখার নাম এবং ব্যাংক রাউটিং নম্বর সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীর নাম ও ব্যাংক হিসাবের নাম অবশ্যই এক হতে হবে। ব্যাংক হিসাব নম্বর ১৩ থেকে ১৭ সংখ্যার মধ্যে হতে হবে এবং এতে কোনো স্পেস বা ড্যাশ ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া রাউটিং নম্বর ৯ সংখ্যার হতে হবে এবং ব্যাংক হিসাব সচল থাকতে হবে।
এছাড়াও অনলাইনে তথ্য আপলোডে কোনো সমস্যা হলে ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রেজিস্ট্রার দপ্তর জানিয়েছে এটি এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি। পরবর্তীতে বিশেষ বৃত্তির জন্য ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত কোনো নতুন তথ্য গ্রহণ করা হবে না।
তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ অনেকদূর এগিয়েছে এবং আগামী ২০২৭ সালে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
গতকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে লালমনিরহাট জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত 'নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিস্তা প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "এটি নিয়ে অনেক ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা হলেও এর কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। এত বড় একটি বৃহৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আগে হাওয়ার ওপর বক্তব্য দেয়া হতো। এখন বড় বড় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তারা রিপোর্ট জমা দিলে শিগগিরই আমরা কাজ শুরু করব ইনশাআল্লাহ।"
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই একটিমাত্র প্রকল্পের মাধ্যমেই লালমনিরহাটের সার্বিক চেহারা পরিবর্তন হয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী তার অন্যান্য বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আগামী দিনে লালমনিরহাটের নেতৃত্ব তোমাদেরই দিতে হবে। নিজেদের জেলার ঐতিহ্য ও আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে লজ্জিত না হয়ে তা নিয়ে গর্ববোধ করতে হবে।"
শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে তিনি বাস মালিক সমিতির সাথে কথা বলে ঈদের সময় ভাড়া নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস দেন এবং ছাত্রীদের আবাসিক হলের ব্যাপারে উপাচার্যের সাথে কথা বলেছেন বলে জানান।
এছাড়াও, এলাকার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুবিধার্থে তিনি ছাত্রকল্যাণ সমিতির ফান্ডে ৫ লাখ টাকার অনুদান ঘোষণা করেন এবং সবাইকে মাদক, জুয়া, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ মুক্ত সমাজ গড়ার সামাজিক আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন এবং লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল।
আনিসুর রহমান খোকন ত্রাণমন্ত্রীকে সারা দেশের রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য একজন অনুকরণীয় সংগঠক ও অভিভাবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের দেশ গড়ার কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, রোকন উদ্দিন বাবুল শিক্ষার্থীদের শেকড় না ভোলার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্যে লালমনিরহাট জেলার তিনজন সংসদ সদস্যই প্রধানমন্ত্রীর নিকট ডিও লেটার দিয়েছেন। এছাড়া ফোরলেন সড়কটি লালমনিরহাট হয়ে বুড়িমারী পর্যন্ত নিতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনিও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সমিতিতে অনুদান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন তার বক্তব্যে মন্ত্রীকে ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ১৫-১৬ বছর মানুষ যখন ভয়ে কথা বলতে পারত না, তখন আসাদুল হাবিব দুলু ছিলেন সাহসের একটি বাতিঘর।" তিনি লালমনিরহাটের মানুষদের অত্যন্ত সাদা মনের ও নীতিবান হিসেবে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
লালমনিরহাট ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি আজিজুল হাকিম (আকাশ)-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সুজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা সমিতির সাবেক প্রধান উপদেষ্টা জনাব এম এ কাদের সরকার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মুনমুন মাশরাফীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সমিতির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীবৃন্দ।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আটটি বিভাগে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে মোট ১৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) থেকে শুরু করে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সহকারী অধ্যাপক পদে দুজন এবং প্রভাষক পদে ১২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সহকারী অধ্যাপক পদে সমাজকর্ম বিভাগে একজন এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে একজন নিয়োগ পাবেন।
প্রভাষক পদে সংগীত বিভাগে দুজন, নাট্যকলা বিভাগে দুজন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে একজন, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে দুজন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে একজন, ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগে একজন, প্রিন্ট মেকিং বিভাগে একজন এবং ত্রিমাত্রিক শিল্প ও নকশা বিভাগে একজন নিয়োগ দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রতিটি পদের বিস্তারিত যোগ্যতা ও শর্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আবেদনের জন্য প্রার্থীদের প্রথমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর ফরমের প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে হবে। আবেদন ফি হিসেবে ৬০০ টাকা নগদ অথবা রকেটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
অনলাইনে আবেদন শেষে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ ও নম্বরপত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা পাসপোর্ট আকারের তিন কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি এবং অনলাইনে দাখিল করা আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপিসহ পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্রের আট সেট জমা দিতে হবে।
আবেদনপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দপ্তরে সরাসরি, ডাকযোগে অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো যাবে। কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদন করার শেষ সময়। শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বেতন স্কেল, সাধারণ শর্তাবলি ও আবেদনসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী পদসংখ্যা কমানো বা বাড়ানোর ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী পরিবহনের বাসে যাত্রী উপস্থিত না থেকেও খাতা, শিট, পানির বোতলসহ বিভিন্ন সামগ্রী রেখে আসন 'রিজার্ভ’ করে রাখায় আগে বাসে ওঠা শিক্ষার্থীরা খালি আসন থাকা সত্ত্বেও বসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এই প্রচলিত নিয়ম বন্ধে প্রজ্ঞাপন জারি করে কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর যাতায়াতের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ও ভাড়ায় পরিচালিত বাস রয়েছে। প্রতিদিন এসব বাসে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে যাতায়াত করেন। আসনের তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। তবে সম্প্রতি বাসে বিভিন্ন সামগ্রী রেখে আসন দখল করে রাখার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ বাসে নিজের উপস্থিতি না থাকলেও আগে থেকেই খাতা, শিট, পানির বোতলসহ বিভিন্ন জিনিস আসনে রেখে সেটিকে নিজের জন্য সংরক্ষিত করে রাখছেন। ফলে পরে বাসে ওঠা শিক্ষার্থীরা খালি আসন থাকলেও সেখানে বসতে পারছেন না।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “অনেকে বাস থেকে নামার সময় বাসে খাতা রেখে যান। যার কারণে আমরা পরে আগে এসেও বাসে সিট পাই না। অনেক দূর থেকে যাতায়াত করলেও বাধ্য হয়ে পুরোটা পথ দাঁড়িয়ে যেতে হয়।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক বলেন, “আমরা দ্রুতই একটি প্রজ্ঞাপন জারি করব। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা থাকবে বাসে খাতা, কলম, বোতল বা অন্য কোনো কিছু রেখে আসন দখল করা যাবে না। এভাবে সিট রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। বাসের আসন বণ্টন হবে সম্পূর্ণভাবে আগে আসার ভিত্তিতে। অর্থাৎ, যিনি সশরীরে উপস্থিত থাকবেন, তিনিই আসনে বসার অগ্রাধিকার পাবেন।”
তিনি আরও বলেন, “পরিবহন প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়োজিত গাড়িচালক ও সহকারীরা বিষয়টি তদারকি করবেন। এরপরও কেউ নির্দেশনা অমান্য করে অনিয়ম অব্যাহত রাখলে ভিসি স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলামূলক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নোবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ। আলোচনায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছয় দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।
আলোচনায় পকেট গেইট সার্বক্ষণিক খোলা রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে ৩৬০ ডিগ্রি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ই-কারের ভাড়া ৫ টাকায় নামিয়ে আনা, ব্যাকলগ ও ইমপ্রুভমেন্টের নিয়ম পুনর্বিবেচনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে লোকাল যাত্রী পরিবহন বন্ধ এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া বাসগুলো দ্রুত মেরামত করে পরিবহন বহরে যুক্ত করার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
ইমপ্রুভমেন্টের ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৩.০০-এর নিচে থাকা শিক্ষার্থীদের ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তবে ব্যাকলগের বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানানো হয়।
আলোচনায় নোবিপ্রবি ছাত্রদল নেতা সাব্বির হোসেন শান্ত, শাখাওয়াত সায়েম, সাখাওয়াত হোসেন, খায়রুল আমান শাওন ও আনিসুর রহমান সিফাতসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব ও নিরাপদ করে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে নোবিপ্রবি ছাত্রদল।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) এগ্রিকালচার বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে কৃষি। একটি দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই ভবিষ্যতের কৃষিকে হতে হবে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও সহনশীল।”
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা শুধু কৃষির শিক্ষার্থী নও, তোমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম কারিগর। তোমাদের অর্জিত জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ে কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং কৃষির বিদ্যমান সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।”
এ সময় কৃষির গুরুত্ব বিবেচনায় নোবিপ্রবিতে কৃষি অনুষদ ও গবেষণার জন্য আরও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির আশ্বাস দেন উপাচার্য।
জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও এগ্রিকালচার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাসান উদ্দীন।
বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানান এবং দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে তাদের দক্ষতা ও মেধা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মৃতিচারণ এবং ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
এ সময় এগ্রিকালচার বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।