নাহিদুর রহমান ও তার স্ত্রী-সন্তানেরা
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে যশোরের একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতি ও তাঁদের দুই শিশুসন্তান। স্বজনদের আশঙ্কা, আগুনে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তাঁরাও থাকতে পারেন। তবে শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত তাঁদের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন যশোরের মনিরামপুর পৌরসভার মোহনপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে নাহিদুর রহমান (৪১), তাঁর স্ত্রী আফসানা মতিন তানজি (৩) এবং তাঁদের দুই মেয়ে রুজাইনা ইনায়া (৭) ও সুনাইনা ইহানা (৩)। নাহিদুর ঢাকার শ্যামলীতে গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। পরিবার নিয়ে তিনি রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় বসবাস করতেন। অগ্নিকাণ্ডের খবর জানার পর থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না স্বজন ও সহকর্মীরা।
নাহিদুরের বড় ভাই জাহিদুর রহমান প্রিন্স জানান, নাহিদুর ১৬ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত রিসোর্টটির একটি কক্ষ বুকিং দিয়েছিলেন। ১৮ অক্টোবর দুপুর ১টায় তাঁদের রিসোর্ট ছাড়ার কথা ছিল। গত ১১ অক্টোবর বুকিং দেওয়া হয়েছিল বলে বিলের কপিতে দেখা গেছে।
জাহিদুর বলেন, শুক্রবার কক্সবাজার যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন তাঁর ভাই। শনিবার রিসোর্টে আগুন লাগার খবর পেয়ে নাহিদুরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেন। কিন্তু তাঁর ভাই কিংবা পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরে শনিবার সন্ধ্যায় নিজেই কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন।
তিনি বলেন, ‘আমরা দুই ভাই। মা নেই। অসুস্থ বাবা আমাদের সঙ্গে গ্রামে থাকেন। বাবা এখনো নাহিদুরের খবর জানেন না। তারা বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন, সেটিও নিশ্চিত হতে পারিনি। আমরা খুব উদ্বেগের মধ্যে আছি।’
নাহিদুর মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগে পড়াশোনা করেছেন।
নাহিদুর ও তাঁর পরিবারের বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান শনিবার রাতে বলেন, নাহিদুর নিখোঁজ রয়েছেন বলে তাঁরা জেনেছেন। ছয়জন নিখোঁজ ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। বাকি চারজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ শনাক্ত করতে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে নাহিদুর ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মনিরামপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের ছবি প্রকাশ করে উদ্বেগ ও সমবেদনা জানাচ্ছেন।
এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উখিয়ার মেরিন ড্রাইভের ইনানীর পাটুয়ার টেক এলাকায় টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুনে মরদেহগুলো এমনভাবে পুড়ে গেছে যে পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।
ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। এর মধ্যে রিসোর্টের মালিক একজন মো. তানভীরকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশিস সূত্রধর বাদী হয়ে এ মামলা করেন। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার আজ রোববার সকালে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রিসোর্টের মালিক মো. তানভীর ও নেওয়াজ মোর্শেদের নাম রয়েছে। অন্যরা অজ্ঞাত আসামি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্টের ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম ওরফে সুমনকে গতকাল বিকেলে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়। তাঁকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
এদিকে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
আজ সকালে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। তদন্তের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাতের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কসংলগ্ন রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সকাল ৭টা ২৩ মিনিটে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস আগুন লাগার খবর পায়। সকাল আটটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে চারজন মারা গেছেন তিনতলার দুটি শৌচাগারে।
তৌফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সমুদ্রের তীব্র বাতাসে কাঠের রিসোর্টে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের স্থাপনায় বহনযোগ্য অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, অগ্নিসংকেত, হোসপাইপ ও অগ্নিনিরাপত্তার পরিকল্পনা থাকা দরকার। কিন্তু রিসোর্টটিতে এগুলোর কিছুই ছিল না। ফায়ার লাইসেন্সও ছিল না। মাত্র সাত থেকে আট মাস আগে রিসোর্টটি তৈরি হয়েছিল। জায়গাটির মালিকানা নিয়েও দ্বন্দ্ব ছিল।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয়ে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কোনটি কার লাশ, সেটি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদের লাশ রয়েছে। অন্য চারজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এর মধ্যে দুই নারী, এক শিশু ও এক পুরুষের লাশ রয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারের উখিয়ার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। মরদেহ বুঝে নিতে হাসপাতালে ছুটে এসেছেন স্বজনেরা। তবে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় এখনই তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হচ্ছে না। মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল জানান, নিহত ১০ জনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কোন মরদেহ কার, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদের পরিচয় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। বাকি চারজনের মধ্যে দুজন নারী, একজন শিশু ও একজন পুরুষ।
শনিবার সকালে কাঠের তৈরি তিনতলা টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগে। এতে ১০ পর্যটক নিহত হন এবং দগ্ধ হন আরও ছয়জন। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকেলে উড়োজাহাজে ঢাকায় পাঠানো হয়। অন্য দুজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, আগুনে নিহত ১০ জনের মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে। তাই ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
স্ত্রী নাসরিন আক্তারের খোঁজে ঢাকা থেকে কক্সবাজারে এসেছেন ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি দেওয়ান ফয়সাল। তিনি বলেন, গতকাল বিকেলে কক্সবাজারে এসে টুপটুপ রিসোর্টে খোঁজ করেও স্ত্রীর সন্ধান পাননি। হাসপাতালে মরদেহের অবস্থা দেখে কারও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন।
দেওয়ান ফয়সাল জানান, ছয় বছর আগে নাসরিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নাসরিন আক্তার আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানান, নাহিদুর নিখোঁজ রয়েছেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলেও বাকি চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা দোলন আচার্য্য জানান, আগুনের পর প্রথমে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রিসোর্টের শৌচাগার থেকে আরও চারজনের মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় চেহারা দেখে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে সেগুলো উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আহত ছয়জন হলেন চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)। প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচজনের শরীরের প্রায় ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।
সিলেট- ছাতক রেল ‘লাইন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হলে পুনর্বাসনে উদ্যোগ নেওয়া হলেও মেয়াদ শেষে কাজের অগ্রগতি সিকিভাগ পেরুতে পারেনি। কাজে ধীরগতির কারণে বর্ধিত মেয়াদেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কিত স্থানীয়রা।
বাংলাদেশ রেলওয়ের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সর্বশেষ স্টেশন সুনামগঞ্জের ছাতক। শিল্পনগর হিসেবে একসময় পরিচিতি ছিল ছাতকের। চুন, চুনাপাথর, পাথর, সিমেন্ট এবং পাল্প এন্ড পেপার মিলের জন্য প্রসিদ্ধ ছিল অঞ্চলটি। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পণ্য পরিবহনের জন্য ১৯৫৪ সালে স্থাপন করা হয়েছিল সিলেট-ছাতক রেললাইনটি। কিন্তু গত ৬ -৮ বছর ধরে এই লাইনে হুইসেল বাজেনি কোন ট্রেনের।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, করোনা মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চে সিলেট- ছাতক রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সারা দেশে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হলেও ছাতক রুটে আর ট্রেন চলেনি। এর মধ্যে ২০২২ সালে ভয়াবহ বন্যায় রেললাইনটি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। বন্যার পর রেললাইন মেরামত নিয়ে শুরু হয় গড়িমসি। ইতোপূর্বে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত রেলমন্ত্রী থাকাকালে ছাতক বাজার থেকে আমবাড়ি হয়ে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন নির্মানের উদ্যোগ নেন এবং কিছু কাজও হয়।
পরর্পবতীতে তার মন্ত্রত্ব চলে গেলে আল এ কাজ আলোর পথ দেখেনি। আওয়ামীরী সরকারের পরিকল্পনা মন্রত্রী এম এ মান্নান সিলেট গোবিন্দগঞ্জ শান্তিগঞ্জ হয়ে সুনামগঞ্জ হয়ে মোহন গঞ্জ পর্যন্ত রেল লাইন নির্মানের প্রকল্প গ্রহন করেন। তারপর একনেকে হাজার কোটির উপরে টাকা ব্যায়ে প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে সরকার পতনের পর তা আলোর মুখ দেখেনি।পর্বর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় সংস্কার কাজ। চলতি বছরের ২৩ আগস্ট প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও রেলওয়ের নথির তথ্য অনুযায়ী কাজ হয়েছে মাত্র ২১ ভাগ। আর সিলেট-ছাতকবাজার সেকশন (মিটারগেজ) পুনর্বাসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মহিউদ্দিন আরিফের তথ্যমতে এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে ২৫ শতাংশ।
রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট-ছাতক রুটের ট্রেনে শুধু যাত্রী চলাচল করতেন না। স্থানীয় কৃষি ও শিল্পে এই রেললাইনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছিল। ছাতক থেকে ট্রেনে করে একসময় বালু, পাথর, চুনাপাথর, সিমেন্টসহ কৃষিজপণ্য পরিবহন করা হতো। দেশের একমাত্র কংক্রিট স্লিপার কারখানাটিও ছিল ছাতকে। কিন্তু রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা বাড়তি ভাড়ায় এসব পণ্য গাড়ি দিয়ে পরিবহন করতে হচ্ছে। একসময় ছাতকগামী ট্রেন খাজাঞ্চিগাঁও, সৎপুর ও আফজালাবাদ স্টেশনে যাত্রা বিরতি করতো।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, সিলেট-ছাতকবাজার ৩৪ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাবসে ২১৭ কোটি ৩৪ লাখ ৪ হাজার ৩৬৯ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের কাজ পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মীর আখতার হোসেন লিমিটেড (এমএএইচএল)। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের ২৩ আগস্ট।
এর মধ্যে রেলপথে মাটি ভরাট, কালভার্ট নির্মাণ, সেতু মেরামত, নতুন স্লিপার ও রেললাইন বসানোর কথা ছিল। মাটি ভরাটের জন্য ইতোমধ্যে পুরনো রেললাইন অপসারণের কাজ শেষ হয়েছে। স্টেশনের পাইলিংয়ের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। তবে বিভিন্ন স্থানে চলমান সংস্কার কাজে ধীরগতি দেখা গেছে। রেল চলাচল না করায় কোথাও কোথাও রেলপথ হারিয়ে গেছে জঙ্গলে। দেখে বোঝারই উপায় নেই এখানে একসময় রেলপথ ছিল।
এদিকে, রেললাইনটির কাজ সম্পন্ন করতে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রকল্পের মেয়াদ। কিন্তু নির্ধারিত মেয়াদে মাত্র ২৫ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় বর্ধিত মেয়াদেও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আশার আলো দেখছেন না স্থানীয়রা।
সাধারন লোকজন জানান,সিলেটে বড়বড় প্রকল্প হাতে নেয়া হয়।কিন্তু আশলাতান্ত্রিক প্রতিহিংসা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সচেতনতার অভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায়না। এদিকে রেলের এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন না করে প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত রেল লাইন নির্মানের প্রদক্ষেপ নেন। তাই তিনি রেলের মহাপরিচালককে নিয়ে স্থানও পরদর্শন করেন। সিরেটের লোকজন মনে করন আমলাতান্ত্রিক কো উদ্দেশ্যে এক প্রকর্প বাস্তবায়ন না করে নতুন প্রকর্প সৃস্টি করা এবং কাজ না করা সিলেটবাসীর সাথে প্রতারনা ছাড়া আর কিছু নয়। সিলেটবাসী আমলাতান্ত্রিক জটিলতা পরিহার করে এসব প্রকর্প বাস্তবায়নের দাবী জানান।
প্রকল্প পরিচালক মো. মহিউদ্দিন আরিফ মেয়াদ বৃদ্ধির তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বৃষ্টির কারণে রেলপথে মাটি ভরাটের কাজ শেষ করা যায়নি। যে কারণে নির্ধারিত মেয়াদে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। মাটির কাজ শেষ হলেই রেলপথ বসানোর কাজ শুরু হবে। বর্ধিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে পল্লী চিকিৎসকদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানসিভ জুবায়ের। রবিবার (১৮ অক্টোবর) রূপগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
তানসিভ জুবায়ের বলেন, রূপগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও এগিয়ে নিতে পল্লী চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পল্লী চিকিৎসকেরা চাইলে রোগীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবা নিতে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে সহযোগিতা করতে পারেন। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
এ সময় রূপগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির সভাপতি এস এম শাহাদাত, সহসভাপতি মাজহারুল ইসলাম আজহার, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ ওমর, কোষাধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, তথ্যবিষয়ক সম্পাদক সোহেল রানা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আসমা আক্তার ঝুলি, প্রচার সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, সহপ্রচার সম্পাদক তুষার আহমেদ ও চিকিৎসাবিষয়ক সম্পাদক ডালিম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সমিতির নির্বাহী সদস্য শাওন আহমেদ ও শামীম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রূপগঞ্জের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে রোগীদের চিকিৎসা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সেবার মান ও প্রশাসনিক কাজে অগ্রগতি ত্বরান্বিত হয়েছে আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে। সচিব মীর আব্দুল বারেক দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই মূলত এই অগ্রগতি ক্রমান্বয়ে এগিয়ে চলেছে বলে মনে করছেন একাধিক সেবা গ্রহীতা। তিনি পাথালিয়া ইউনিয়নের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিক সেবা সহ ইউনিয়নের উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন ও গতিশীলতা এসেছে।
সরকারী দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন, গ্রামপুলিশদের আধুনিকায়ন,অফিস স্টাফদের সাথে সুসম্পর্ক, হাসিমুখে নাগরিকদের সেবা প্রদান ও রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন।
এছাড়া সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক ডেংগু প্রতিরোধে মশক নিধন ও এলাকার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে স্বয়ং উপস্থিত থেকে তদারকি করে এলাকা পরিচ্ছন্ন করছেন। এছাড়া সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী পাথালিয়া ইউনিয়নে সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপন করণ এবং দুঃস্থ মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই প্রশিক্ষণ ও সেলাই মেশিন বিতরণ, বিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিতরন প্রকল্প প্রনয়ন ও সহযোগিতা করে এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখছেন।
এছাড়া সামাজিক কর্মসূচি ভিডব্লিউবি, ভিজিএফ,জি আর চাল সুসঠুভাবে বিতরন করে স্বচ্ছতার পরিচয় দিয়েছেন।
ট্রেডলাইসেন্স,জন্মনিবন্ধন,বিবিবিধ সনদ, ট্যাক্স সরকার নির্ধারিত নিয়মে আদায় ও জনগনকে দ্রুত নাগরিক সেবা প্রদান করায় এলাকার জনগণ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর আব্দুল বারেক এর উপর সন্তুষ্ট। তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনায় ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পরামর্শে পাথালিয়া ইউনিয়নে কার্যক্রমে স্বচ্ছতা,জবাবদিহিতা এসেছে। সেবা সহজীকরণ হয়েছে।
আয়েশা বেগম (৫০) নামের একজন সেবা গ্রহীতা বলেন,আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর আব্দুল বারেক একজন দক্ষ,অভিজ্ঞ,দায়িত্বশীল ও মানবিক কর্মকর্তা।
মোটরসাইকেল, ৪০ হাজার টাকা ও পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ; মাদক কারবারিদের ‘কমফোর্ট জোন’ থাকবে না: পুলিশ। দিনাজপুর শহরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী লাকীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ।
পুলিশের দাবী, গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।
উদ্ধার করা ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লাখ টাকার বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দিনাজপুর শহরের ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সিপাহিপাড়া ঢাকাইয়া পট্টি লাইনপাড় এলাকায় পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় মাদক বহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল, দুটি ব্যাগ, মাদক বিক্রির নগদ ৪০ হাজার টাকা এবং পাঁচটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বিপুল পরিমাণ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার ও ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মাদক কারবারিদের জন্য ‘কমফোর্ট জোন’ থাকবে না।অভিযান-পরবর্তী প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম বলেন, “আমরা দিনাজপুরবাসীর কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ—এ অঞ্চলের মাদকের ভয়াবহতা থেকে মানুষকে কীভাবে মুক্তি দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে দিনাজপুর পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি জানান, দিনাজপুরে দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে পুলিশ গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছে। কারা, কখন ও কীভাবে মাদক কারবার পরিচালনা করছে, সে সম্পর্কে তথ্য যাচাইয়ের ধারাবাহিকতায় সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী লাকীকে ২০ হাজার ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মাদক কারবারিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে আব্দুল হালিম বলেন, “মাদক ব্যবসায়ীদের কমফোর্ট জোন বলে কিছু থাকবে না। তাদের মনে করতে হবে, এটি একটি ডেঞ্জার জোন। মাদক এখান থেকে নির্মূল হবে। তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁদের বিচারের আওতায় আনা হবে। রাজনৈতিক পরিচয় অপরাধের আড়াল হতে পারে না, প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশের এক পরিদর্শক ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ লাখ টাকার বেশি বলে জানান। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাদক কারবারিরা কখনো কখনো রাজনৈতিক পরিচয়কে মুখোশ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। তবে পুলিশ অপরাধীকে অপরাধী হিসেবেই চিহ্নিত করে।
মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পেছনে কারা রয়েছে, কারা তাঁদের ইন্ধন দিচ্ছে, তা-ও শনাক্ত করার কথা জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা কিংবা তাঁদের পেছনে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রিমান্ডে নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান,মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হালিম। তিনি বলেন, মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদক সেবন থেকে শুরু করে কেনাবেচা পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে দায়ীত্বশীল ভূমিকা পালন করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করে মসজিদ কমিটি, সুশীল সমাজ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দিনাজপুরকে মাদকের বিস্তার থেকে রক্ষা করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে জেলা পুলিশ। তবে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং উদ্ধার করা আলামতের বিষয়ে তদন্তের অগ্রগতি পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট হবে।