ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাজীপুর-২ (সদর, ক্যান্টনমেন্ট, টঙ্গী পূর্ব-পশ্চিম, গাছা ও পুবাইলের আংশিক) আসনের নির্বাচনী মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন সাবেক গাজীপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন তিনি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন সালাহউদ্দিন সরকার। এ সময় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং অফিসার উপস্থিত ছিলেন। মনোনয়নপত্র তিনি নিজেই দাখিল করেন। মনোনয়ন জমা দেওয়ার এ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষণে তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন ৫৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব শেখ মোঃ আলেক, গাজীপুর মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম রাসেল, থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জহির আহমেদ, এডভোকেট জালাল, যুবদল নেতা সৌমিক সরকার, বিএনপি নেতা ইব্রাহিম মিয়া, যুবদল নেতা টুটুল, সাবেক ছাত্র নেতা সাইফুল মৃধা, মুন মিয়া। পাশাপাশি দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। তাঁদের উপস্থিতি এই মুহূর্তকে দিয়েছে আরও তাৎপর্য, আরও রাজনৈতিক গভীরতা।
মনোনয়ন দাখিলের সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের বাইরে উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের উৎসাহ প্রদান করেন তার বড় ভাই, সাবেক এমপি ও বর্ষীয়ান বিএনপি রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব মোঃ হাসান উদ্দিন সরকার।
মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন সরকার বলেন,“আমি শেষ পর্যন্ত দলের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবো। আশা করি দল পুনর্বিবেচনা করে ধানের শীষের প্রতীক আমাকে মনোনয়ন নিশ্চিত করবে।স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিষয়টি পরবর্তীতে গণমাধ্যমে ব্রিফিং করে জানানো হবে।
মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার স্থানীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। মামলা-হামলার সময় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং সংগঠক হিসেবে তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ব্যাপকভাবে পরিচিত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মনোনয়ন দাখিলের মধ্য দিয়ে আলহাজ সালাহউদ্দিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গাজীপুর-২ আসনের নির্বাচনী দৌড়ে যুক্ত হলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ভোটের মাঠকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় সমন্বিত বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এ প্রকল্প অনুমোদনের খবরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সর্বস্তরের মানুষ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণসহ ছোট ফেনী ও বামনী নদীর অববাহিকায় বন্যা ও নদী ব্যবস্থাপনা এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে এ প্রকল্প অনুমোদন নোয়াখালীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উপকূলীয় এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন, বন্যা, জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। ।
প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলামকে ধন্যবাদ জানিয়ে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট প্রবল বর্ষণ ও উজানের ঢলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুরে অবস্থিত ২৩ ভেন্টের রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। এতে ছোট ফেনী নদী ও আশপাশের এলাকায় নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পরে রেগুলেটরটি পুনর্নির্মাণ এবং নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
গাজীপুরের টঙ্গীতে পূর্বশত্রুতার জেরে জয় (২৩) নামে এক যুবককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে টঙ্গী কেরানিটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জয় টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তি এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে বাসায় ফিরছিলেন জয়। এ সময় কয়েকজন যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার উপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় জয় ঘটনাস্থলেই মারা যান।
খবর পেয়ে টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। তবে পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) নূর আলম হোসেন জানান, এ ঘটনায় ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর দেওয়ানী আদালত পরিদর্শন
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মো. জাবিদ হোসেন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর দেওয়ানী আদালত পরিদর্শন করেছেন।
এ সময় স্থানীয় বিচারপ্রার্থী, জনগণ ও আইনজীবীরা নবীনগরে দেওয়ানী আদালতের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম চালুর দাবি জানান।
বিচারপতিদ্বয় আদালতের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন, বিচারকার্য প্রত্যক্ষ ও বিচারপ্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় নবীনগর আদালতের আইনজীবীদের বসার ব্যবস্থা, টেবিল, কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিন সরবরাহের দাবিও জানানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বড় উপজেলা নবীনগরে ফৌজদারি আদালত না থাকায় বিচারপ্রার্থীদের জেলা সদরে যেতে হয়। অতীতে এখানে ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম চালু ছিল। তাই পুনরায় পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি আদালত চালুর দাবি দীর্ঘদিনের। বিচারপতিদ্বয় আদালতের বিচারিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ ও গতিশীল করে সাধারণ মানুষের জন্য দ্রুত ও সহজে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টির আশ্বাস দেন।
নীলফামারীর সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে তিনটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চুরি ও চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর এলাকার বাসিন্দা সাব্বির হোসেন এবং সৈয়দপুরের মতির মোড় ফাইলেরিয়া হাসপাতালের পাশের এলাকার বাসিন্দা ফরহাদ হোসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেল চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রথমে সাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয় ও হেফাজতে রাখার অভিযোগে ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানকালে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি করা তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মোটরসাইকেল চুরি ও চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত করা হচ্ছে। গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ঐতিহ্যবাহী শাপলা বিদ্যানিকেতনের ৪১ বছর পূর্তি ও নতুন ভবনে পাঠদান কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ভালুকা পৌর মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ডে প্রতিষ্ঠানটির নতুন কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও ভালুকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক হাতেম খান, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসানউল্লাহ খান রোবেল, এম এ খালেক, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহদপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানা এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবু।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, ৪১ বছরের ঐতিহ্য ও সুনাম ধরে রেখে শাপলা বিদ্যানিকেতনকে আরও এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নতুন ভবনে পাঠদান কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানটির অগ্রযাত্রা আরও গতিশীল হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভা শেষে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
ময়মনসিংহের ভালুকায় উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ভালুকা পৌর ভবনের তৃতীয় তলায় মনোয়ারা হায়দার পার্টি সেন্টারে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, ভালুকা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু। প্রধান বক্তা ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমীন মাসুদ।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, ভালুকা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. গোলম ফারুকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান সবুজের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও ভালুকা পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব হাতেম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান মজু, গোলজার হোসেন, অ্যাডভোকেট উসমান গণি মলিক মাখন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, খালেক পাঠান এবং মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাজমুল হকসহ অন্যরা।
মতবিনিময় সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশ নেন।
সভায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ সময় শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাদের বিভিন্ন দাবি, সমস্যা ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরেন। পরে এসব বিষয়ে আলোচনা ও পারস্পরিক মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি হয়।