সেন্টমার্টিন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৫ পিএম

স্বপ্নের প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে জাহাজ চলাচল। 
সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াত ও অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এখন পর্যটকরা সেন্ট মার্টিনে যেতে পারবেন এবং রাতে থাকতে পারবেন। ১৫ মার্চ পর্যন্ত দ্বীপে যাতায়াত করতে ও রাতে অবস্থান করতে পারবেন পর্যটক। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবার দৈনিক সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপটি ভ্রমণের সুযোগ পাবেন। তবে দ্বীপে যাওয়ার আগেই কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য জেনে রাখা জরুরি। 


১. কীভাবে কাটবেন জাহাজের টিকিট: 
সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের দিন–তারিখ ঠিক হলে জাহাজের টিকিট কেটে নিন। এতে শেষ মুহূর্তে টিকিট না পাওয়া নিয়ে ঝামেলায় পড়তে হবে না। টিকিট কাটতে জাহাজগুলোর ওয়েবসাইট থেকে টিকিট সংগ্রহ করুন। চাইলে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকসেবা নম্বরে ফোন করেও টিকিট বুকিং করতে পারেন। আবার বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্টের কাছ থেকেও টিকিট কিনতে পারেন। 

২. কোন কোন জাহাজ সেন্ট মার্টিন যাবে
ভ্রমণের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করার আগেই জেনে নিন চলতি মৌসুমে কোন কোন জাহাজ চলাচলের অনুমতি পেয়েছে। এ মৌসুমে  কক্সবাজার–সেন্ট মার্টিন নৌপথে দশটির মতো জাহাজ চলাচল করবে। এর মধ্যে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, বে-ক্রুজার ১, এমভি বারো আউলিয়া, কেয়ারি সিন্দাবাদের টিকিট কাটতে পারেন। 

৩. জাহাজের ভাড়া কত
সেন্ট মার্টিনগামী জাহাজে কোন শ্রেণির আসনে করে যাবেন, তার ভিত্তিতে ভাড়ার তারতম্য হবে। সাধারণ সিট, বিজনেস চেয়ার, মোজার্ট চেয়ার, বেড ও কেবিন সুবিধা অনুযায়ী যাওয়া-আসার টিকিটের দাম ৩ হাজার ৫০০ থেকে ১৫-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। টিকিট কাটার আগে আসনের ধরন, ভাড়া ও প্রাপ্যতা যাচাই করে নিন।


৪. ট্রাভেল পাস পাবেন কীভাবে
সেন্ট মার্টিন যেতে পর্যটকদের ট্রাভেল পাস নিতে হবে। তবে ট্রাভেল পাস নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। আলাদাভাবে নিবন্ধনও করতে হবে না। জাহাজের টিকিট বুকিংয়ের পর নিবন্ধনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড কর্তৃক জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানই সম্পন্ন করবে। 

৫. হোটেল-রিসোর্ট-কটেজ কোথায় থাকবেন
সেন্ট মার্টিনে ২৩০টির বেশি হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। সেখানে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা আছে। তবে দ্বীপে গিয়ে হোটেল বা কটেজ ঠিক করার চেয়ে ভালো হবে যাওয়ার আগেই ঠিক করে রাখা। এতে যাওয়ার সাথে সাথে রিসোর্টে গিয়ে ফ্রেশ হতে পারবেন। আবার সময়ও নষ্ট হবে না। 
রিসোর্টের ভাড়া সাধারণত আবাসনের ধরন ও সুবিধার ওপর নির্ভর করে। 

৬. ভাড়া কত 
ভালো মানের রিসোর্ট ও হোটেলে এক রাতের ভাড়া ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে ৪-৬ হাজার টাকায় থাকতে স্ট্যান্ডার্ড মানের হোটেল বেছে নিতে পারেন। ১ হাজার ৫০০  থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মধ্যে থাকতে ইকোনমি হোটেল ও রিসোর্ট বেছে নিতে পারেন। হোটেল ঠিক করার আগে ওয়েবসাইটে গিয়ে কোনো বিশেষ অফার বা ছাড় আছে কিনা দেখে নিন। 

৭. কীভাবে বুকিং দেবেন হোটেল-রিসোর্ট 
দ্বীপে পর্যটকদের অবস্থানের জন্য ২৩০টির বেশি হোটেল, রিসোর্ট ও কটেজ রয়েছে। সেন্টমার্টিনে গিয়ে থাকার জায়গা খুঁজতে গেলে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়, তাই যাত্রার পূর্বেই শতভাগ নিশ্চিত হয়ে হোটেল বা রিসোর্ট বুকিং সম্পন্ন করা উচিত।

৮. কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন যাতায়াত কখন কীভাবে:
দেশের যেকোনো স্থান থেকে প্রথমে পৌঁছাতে হবে কক্সবাজার শহরে। কক্সবাজারের নূনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটি ঘাট থেকে প্রতিদিন সকালে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে জাহাজ ছেড়ে যায় এবং দ্বীপ থেকে বিকেলে জাহাজ কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে

৯. সতর্ক থাকবেন ৬ বিষয়ে
সেন্ট মার্টিনে গেলে প্রতিটি পর্যটককে ১০০ টাকা করে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে। দ্বীপে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এড়িয়ে চলুন। সৈকতে গিয়ে উচ্চ শব্দ করা, রাতে দীর্ঘসময় আলো জ্বালিয়ে রাখা থেকে বিরত থাকুন। বন্ধুদের নিয়ে বারবিকিউ পার্টিতে মাতবেন না। এমনকি সৈকতে মোটরচালিত যানবাহন না চালিয়ে বাইসাইকেল চালাতে পারেন। 

১০. জরুরি প্রয়োজনে কী করবেন 
ভ্রমণে গিয়ে জরুরি প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সমাধান পেতে পারেন। জাহাজের টিকিট সংক্রান্ত তথ্যের জন্য সরাসরি কাস্টমার কেয়ারে কল করা যাবে; এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, বে-ক্রুজার ১ ও এমভি বারো আউলিয়া:
হটলাইন ফোন: ০১৬১০-০৫১০০৫, ০১৯৬৭-৬৭০৭০৭
ওয়েবসাইট:
এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস: karnafulyexpress.com.bd, karnafulyexpress.com.bd
এমভি বারো আউলিয়া: baroawlia.com.bd, baroawlia.com.bd
বে-ক্রুজার ১: bayone.com.bd, bayone.com.bd

কেয়ারি সিন্দাবাদ:
হটলাইন ফোন: ০১৮৪৭-৩২৩৭০৫-০৬
ওয়েবসাইট: kearitourismbd.com




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৫১ পিএম

ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী জাদুঘরে যাঁরা গেছেন, তাঁরা আবারও নতুন করে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারেন। কারণ, সম্প্রতি এখানে চালু হয়েছে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক। ঘুরে ঘুরে কাচের দেয়ালের ওপাশে থাকা মাছের রঙিন দুনিয়া দেখা, মাছ ধরা, মাছকে খাওয়ানো—সবকিছুই মুগ্ধ করবে।


৪০ ফুট উঁচু কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনা, ম্যাকাউসহ ভিনদেশি সব পাখির সঙ্গে ছবি তোলাসহ আরও অনেক আয়োজন নিয়ে গত ২৮ আগস্ট উদ্বোধন হয়েছে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক। সেটাই আমাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালেন অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কের পরিচালক তাহসিন রহমান ও এস এম এহসানুল হক।


বিস্ময়কর মাছের জগৎ


পার্কে আছে ৩৫টি অ্যাকুয়ারিয়াম ট্যাংক। প্রতিটি ট্যাংকের ওপরে প্ল্যাকার্ডে মাছের নাম, আবাস, পরিচিতি লেখা আছে। এখানে রয়েছে ঝুঁটিওয়ালা ফ্লাওয়ার হর্ন, চিংড়ির মতো দেখতে ক্রেফিশ, কুমিরের মতো মুখ অ্যালিগেটর গার, ভয়ংকর অ্যালবিনো শার্ক, রেইনবো শার্ক, পেরুন শার্ক, পাঙাশ মাছের মতো দেখতে পাঙ্গাসিয়াস শার্কসহ আরও অনেক মাছ।


মনে হচ্ছিল, টিভি পর্দায় বা মুঠোফোন স্ক্রিনে দেখা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মাছের দুনিয়া যেন বাস্তবে চোখের সামনে এসে হাজির হয়েছে। শামুক খেয়ে বড় হওয়া ৪ বছর বয়সী ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প, ৮ কেজি ওজনের গ্রাস কার্প, আড়াই কেজি ওজনের তেলাপিয়া—কোনটা রেখে কোনটার কথা বলব! আছে শোল, খলশেসহ দেশি মাছের সংগ্রহ।


কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনাধারা


মাছের জগৎ থেকে বেরিয়ে এক পাশে পদ্মফুলের বাগান রেখে সামনে এগোলেই একটা টানেল। কৃত্রিম ধোঁয়া সময়ে সময়ে রং পাল্টাচ্ছে। এরপরই সামনে ঝমঝমিয়ে পড়া কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনাধারার পানি। সেই পানিতে ভেসে বেড়াচ্ছে রঙিন সব কই, কার্প মাছ। মাছকে নিজ হাতে খাবার খাওয়ানোর সুযোগ মিলবে।


আছে পাখির রাজ্য


কৃত্রিম পাহাড়ি ঝরনাধারার পর লোহার শিকলের পর্দা সরিয়ে পা ফেলি পাখির রাজ্যে। এখানে রয়েছে গ্রিন-উইংড ম্যাকাউ, ব্লু অ্যান্ড গোল্ড ম্যাকাউ, লাভবার্ডসহ বিচিত্র সব পাখি। পার্কের পাখিশালায় বিভিন্ন রঙের পাখিকে কাছ থেকে দেখার সঙ্গে রয়েছে ছবি তোলার সুযোগও।


শুধু ঘুরে দেখাই নয়, দর্শনার্থীদের জন্য আছে দারুণ কিছু সক্রিয় আয়োজন


শিশুদের মাছ ধরা


১২ ও এর কম বয়সী শিশুরা ১০০ টাকার বিনিময়ে ছোট নেট দিয়ে মাছ ধরার সুযোগ পাবে। অ্যাকুয়ারিয়াম চাষের উপযোগী সেই ছোট ছোট মাছ যে কয়টা ধরতে পারবে, তা সে সঙ্গে করে নিয়েও যেতে পারবে। চাইলে এখান থেকে অ্যাকুয়ারিয়ামের জারও কিনে নিতে পারবে।


মাছকে খাবার খাওয়ানো


৫০ টাকার টিকিটে যে কেউ নির্দিষ্ট দুটি জায়গায়—লিচুতলার বড় পানির ট্যাংক আর ৪০ ফুট উঁচু থেকে পড়া পাহাড়ি ঝরনার তলা—নিজ হাতে মাছকে খাবার দিতে পারবেন। ছোট্ট কৌটায় শর্ষের দানার মতো খাবার হাতে নিয়ে পানিতে ফেলবেন, অমনি ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা মাছগুলো সব দল বেঁধে ছুটে আসবে আপনার কাছে।


পাখির সঙ্গে ছবি তোলা


২৫০ টাকার টিকিট কেটে পাখিশালায় ম্যাকাউ পাখি হাতে নিয়ে ছবি তোলার ব্যবস্থাও আছে। চাইলে ৩০০ টাকার বিনিময়ে ম্যাকাউ কাঁধে নিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি ফটো বুথেও ছবি ওঠাতে পারেন। পুরো পার্ক ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হলে অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক ক্যাফেতে আছে খাবারদাবারের ব্যবস্থা।


আরও যা যুক্ত হবে


অ্যাকুয়ারিয়াম পার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ সিদ্দিকী জানান, শিগগিরই পার্কে যোগ হচ্ছে লোনাপানির বিচিত্র সব মাছ। মাছের গ্যালারি শেষে ঝরনার আগে যে টানেল পড়ে, সেখানে কাচের জারে প্রদর্শিত হবে বিশেষ উপায়ে সংরক্ষিত বিলুপ্তপ্রায় সব মাছ।


এসব মাছকে জীবন্ত অবস্থায় প্রদর্শন করা সম্ভব হচ্ছে না বলেই এ ব্যবস্থা। মাছের পাশাপাশি যোগ হবে বার্ড ফিডিং জোন, যেখানে দর্শনার্থীদের হাত থেকেই পাখিরা উড়ে উড়ে এসে খাবার খেয়ে যাবে। এ ছাড়া স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে বিশেষ কুইজ, ওয়ার্কশপ ও লার্নিং সেশন জোন।


টিকিট খরচ


বাংলাদেশ বিমানবাহিনী জাদুঘরের ভেতরেই পার্কটির অবস্থান। তাই শুরুতে দুই বছরের বেশি বয়সী দর্শনার্থীদের জাদুঘরের ৫০ টাকা দামের টিকিট কাটতে হবে। জাদুঘরে ঢুকে হাতের ডানে হেঁটে গেলেই অ্যাকুয়ারিয়াম পার্ক।


সেখানেও দুই বছরের বেশি বয়সীদের ১৫০ টাকায় টিকিট কেটে পার্কে প্রবেশ করতে হবে। ২৭ সেপ্টেম্বরের পর টিকিটের মূল্য হবে ২০০ টাকা। দলগতভাবে ভ্রমণে আসা স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য টিকিটের মূল্যে মিলবে ৫০ শতাংশ ছাড়।


কখন ও কীভাবে যাবেন


আগারগাঁও মেট্রোস্টেশনের একেবারে লাগোয়া জাদুঘরটির অবস্থান। তাই আগারগাঁও আসতে হবে। সোম থেকে বৃহস্পতি বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আর শুক্র, শনি ও সরকারি ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এটি খোলা থাকে। রোববার সাপ্তাহিক ছুটি।


দীর্ঘ ৩৯ বছর পর খুলছে দার্জিলিং হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের ট্রেকিংরুট

  • প্রকাশ : শনিবার ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ৬:৫৩ এএম

দীর্ঘ ৩৯ বছর পর খুলছে দার্জিলিং হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের ট্রেকিংরুট। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দার্জিলিং শহরের চৌরাস্তা থেকে ‘মেলো টি ফেস্টিভ্যাল’-এর ব্যানারে একদল পর্বতারোহী রাগেরুং চা বাগান পর্যন্ত হাঁটবেন। এরপর থেকেই শুরু হবে ওই রুটে পর্যটকদের ট্রেকিং।


জিটিএ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের সময় রাগেরুং ট্রেকিং রুট বন্ধ হয়ে যায়। এরপর রাগেরুং হোম স্টে অর্গানাইজেশন ও রাগেরুং চা বাগান কর্তৃপক্ষ রুটটি চালু করার জন্য কয়েকবার চেষ্টা করে। কিন্তু লাভ হয়নি। পর্যটন শিল্প বিকাশের জন্য জিটিএ দার্জিলিং পাহাড়ের বিভিন্ন অংশে পুরাতন জায়গাগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করছে। ওই কর্মসূচিতেই রয়েছে দার্জিলিং থেকে রাগেরুং ট্রেকিংরুট।


শনিবার দার্জিলিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘মেলো টি ফেস্টিভ্যাল’-এর ব্যানারে জিটিএ-র পর্যটন বিভাগ ডি-হাইক আয়োজন করছে। ডি-হাইকটি চৌরাস্তা থেকে রাগেরুং পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার হাঁটা পথ অতিক্রম করবে। রাগেরুং হোম স্টে ওনার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেরিং শেরপা বলেন, “রাগেরুং-এ ২২টি হোম স্টে আছে। আমরা ২০১১ সালে শুরু করেছিলাম। পর্যটকদের জন্য এটি খুবই মনোরম এবং শান্তিপূর্ণ জায়গা। চৌরাস্তা থেকে রুংডুং খোলা হয়ে ১২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার পর রাগেরুং পৌঁছনো সম্ভব।”

এই রাস্তাটি দার্জিলিং হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হতো। কিন্তু ১৯৮৬ সালের আন্দোলনের জেরে রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যায়।


হোম স্টে ওনার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জানান, দার্জিলিং হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটকে রাস্তাটি চালু করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু খোলা সম্ভব হয়নি। পরে জিটিএ ঘোষণা করেছিল তেনজিং নোরগের জন্মবার্ষিকীতে এটি খোলা হবে। কিন্তু এবছর দার্জিলিং মেলো টি ফেস্টের ব্যানারে এটি আবার খোলা হয়েছে। শনিবার ২৫০ জন পর্বতারোহী পদযাত্রা করবে।