বকশীগঞ্জ সীমান্তে এক ব্যক্তিকে পুশ-ইনের চেষ্টা করলে বিএসএফ-বিজিবির মধ্যে উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তে এক ব্যক্তিকে জোর করে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এ নিয়ে বিজিবির সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পতাকা বৈঠকে দুই পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিজেদের নাগরিক হিসেবে গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়। একপর্যায়ে গুলি করার প্রসঙ্গ উঠলে তীব্র প্রতিবাদ জানান বিজিবি সদস্যরা। বুধবার সকালে সীমান্তের শূন্যরেখায় এ ঘটনা ঘটে।
তবে বিজিবি সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধের মুখে বিএসএফের পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, ভারতের নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা প্রায় ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সদস্যরা এবং সীমান্তবর্তী এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে অবস্থান নেন। বাধার মুখে ওই ব্যক্তি শূন্যরেখায় অবস্থান করতে বাধ্য হন।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সীমান্তে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক এবং নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের এক পরিদর্শক নেতৃত্ব দেন। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমাধান হয়নি। বিএসএফ ওই ব্যক্তিকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাকে নো-ম্যানস ল্যান্ডে (শূন্যরেখা) রেখেই ফিরে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৈঠক চলাকালে দুই বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিএসএফের এক সদস্য গুলি করার কথা বললে বিজিবি সদস্যরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তারা বলেন, ‘আপনি কেন গুলি করার কথা বললেন? গুলি আপনার কাছে আছে, আমাদের কাছে নেই? আপনারা গুলি করলে আমরা কি বসে থাকবো?’
বৈঠকের পরও বিএসএফ সদস্যরা কয়েক দফা ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চালান। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের অবস্থানের কারণে তারা সফল হতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে নো-ম্যানস ল্যান্ডে রেখেই উভয় পক্ষ নিজ নিজ অবস্থানে ফিরে যায়। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
#
বকশীগঞ্জ সীমান্তে এক ব্যক্তিকে পুশ-ইনের চেষ্টা করলে বিএসএফ-বিজিবির মধ্যে উত্তেজনাকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, মিথ্যাচার, গুজব ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহম্মদ সেলিম।
আজ সোমবার (১৭ আগষ্ট) দুপুরে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর শহীদি জামে মসজিদ কনফারেন্স হলে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই অভিযোগ করেন।
এসময় হেযবুত তওহীদের এই শীর্ষ নেতা বলেন, হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে সম্প্রতি নোয়াখালী জেলা স্কুলের মাঠে একটি ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়। উক্ত সমাবেশে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক মিথ্যাচার, হুমকি, উসকানি, গালাগালি ও বেআইনি বক্তব্য রাখেন বক্তারা। ‘সারা দেশে হেযবুত তওহীদের কবর রচনা করা হবে’, ‘সরকার হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ না করলে সারাদেশ অচল করে দেয়া হবে’, ‘হেযবুত তওহীদের আস্তানা গুড়িয়ে দেয়া হবে’, এরকম বহু বক্তব্য সেখানে রাখা হয় যেগুলো সম্পূর্ণরূপে দেশের আইন ও সংবিধানপরিপন্থী।
ইমাম সেলিম আরো অভিযোগ করেন, কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক এই গোষ্ঠীটি দেশের বিভিন্ন জায়গায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তারা মিথ্যা হ্যান্ডবিল রচনা করে হাটে-বাজারে, মসজিদে-মাদ্রাসায় বিতরণ করছে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। তারা সভা-সমাবেশে, মসজিদের মিম্বারে, শুক্রবার খুতবার বয়ানে এবং ওয়াজের মঞ্চে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে মুসল্লিদেরকে ক্ষিপ্ত করে তোলার চেষ্টা করছে। এই অবস্থায় সংগঠনের নেতা-কর্মীদের জান-মাল, বাড়িঘর, সংগঠনের কার্যালয়, স্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের উপর যে কোনো সময় হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
এসময় সংগঠনের মতাদর্শ প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্বাধীনতা, হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ, নেতা-কর্মীদের জানমাল ও স্থাপনার নিরাপত্তা সহ বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। মতবিনিময় সভায় নোয়াখালী জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও মাল্টিমিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালী সদর উপজেলার দত্তেরহাট এলাকায় কেক তৈরিতে পচা ডিম ব্যবহার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগে রুচিকা ফুড ইন্ডাস্ট্রিজকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আছাদুল ইসলাম।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটি বাজার থেকে সংগ্রহ করা ভালো ও পচা ডিম একসঙ্গে মিশিয়ে কেক তৈরি করছে। ভাঙা ডিম থেকে ছড়াচ্ছিল দুর্গন্ধ। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ‘হানিকম্ব’ নামের বান তৈরিতে নোংরা ও অপদ্রব্য মিশ্রিত চিনির শিরা ব্যবহার করা হচ্ছিল। পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪৩ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে পচা ডিম ও অপদ্রব্য মিশ্রিত বিপুল পরিমাণ চিনির শিরা জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
ভোক্তা অধিকার নোয়াখালী কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আছাদুল ইসলাম আরও বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জেলা ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি দল সহযোগিতা করে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মাদরাসা শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তানজিমুল উম্মাহ মাদরাসা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে তানজিমুল উম্মাহ মাদরাসা। মাদরাসায় পড়াশোনা করেও যে বিশ্বমানের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া সম্ভব, এ প্রতিষ্ঠান তার উজ্জ্বল উদাহরণ।
আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) তানজিমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাক্ষেত্র, প্রতিযোগিতা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে কৃতিত্ব অর্জনকারী কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তানজিমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল এইচ এম আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় এবং তানজিমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিসবাউল উলুম কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ ড. শাহজাহান আল মাদানী, দারুল ফালাহ ছালেহিয়া সাহেব আলী ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু জাফর মুহাম্মদ ছাদেক হাসান, তানজিমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ভাইস চেয়ারম্যান ড. মীম আতিকুল্লাহসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মাদরাসা শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষা-দুই ধারার শিক্ষাকেই এগিয়ে নিতে হবে। বর্তমান সময়ে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তানজিমুল উম্মাহ মাদরাসা ধর্মীয় শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে।
এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন, তানজিমুল উম্মাহ মাদরাসা শুধু দেশে নয়, বিশ্বব্যাপী এগিয়ে যাচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের আধুনিক ও মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। এটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। মাদরাসায় পড়াশোনা করেও যে বিশ্বমানের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া যায়, তানজিমুল উম্মাহ তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শুধু ভালো ফলাফল করলেই হবে না, ভালো মানুষ হিসেবেও নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের মেধা, জ্ঞান ও দক্ষতাকে কাজে লাগাতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে তানজিমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল বলেন, কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষার সঙ্গে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সমন্বয় ঘটিয়ে একটি যোগ্য, নৈতিক ও দক্ষ প্রজন্ম গড়ে তোলাই তানজিমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষার্থীদের সামনে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। শুধু ধর্মীয় শিক্ষা কিংবা শুধু সাধারণ শিক্ষা দিয়ে তাদের পূর্ণাঙ্গভাবে প্রস্তুত করা সম্ভব নয়। দ্বীনি মূল্যবোধের পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাক্ষেত্র, প্রতিযোগিতা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে কৃতিত্ব অর্জনকারী কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
পুরস্কার গ্রহণের সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের সাফল্য, প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর উন্নতি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
আর্থিক অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, ২৪ এর গণঅভ্যূত্থানে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এবং দু বছরের পলাতক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামকে পরিষদে বহাল না করার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার (১৭ আগষ্ট) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ৯ নং রায়পুর ইউনিয়ন এর সচেতন জনসাধারণের ব্যানারে এ কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার ব্যবসায়ী আফাজউদ্দিন হাজী, এলাকাবাসী বদিউল আলম, রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, কুসুম উদ্দিন প্রমুখ। কর্মসুচিতে ওই এলাকার ২ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
এসময় বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে পলাতক নুরুল চেয়ারম্যান এ এলাকার সাধারণ মানুষকে মিথ্যে মামলা দিয়ে অনেক হয়রানি করেছে। কেউ তার বিরোধিতা করলেই তাকে মামলা দিয়ে সর্বশান্ত করা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে নুরুল চেয়ারম্যান রাতের অন্ধকারে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদেরকে নিয়ে গোপন বৈঠক করছে এবং মেম্বারদের মোটা টাকা দিয়ে তাদের সমর্থনে আবারো পরিষদে বসার পায়তারা করছে। আমরা ইউনিয়নবাসী তা কোনদিনও হতে দিবো না।
তারা আরও বলেন, অনেক চেয়ারম্যানই তো রয়েছে যারা গণঅভ্যূত্থানের পর পালায়নি। তাকে কেনো পালাতে হলো। পলাতক চেয়ারম্যান নুরুল যারই সমর্থন নেক বা সাহস নেক, আমরা রায়পুর ইউনিয়নবাসী তাকে এখানে বসতে দেবোনা। তিনি এখানে এলেই তাকে প্রতিহত করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
'রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও প্রামাণ্য চিত্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৭ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে সভা অনুষ্ঠিত হয়
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অ:দা:) আব্দুস সালাম।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জাকির হোসেন, সহকারি শিক্ষা অফিসার (প্রাথমিক) আতাউল গণি ওসমানী।
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে মৎস্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রাকৃতিক জলাশয় ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ এবং মৎস্য আহরণে চলিত আইন যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। স্থানীয় পর্যায়ে মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে এ খাতের অবদান আরো বাড়ানো সম্ভব।
উল্লেখ্য আগামী ১৮ই আগষ্ট সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এবারের কর্মসূচি শেষ হবে।
ছবি : সংগৃহীত
মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রামে। এতে নগরের বিভিন্ন নিচু এলাকা ও সড়ক পানির নিচে চলে গেছে। সোমবার সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, জিইসি ও প্রবর্তকসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে।
কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ ও পথচারীরা।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রামসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা ইসমাইল মিয়া বলেন, সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়া এবং মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন সড়কে পানি জমতে শুরু করে। মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, জিইসি ও প্রবর্তক এলাকার বিভিন্ন অংশে সড়কের ওপর পানি জমে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়। হাঁটুপানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা যায় পথচারীদের। জলাবদ্ধতার কারণে কিছু সড়কে যানবাহনের গতিও কমে যায়।
মুরাদপুর মোড়ে স্কুলগামী অভিভাবক আলতাফ হোসেন বলেন, সকালে বাসা থেকে বের হয়েই সড়কে পানি দেখতে পান। বাধ্য হয়ে পানি মাড়িয়ে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে গেছেন। বৃষ্টি হলেই এই ধরনের দুর্ভোগে পড়তে হয় তাদের। কাতালগঞ্জে অফিসগামী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী শাহানারা বেগম বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই কাতালগঞ্জে পানি উঠে যায়। এমনিতে গণপরিবহন নেই। বৃষ্টির কারণে পানি জমে যাওয়ায় এদিকে সিএনজি অটোরিকশারও দেখা পাচ্ছেন না।
এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।