• প্রকাশ : রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৩ এএম

গ্রাহক সেবা ও বিক্রয় সহায়তার অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করতে এআই মডেলে রিয়াল-টাইম ভিজুয়াল অ্যাভাটার যোগ করেছে গুগল, যা কথা বলার পাশাপাশি মুখের অভিব্যক্তি ফুটিয়ে তুলবে বলে দাবি নির্মাতার। গেল সপ্তাহে নিজেদের সবচেয়ে উন্নত লাইভ ডায়লগ মডেল হিসেবে ‘জেমিনাই ৩.৮ লাইভ’ ও ‘লাইভ এক্সটেন্ডেড থিংকিং’ মডেল উন্মোচন করেছে গুগল।


কোম্পানিটি বলেছে, এর মূল উদ্দেশ্য ‘ডেভেলপার ও এন্টারপ্রাইজগুলোকে নির্ভরযোগ্য ও উৎপাদনমুখী ভয়েস এজেন্ট তৈরির প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করা’।


পাশাপাশি, জেমিনাইয়ের সঙ্গে কথা বলার প্রক্রিয়া আরও স্বাভাবিক করেছে গুগল, যাতে ব্যবহারকারীরা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমেই জটিল বিভিন্ন কাজ সহজে করতে পারেন বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট।


এবার এ প্রযুক্তিটির সঙ্গে ভিডিও যোগ করে গুগল এনেছে ‘জেমিনাই ৩.৮ লাইভ উইথ লাইভ অ্যাভাটার’, যা লাইভ ডায়লগ মডেলগুলোর সঙ্গে প্রায় রিয়াল-টাইম ভিজুয়াল উপস্থিতি যোগ করেছে।


প্রযুক্তিটি ‘এমন এক অভিজ্ঞতা তৈরি করে, যা গতিশীল ভিজুয়াল পার্সোনার মাধ্যমে শোনে, দেখে ও কথা বলে’।


সহজভাবে বললে, এসব অ্যাভাটার সেলস সাপোর্ট ও কাস্টমার সার্ভিসের মতো কাজ করার জন্য তৈরি হয়েছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতেও হয়ত ব্যবহারকারীদের এগুলোর সঙ্গে আলাপ করতে হতে পারে।


ব্লগে প্রকাশ পাওয়া বেশ কয়েকটি ভিডিওতে গুগল বাস্তবসম্মত ও কার্টুনধর্মী উভয় ধরনের অ্যাভাটারই দেখিয়েছে। এগুলো নিখুঁত লিপ-সিঙ্কিং, স্বাভাবিক অভিব্যক্তি ও ‘সাবলীলভাবে কথা বলার’ মতো কাজ করতে পারে।


গুগল বলেছে, এসব অ্যাভাটার ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক ও মাল্টিমোডাল আলাপ আরও সহজ হবে। কারণ এগুলো দেখার, শোনার ও কথা বলার পাশাপাশি মুখের অভিব্যক্তির মাধ্যমেও যোগাযোগ করতে পারবে।


জেমিনাইর উন্নত রিজনিং বা যুক্তি দেখানোর সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এসব অ্যাভাটার তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে লাইভ অ্যভাটারগুলো চলমান আলাপ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যাকগ্রাউন্ডে টুল কল ট্রিগার ও ডেটা সংগ্রহ করতে পারে।


গুগল বিভিন্ন ধরনের ‘প্রিসেট অ্যাভাটারের’ বড় লাইব্রেরি অফার করবে। এ ছাড়া বিভিন্ন কোম্পানি চাইলে তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ড স্টাইলিং বা চরিত্রের পরিচয় ধরে রাখতে উচ্চমানের রেফারেন্স ছবি ব্যবহার করে নিজেদের পছন্দমতো অ্যাভাটার কাস্টমাইজ করে নিতে পারবে।


কোম্পানিটি বলেছে, এসব সুবিধা কেবল এন্টারপ্রাইজ অ্যালাওলিস্টিংয়ের মাধ্যমেই পাওয়া যাবে। লাইভ অ্যাভাটারগুলো ‘পরিচয়কে সম্মান জানাতে ও এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট স্বচ্ছ রাখতে কঠোর সুরক্ষাব্যবস্থার’ ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং প্রতিটিতে গুগলের ‘সিন্থআইডি’ ওয়াটারমার্ক ব্যবহৃত হয়েছে।


লাইভ অ্যাভাটারটি বিশেষভাবে গুগলের জেমিনাই এন্টারপ্রাইজ গ্রাহকদের জন্য ডিজাইন করা হলেও খুব শিগগিরই ব্যবহারকারীরা নিজেদের কম্পিউটার বা ফোনের স্ক্রিনে কাস্টমার সার্ভিস বা সেলস অ্যাভাটার হিসেবে এর কার্যকারিতা দেখতে পাবেন।


এ পর্যন্ত গুগল যা দেখিয়েছে ও এআই দিয়ে তৈরি অপ্রয়োজনীয় কনটেন্টের প্রতি মানুষের অনীহা বিবেচনা করলে এগুলো হয়ত সবার কাছে সমানভাবে জনপ্রিয় নাও হতে পারে।




সর্বশেষ সব খবর

নতুন সিম

  • প্রকাশ : শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫০ পিএম

নতুন সিম কেনার প্রয়োজন হতে পারে নানা কারণে নতুন নম্বর নেওয়া, ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আলাদা সংযোগ রাখা কিংবা পুরোনো সিমের সমস্যা। 


তবে নতুন সিম কেনার সময় শুধু পছন্দের নম্বর বা সস্তা ইন্টারনেট প্যাক দেখলেই হবে না। নিবন্ধন, পরিচয় যাচাই, অপারেটরের নেটওয়ার্ক এবং ব্যবহারের প্রয়োজন সবকিছু বিবেচনা করে সিম কেনা উচিত।


নিজের নামে সিম নিবন্ধন করুন


নতুন সিম কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সেটি নিজের পরিচয়পত্রের তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করা। 


অন্য কারো নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করা ভবিষ্যতে নানা সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই সিম কেনার সময় নিবন্ধনের তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন।


সিম কেনার পর সেটি সত্যিই আপনার নামে নিবন্ধিত হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করে নেওয়া ভালো। আপনার পরিচয় ব্যবহার করে অন্য কোনো নম্বর নিবন্ধিত আছে কি না, সে বিষয়েও নিয়মিত খোঁজ রাখা নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে কিনুন


রাস্তায় বা অনলাইনে অচেনা ব্যক্তির কাছ থেকে সিম কেনার বদলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের অনুমোদিত কাস্টমার কেয়ার বা বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সিম নেওয়া নিরাপদ। এতে পরিচয় যাচাই ও নিবন্ধনের প্রক্রিয়াটি নিয়ম মেনে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 


সিম কেনার সময় অযথা নিজের এনআইডির ছবি, আঙুলের ছাপ বা ব্যক্তিগত তথ্য অপরিচিত কারো সঙ্গে শেয়ার করবেন না। প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের বাইরে কেউ অতিরিক্ত তথ্য চাইলে সতর্ক থাকুন।


আপনার এলাকায় কোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ভালো?


নতুন সিম কেনার আগে শুধু অফার দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। আপনি যেখানে বেশি সময় থাকেন বাড়ি, অফিস কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেখানে কোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ভালো, তা আগে জেনে নিন। 


কোনো অপারেটরের নেটওয়ার্ক আপনার এলাকায় দুর্বল হলে সস্তা ডাটা প্যাক থাকলেও তা খুব একটা কাজে আসবে না। প্রয়োজনে পরিবারের সদস্য বা পরিচিতদের অভিজ্ঞতা জেনে নিতে পারেন।


কল বেশি, নাকি ইন্টারনেট?


সিম কেনার আগে নিজের ব্যবহারের ধরন বুঝে নিন। নিয়মিত কল করলে ভয়েস কলের সুবিধা ও সংশ্লিষ্ট প্যাকেজ দেখুন। আর ইন্টারনেটই যদি প্রধান প্রয়োজন হয়, তাহলে ডাটা প্যাকের মেয়াদ, পরিমাণ এবং দাম তুলনা করুন। 


শুধু বড় ডাটা অফার দেখবেন না। প্যাকটির মেয়াদ কতদিন, নির্দিষ্ট অ্যাপের জন্য ডাটা কি না এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কী হবে এসব শর্তও দেখে নিন।


নম্বরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্ট যুক্ত করবেন?


নতুন নম্বরটি যদি ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করতে চান, তাহলে নম্বরটি দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরিকল্পনা করুন। কারণ ভবিষ্যতে সিম হারানো বা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলে এসব অ্যাকাউন্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে।


সিম কেনার পরও সতর্ক থাকুন


নতুন সিম হাতে পাওয়ার পর সেটি সক্রিয় হয়েছে কি না এবং নিবন্ধনের তথ্য ঠিক আছে কি না নিশ্চিত করুন। সিম হারিয়ে গেলে দ্রুত অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেটি বন্ধ বা রিপ্লেস করার ব্যবস্থা করুন।


সবশেষে মনে রাখুন, নতুন সিম কেনা শুধু একটি নম্বর নেওয়ার বিষয় নয়। নিজের নামে সঠিক নিবন্ধন, নিরাপদ বিক্রয়কেন্দ্র, ভালো নেটওয়ার্ক, উপযুক্ত প্যাকেজ এবং ভবিষ্যৎ ব্যবহারের পরিকল্পনা এই কয়েকটি বিষয় যাচাই করেই সিম কিনলে পরে ঝামেলায় পড়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:২৬ পিএম

জিমেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই স্তরের নিরাপত্তা–সুবিধা (টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন) ব্যবহার করেন অনেকেই। এ প্রক্রিয়ায় ই-মেইলে আসা ভেরিফিকেশন কোড বা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও সহজ করতে নতুন সুবিধা চালু করছে গুগল। ‘কপি কোড’ নামের এ সুবিধার মাধ্যমে ই-মেইল না খুলেই জিমেইলের ইনবক্স থেকে সরাসরি যাচাই কোড কপি করা যাবে।   


নতুন সুবিধাটি জিমেইলের অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপে পাওয়া যাবে। ইতিমধ্যে জিমেইলের অ্যান্ড্রয়েড ২০২৬.০৯.০৭.এক্স এবং আইওএস ৬.০.২৬০৯০৭ সংস্করণে সুবিধাটি যুক্ত করা হয়েছে। ‘কপি কোড’ সুবিধা চালু হলে ইনবক্সে ভেরিফিকেশন কোড–সংবলিত কোনো ই-মেইল এলে তার প্রিভিউ অপশনের পাশে ‘কপি কোড’ নামে একটি নতুন বাটন দেখা যাবে। সেখানে ট্যাপ করলেই ভেরিফিকেশন কোডটি ফোনের ক্লিপবোর্ডে কপি হয়ে যাবে। 


এরপর নির্দিষ্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে কোডটি সরাসরি পেস্ট করা যাবে। ফলে যাচাই কোড দেখার জন্য প্রতিবার ই-মেইল খুলে বার্তাটি পড়ার প্রয়োজন হবে না। বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ই-মেইলে ওটিপি এলে ব্যবহারকারীকে প্রথমে ই-মেইল খুলে বার্তাটি পড়তে হয়। এরপর কোডটি কপি করে নির্দিষ্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে পেস্ট করতে হয়। নতুন সুবিধা চালু হলে এই পুরো প্রক্রিয়াটি আরও দ্রুত করা যাবে।


অ্যান্ড্রয়েডের গুগল মেসেজেসে আগে থেকেই একই ধরনের সুবিধা রয়েছে। এসএমএসে যাচাই কোড এলে নোটিফিকেশন থেকেই সেটি কপি করা যায়। এবার ই-মেইলে আসা ভেরিফিকেশন কোডের ক্ষেত্রেও জিমেইল একই ধরনের দ্রুত কপি করার সুবিধা দিচ্ছে।

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৮ পিএম

মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এজেন্ট মিউজ চালু হয়েছে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে। এরইমধ্যে এতে একের পর এক নতুন সুবিধা যোগ করার ঘোষণা দিয়েছে মেটা। ব্যবহারকারীর প্রতিদিনের কাজ সহজ করতে ই-মেইল, ক্যালেন্ডার, কেনাকাটা থেকে শুরু করে কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজও মিউজকে দিয়ে করানো যাবে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর মেনলো পার্কে মেটার বার্ষিক কানেক্ট অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ মিউজের নতুন এসব সুবিধার কথা জানান।


তার ভাষ্য, ভবিষ্যতে মিউজ আরও উন্নত হয়ে কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত এআই সহকারী হিসেবে কাজ করবে।


মিউজের অ্যাভাটারের নাম রাখা হয়েছে জলি। মেটার তৈরি ‘মিউজ স্পার্ক’ নামের মাল্টিমোডাল এআই মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই এজেন্ট ব্যবহারকারীর বিভিন্ন ডিভাইস ও ডিজিটাল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কাজ করতে পারে।


মিউজের থাকবে নিজস্ব ডিজিটাল অ্যাভাটার


এত দিন মিউজ ছিল মূলত একটি ভার্চুয়াল এআই সহকারী। এবার সেটিকে দেওয়া হচ্ছে চেহারা, শরীর ও কণ্ঠ।


নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজের মিউজের জন্য একটি আলাদা ডিজিটাল অ্যাভাটার তৈরি করতে পারবেন। সেই অ্যাভাটারের সঙ্গে ভিডিও কলে সরাসরি কথা বলাও যাবে। ব্যবহারকারী তাকে প্রশ্ন করতে পারবেন, বিভিন্ন কাজের নির্দেশ দিতে পারবেন ও সরাসরি আলাপ করতে পারবেন।


স্মার্ট চশমাতেও থাকবে মিউজ


মেটার স্মার্ট চশমার সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে মিউজ। ফলে ব্যবহারকারী কেবল চশমার সঙ্গে কথা বলে এআই এজেন্টকে বিভিন্ন কাজের নির্দেশ দিতে পারবেন।


মেটার তথ্য অনুযায়ী, চশমায় নির্দিষ্ট ‘ওয়েক ওয়ার্ড’ বললেই মিউজ সক্রিয় হবে। এরপর এটি ব্যায়ামের নির্দেশনা দিতে, খাবারের হিসাব রাখতে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে কিংবা সামনে দেখা কোনো পণ্য কিনতে সহায়তা করতে পারবে।


কোনো কাজের নির্দেশ দেওয়ার পর মিউজ পেছনে কাজ চালিয়ে যেতে পারবে এবং কাজ শেষ হলে ব্যবহারকারীকে জানাবে। তবে এই সুবিধা ঠিক কবে চালু হবে, তা নির্দিষ্ট করে জানায়নি মেটা। 


ম্যাক কম্পিউটারও চালাতে পারবে মিউজ


মিউজকে ম্যাক কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দিচ্ছে মেটা। ব্যবহারকারী এআই এজেন্টকে কোনো কাজের দায়িত্ব দিয়ে কম্পিউটার থেকে দূরে সরে গেলেও মিউজ সেই কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।


মেটার প্রধান এআই কর্মকর্তা আলেকজান্ডার ওয়াং বলেন, ছোট ব্যবসা পরিচালনা থেকে শুরু করে প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজে মিউজকে ব্যবহার করা যাবে। ডেস্কটপে থাকা বিভিন্ন অ্যাপও এআই এজেন্টটি পরিচালনা করতে পারবে।


Meta's New Muse AI Agent May Be the Creepiest Ever Released


মিউজের থাকবে নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানা


মিউজ যেহেতু ব্যবহারকারীর হয়ে পেছনে থেকে বিভিন্ন কাজ করবে, তাই তার নিজস্ব ই-মেইল ঠিকানা দেওয়ার পরিকল্পনাও করছে মেটা।


এই সুবিধা চালু হলে ব্যবহারকারীরা কোনো ই-মেইল মিউজকে ফরোয়ার্ড করতে পারবেন। এমনকি কোনো ই-মেইল থ্রেডেও মিউজকে যুক্ত করা যাবে, যেন সে ব্যবহারকারীর হয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারে।


তবে কবে এই সুবিধা চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানায়নি মেটা। 


অনলাইন কেনাকাটাতেও মিউজ


অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রেও মিউজকে আরও সক্রিয় করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে মেটা।


মেটার দাবি, মিউজ শপিফাইয়ের বিশাল পণ্যভান্ডারে পণ্য খোঁজ করতে পারবে ও বিভিন্ন পণ্য কেনার প্রক্রিয়াতেও সহায়তা করবে। পেমেন্টের ক্ষেত্রে পেপালের জন্যও বাড়তি সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।


অন্যরাও ‘কানেক্টর’ যুক্ত করতে পারবেন


মেটা সম্প্রতি ডেভেলপারদের জন্য মিউজের প্ল্যাটফর্ম খুলে দিয়েছে। ফলে অন্য প্রতিষ্ঠান ও ডেভেলপাররাও নিজেদের তৈরি ‘কানেক্টর’ মিউজের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন।


আলেকজান্ডার ওয়াং জানান, এই সুবিধা চালুর এক সপ্তাহেরও কম সময়ে মেটার কাছে ১ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন এসেছে।


মেটার পরিকল্পনা, ভবিষ্যতে মিউজ কেবল প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এআই হবে না, বরং ব্যবহারকারীর হয়ে বিভিন্ন ডিজিটাল কাজও সম্পন্ন করতে পারবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩৭ পিএম

বাসা কিংবা অফিসে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই একটা সমস্যায় পড়ি— রাউটারের কাছে থাকলে ইন্টারনেট যেন আগুনের মতো ছোটে, কিন্তু একটু দূরে গেলেই গতি নেমে আসে তলানিতে। আবার একসঙ্গে ঘরের সবাই মিলে ফোন, ল্যাপটপ বা টিভিতে কাজ শুরু করলেও ইন্টারনেট যেন হাঁপিয়ে ওঠে!


এমন হলে অনেকেই ধরে নেন, রাউটারটি বুঝি নষ্ট হয়ে গেছে এবং এখনই নতুন একটা কেনা দরকার। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় তেমন নয়। রাউটারটি কোথায় রাখা হয়েছে, আপনার ও রাউটারের দূরত্ব কতটুকু, ঘরের দেয়াল কিংবা আশপাশের অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বাধা এবং একই সময়ে কতগুলো যন্ত্র যুক্ত আছে— এসবের ওপর ইন্টারনেটের গতি অনেকখানি নির্ভর করে। তাই নতুন রাউটার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কয়েকটি সহজ বিষয় একটু পরীক্ষা করে দেখতে পারেন—


১. রাউটার রাখুন ঘরের ঠিক মাঝখানে


ওয়াই-ফাইয়ের সিগন্যাল চারদিকে সমানভাবে ছড়াতে রাউটারটি ঘরের তুলনামূলক খোলা ও মাঝখানের জায়গায় রাখা উচিত। আলমারির ভেতরে বা কোণায় লুকিয়ে না রেখে এমন উচ্চতায় রাখুন, যেখান থেকে সিগন্যাল সহজে যাতায়াত করতে পারে। টেক জায়ান্ট গুগলের মতে, রাউটার ও আপনার ডিভাইসের মাঝে দেয়াল বা বাধা যত কম থাকবে, গতি তত ভালো মিলবে।


২. বেশি দূরে যাবেন না


রাউটার থেকে আপনার দূরত্ব যত বাড়বে, সিগন্যালও তত দুর্বল হতে থাকবে। এর সঙ্গে যদি যোগ হয় ঘরের ভারী দেয়াল বা আসবাবপত্র, তবে গতি আরও কমে যায়। তাই ঘরের কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় ওয়াই-ফাই স্লো মনে হলে খেয়াল করুন— মাঝখানে কতগুলো দেয়াল বা বাধা রয়েছে।


৩. অতিরিক্ত ডিভাইস যুক্ত নেই তো?


একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যখন একসঙ্গে অনেকগুলো ডিভাইস চলে, তখন তারা মোট ব্যান্ডউইথ ভাগ করে নেয়। যেমন—একজন টিভিতে ৪কে ভিডিও দেখছেন, অন্যজন ল্যাপটপে বড় ফাইল ডাউনলোড করছেন আর আপনি ফোনে গেম খেলছেন। স্বভাবতই গতি ভাগ হয়ে কম মনে হবে। তাই যেসব ডিভাইসে এই মুহূর্তে ইন্টারনেট প্রয়োজন নেই, সেগুলোর ওয়াই-ফাই বন্ধ রেখে দেখতে পারেন।


৪. চেষ্টা করুন ৫ গিগাহার্টজ (5GHz) ব্যান্ড


আজকালকার প্রায় সব আধুনিক রাউটারে ২.৪ গিগাহার্টজ ও ৫ গিগাহার্টজ— এই দুটি ফ্রিকোয়েন্সি থাকে। গুগল জানিয়েছে, ২.৪ গিগাহার্টজের তুলনায় ৫ গিগাহার্টজে ডাটা ট্রান্সফারের গতি অনেক বেশি পাওয়া যায়। তবে এটি আপনার রাউটার ও ফোনের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে, কারণ পুরোনো কিছু ডিভাইসে ৫ গিগাহার্টজ সাপোর্ট নাও করতে পারে।


৫. রাউটারের পাশে এসব যন্ত্র রাখবেন না!


বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আসুস (ASUS)-এর মতে, আমাদের ঘরের কিছু বৈদ্যুতিক ও তারবিহীন যন্ত্র ওয়াই-ফাই সিগন্যালে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায়। বিশেষ করে মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ব্লুটুথ স্পিকার বা হেডফোন, কর্ডলেস ফোন এবং ধাতব আসবাবের পাশে রাউটার রাখলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে পড়ে।


৬. একবার রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন


সবকিছু ঠিক থাকার পরও ইন্টারনেট স্লো মনে হলে রাউটারটি একবার বন্ধ করে ১০-১৫ সেকেন্ড পর আবার চালু করুন। গুগলের পরামর্শ অনুযায়ী, রাউটার বা নেটওয়ার্ক রিস্টার্ট দেওয়াটা অনেক সময় ধীরগতির জটিলতা মুহূর্তেই সমাধান করে ফেলে।


৭. সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার আপডেট রাখুন


আপনার ফোনের মতো রাউটারের ভেতরেও একটি সফটওয়্যার থাকে, যাকে ‘ফার্মওয়্যার’ বলা হয়। আসুস তাদের গ্রাহকদের সবসময় রাউটারের ফার্মওয়্যার সর্বশেষ সংস্করণে হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দেয়। এতে পারফরম্যান্স ও সিকিউরিটি দুটিই ভালো থাকে।


৮. সমস্যা কি আসলেই রাউটারে, নাকি লাইনে?


সবশেষে মনে রাখা ভালো— সমস্যা সবসময় আপনার ঘরের রাউটারে নাও হতে পারে। আপনার ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (ISP) মেইন লাইনে সমস্যা থাকলেও গতি কমে যেতে পারে। তাই স্পিড টেস্ট করে যদি দেখেন আপনার প্যাকেজের তুলনায় গতি অনেক কম আসছে, তবে শুরুতেই রাউটার না বদলে সোজা আপনার ইন্টারনেট প্রোভাইডারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।


সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:১৮ পিএম

কদিন থেকে বেশ গরম আবহ চলছে। অনেকে ফোন চার্জ করার সময় নিজের অজান্তে কিছু বিষয়ে বিভ্রান্ত হন। ফলে অতিরিক্ত গরমে পুরোনো ফোনের চার্জার ফুলে যেতে পারে। আর তাতে ভেতরের সার্কিট গলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। এতে ঘটতে পারে যে কোনো ধরনের বিপত্তি। স্মার্টফোনের জন্য সব সময় গুণগত মান বা ভালো ব্র্যান্ডের চার্জার ব্যবহার করতে হবে।


সাশ্রয়ী বা অপরিচিত মানের চার্জারে চার্জ যেমন ধীরে হয়, ঠিক তেমনি বাড়তি গরম হওয়ার শঙ্কা প্রবল। তাই যে ফোনটি ব্যবহার করছেন, চেষ্টা করবেন ওই ব্র্যান্ডের নিজস্ব চার্জার ব্যবহার করতে। এতে ফোনে কোনো রকম বাড়তি উত্তাপ ছড়াবে না। অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ফোন শাটডাউন হতে যেতে পারে। ফলে ফোন নিজে থেকেই স্বয়ংক্রিয় রিস্টার্ট হয়ে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে কয়েকবার এমনটি ঘটতে পারে। 


চার্জারে যদি কোনো রকম সমস্যা দৃশ্যমান হয়, যেমন– আলগা কানেকশন, প্লাগে ফাটল বা তার ফেটে যাওয়া, তাহলে দ্রুত ও প্রথমে তা ঠিক করতে হবে। শেষমেশ চার্জার অতিরিক্ত গরম হয়ে ডিভাইসের ভেতরের সার্কিট পুড়ে যেতে পারে। এমনটি ঘটছে হরদম। তাপমাত্রা বেশি থাকলে আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বাইরে থাকলে নিশ্চিতভাবে চার্জের সময় হ্যান্ডসেটে বাড়তি গরম অনুভূত হবে। শতভাগ চার্জ হওয়ার আগেই চার্জার থেকে ডিভাইসকে আলাদা করতে হবে।


অনেক সময় ফোন চার্জ হওয়ার পরও বেখেয়ালে চার্জারটি প্লাগ-ইন রয়ে যায়। যদি এমন অভ্যাস থাকে, তবে এখনই নজরদারি বাড়াতে হবে। পুরোনো ফোনে শতভাগ চার্জ হওয়ার আগেই চার্জার আনপ্লাগ করতে হবে। ফলে ফোনে বাড়তি উত্তাপ ছড়াবে না।

সর্বশেষ সব খবর

হঠাৎ ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম বন্ধ

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৮ পিএম

জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অন্যতম। আর এবারে এই দুই সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ হয়ে বেশ বিপাকে পড়েন ব্যবহারকারীরা। 


গালফ বিজনেজের প্রতিবেদনে জানা যায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে হঠাৎই যুক্তরাষ্ট্রে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে বিভ্রাট দেখা দেয় বিভ্রাট। কয়েক হাজার ব্যবহারকারী প্ল্যাটফর্‌ম দুটিতে ঢুকতে না পারায় তৈরি হয় ভোগান্তি। পরে অবশ্য ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে যায় সেবাগুলো।


মেটার মালিকানাধীন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম বন্ধ হলে একপর্যায়ে ফেসবুক নিয়ে ১৭ হাজারের বেশি এবং ইনস্টাগ্রাম নিয়ে ৫ হাজারের বেশি সমস্যার রিপোর্ট জমা পড়ে। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া ও মেক্সিকোতেও ব্যবহারকারীরা বিভ্রাটের কথা জানান। সিঙ্গাপুরে স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম নিয়ে অভিযোগের সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।


বিভ্রাটের প্রভাব পড়ে ফেসবুক মেসেঞ্জারেও। হোয়াটসঅ্যাপেও স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি সমস্যার রিপোর্ট পাওয়া যায়। 


তবে প্রকৃতপক্ষে কতজন ব্যবহারকারী এই সমস্যায় পড়েছেন, তা নিশ্চিত নয়। কারণ ডাউনডিটেক্টর ব্যবহারকারীদের জমা দেয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করে; এটি মোট ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা নির্দেশ করে না।


এদিকে, কেন এই বিভ্রাট ঘটেছে সে বিষয়ে মেটা এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। রয়টার্সের পক্ষ থেকে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 


এর আগে জুলাইয়েও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে একই ধরনের বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে ফের দুই জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমস্যা দেখা দেয়ায় ব্যবহারকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন করে আলোচনা। 

সর্বশেষ সব খবর