মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : শনিবার ০৩ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১:৩৪ পিএম

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ছাত্র সংগঠনগুলো ২০২৫ সালে শিক্ষার্থী কল্যাণ, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক কার্যক্রম চালিয়েছে।


গুচ্ছ পরীক্ষার্থীদের জন্য ছাত্রদলের হটলাইন ও বিনামূল্যে যাতায়াত সেবা প্রদান

গত ২৫ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট, টার্মিনাল ও স্টেশনগুলোতে সাধারণত চাপ ও ভিড় বেড়ে যায়। বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা ভর্তিচ্ছুদের অনেকেই ছিল ক্যাম্পাস সম্পর্কে অজানা। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় ছাত্রদল বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করে, যাতে পরীক্ষার্থীরা শহর থেকে ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর রুট, থাকার ব্যবস্থা, পরিবহন নির্দেশনা ও জরুরি সহায়তা পেতে পারে।‌ এছাড়া বিনামূল্যে যানবাহন সার্ভিস চালু করে সংগঠনটি — যেখানে নির্দিষ্ট স্পটে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আনা-নেওয়া করা হয়।

চারটি আবাসিক হলে সাইকেল পাম্প স্থাপন ছাত্রদলের

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে সাধারণ বাহন হলো সাইকেল। কিন্তু হঠাৎ চাকা ফেঁসে গেলে ছাত্রদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিষয়টি মাথায় রেখে ছাত্রদল চারটি ছাত্র আবাসিক হলে স্থায়ী সাইকেল পাম্প স্থাপন করে, যাতে শিক্ষার্থীরা যেকোনো সময়ে বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারে।

৪৭তম বিসিএসে পরীক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস ব্যবস্থায় ছাত্রদল

গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিসিএস পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রদলের এই উদ্যোগটি ক্যাম্পাসে অধিক আলোচনার জন্ম দেয়। দীর্ঘ রাস্তাপথে সময় ও খরচ দুটিই পরীক্ষার্থীদের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ছাত্রদল দুটি পূর্ণাঙ্গ যাত্রীবাহী বাস বিনামূল্যে চালায়, যেখানে শতাধিক পরীক্ষার্থী ঢাকাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেন। পরীক্ষার দিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রার্থীদের নির্দিষ্ট সময়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরীক্ষা শেষে একই বাসে নিরাপদে ফেরত আনা হয়।

যানজট নিরসনে সেকেন্ড গেটে ফুলের টব স্থাপন ছাত্রদলের

গত ১৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেটে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের প্রবেশ-বাহিরে বিশৃঙ্খলা ছিল। যানবাহন এলোমেলোভাবে দাঁড়ানো ও রিকশা-অটোরিকশার চাপ স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত করত। সমাধানে ছাত্রদল ফুলের টব দিয়ে পথ বিভাজন সৃষ্টি করে একটি নান্দনিক লেন-সিস্টেম তৈরি করে, যার ফলে চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরে এবং জায়গাটি সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়।

ঈদে ক্যাম্পাসে অবস্থানরতদের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ

গত ৮ জুন ঈদে অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরতে পারেন না — বিশেষ করে দূরবর্তী অঞ্চলের বা সংকটাপন্ন অবস্থার শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ফাঁকা থাকলেও তাদের জন্য দিনটি একাকীত্ব নিয়ে আসে। এই চিত্র বদলাতে ছাত্রদল হল ও ক্যাম্পাসে থেকে যাওয়া শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজন করে। মেন্যু হিসেবে ছিল পোলাও, মাংস ও বিশেষ আইটেম। নেতাকর্মীরা নিজ হাতে রুমে রুমে খাবার পৌঁছে দেন। এটি ক্যাম্পাসে উৎসবের উষ্ণতা ছড়ায়।

কাগমারি সড়ক সংস্কারে ছাত্রদল

গত ৪ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাগমারি সড়কের ভাঙ্গাচোরা অংশ বর্ষায় আরও বিপজ্জনক হয়ে পড়ছিল। শিক্ষার্থী, এলাকাবাসী ও যানবাহন চলাচলে এতে ঘনঘন দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় ছাত্রদল নেতা শামীম ও অয়ন নিজ উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করেন, যাতে চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শহিদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল

গত ৭ অক্টোবর আবরারের স্মরণে ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

বড় পর্দায় বাংলাদেশ–ভারত ক্রিকেট ম্যাচ সম্প্রচারে ছাত্রদল

গত ২৪ সেপ্টেম্বর মান্নান হলের সামনে বড় স্ক্রিনে বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করেন ছাত্রদল। সেখানে শতশত শিক্ষার্থী একত্র হয় এবং খেলা দেখার উৎসব পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন

গত ১৪–১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার মাসে তিনদিনব্যাপী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ছাত্রদল। বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একাধিক ক্যাটাগরিতে অংশ নেন। পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান ক্যাম্পাসে প্রাণবন্ত পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পবিত্র মাহে রমাদানকে স্বাগত জানান ইসলামী ছাত্র শিবির

পবিত্র মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ব্যতিক্রমী কর্মসূচির আয়োজন করে ইসলামী ছাত্র শিবির। রমাদানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এদিন ব্যানার প্রদর্শনী, ভ্রাতৃত্বের প্রতীক চিরকুট বিনিময় এবং বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।‌ রমজান মাসকে কেন্দ্র করে গত ২ মার্চ থেকে পুরো রমজানজুড়ে নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে সহীহ কুরআন শিক্ষা কোর্স পরিচালনা করে সংগঠনটি। এতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।

ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি

সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ২৬ই মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার ২০টি অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের মাঝে পাঞ্জাবি ও পায়জামা বিতরণ করেন। একইভাবে ঈদুল আজহায় ৭ ই জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কর্মচারী ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মাঝে কুরবানির গোস্ত বিতরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্র শিবির।

ভর্তিচ্ছুদের সহযোগিতায় ইসলামী ছাত্র শিবির

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় গুচ্ছভুক্ত তিনটি ইউনিটের (এ, বি ও সি) ভর্তি পরীক্ষার সময় ২৫ এপ্রিল, ২ মে ও ৯ মে হেল্প ডেস্ক চালু করে ইসলামী ছাত্র শিবির। এ সময় হটলাইন নম্বর, আবাসন ও তথ্যসেবা, পানি, হাতপাখা, অভিভাবকদের জন্য ছাউনি, কলম ও বই উপহারসহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আগস্ট মাসে চূড়ান্ত ভর্তির সময় চার দিনব্যাপী ভর্তি সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
ধর্মীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ২৪ মে ও ১৭ সেপ্টেম্বর দুটি ধাপে মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অর্থসহ পাঁচ শতাধিক পবিত্র কুরআন বিতরণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে সংগঠনটি।

বিভিন্ন সময়ে ইসলামী ছাত্র শিবির

ছাত্র অধিকার ও ক্যাম্পাস উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৫ সেপ্টেম্বর ছাত্র সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে ৫২ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এসব দাবির অগ্রগতি ও পরিবহন সংকট নিরসনের বিষয়ে ১৫ অক্টোবর এবং ১৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রতিনিধিদল। এ সময় পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন, মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ, হলের খাবারের মানোন্নয়ন এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য টোকেন সুবিধাসহ বিভিন্ন বাস্তবায়নযোগ্য দাবি তুলে ধরা হয়।
এছাড়া ৬ অক্টোবর আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ নভেম্বর জাঁকজমকপূর্ণ নবীন বরণ উৎসব ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রামের আয়োজন করে সংগঠনটি। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর ভিক্টরি রান ইউথ শিবির এবং সেন্ট্রাল ফিল্ডে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজনের মাধ্যমে বছরজুড়ে তাদের কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।

 

নবীন শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ও মেস ফি সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ৮জন শিক্ষার্থীর পূর্ণ ভর্তি ফি এবং ৫ জন শিক্ষার্থীর অর্ধেক ভর্তি ও মেস ফি প্রদান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মাভাবিপ্রবি শাখা। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের পথে কোনো বাধা তৈরি করবে না। এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন, পড়াশোনায় মনোযোগ এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ গ্রহণে সহায়ক হয়েছে।


দুই ঈদে ভিন্ন ৫টি অস্বচ্ছল পরিবারকে ঈদসামগ্রী বিতরণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

২৫ মার্চ ও ৪ জুন দুইটি ঈদে ভিন্ন ৫টি অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য পাঞ্জাবি, পায়জামা এবং জুতা প্রদান করেছি এবং সকলকে ঈদ সালামি দিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেছি। সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করেন।


হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার পরিবেশনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ১৭ই মার্চ এবং ১২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন হাফেজিয়া মাদ্রাসার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য কয়েকবার সুস্বাদু ভালো খাবার আয়োজন ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

অস্বচ্ছল পরিবারের পুনর্বাসন ও সচ্ছলতাকরণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৬ জুলাই ৮ সদস্যের একটি অস্বচ্ছল পরিবারকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। পরিবারের আয়ক্ষম সদস্যকে ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা, প্রক্রিয়া এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়, যার ফলে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে।


গুচ্ছভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত প্রচুর ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হয়, শিক্ষার্থীরা যাতে সঠিক সময়ে পরীক্ষার হলে অবস্থান করতে পারে এজন্য শতাধিক ভলান্টিয়ার দিয়ে শহর থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত অটো চলাচল সুশৃঙ্খল করেছি। পরীক্ষার দিনে এক হাজারের অধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের জন্য বসার ব্যবস্থা এবং ঠান্ডা মিনারেল পানি নিশ্চিত করা হয়েছে।


গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার ভর্তিচ্ছুদের পাশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গুচ্ছের তিনটি ইউনিটের (এ, বি ও সি) ভর্তি পরীক্ষার (২৫ এপ্রিল, ২ মে ও ৯ মে) গুচ্ছভর্তি পরীক্ষার সময়ে দূর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদে রাতে থাকার ব্যাবস্থা এবং মানসম্মত খাবার প্রদান করা হয়েছে। এতে তারা পরীক্ষার আগে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে পারে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়।

ভার্সিটির ২য় গেট পর্যন্ত রাস্তার সম্পূর্ণ মেরামতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

গত ৮ নভেম্বর আমরা কাগমারী মোর থেকে ভার্সিটির ২য় গেট পর্যন্ত রাস্তার সম্পূর্ণ মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছি,এবং এক ভাসানী মেলা শুরু হওয়ার আগেই রাস্তার ঢালাই সম্পন্ন করার ব্যাবস্থা করেছি। যা শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত, যানজট কমানো এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আলোচনা সভা ও “বিপ্লব থেকে বিজয়” কুইজ প্রতিযোগিতা

আগামী ৮ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিহাসবিষয়ক শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা প্রদানের লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে দুটি বিশেষ অনুষ্ঠান।
২০২৫ সালে উদ্যোগ নেওয়া “বিপ্লব থেকে বিজয়” শীর্ষক কুইজ প্রতিযোগিতায় থাকবে ২৫,০০০ টাকা পুরষ্কার। কুইজের বিষয়বস্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, গণঅভ্যুত্থান এবং স্বাধীনতার ইতিহাস।
সেই সঙ্গে, আধিপত্যবাদের বিরোধী আলোচনা সভায় অংশ নেবেন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃবৃন্দ, জুলাই আন্দোলনের নেতা এবং ডাকসু, রাকসু ও জাকসুর নেতৃবৃন্দ। উভয় অনুষ্ঠান ৮ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। উদ্যোগ, পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পূর্ণভাবে ২০২৫ সালে নেওয়া হয়েছে।

 


ভর্তি পরীক্ষায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সহযোগিতা

গত ২৫ এপ্রিল ও ৯ মে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় ইসলামি ছাত্র আন্দোলন পরীক্ষার্থী কল্যাণ বুথ স্থাপন করে। বুথগুলোতে পরীক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ব্যাগ, বাইক, হেলমেটসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিরাপদে জমা রাখার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি, খাবার স্যালাইন, হাতপাখা ও কলম বিতরণ করা হয়। প্রতিটি পরীক্ষার দিনে প্রায় পাঁচশত অভিভাবকের বসার সুব্যবস্থা ও ছায়ার ব্যবস্থা রাখা হয়, যাতে তারা স্বস্তিতে অপেক্ষা করতে পারেন। এছাড়া কামগামী রোডে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করে যানজট নিরসনে সহায়তা করেন।

ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ক্যাম্পাস সবুজায়ন

ক্যাম্পাস সবুজায়নের লক্ষ্যে এবং তীব্র দাবদাহ থেকে শিক্ষার্থী ও ক্যাম্পাসবাসীকে স্বস্তি দিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কমিটির উদ্যোগে ১৫ জুলাই ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নানা প্রজাতির গাছ রোপণ করা হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন।

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিতে প্রকাশ্য ও ধারাবাহিক আন্দোলনে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন

গত ১৬ সেপ্টেম্বর মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু)-সহ বিভিন্ন ন্যায্য দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন, মিছিল ও সভা-সমাবেশে ইসলামি ছাত্র আন্দোলন দলীয়ভাবে সামনের সারিতে থেকে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছে।
গত ১৫ অক্টোবর ভাসানী ছাত্র সমাবেশে দলীয়ভাবে অংশগ্রহণ করা ছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবির পক্ষে নিয়মিতভাবে সমর্থন ও বিবৃতি প্রদান করেছে সংগঠনটি।

The Idea of Great Santosh এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাকসু বাস্তবায়ন বিভিন্ন কর্মসূচি।

গত ৫ জুলাই থেকে ২০ জুলাই মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু) বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের থেকে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে। গত ২১ জুলাই ছাত্র সমাবেশ, গত ১১ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত মাকসু বাস্তবায়নে দাবিতে মো. আক্তারুজ্জামান সাজু অনশন কর্মসূচি পালন করেন, ১৩- ২৭ আগস্ট অবস্থান ও পাটি মিছিল, ১৬ সেপ্টেম্বর ফের মানববন্ধন কর্মসূচি, ১৫ অক্টোবর ভাসানীর দরবার হলে ছাত্র সম্মেলন, ২২ অক্টোবর জুলাই বন্ধন, ১১ ডিসেম্বর মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক আন্দোলন, এছাড়া টিএসসি আন্দোলন ও ভাসানী স্মৃতি সংরক্ষণ আন্দোলন চলমান। যার নেতৃত্ব ছিল The Idea of Great Santosh-এর একদল চিন্তক যাদের মধ্যে অন্যতম মো. আক্তারুজ্জামান সাজু, কাশিফ আহমাদ, নাইম ইসলাম, ইয়ামিন, অনিক ইসলাম অপু প্রমূখ।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:০৩ পিএম

বিশেষ বৃত্তির অর্থ এখনো না পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) প্রশাসন। যেসব শিক্ষার্থী পূর্বে অনলাইনে ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করেননি এবং ফলে বিশেষ বৃত্তির অর্থ পাননি, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করতে বলা হয়েছে।


আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অদ্য অনুষ্ঠিত বিশেষ বৃত্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে লগইন করে ব্যাংক হিসাবের তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন। আগামী ২৬ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯ মিনিট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত তথ্য জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।


তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর আইডি নম্বর, নাম, ব্যাংকের নাম, নিজস্ব ব্যাংক হিসাব নম্বর, শাখার নাম এবং ব্যাংক রাউটিং নম্বর সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীর নাম ও ব্যাংক হিসাবের নাম অবশ্যই এক হতে হবে। ব্যাংক হিসাব নম্বর ১৩ থেকে ১৭ সংখ্যার মধ্যে হতে হবে এবং এতে কোনো স্পেস বা ড্যাশ ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া রাউটিং নম্বর ৯ সংখ্যার হতে হবে এবং ব্যাংক হিসাব সচল থাকতে হবে।


এছাড়াও অনলাইনে তথ্য আপলোডে কোনো সমস্যা হলে ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেলে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।


উল্লেখ্য, রেজিস্ট্রার দপ্তর জানিয়েছে এটি এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি। পরবর্তীতে বিশেষ বৃত্তির জন্য ব্যাংক হিসাব সংক্রান্ত কোনো নতুন তথ্য গ্রহণ করা হবে না।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৫৫ পিএম

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ অনেকদূর এগিয়েছে এবং আগামী ২০২৭ সালে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।


গতকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে লালমনিরহাট জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত 'নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা-২০২৬' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


তিস্তা প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "এটি নিয়ে অনেক ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা হলেও এর কাজ অনেকদূর এগিয়েছে। এত বড় একটি বৃহৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আগে হাওয়ার ওপর বক্তব্য দেয়া হতো। এখন বড় বড় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তারা রিপোর্ট জমা দিলে শিগগিরই আমরা কাজ শুরু করব ইনশাআল্লাহ।" 


তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই একটিমাত্র প্রকল্পের মাধ্যমেই লালমনিরহাটের সার্বিক চেহারা পরিবর্তন হয়ে যাবে।


অনুষ্ঠানে মন্ত্রী তার অন্যান্য বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আগামী দিনে লালমনিরহাটের নেতৃত্ব তোমাদেরই দিতে হবে। নিজেদের জেলার ঐতিহ্য ও আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে লজ্জিত না হয়ে তা নিয়ে গর্ববোধ করতে হবে।" 


শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে তিনি বাস মালিক সমিতির সাথে কথা বলে ঈদের সময় ভাড়া নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস দেন এবং ছাত্রীদের আবাসিক হলের ব্যাপারে উপাচার্যের সাথে কথা বলেছেন বলে জানান। 


এছাড়াও, এলাকার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুবিধার্থে তিনি ছাত্রকল্যাণ সমিতির ফান্ডে ৫ লাখ টাকার অনুদান ঘোষণা করেন এবং সবাইকে মাদক, জুয়া, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ মুক্ত সমাজ গড়ার সামাজিক আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানান।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন এবং লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল। 


আনিসুর রহমান খোকন ত্রাণমন্ত্রীকে সারা দেশের রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য একজন অনুকরণীয় সংগঠক ও অভিভাবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থীদের দেশ গড়ার কাজে সহযোগিতার আহ্বান জানান। 


অন্যদিকে, রোকন উদ্দিন বাবুল শিক্ষার্থীদের শেকড় না ভোলার পরামর্শ দেন। তিনি জানান, বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্যে লালমনিরহাট জেলার তিনজন সংসদ সদস্যই প্রধানমন্ত্রীর নিকট ডিও লেটার দিয়েছেন। এছাড়া ফোরলেন সড়কটি লালমনিরহাট হয়ে বুড়িমারী পর্যন্ত নিতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনিও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সমিতিতে অনুদান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন তার বক্তব্যে মন্ত্রীকে ক্যাম্পাসে স্বাগত জানিয়ে বলেন, "বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ১৫-১৬ বছর মানুষ যখন ভয়ে কথা বলতে পারত না, তখন আসাদুল হাবিব দুলু ছিলেন সাহসের একটি বাতিঘর।" তিনি লালমনিরহাটের মানুষদের অত্যন্ত সাদা মনের ও নীতিবান হিসেবে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


লালমনিরহাট ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি আজিজুল হাকিম (আকাশ)-এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা সুজনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।


এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট জেলা সমিতির সাবেক প্রধান উপদেষ্টা জনাব এম এ কাদের সরকার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মুনমুন মাশরাফীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সমিতির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩৮ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আটটি বিভাগে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পদে মোট ১৪ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) থেকে শুরু করে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।


নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সহকারী অধ্যাপক পদে দুজন এবং প্রভাষক পদে ১২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সহকারী অধ্যাপক পদে সমাজকর্ম বিভাগে একজন এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে একজন নিয়োগ পাবেন।


প্রভাষক পদে সংগীত বিভাগে দুজন, নাট্যকলা বিভাগে দুজন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে একজন, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগে দুজন, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে একজন, ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগে একজন, প্রিন্ট মেকিং বিভাগে একজন এবং ত্রিমাত্রিক শিল্প ও নকশা বিভাগে একজন নিয়োগ দেওয়া হবে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট পদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রতিটি পদের বিস্তারিত যোগ্যতা ও শর্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


আবেদনের জন্য প্রার্থীদের প্রথমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর ফরমের প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে হবে। আবেদন ফি হিসেবে ৬০০ টাকা নগদ অথবা রকেটের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।


অনলাইনে আবেদন শেষে শিক্ষাগত যোগ্যতার মূল সনদ ও নম্বরপত্র এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা পাসপোর্ট আকারের তিন কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি এবং অনলাইনে দাখিল করা আবেদন ফরমের প্রিন্ট কপিসহ পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্রের আট সেট জমা দিতে হবে।


আবেদনপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দপ্তরে সরাসরি, ডাকযোগে অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পাঠানো যাবে। কর্মরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।


আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আবেদন করার শেষ সময়। শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বেতন স্কেল, সাধারণ শর্তাবলি ও আবেদনসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।


নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী পদসংখ্যা কমানো বা বাড়ানোর ক্ষমতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:২৮ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী পরিবহনের বাসে যাত্রী উপস্থিত না থেকেও খাতা, শিট, পানির বোতলসহ বিভিন্ন সামগ্রী রেখে আসন 'রিজার্ভ’ করে রাখায় আগে বাসে ওঠা শিক্ষার্থীরা খালি আসন থাকা সত্ত্বেও বসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এই প্রচলিত নিয়ম বন্ধে প্রজ্ঞাপন জারি করে কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 


আজ বুধবার (২৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর যাতায়াতের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ও ভাড়ায় পরিচালিত বাস রয়েছে। প্রতিদিন এসব বাসে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে যাতায়াত করেন। আসনের তুলনায় যাত্রীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। তবে সম্প্রতি বাসে বিভিন্ন সামগ্রী রেখে আসন দখল করে রাখার বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। 


অভিযোগ রয়েছে, কেউ কেউ বাসে নিজের উপস্থিতি না থাকলেও আগে থেকেই খাতা, শিট, পানির বোতলসহ বিভিন্ন জিনিস আসনে রেখে সেটিকে নিজের জন্য সংরক্ষিত করে রাখছেন। ফলে পরে বাসে ওঠা শিক্ষার্থীরা খালি আসন থাকলেও সেখানে বসতে পারছেন না।


এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, “অনেকে বাস থেকে নামার সময় বাসে খাতা রেখে যান। যার কারণে আমরা পরে আগে এসেও বাসে সিট পাই না। অনেক দূর থেকে যাতায়াত করলেও বাধ্য হয়ে পুরোটা পথ দাঁড়িয়ে যেতে হয়।”


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক ড. তারেক বিন আতিক বলেন, “আমরা দ্রুতই একটি প্রজ্ঞাপন জারি করব। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা থাকবে বাসে খাতা, কলম, বোতল বা অন্য কোনো কিছু রেখে আসন দখল করা যাবে না। এভাবে সিট রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। বাসের আসন বণ্টন হবে সম্পূর্ণভাবে আগে আসার ভিত্তিতে। অর্থাৎ, যিনি সশরীরে উপস্থিত থাকবেন, তিনিই আসনে বসার অগ্রাধিকার পাবেন।”


তিনি আরও বলেন, “পরিবহন প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়োজিত গাড়িচালক ও সহকারীরা বিষয়টি তদারকি করবেন। এরপরও কেউ নির্দেশনা অমান্য করে অনিয়ম অব্যাহত রাখলে ভিসি স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় শৃঙ্খলামূলক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১৯ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নোবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ। আলোচনায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছয় দফা প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।


আলোচনায় পকেট গেইট সার্বক্ষণিক খোলা রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে ৩৬০ ডিগ্রি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে ই-কারের ভাড়া ৫ টাকায় নামিয়ে আনা, ব্যাকলগ ও ইমপ্রুভমেন্টের নিয়ম পুনর্বিবেচনা, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে লোকাল যাত্রী পরিবহন বন্ধ এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া বাসগুলো দ্রুত মেরামত করে পরিবহন বহরে যুক্ত করার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।


ইমপ্রুভমেন্টের ক্ষেত্রে সিজিপিএ ৩.০০-এর নিচে থাকা শিক্ষার্থীদের ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তবে ব্যাকলগের বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানানো হয়।


আলোচনায় নোবিপ্রবি ছাত্রদল নেতা সাব্বির হোসেন শান্ত, শাখাওয়াত সায়েম, সাখাওয়াত হোসেন, খায়রুল আমান শাওন ও আনিসুর রহমান সিফাতসহ সংগঠনটির অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে আরও শিক্ষার্থীবান্ধব ও নিরাপদ করে গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে নোবিপ্রবি ছাত্রদল।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৩ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) এগ্রিকালচার বিভাগের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।




অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে কৃষি। একটি দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চয়তা শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই ভবিষ্যতের কৃষিকে হতে হবে আরও প্রযুক্তিনির্ভর, উৎপাদনমুখী ও সহনশীল।”


বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমরা শুধু কৃষির শিক্ষার্থী নও, তোমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম কারিগর। তোমাদের অর্জিত জ্ঞানকে মাঠপর্যায়ে কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এবং কৃষির বিদ্যমান সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।”


এ সময় কৃষির গুরুত্ব বিবেচনায় নোবিপ্রবিতে কৃষি অনুষদ ও গবেষণার জন্য আরও পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির আশ্বাস দেন উপাচার্য।


জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও এগ্রিকালচার বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাসান উদ্দীন।


বক্তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য শুভকামনা জানান এবং দেশের কৃষি খাতের উন্নয়নে তাদের দক্ষতা ও মেধা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।


অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মৃতিচারণ এবং ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।


এ সময় এগ্রিকালচার বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর