শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
সিলেটে মাসব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে নগরের অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকার জনস্বাস্থ্যের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। টিকাদান কার্যক্রম যেভাবে এগিয়ে চলছে, তাতে আশা করা যায় অচিরেই দেশব্যাপী হামের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে আসবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে সিলেটে শিগগিরই ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল চালু করা হবে। সিলেটের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যে অসন্তোষ রয়েছে তা দূর করতে সরকার কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন সামাজিক সূচকে সিলেট পিছিয়ে রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার- আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে কাজ করা হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে সিসিকের সংশ্লিষ্টরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভা করা হয়েছে এবং ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম চালানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল হবে।
তিনি বলেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হামের প্রকোপ তুলনামূলক কম হলেও শিশুদের শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা এই ক্যাম্পেইন সফল করতে বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সকল অভিভাবককে তাদের শিশুদের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালকের কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী পরিচালক ডা. নূরে আলম শামীম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জিয়াউর রহমান চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তা ডা. সুফি মো. খালিদ বিন লুৎফুর, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং ইউনিসেফের সিলেট ফিল্ড অফিসের প্রধান মির্জা ফজলে এলাহী।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত, অগ্রগামী বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদা গুলশান সিদ্দিকা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সিলেট বিভাগে ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৯৬৯ হাজার শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। সিলেট জেলায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৪, যার মধ্যে সিলেট সিটি করপোরেশনসহ ৬৮ হাজার ৫৮০ জন, মৌলভীবাজারে ২ লাখ ১০ হাজার ১৮৬, হবিগঞ্জে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৯৪১ এবং সুনামগঞ্জে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৮ জনকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মাসব্যাপী সিলেট সিটি করপোরেশন ৮৪ টি কেন্দ্রে এই টিক দেওয়া হবে। সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত হাম ও রুবেলার রোগের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর আগে প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সিলেট জেলা হাসপাতাল ও শহীদ শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
“রূপালী মৎস্য স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বরগুনায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে রোববার সকাল ১০টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে অফিসার্স ক্লাবে এসে শেষ হয়। পরে বরগুনা অফিসার্স ক্লাবের পুকুরে রুই, কাতলা ও সিলভার কার্পের পোনা অবমুক্ত করেন জেলা প্রশাসকসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বরগুনা জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং সংগ্রাম স্মার্ট প্রজেক্ট এর সহযোগিতায় আয়োজিত জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি।
সভায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ তাছলিমা আক্তার’র সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন- জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন।
সাংবাদিক মনির হোসেন কামাল এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- পুলিশ সুপার মোঃ কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম-সেবা, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফাত্তাহ, সংগ্রাম’র উপনির্বাহী পরিচালক চৌধূরী মোহাম্মদ মঈন, প্রেসক্লাব সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমূখ।
আলোচনায় মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, জলজ সম্পদ সংরক্ষণ এবং জেলেদের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনেক ঘরই এখন তালাবদ্ধ। কোথাও দীর্ঘদিন কেউ না থাকায় ঘরের চারপাশে গজিয়েছে আগাছা ও জঙ্গল।
জনবসতি কমে যাওয়ায় এসব খালি ঘরকে ঘিরে মাদকসেবীদের আনাগোনা, চুরি ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগও উঠেছে। ফলে একদিকে প্রকল্পের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, অন্যদিকে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন ও যাচাই-বাছাই নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ ও ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম থেকে চতুর্থ ধাপে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে জলঢাকা উপজেলায় ক-শ্রেণিভুক্ত গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য ৯৪৯টি আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করে নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করাই ছিল এসব প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। তবে সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে, বরাদ্দ পাওয়া ঘরের একটি অংশে উপকারভোগীরা বসবাস করছেন না। দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ পড়ে রয়েছে অনেক ঘর। কোনো কোনো ঘরের চারপাশ আগাছা ও জঙ্গলে ঢেকে গেছে। এতে সরকারি অর্থে নির্মিত ঘরগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সম্প্রতি কৈমারী ইউনিয়নের বালাপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ১০০টি ঘরের মধ্যে মাত্র ৩২টি পরিবার বসবাস করছে। বাকি ঘরগুলোর অধিকাংশই তালাবদ্ধ। একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে মীরগঞ্জ ইউনিয়নের পাতাইবাড়িডাঙ্গা ও পৌরসভার ডাকুরডাঙ্গাসহ উপজেলার আরও কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রকল্প এলাকায় জনবসতি কমে যাওয়ায় সন্ধ্যার পর বহিরাগত ও মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়েছে। এতে নারী, শিশু ও একাকী বসবাসকারী পরিবারগুলোর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দা বিভিন্ন সময়ে ঘর থেকে মূল্যবান মালামাল চুরির অভিযোগও করেছেন।
মিরগঞ্জ পাতাইবাড়ি ডাঙ্গা আশ্রয়ণের বাসিন্দা কোহিনূর বেগম বলেন, “আশ্রয়ণে মাদকসেবীদের উৎপাত বেড়েছে। তাদের কিছু বলাও যায় না। সন্ধ্যার পর এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়।”
কৈমারী বালাপাড়া আশ্রয়ণের ৭৬ নম্বর ঘরের বাসিন্দা প্রিয়বালা বলেন, “আশপাশের অনেক ঘর খালি পড়ে আছে। একা থাকতে ভয় লাগে। পানির টিউবওয়েলসহ বিভিন্ন জিনিস চুরি হয়েছে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবন্ধী বাসিন্দা জানান, দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি আশ্রয়ণে বসবাস করছেন। কিন্তু বিভিন্ন সময় বখাটেদের উৎপাতের কারণে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় থাকতে হয়।
এদিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোর পানি ও বিদ্যুৎ সুবিধা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকজন উপকারভোগীর দাবি, নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় কোনো কোনো ঘরের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। আবার কিছু ঘর থেকে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম খুলে নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
তবে প্রকল্পে বসবাস না করার পেছনে শুধু নিরাপত্তা নয়, কর্মসংস্থান ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাবকেও দায়ী করছেন কয়েকজন উপকারভোগী। তাদের দাবি, ঘর পেলেও জীবিকার ব্যবস্থা না থাকায় অনেকের পক্ষে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ থাকা ঘরগুলোর উপকারভোগীরা প্রকৃতপক্ষে ভূমিহীন ও গৃহহীন কি না, অন্যত্র তাদের জমি বা বসতবাড়ি রয়েছে কি না-তা পুনরায় যাচাই করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রতিটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে পানি, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা, বসবাসের পরিবেশ ও নাগরিক সুবিধার বর্তমান অবস্থা খতিয়ে দেখা দরকার।
এ বিষয়ে মিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. গোলাম মোস্তফা মানিক বলেন, “এসব সমস্যা আমাদের নজরে আসেনা। বিষয়গুলো খোঁজখবর নিয়ে দেখব।”
প্রকল্প সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, “বিষয়গুলো আমাদের লিখিতভাবে জানালে ভালো হয়।”
তিনি আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলোর সমস্যাগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।
টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা, পোনা মাছ অবমুক্তকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আজ রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক।
অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি সদর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন জেলা প্রশাসক শরিফা হক। পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. শামসুল আলম সরকার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান কবীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন মিয়াসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় মাছ সংরক্ষণ, জলাশয়ের সঠিক ব্যবহার এবং মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
পরে মৎস্য খাতে অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ৮ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আশেক পুড়ে দিনব্যাপী এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে ঔষধ ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে, এবং দিনব্যাপী এ সেবা কার্যক্রম চলবে।
অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক তানভীর হাসান খান রুবেল বলেন টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর জন্ম হয়েছে মানব সেবায় মানবতার কল্যাণে আমাদের কাজ করা। তিনি বলেন আমরা টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর মাধ্যমে সারাদেশে আমৃত্যু সেবা দিয়ে যাবো।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার রাশেদুল হাসান এমবিবিএস (রা. বি.) সিসিডি (বারডেম) টাঙ্গাইল স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোহিদুল ইরলাম মোহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, কোষাধক্ষ্য শারমিন শিমু, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক মোঃ আসাদ হোসেন, কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ তারেক। এছাড়াও সংগঠনের সকল পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেন বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তিনটি মামলায় মো. আক্তার হোসেন আকাশকে (২৮) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা, মিরাজকে (২৪) এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা এবং মো. আরিফকে (২৭) ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে বেগমগঞ্জ মডেল থানার চৌমুহনী ফাঁড়ির এএসআই হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
বেগমগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেন বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।