২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আড়াইহাজার উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার, শাক-সবজির বীজ ও সার এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে, আড়াইহাজার উপজেলায় অবস্থিত জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা কৃষি অফিস কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম আজাদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আজমুল হক, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক), বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, ঢাকা, সভাপতিত্ব করেন আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব মোঃ আসাদুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য জনাব নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। কৃষকদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন ধরনের সহায়তা ও প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুসরণ করে অধিক উৎপাদনের আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুর রহমান বলেন, কৃষি ও পরিবেশ—উভয় খাতের উন্নয়নে এ ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের দেওয়া সহায়তা সঠিকভাবে ব্যবহার করে কৃষকরা যেন সর্বোচ্চ সুফল পান, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ রাসেল মিয়া। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষক, উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ রাসেল মিয়া তার স্বাগত বক্তব্যে জানান, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আড়াইহাজার উপজেলার মোট ২ হাজার ৫০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে রোপা আমন ধানের উন্নত (উফশী) জাতের বীজ ও সার বিতরণ করা হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষক ৫ কেজি ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে পাবেন।
এছাড়াও আড়াইহাজার উপজেলায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির মোট ২ হাজার ৭২০টি গাছের চারা ৩০০ কৃষক ও ৬১ টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিতরণ করা হবে। কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিটি কৃষক ৫টি করে গাছের চারা ও জৈব সার এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ২০টি করে গাছের চারা ও জৈব সার পাবে। একই সঙ্গে খরিপ-২ মৌসুমে শাক-সবজির উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ১০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে সবজি বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রমও শুরু করা হবে।
এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষক ৭ ধরনের সবজি বীজ, ১৫ কেজি ডিএপি সার এবং ১৫ কেজি এমওপি সার পাবেন। তিনি আরও জানান, বাড়ির আঙিনা ও পতিত জমি ব্যবহার করে সবজি উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষক পরিবারগুলো পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত আয়ও করতে পারবেন।
স্বাগত বক্তব্যে আরও জানানো হয় যে, লেবু জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলার ৬০ জন কৃষকের মাঝে লেবুর চারা বিতরণ করা হবে। প্রতিটি কৃষক ৫টি করে লেবুর চারা এবং জৈব সার পাবেন। কৃষি বিভাগ আশা করছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে উপজেলায় লেবু জাতীয় ফসলের আবাদ সম্প্রসারিত হবে এবং কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে আরও লাভবান হবেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে অধিক ফলন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার নিয়মিতভাবে কৃষি প্রণোদনা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। উন্নত জাতের বীজ ও প্রয়োজনীয় সার কৃষকের হাতে পৌঁছে দেওয়ার ফলে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুসংহত হচ্ছে।
বক্তারা পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং অর্থনৈতিকভাবেও মানুষের উপকারে আসে। ফলজ ও বনজ গাছ গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি, সভাপতি এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ কৃষকদের হাতে রোপা আমন ধানের বীজ, সার, সবজি বীজ এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ৬ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আলোচিত পুলিশ ভ্যান। ছবি : সংগৃহীত
সাভারের আশুলিয়ায় গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ৬ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আলোচিত সেই পুলিশ ভ্যানটির সন্ধান পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) একটি জমি উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় ভ্যানটি সামনে আসে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাইপাইল ত্রিমোড় এলাকায় আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের (ভূমি) সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহিবুল্লাহ আকনের নেতৃত্বে জমি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সেখানে থাকা পুলিশের অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন খালি করার উদ্যোগ নেওয়া হলে আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকা পোড়া পুলিশ ভ্যানটি দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।
ভ্যানটির সন্ধান পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও স্থানীয়রা জড়ো হন। তারা ভ্যানটিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি ঐতিহাসিক সাক্ষ্য ও নির্মমতার স্মারক হিসেবে সংরক্ষণের দাবি জানান।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আন্দোলনকারী আবিদুল আফিফ বলেন, ‘আশুলিয়া থানার সামনে গত ৫ আগস্ট আমাদের ছয় ভাইকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন জীবিত ছিলেন। সেই ঘটনার পর থেকেই আমরা এই গাড়িটির খোঁজ করছিলাম। আজ জানতে পারলাম, এটি ডাম্পিং এলাকা থেকে অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। আমাদের দাবি, আশুলিয়ার এই নির্মমতার স্মৃতি হিসেবে ভ্যানটি অবিলম্বে জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হোক।’
আরেক আন্দোলনকারী ফয়সাল হোসেন ফাল্গুন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে গাড়িটির খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় নজর রাখছিলাম। এটি আমাদের শহীদ ভাইদের রক্ত ও ত্যাগের নির্মম সাক্ষ্য বহন করছে। ডাম্পিংয়ে না পাঠিয়ে জাদুঘরে সংরক্ষণ করাই যুক্তিসঙ্গত।’
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম ও আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে উচ্ছেদ অভিযানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ঢাকা জেলার রিজার্ভ ফোর্সের অফিসার ইনচার্জ শহিদুল বলেন, ‘গাড়িটি এভাবে দেওয়া সম্ভব নয়। এটি আদালতের আলামত এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি নিতে হলে আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও আদালতের নির্দেশনা প্রয়োজন হবে। সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ এবং পরে নিহত ও আহতদের পুলিশ ভ্যানে তুলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন পর সেই ঘটনায় ব্যবহৃত পোড়া ভ্যানটির সন্ধান পাওয়ায় এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দেশের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচির আওতায় গাজীপুরের কালীগঞ্জে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠ হতে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলাধীন নাগরী ইউনিয়নের ক্লাব রিসোর্ট থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়। জেলা গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূইয়া এর সভাপতিত্বে ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
বিশেষ অতিথি গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী।
বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন পিপিএম (বার), গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ড. মো. আবদুল্লাহ-আল ফারুক, গাজীপুরের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) আহাম্মদ হোসেন ভূইয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব ও এল এ) মো. সোহেল রানা, গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ্ রিয়াজুল হান্নান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার ও সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, কৃষক দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। সরকার কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ‘কৃষক কার্ড’ তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। কৃষক যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা পান, সংশ্লিষ্ট সবাইকে সে বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূইয়া বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আরও সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম জানান, কৃষকদের যেকোনো প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, সমাজ সেবা কর্মকর্তা আফরোজা বেগম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন আকাশ সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ শ্রাবন্তি আক্তার (২০) নামে এক নারী মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়ার শাহানারা মঞ্জিল (হোল্ডিং নং-৫২) নামীয় ভবনের নিচতলায় অভিযান পরিচালনা করে। গাজীপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালনা করা এই অভিযানে ভবনটির ভাড়াটিয়া শ্রাবন্তি আক্তারের দেহ ও রুম তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছে রক্ষিত ব্যাগ ও ঘর থেকে ১৫ হাজার পিস ক্ষতিকর অ্যামফিটামিন যুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত শ্রাবন্তি আক্তার নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার চর দিঘলদি গ্রামের মোঃ মতিন ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির মেয়ে। সে দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকার উক্ত বাসায় ভাড়া থেকে মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অভিযানের বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে এবং গাজীপুরকে মাদকমুক্ত করতে ডিএনসির এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ময়মনসিংহ নগরীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচিঝুলি এলাকায় খালের ওপর অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ এবং নির্মাণাধীন ভবনের নির্মাণসামগ্রী খালে ফেলার অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক)।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে খালের ওপর অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা এবং খালের পানিপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে নির্মাণাধীন ভবনের ইট, বালু, খোয়া ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী খালে বা খালের পাড়ে ফেলে না রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, নগরীর খালগুলো দখল ও দূষণমুক্ত রেখে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করবে। খালের ওপর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কিংবা খালে নির্মাণসামগ্রী ফেলে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি নগরবাসীকে খাল দখল ও দূষণ না করার পাশাপাশি নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
অভিযানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ শ্রাবন্তি আক্তার (২০) নামে এক নারী মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়ার শাহানারা মঞ্জিল (হোল্ডিং নং-৫২) নামীয় ভবনের নিচতলায় অভিযান পরিচালনা করে। গাজীপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালনা করা এই অভিযানে ভবনটির ভাড়াটিয়া শ্রাবন্তি আক্তারের দেহ ও রুম তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছে রক্ষিত ব্যাগ ও ঘর থেকে ১৫ হাজার পিস ক্ষতিকর অ্যামফিটামিন যুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত শ্রাবন্তি আক্তার নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার চর দিঘলদি গ্রামের মোঃ মতিন ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির মেয়ে। সে দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকার উক্ত বাসায় ভাড়া থেকে মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অভিযানের বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে এবং গাজীপুরকে মাদকমুক্ত করতে ডিএনসির এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
করব কাজ, গড়বো দেশ- সবার আগে বাংলাদেশ। করব কাজ, গড়বো দেশ - সবার জন্য বাংলাদেশ স্লোগানে- কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ-২০২৬ কর্মসূচি ভোলার লালমোহনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লালমোহন উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে (১ অক্টোবর) লালমোহন উপজেলা অডিটোরিয়ামে এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষক কার্ডের পাশাপাশি কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ করা হয়। কৃষকদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর, জলবায়ুসহিষ্ণু, ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তনের পাশাপাশি কৃষকদের আর্থ-সামাজিক মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে লালমোহন উপজেলার একটি ইউনিয়ন বদরপুরের ৩টি ওয়ার্ডের ২২১৮জন কৃষককে কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয়। পর্য়ায়ক্রমে প্রত্যেকটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে।
লালমোহন উপজেলা অডিটরিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বরিশাল বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ, ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, ভোলা কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তরের উপপরিচালক খাইরুল ইসলাম মল্লিক, ট্রেনিং অফিসার ড. শামীম আহমেদ, লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক, সহকারী কমিশারার ভূমি মো. রেজওয়ানুল হক, লালমোহন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহ মো. আরিফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো, জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, পৌরসভা বিএনপি সভাপতি আলহাজ্ব ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা, কৃষকসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।