গাজীপুরের কালীগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে ডিজিটাল শ্রেণীকক্ষ বাস্তবায়ন ও সহশিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থী, দুঃস্থ নারী, সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগী ব্যক্তি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে পানির ফিল্টার, ডিজিটাল স্মার্ট বোর্ড, বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন, ছাগল, গৃহনির্মাণ সামগ্রী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সরঞ্জামসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে কালীগঞ্জ আর.আর.এন পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী ও সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলা উন্নয়ন সহায়তার বরাদ্দ থেকে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একেএম ফজলুল হক মিলন এমপি।
অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত ১৫৭ জন অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীকে বাইসাইকেল, ১৫০জন দুঃস্থ নারীকে সেলাই মেশিন, গরীব অসহায় ২০টি পরিবারকে ছাগল, ১০টি পরিবারকে গৃহনির্মাণ সামগ্রী, ৯৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল স্মার্ট বোর্ড, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সরঞ্জাম ও পানির ফিল্টার বিতরণ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউর ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, অফিসার ইনচার্জ মোঃ জাকির হোসেন, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবুল হোসেন আকাশ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হুমায়ুন কবির মাষ্টার, সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, তুমলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবু বক্কর বাক্কু, বাহাদুরসাদী ইউপি চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন আহমেদ, জামালপুর ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল আলম, মোক্তারপুর ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আইয়ুব বাগমার, নাগরী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোহিনুর বেগম, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ।
গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাবাড়ী জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য মসজিদটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জননেতা আলহাজ্ব খালেকুজ্জামান বাবলু। এ সময় তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ছয় লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে গোলাবাড়ী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. রুহুল আমিন মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জননেতা আলহাজ্ব খালেকুজ্জামান বাবলু। বিশেষ অতিথি কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্য মো. হারুন অর রশিদ, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাসানুর রহমান জুয়েল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ খালেকুজ্জামান বাবলু বলেন, “মসজিদ শুধু নামাজ আদায়ের স্থান নয়, এটি মুসলমানদের ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নৈতিক শিক্ষা চর্চার অন্যতম কেন্দ্র। একটি সুন্দর ও আধুনিক মসজিদ নির্মাণের মাধ্যমে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে। এ ধরনের ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কাজে সমাজের বিত্তবানসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মসজিদ নির্মাণ একটি মহৎ ও সওয়াবের কাজ। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এ কাজে সহযোগিতা করতে পারি। গোলাবাড়ী জামে মসজিদের নির্মাণকাজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন হোক, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি ব্যক্তিগতভাবে ছয় লাখ টাকা অনুদান দিয়েছি। ভবিষ্যতেও মসজিদটির নির্মাণকাজে আমার সাধ্যমতো সহযোগিতা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।”
অনুষ্ঠানে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. রুহুল আমিন মোল্লা জানান, আধুনিক নকশায় গোলাবাড়ী জামে মসজিদটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৭১ ফুট ও প্রস্থ ৬১ ফুট। নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মসজিদটি নির্মাণে এলাকাবাসী ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
স্থানীয়রা আশা করছেন, মসজিদটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে এলাকার মুসল্লিরা সুন্দর ও উন্নত পরিবেশে নামাজ আদায় করতে পারবেন। পাশাপাশি মসজিদটি এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ সময় মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুফতি মো. হাবিবুর রহমান, কালীগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. তাইজুর রহমান মিলটনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় একটি বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. রুবেল মিয়া (৩০) নামে স্থানীয় এক মসজিদের ইমামকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে উপজেলার ‘মাতৃছায়া বৃদ্ধাশ্রমে’ এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে।
আটক রুবেল মিয়া উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি স্থানীয় চৈতন কালী মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মাতৃছায়া বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর ইমাম রুবেল মিয়া বৃদ্ধাশ্রমের ভেতরে প্রবেশ করেন। একপর্যায়ে তিনি কোনো কারণ ছাড়াই আশ্রমে বসবাসরত ৩০ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী নারীর ওপর চড়াও হয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ওই নারীর চিৎকারে আশ্রমের অন্য বাসিন্দা ও কর্মচারীরা ছুটে এসে হাতেনাতে রুবেল মিয়াকে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে তিনি যাতে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্য লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আটক ইমাম রুবেল মিয়া। তার দাবি, বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রিত প্রতিবন্ধী নারীসহ অন্যান্য অসহায় বৃদ্ধ নারী-পুরুষদের সেবা ও দেখাশোনার উদ্দেশ্যেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন; কোনো ধরনের অনৈতিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে যাননি।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত বৃদ্ধাশ্রমে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনার সার্বিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ভুক্তভোগী পক্ষের আনুষ্ঠানিক অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের ভেলাজান নদীপাড়া জামে মসজিদের তিন তলা ভিক্তিপ্রস্তর স্থাপনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে ।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ভেলাজান উচ্চ বিদ্যালয়ের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে নদী পাড়া জামে মসজিদের ভিক্তি প্রস্তর স্থাপন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক পৌর মেয়র জনাব মির্জা ফয়সল আমিন, এছাড়া গেস্ট অফ অনার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নারগুন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ পয়গাম আলি, জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক নূর এ শাহাদাত স্বজন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ আব্দুল হামিদ, সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান তুহিন সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো: আবু হানিক মুক্তা, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো: জাহিদুর রহমান জাহিদ, বিশেষ অতিথি সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম লিটন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা ডানো, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ মিন্টু মিজান শাহ, সহ-সভাপতি মোঃ ফজলে রাব্বি, চিলারং ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মো: আমিনুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মো: বজলুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন রাজা ,মোঃ আইয়ুব আলী, যুগ্ম আহবায়ক ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সোভা আলী জুম্মা আহ্বায়ক, মোঃ নজরুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল করিম পিপুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার হোসেন ,নদী পাড়া জামে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মসজিদের উপদেষ্টা মোঃ আনারুল ইসলাম, অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানান মসজিদের সভাপতি মোঃ জবাইদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল আলম।
জমকালো আয়োজনে ঠাকুরগাঁও ভেলাজানে বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট - ২০২৬ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে ভেলাজান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।
“ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়ায় বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল এবং খেলব খেলা গর্ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ"
এই স্লোগানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল চিলারং ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে চিলারং ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো: আসাদুজ্জামান আসাদের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন প্রধান অতিথি সদর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র জনাব মির্জা ফয়সাল আমিন, গেস্ট অফ অনার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নারগুন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ পয়গাম আলি, জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক নূর এ শাহাদাত স্বজন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি মোঃ আব্দুল হামিদ, সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান তুহিন সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ আশরাফুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো: আবু হানিক মুক্তা, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো: জাহিদুর রহমান জাহিদ, বিশেষ অতিথি সদর উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম লিটন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা ডানো, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোহাম্মদ মিন্টু মিজান শাহ, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি, সাধারণ সম্পাদক, চিলারং ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মো: আমিনুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মো: বজলুর রহমান, যুগ্ম আহবায়ক মোঃ জয়নাল আবেদীন রাজা, মোঃ আইয়ুব আলী, ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সোভা আলী ,মোঃ নজরুল ইসলাম পিপুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার হোসেন । অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চিলারং ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও খেলা পরিচালানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: ফারুক হোসেন।
আজকের ফাইনাল খেলায় যে দুটি দল অংশগ্রহণ করে রহিমানপুর ইউনিয়ন যুবদল ও জামালপুর ইউনিয়ন যুবদল । অনুষ্ঠানে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ হাজারো দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিজয় ফাইনাল খেলায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা । এছাড়া সন্ধ্যায় পার্শ্ববর্তী নদীপাড়া জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জনাব মির্জা ফয়সল আমিন।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তারেক রহমান সরকার দেশকে মরুভূমির হাত থেকে রক্ষায় খাল খনন ও নদী ভাঙ্গন এলাকায় মানুষের পাশে দাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে খাল খনন এর কাজ শুরু করেছিলেন। আর কোন সরকার এর প্রয়োজনীয়তা মনে করেন নাই। তারেক রহমান সরকার দেশকে মরুভূমির হাত থেকে রক্ষায় খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে পঞ্চগড়ে ও ঠাকুরগাঁও জেলার নদীসমূহের টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (১ম অংশ) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলাধীন বন্দরমনি ও বোয়ালমারী নামক স্থানে করতোয়া নদীর ডান তীর বরাবর ১১৫০ মিটার নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজ এর উদ্বোধন কালে এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপি সরকার কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই দেশের বন্যা ভূমিধস থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান সরকার নদী পাড়ের মানুষের দু:খ দুর্দশার কথা চিন্তা করে নদীর পার রক্ষা বাধ নির্মানে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, এখানে হিন্দু সনাতনীদের তীর্থস্থল হিসেবে বারূনি স্নান ঘাট নির্মিত হচ্ছে, যেখানে নির্বিঘ্নে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে পারবে। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড এর বিভিন্ন কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পল্লীবিদ্যুতের কর্মচারীদের গাফিলতিতে বিদ্যুতায়ীত হয়ে আনোয়ার খান নামে (৫০) এক ব্যাক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২ রা অক্টোবর) দুপুরে কলাপাড়া পৌরশহরের এতিমখানা গোরস্থান সংলগ্ন এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই ব্যাক্তি কলাপাড়া পৌর শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের এতিমখানার বাসিন্দা মৃত এন্তেজ খান এর পুত্র। তিনি ৩ সন্তানের জনক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মৃতের আপন ভাগিনা সজিব বলেন, সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে এতিমখানা গোরস্থান সংলগ্ন রাস্তার ওপরের একটি মেইন লাইন ছিড়ে তাদের বাসার টিনের বেড়ায় লেগে আগুন জ্বলতে থাকে । এতে ওই খানের অন্তত ৭/৮ টি ঘর বিদ্যুৎতায়িত হয়। এর পর ১১: ৪৫ মি.দিকে বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে বিষয়টি জানানো হয়। পরবর্তীতে তারা জরুরীভিত্তিতে আসার জন্য আরও কয়েকবার ফোন করলে তারা শুধু আসবে বলে কালক্ষেপণ করেন। যে কারনে আজকে তার মামার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত আনোয়ার খানের আপন ভাই মাসুম খান বলেন, তার ছিড়ে পড়ার পর থেকে তাদের বহুবার ফোন করা হয়েছে। তারা ফোন পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে আসলে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হোতনা। সম্পূর্ণ বিদ্যুৎ অফিসের গাফিলতিতে আজ এই ঘটনা ঘটেছে।
এবষয়ে কলাপাড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সজীব পাল'র কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিউট্রাল লাইন ছিড়ে পড়েছিলো। পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে জানালে সাথে সাথে লাইন বন্ধ করা হয়। তবে, দূর্ঘটনার বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানাতে পারবেন বলে তিনি জানান।
এবিষয়ে কলাপাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।