ডা. দীপু মনি
১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ কারাগার থেকে পুলিশ ভ্যানে করে পুলিশি পাহারায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। এর আগে বুধবার মুন্সীগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী তাঁর প্যারোল মঞ্জুর করেন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ প্যারোল কার্যকর থাকবে।
প্যারোলে মুক্তির সময় দীপু মনি প্রয়াত স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ দেখা এবং তাঁর দাফন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।
পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ ঢাকার কলাবাগানে তাঁর নিজ বাসভবনে নেওয়া হবে। সেখানে দীপু মনি স্বামীর মরদেহ দেখবেন। পরে মরদেহ নেওয়া হবে গুলশান আজাদ মসজিদে। বাদ জোহর সেখানে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা ও দোয়া শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
দীপু মনির আইনজীবী অ্যাডভোকেট গাজী ফয়সাল ইসলাম জানান, তাঁরা চার দিনের প্যারোল চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তবে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১২ ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করেছেন।
তিনি বলেন, প্যারোলের পুরো সময় দীপু মনি পুলিশ পাহারায় থাকবেন। স্বামী দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার সময় কারাগারের বাইরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে একাধিকবার আবেদন করা হলেও তা পাওয়া যায়নি। স্বামীর মৃত্যুর পর এবার প্যারোলে মুক্ত হয়ে তাঁর মরদেহ দেখার সুযোগ পেলেন সাবেক এই শিক্ষামন্ত্রী।
দীর্ঘদিন পর আবারও খুলছে সিলেট নগরীর জালালাবাদ পার্ক। তবে এবার পুরোনো রূপে নয়। সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে নতুন সাজে উন্মুক্ত করা হবে নগরবাসীর জন্য। পার্কটিকে শিশুদের খেলাধুলা এবং বয়স্কদের হাঁটাচলার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি থাকবে বসার ব্যবস্থা ও মনোরম পরিবেশ। সংস্কার করা হবে পার্কের গেট ও সীমানাপ্রাচীরও। সোমবার পার্কটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পার্কটি দ্রুত জন সাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
সিসিক প্রশাসক বলেন, “জালালাবাদ পার্কটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তবে তার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে। শিশুদের খেলাধুলা এবং বয়স্কদের হাঁটাচলার উপযোগী করেই পার্কটি সাজানো হবে।”
তিনি বলেন, পার্কটি দৃষ্টিনন্দন করা হবে। নগরবাসী যেন এখানে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। নতুন নাম দেওয়া হবে ‘জালালাবাদ সিটি পার্ক’। পার্কের সীমানাপ্রাচীর নিয়েও পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশাসক বলেন, বর্তমান গেট ও সীমানাপ্রাচীরের কারণে বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে এখানে একটি পার্ক রয়েছে। তাই দেয়াল ও গেট সংস্কার করা হবে। বাইরে থেকেও যেন পার্কের ভেতরের সৌন্দর্য দেখা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি। সিসিকের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করবেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সাগরদিঘীর পাড়ে সিসিকের উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিদিন সেখানে শত শত মানুষ হাঁটতে যান। অবসর কাটান। জালালাবাদ সিটি পার্কের সংস্কার শেষ হলে নগরবাসীকে এখানেও অবসর সময় কাটানো ও শরীরচর্চার জন্য আসার আহ্বান জানানো হবে।
তিনি বলেন, সিলেট নগরীতে হাঁটাচলা ও মুক্ত বাতাসে সময় কাটানোর মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরোনো কারাগারের জায়গাতেও পার্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, জালালাবাদ পার্কটি সিটি করপোরেশনের নিজস্ব জায়গায় অবস্থিত। নগরবাসীর জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। তাই পার্কটির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, পার্কটির অবস্থানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাছেই রয়েছে সার্কিট হাউস, ক্বীন ব্রিজ, সুরমা নদী ও আলী আমজদের ঘড়ি। ফলে সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধনের পর এটি নগরবাসীর পাশাপাশি সিলেটে আসা পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, জালালাবাদ সিটি পার্ককে সিলেটের একটি সাংস্কৃতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিদর্শনকালে সিসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেমিকের বাড়ীতে এক সন্তানের জননীর অনশন
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন ১২ বছরের কন্যা সন্তানের জননী। দাবি না মানলে আত্মহত্যা করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের ষোলঘর সদারামপুর গ্রামে প্রেমিক সুশান্ত দাসের বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি। ঘটনার পর থেকেই সুশান্ত আত্মগোপনে রয়েছেন।
সুশান্ত দাস(৩৮) ওই গ্রামের স্বপন দাসের ছেলে। ভুক্তভোগী বিথী রানী রাজবংশী একই গ্রামের বাসিন্দা।
জানা গেছে, প্রেমিকা বিথী রানী রাজবংশীর সাথে প্রেমিক সুশান্ত দাসের বিয়ের আগেই থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ১৩ বছর পূর্বে বিথীর মা-বাবা বিথীকে অন্যত্র বিয়ে দেন। বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বিয়ের পরও প্রেমিক সুশান্ত প্রেমিকার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করত।
ভুক্তভোগী জানান, বিয়ের পর আমার স্বামী বিদেশে থাকার সুবাদে সুশান্ত আমার সাথে যোগাযোগ করত। গত তিন বছর পূর্বে অসুস্থতার কারণে আমার স্বামী মারা যান। এর পর থেকে সুশান্তর সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক আরো গভীর হয়। এই বিষয়ে জানাজানি হলে ইউনিয়ন পরিষদে শালিস হয়। শালিসে সিদ্ধান্ত হয় যে, ভবিষ্যতে কেউ কারো সাথে আর সম্পর্ক রাখতে পারবে না। পুনরায সম্পর্ক করলে বিয়ে পড়িয়ে দেয়া হবে। শালিসের মাস দেড় পর সুশান্ত মালয়েশিয়া চলে যায় এবং আমি নিষেধ না সত্বেও পূনরায় সে আমার সাথে যোগাযোগ অব্যহত রাখে। গত ৮ মাস পূর্বে সুশান্ত দাস আমাকে ফোন দিয়ে বলে তার ছোট ভাই হৃদয় পর্তুগালে যাবে তাকে ৫ লক্ষ টাকা দাও আমি বিদেশ থেকে এসে তোমাকে বিয়ে করবো। পরে সুশান্তের বিয়ের আশ্বাসে আমি হৃদয়ের কাছে ৫ লক্ষ টাকা দেই। গত ১৭ সেপ্টেম্বর সুশান্ত দেশে আসে এবং আমাকে বিয়ে করবে বলে তার জন্ম নিবন্ধন ও পাসপোর্টের কপি দেন এবং আমাকে নিয়ে নিমতলাসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরাঘুরি করে। গত দুইদিন যাবত সে আমার ফোন ধরছে না এবং নাম্বার বক্ল করে রেখেছে।
ভুক্তভোগী আরও জানান, সুশান্ত দাসের বিয়ের আশ্বাসে তাকে টাকা দেয়া হয়েছে। এখন তাকে গ্রহণ না করলে তার আর যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। দাবি আদায় না হলে তিনি সুশান্তের বাড়িতেই আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দেন।
এদিকে ঘটনার পর থেকে সুশান্ত দাস পলাতক থাকায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ছবি : সংগৃহীত
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য ডা. জাওয়াদুল হককে ঘেরাও করে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। একই সময় তার একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও মারধর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ‘রাজশাহীর আপামর ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল রামেবির কার্যালয়ে গিয়ে এ ঘটনা ঘটায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ‘ভিসি ঘেরাও কর্মসূচি’ নামে একটি মিছিল নিয়ে ওই ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। একপর্যায়ে তারা উপাচার্যের কার্যালয়ে ঢুকে তাকে ঘেরাও করেন।
উপাচার্য ডা. জাওয়াদুল হক অভিযোগ করেন, তার কাছে বিভিন্ন সময় ঠিকাদারি কাজ চাওয়া হয়েছিল। তাদের কাজ না দিয়ে ঢাকার একজন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার একদল ব্যক্তি কার্যালয়ে জোর করে ঢুকে পড়েন।
ডা. জাওয়াদুল হক বলেন, তাকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি লাঞ্ছিত করা হয়। আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাদের তৈরি করা একটি পদত্যাগপত্রে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
উপাচার্যের ভাষ্য, পরে তাকে ধাক্কা দিয়ে কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। তার একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইনকেও অবরুদ্ধ করে শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ডা. জাওয়াদুল হক বলেন, ‘জোর করে এভাবে কখনো পদত্যাগ করানো যায় না। এটি কোনো নিয়মতান্ত্রিক পদত্যাগ নয়, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।’
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক ও কম্পিউটারের সিপিইউ নিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ায় তিনি সেখানে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে নেই বলেও জানান।
উপাচার্যের একান্ত সচিব নাজমুল হোসাইন অভিযোগ করেন, রাজশাহী মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক শামীম, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন, সহসভাপতি সালাম, লক্ষ্মীপুর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহিনসহ কয়েকজন তাকে মারধর করেন। পরে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় ইস্তফা দিতে চান-এমন বক্তব্যসংবলিত কাগজে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাজমুল হোসাইন বলেন, ‘তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। অস্ত্র ঠেকিয়ে তারা আমাকে স্বাক্ষর করায়। এটা কোনো ইস্তফা নয়, অস্ত্রের মুখে এটা করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। কারা করেছে, তা জানা নাই।’
মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুনুর রশীদ বলেন, বিষয়টি কিছুক্ষণ আগে জানতে পারলাম। কারা করেছে, কেন করেছে তা আমার জানা নেই। জড়িতদের কেউ বিএনপির হলে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাকসুদ আলম
গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এলাকায় মাদক,ডাকাতি ছিনতাই ও বিভিন্ন মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২০ আগস্ট ২০২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত থানার কার্যক্রমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেখা যায় আগে যে সকল কর্মকর্তা ছিলেন তার চেয়ে তুলনা মূলক ভাবে মাদক বিরোধী অভিযানে বর্তমান কর্মকর্তার সাফল্য অনেক বেশি পুলিশের অভিযানে এ সময়ে ছিনতাই ও মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে এ পর্যন্ত ছিনতাই মামলায় ৬টি মামলা রুজু করে ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে ৩০টি মামলা দায়ের করে ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৫৭২ পিস ইয়াবা, ১৭ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজা, ২২ গ্রাম হেরোইন ও ১৫ বোতল বিদেশি মদ। অন্যান্য মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৮০ জনকে। ওয়ারেন্টমূলে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও ১৪২ জনকে। মোট গ্রেপ্তার ৪১৬ জন।
এ বিষয় টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাকসুদ আলম বলেন টঙ্গী একটি গণবসিত এলাকা এখানে মাদক সন্ত্রাস ছিনতাই চুরি ডাকাতি অনেক বেশি ছিল। আমি যোগদান দেওয়ার পরে জীবন বাজি রেখে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে আমি যেখানে যে কোন ঘটনা ঘটুক সেখানেই আমি উপস্থিত হই, আমার নেতৃত্বে নির্লস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি আমাদের পুলিশ বাহিনী দিয়ে আগের চেয়ে অনেক নিয়ন্ত্রনে আনতে পেরেছি এবং মাদকের বিরুদ্ধে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।
এ বিষয় স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন বর্তমান ওসি সাহেবের মাদক বিরোধী সকল কাজের পারদর্শী আমরা এলাকাবাসী খুব আনন্দিত এবং টঙ্গী পূর্ব থানার সেকেন্ড অফিসার মোহাম্মদ খোরশেদ আলম বলেন, আমরা ওসি স্যারের নির্দেশে কাজ করে যাচ্ছি ও আসামীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না সে যেই হোক তাকে ধরে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া ভাংগারপুল এলাকায় সাদ্দাম হোসেন (৩৬) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি অন্তর (২৫)কে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আকুয়া ভাংগারপুল এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় সাদ্দাম হোসেন আকুয়া ভাংগারপুল এলাকায় অন্তরের দোতলা বাসার একটি কক্ষে যান। সেখানে পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় অন্তর হাতে থাকা চাকু দিয়ে সাদ্দামের বুক ও পেটে একাধিকবার আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ছুরিকাঘাতে সাদ্দাম গুরুতর রক্তাক্ত জখম হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনুমানিক দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সাদ্দাম হোসেন (৩৬) আকুয়া ভাংগারপুল এলাকার পান্নু মিয়ার ছেলে।
ঘটনার পর কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তর (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বিল্লাল হোসেনের ছেলে এবং আকুয়া ভাংগারপুল এলাকার বাসিন্দা। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকুও উদ্ধার করা।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন
বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সর্বোচ্চ ভর্তুকি দিয়ে তেল-গ্যাসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সর্বোচ্চ ভর্তুকি দিয়ে তেল-গ্যাসের দাম যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।”
আজ মঙ্গলবার কুমিল্লার ভাষাসৈনিক শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মাহদী আমিন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীতেই তেল-গ্যাসের দাম বেড়েছে। আজকের দিনেও আশপাশের যেকোনো দেশের তুলনায় আমাদের দেশে ডিজেলের দাম কম।”
মাহদী আমিন বলেন, “অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় যদি তুলনা করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে ও পরে ধাপে ধাপে দাম বাড়িয়ে যে জায়গায় নেওয়া হয়েছে, তার তুলনায় বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সর্বোচ্চ ভর্তুকি দিয়ে তেল-গ্যাসের দাম যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, “সংকটটা বৈশ্বিক। এর চাপ যেন জনগণের ওপর না পড়ে, সেজন্য সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।”
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি দেশে আরও গ্যাস উত্তোলনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মাহদী আমিন। তিনি বলেন, বর্তমান সমস্যার পেছনে ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া কাঠামো ও বৈশ্বিক যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। তাই জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার দীর্ঘ, মধ্য ও স্বল্পমেয়াদি সমাধান নিয়ে কাজ করবে।