• প্রকাশ : সোমবার ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৯:৩৪ এএম

দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার ১৭ জন নেতাকর্মীকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।


বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক ও অন্যান্যরা।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে কিশোরগঞ্জ জেলাাধীন বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার এসব নেতাকর্মীকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


বহিষ্কৃতরা হলেন-বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক, দিঘীরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহরিয়ার শামীম, বলিয়ারদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফিরোজ খান এবং নিকলী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মানিক মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, জারুইতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল ইসলাম,


ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি পরশ মাহমুদ, দামপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আলী হোসেন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হারুন অর রশীদ, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবু তাহের, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন, ছাতিরচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মুক্তার, কারপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন, সিংপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. তোফায়েল আহমেদ তপু, গুরুই ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান এবং নিকলী উপজেলা বিএনপির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মনির হোসেন।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক সম্পর্ক রাখতে পারবেন না।


উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য রেজাউল করিম খান চুন্নু এবং কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবালকে দল থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি।



সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৩ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৩ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ছয় মাসে জনতার মুখোমুখি মসিক প্রশাসক রোকন

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৩ পিএম

দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসের মধ্যে নগরীর সমস্যা, উন্নয়ন ও সম্ভাবনা নিয়ে সরাসরি নাগরিকদের মুখোমুখি হয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন। ব্যতিক্রমী এ প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে নগরীর বিভিন্ন এলাকার অর্ধ শতাধিক নাগরিক অংশ নিয়ে তাদের নানা সমস্যা, অভিযোগ ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। প্রশাসকও এসব সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।


আাজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১টা পর্যন্ত নগরীর টাউন হল অডিটোরিয়ামে প্রথমবারের মতো এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। এতে নগরীর বিভিন্ন এলাকার নাগরিকরা সরাসরি প্রশাসকের কাছে প্রশ্ন করেন এবং তাদের এলাকার সমস্যা ও নাগরিক সেবা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।


নাগরিক সেবায় ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ


নাগরিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মসিক প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, সিটি কর্পোরেশনের নাগরিক সেবার কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ডিজিটালাইজেশনের কাজ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন সেবাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হবে।


তিনি বলেন, যানবাহন নিয়ন্ত্রণেও পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নগরীর যান চলাচল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনার পাশাপাশি নাগরিকদের ভোগান্তি কমানোর চেষ্টা করা হবে।


যানজট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সহযোগিতা প্রয়োজন


নগরীর যানজট ও ময়লা-আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় এখনো প্রত্যাশিত সফলতা আসেনি বলে স্বীকার করেন প্রশাসক। তিনি বলেন, এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


যানজট সহনীয় পর্যায়ে আনতে অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে বাসাবাড়ির ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।


প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে কাজ করা সম্ভব নয়। এ জন্য নাগরিকদেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। নগরবাসীর সহযোগিতা পাওয়া গেলে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।


জনতার মুখোমুখি এ আয়োজনে নগরবাসী সড়ক, যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সেবা ও নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। প্রশাসক এসব সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন। পাশাপাশি নগরীর উন্নয়ন কার্যক্রমে নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সর্বশেষ সব খবর

পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন মেহেদী শাহরিয়ার

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৮ পিএম

চুয়াডাঙ্গার ৩২তম পুলিশ সুপার(এসপি) হিসেবে যোগদান করেছেন মেহেদী শাহরিয়ার। গত সোমবার দুপুরে তিনি চুয়াডাঙ্গার নবাগত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।


চৌকশ এ পুলিশ কর্মকর্তা মেহেদী শাহরিয়ার যশোর জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ (মার্কেটিং) ডিগ্রি অর্জন করেন। ২৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে ২০১০ সালে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ও পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি)-এ-তে কর্মরত ছিলেন। 


নবাগত পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার সদ্য বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। সদ্য বিদায়ী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগে উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে পদায়িত হয়েছেন।


দায়িত্ব গ্রহণ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় দৈনিক আমাদের সময়  পত্রিকাকে নবাগত পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার বলেন, "আমার মূল লক্ষ্য চুয়াডাঙ্গা জেলার প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও সুসংহত করা। তবে এই যাত্রা একক কোনো প্রচেষ্টা নয়; মিডিয়াকর্মী, রাজনৈতিক-সামাজিক নেতৃত্ব এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের সম্মিলিত সহযোগিতাই পারে আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে। আসুন, সবাই মিলে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশকে আরও জনমুখী, দক্ষ ও গতিশীল হিসেবে গড়ে তুলি। আমরা জনগণের পাশে থাকতে এবং তাদের আস্থা অর্জন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:০৪ পিএম

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোবিন্দনগর বিসিক এলাকার সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে ১৮ লাখ টাকার ওষুধ ও নগদ ১০ হাজার টাকা চুরির ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে বিসিক এলাকার সৌহার্দ্য ফার্মেসির শাটারের তালা ভেঙে বিপুল পরিমাণ ওষুধ ও নগদ টাকা নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। ঘটনার পর ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।




অভিযোগের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান শুরু করে। পরে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা থেকে চুরির সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে চোরাই ওষুধ কেনার অভিযোগে এক ওষুধ ব্যবসায়ীকেও আটক করাও হয়।


এসময় চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ এবং চুরি যাওয়া বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার করা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৩৮ পিএম

পঞ্চগড় পৌর শহরের রাজনগর এলাকায় রেজাউল করিম রেজা (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজনগর এলাকার তুলারডাঙ্গা রাস্তার পাশের একটি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


নিহত রেজাউল করিম রেজা ঠাকুরগাঁও জেলার ভেলাজান এলাকার মোস্তফা কামালের ছেলে। তিনি পঞ্চগড় পৌরসভার রাজনগর এলাকায় বাড়ি করে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে বসবাস করতেন। পাশাপাশি পঞ্চগড় সদর থানার সামনে কম্পিউটারে কম্পোজের ব্যবসা করতেন।




পুলিশ ও সিআইডি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল ও ক্রাইম সিনের কার্যক্রম শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।


পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে রেজাউল করিম রেজা রাগ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। সকালে স্থানীয়রা খালের পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।


পঞ্চগড় সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শইমী ইমতিয়াজ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৫ পিএম

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান চালিয়ে ফের ১৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনকে পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া ৯ জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার। এর আগে, মঙ্গলবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।


পুলিশ জানায়, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জেলার বিভিন্ন থানায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসব অভিযান চালিয়ে ১৬৩ জনকে আটক করা হয়।


থানাভিত্তিক অভিযানের মধ্যে সুধারাম মডেল থানায় ২৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বাকি ২৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় তিনজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩৭ জন, সেনবাগ থানায় ৯ জন, চরজব্বর থানায় ৭ জন, সোনাইমুড়ী থানায় ৫ জন এবং কবিরহাট থানায় ৫ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া হাতিয়া থানায় ৬৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার, পাঁচজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ৬২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।


নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৪ পিএম

সিলেট বিভাগের তিন সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রত্যাহার করেছে সরকার। তারা হলেন সিলেট সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুনুর রশীদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আফরিন এ্যানি এবং মৌলভীবাজার সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুৎফুন নাহার শারমিন। তাদের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য ন্যস্ত করা হয়েছে।


গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেওয়া হয়। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এসব কর্মকর্তাকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ থেকে প্রত্যাহার করে পরবর্তী পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।


দেশের বিভিন্ন উপজেলার মোট ৬৮ জন সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) এভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা, ঢাকা ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন উপজেলার এসিল্যান্ড রয়েছেন।


প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, প্রত্যাহার করা কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রত্যাহারের পর তাদের সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে পরবর্তী পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নাম, পরিচিতি নম্বর, বর্তমান কর্মস্থল এবং যে বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা হয়েছে।


এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে হালনাগাদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর