• প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৯ পিএম
  • আপডেট : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৯ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

চুয়াডাঙ্গায় জমকালো আয়োজনে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

পুরুষ বিভাগে দামুড়হুদা এবং মহিলা বিভাগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা চ্যাম্পিয়ন

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৯ পিএম

চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের উদ্যোগে  জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬ এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।


শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে উৎসবমুখর পরিবেশে এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।




প্রতিযোগিতার জমজমাট ফাইনালে পুরুষ বিভাগে দামুড়হুদা থানা দল এবং নারী বিভাগে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।




মহিলা বিষয় চুয়াডাঙ্গা সদর থানা চ্যাম্পিয়ন এবং পুরুষ বিভাগে রানার আপ হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার নবাগত  ওসি মনিরুজ্জামান সকল খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

চুয়াডাঙ্গা বালক বালিকা উভয় টিমের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান। ফাইনাল খেলা শেষে জমকালো ও পরিপাটি আয়োজনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন এবং চ্যাম্পিয়ন -রানার আপ দলের মাঝে ট্রফি ও  পুরস্কার বিতরণ করেন। চুয়াডাঙ্গার  পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার। 


টুর্নামেন্টে চমৎকার খেলে ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট ও ম্যান অফ  দি ফাইনাল নির্বাচিত হন দামুড়হুদা থানা পুরুষ  দলের খেলোয়াড় হাসান আলী। এছাড়া বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন দল চুয়াডাঙ্গা সদর থানার জুলি খাতুন ম্যান অব দ্যা ফাইনাল নির্বাচিত হন । 


পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার বলেন, কমিউনিটি পুলিশের মূল লক্ষ্যই হলো পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা। খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক, মোবাইল,জোয়ার মতো অপরাধ এবং সব ধরনের সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখে। আমাদের জাতীয় খেলা কাবাডি কেবল শারীরিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য ও শৃঙ্খলার প্রতীক। আমি আশা করি, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার যুবসমাজ আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং আমরা সবাই মিলে একটি মাদকমুক্ত, সুস্থ ও সুন্দর চুয়াডাঙ্গা গড়ে তুলতে পারব।”


অনুষ্ঠানটি চমৎকারভাবে সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মিনহাজুল ইসলাম।


উক্ত ফাইনাল ম্যাচে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান,আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)রাকিবুল ইসলাম, জীবননগর থানার ওসি সোলাইমান হক,দর্শনা থানার ওসি নজরুল ইসলাম, এবং পুলিশ লাইন্সের আর আই আব্দুস সামাদ, ডিস্টোর ইনচার্জ সাব ইন্সপেক্টর রবীন্দ্রনাথ সরকার সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।


 তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপে সমাপনী দিনে  নারী-পুরুষ উভয় বিভাগের ফাইনালে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।


পুরুষ বিভাগের ফাইনালে দামুড়হুদা থানা দল একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ৫৯-২২ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা দলকে পরাজিত করে  চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।  অন্যদিকে, নারী বিভাগে তুমুল লড়াইয়ের পর চুয়াডাঙ্গা সদর থানা দল ৩৭-৩০ পয়েন্টে দামুড়হুদা থানা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে।


তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা গুলো পরিচালনা করেন রকিবুল ইসলাম (ইসলাম রকিব),ফিরোজ উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, আব্দুল হাই, বিলকিচ নাহার,আইরিন ইসলাম ও মনসুর আলী। 


উল্লেখ্য, ১ম পুলিশ কাবাডি প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী  নারী-পুরুষ সকল টিমের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার পুরস্কারের ব্যবস্থা করেন। যা ছিল চুয়াডাঙ্গা পুলিশ কাবাডির ইতিহাসের এক অনন্য সুন্দর অধ্যায়।


সে কারণে চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণকারী শতাধিক খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের প্রশংসায় ভাসছেন চুয়াডাঙ্গার নবাগত পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৬ পিএম

মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ভাড়াটিয়া হেলমেট বাহিনী দিয়ে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি দখলের চেষ্টা ও হামলা চালিয়ে নারী শিশুসহ দুজনকে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। 


গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নের জগন্নাথ পট্টি গ্রামের তৈয়ব শরীফের বাড়িতে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। 


এলাকাবাসী জানায়, জগন্নাথ পট্টি গ্রামের তৈয়ব শরীফের সাথে ভাগ্যকুল মান্দ্রা গ্রামের রশিদ দেওনের মধ্যে জমি নিয়ে আদালতে মামলার চলে আসছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটার দিকে রশিদ দেওয়ানের নেতৃত্বে ১৪ টি মোটরসাইকেল যোগে ২৭/২৮ জন হেলমেট পরিহিত বহিরাগত সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তৈয়ব শরীফের বাড়িতে হামলা চালালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় তৈয়ব শরিফের স্ত্রী হাফেজা সুলতানা (৩৫) ও তার ছেলে তানিম হোসেন (১৪) আহত হয়। 


ভুক্তভোগ ব্যবসায়ি তৈয়ব শরীফ বলেন, ভাগ্যকুর মান্দা গ্রামের রশিদ দেওনের সাথে জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। মুন্সিগঞ্জ আদালত ওই জমির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রশিদ দেওয়ান বহিরাগত হেলমেট বাহিনী ভাড়া করে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। সন্ত্রাসী হামলায় আমার স্ত্রী ও ১৪ বছরের ছেলে  আহত হয়। এ ঘটনা আমি শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি। শ্রীনগর থানার এস আই গণেশ বলেন অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটানস্থল পরিদর্শন করেছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

বিএনপি নেতা আবু তাহের আজাদ কারাগারে

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১৩ পিএম

মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. আবু তাহের আজাদকে (৪৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাতে চাটখিল থানা পুলিশ তার নিজ এলাকা রেজ্জাকপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করে। পরদিন শনিবার (১০ অক্টোবর) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।


জিডি থেকে ওয়ারেন্ট চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. হোসেন তানভীর (৩৪) ঢাকার মিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। সেই জিডির প্রেক্ষিতে ওয়ারেন্ট জারি হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।


হোসেন তানভীর অভিযোগ করে বলেন, "চাটখিল উপজেলা বিএনপি নেতা মো. আবু তাহের আজাদ এবং চাটখিলের বাসিন্দা অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মো. কাজী পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে আমার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছে। প্রবাসে থাকা পারভেজের প্ররোচনায় আবু তাহের আজাদ আমাকে ও আমার পরিবারকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ফেসবুকে ও ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।"


তিনি আরও বলেন, প্রতিনিয়ত এমন হুমকির কারণে তিনি ও তার পরিবার মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন। বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন জানিয়ে তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় চাটখিল থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানান।


দলীয় ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন গ্রেফতারের বিষয়ে ছাত্রদলের সাবেক আরেক নেতা আহসান হাবিব অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে রেজ্জাকপুর ওয়ার্ডে আবু তাহের আজাদ দলের সাংগঠনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে চলেছেন। তার ভাষ্য, চাঁদাবাজি, নলকূপ, বাথরুম ও পুকুরের গাইড ওয়াল-জাতীয় সরকারি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ এবং সালিশ বাণিজ্যের মাধ্যমে মানুষকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন তিনি।


আহসান হাবিব চাটখিল উপজেলা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "যার এসব অপকর্মের কারণে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।"


চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, "আসামির বিরুদ্ধে মোবাইল ফোনে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মিরপুর মডেল থানায় জিডি ছিল। ওয়ারেন্ট জারি হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সকল আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।"


তিনি আরও বলেন, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বাত্মক সচেষ্ট রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৭ পিএম

"হাজার কোটির রাজস্ব যোগান দলিল লেখকদের অবদান" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনায় ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দলিল লেখকদের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় খুলনা দলিল লেখক সমিতির আয়োজনে খুলনা শহীদ হাদীস পার্কে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে খুলনা বিভাগের সকল দলিল লেখকগণ উপস্থিত ছিলেন। এসময় খুলনা জেলা দলিল লেখক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং জেলা দলিল লেখক সমিতির নেতা বাহাউদ্দীন খন্দকার ও ফিরোজ হাসানের সঞ্চালনায় বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। 


প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম. এ রশিদ, বিশেষ বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির মহাসচিব কে. এম টমাস হোসেন ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হক মিয়া। এছাড়া খুলনা বিভাগের সকল জেলা ও উপজেলা থেকে কয়েক শতাধিক দলিল লেখক উপস্থিত ছিলেন।


এসময় দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম এ রশিদ বলেন, আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না" এবং "দলিল লেখকদের পারিশ্রমিক হিসাবে দলিল প্রতি ন্যূনতম ৫০০০/= টাকা সম্মানী ভাতা" সহ ৭দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।


সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসন নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, দলিল লেখকদের ৭ দফা যুক্তি সংগত। সরকারের উচিত দলিল লেখকদের দাবির প্রতি আন্তরিক হওয়া। আগামীতে প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর সাথে আমার যে মিটিং আছে সেখানে দলিল লেখকদের এই ৭ দফা দাবির বিষয়ে আন্তরিক ভাবে উপস্থাপন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৭ পিএম

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্তবর্তী পৃথক দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৯৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের জব্দমূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা।


গত ৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার উত্তর রনসিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীন দানাজপুর বিওপির সদস্যরা। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৪০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, ১০ অক্টোবর রাত ১টার দিকে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বৈরাগীপাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেন একই ব্যাটালিয়নের অধীন রামচন্দ্রপুর বিওপির সদস্যরা।


সেখানেও মাদকদ্রব্যগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি এসব মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৫ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা লিগ্যাল এইড অফিস কর্তৃক পরিচালিত “তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের মধ্যে সরকারি আইনগত সহায়তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উঠান বৈঠক” অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মহোদয়ের সাথে আলোচনাক্রমে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের উদ্যেগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলা বুধন্তী ইউনিয়ন সেমড়া এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের মধ্যে সরকারি আইনগত সহায়তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উঠান বৈঠক আয়োজন করা হয়। 


উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজ্ঞ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিভিল জজ) তানজিনা নাফিজ। আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পুলিশ ফারির ইনচার্জ, প্যানেল চেয়ারম্যন, ওয়াড মেম্বার, গ্রাম পুলিশ এবং স্থানীয় প্রতিনিধিগণ। 


বিজ্ঞ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার তানজিনা নাফিজ প্রধান আলোচক হিসেবে সরকারি আইনগত সহায়তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উপস্থাপন করেন। উক্ত উঠান বৈঠকে মোট ১০০ জন অংশ গ্রহন করেন। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার অনুষ্ঠানের শুরুতে উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে করে দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন। উক্ত উঠান বৈঠকে দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে, ১ম পর্যায়ে আইনগত সহায়তা সেবা সম্পকিত মূল বক্তব্য জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার প্রদান করেন। পাশাপাশি পরিচিতিমূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। 


এছাড়াও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এবং প্যানেল চেয়ারম্যান ও গরীব অসহায়দের উদ্দ্যেশে সরকারি সহায়তা বিষয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের মূল বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে উঠান বৈঠকের ১ম পর্যায় সমাপ্ত হয়। পরবর্তীতে ২য় পর্যায়ে অংশ গ্রহণকারীদের উন্মুক্ত আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়। এই পর্যায়ে উঠান বৈঠকে অংশগ্রহনকারীদের সরকারী আইনগত সহায়তা তথ্য সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়। 


প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ গ্রহণকারীগণ তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে প্রশ্ন করে তৎক্ষনাৎ আইনগত সেবা গ্রহণে সক্ষম হয় এবং আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির আবেদন পত্রে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের হটলাইন নাম্বার সংরক্ষণ করেন। জাতীয় হটলাইন নাম্বার সর্ম্পকে সকলে সচেতন হয়। পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে যে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে জাতীয় হটলাইন নাম্বারে ফোন করে সেবা গ্রহন করবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৩ পিএম

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানির চরের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে উচ্চ ফলনশীল গাজরের বীজ বিতরণ ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় গাজর চাষের ভালো ফলন পাওয়ার নানা রকম প্রযুক্তিগত কৌশল শেখানো হয়।


 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাগানবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে চরম চাপপূর্ণ চর আক্রান্ত এলাকায় ভিটামিন এ এবং অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ গাজরের উন্নয়ন এবং বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কামারজানির চরের প্রায় ৫০ জন কৃষকের মাঝে উচ্চ ফলনশীল গাজরের বীজ বিতরণ করা হয়েছে।


এ সময় গাইবান্ধা সদর উপজেলার কৃষি অফিসার রাকিবুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ হারুন অর রশিদ,প্রকল্প পরিচালক বাগানবিজ্ঞান বিভাগ, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সদর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আনিসুজ্জামান,মুরাদসহ আরও অনেকে।


প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ জানান, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সের আর্থিক সহায়তায় এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি ৪০ টি গাজরের জাত ও জার্মপ্লাজম নিয়ে গবেষণা চলছে। চরাঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী জাত নির্বাচন এবং উৎপাদন বৃদ্ধিই এর মূল লক্ষ্য।


গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার রাকিবুল আলম জানান, উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারলে চরাঞ্চলে গাজর চাষ লাভজনক হতে পারে।

সর্বশেষ সব খবর