• প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:১৫ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ভালুকায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা ও পৌর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।


কর্মসূচি উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে যুবদলের নেতাকর্মীরা ভালুকা সরকারি কলেজ মাঠে সমবেত হন। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে কলেজ মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়।


র‍্যালিটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভালুকা বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন উপজেলা ও পৌর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।


কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, ভালুকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব হাতেম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন পাঠান এবং পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ খান রুবেল।


যুবদলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলা যুবদলের সভাপতি তারেক উল্লাহ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান খান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজমুল হক মন্ডল, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মিল্টন এবং জেলা যুবদলের সদস্য ও হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া। এ ছাড়া ভালুকা পৌর যুবদল নেতা মিসবাহুল ইসলাম সা'দসহ উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েক হাজার নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশ নেন।


এ ছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রিয়াদ পাঠান, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আসাদ উল্যাহ চৌধুরী ধ্রুব, সদস্যসচিব তোজাম্মেল হক বকুল, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. সুজন এবং কৃষক দলের আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তারুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



সর্বশেষ সব খবর

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:২৬ পিএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছেন না মন্তব্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই এ নির্বাচনকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার পরে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে তিনি উপনির্বাচনের কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল পর্যবেক্ষণ করেন।


পরে ব্রিফিংয়ে নাসির উদ্দিন বলেন, “পুরো নির্বাচনি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে। আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। এই উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না। জাতীয় নির্বাচনের মতোই এই নির্বাচনকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”


১১ দলীয় ঐক্যের আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান সিইসি।


তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সমাধান করা হয়েছে। পুলিশ, প্রশাসন, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী ও সংস্থাকে নির্বাচনি দায়িত্বে মোতায়েন করা হয়েছে।


নাসির উদ্দিন বলেন, “সবার সহযোগিতা নিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে চাই।


“আমরা সংঘাতের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে উৎসবমুখর নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাই। দেশে একটি সুন্দর ও ইতিবাচক নির্বাচনি সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য।”


সিইসি বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সেগুলো নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সমান অগ্রাধিকার দিয়ে এই উপনির্বাচন পরিচালনা করা হচ্ছে।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় তার ছেড়ে আসা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোট শুরু হয়েছে সকাল ৮টায়, যা বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।


ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার আছেন ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে থেকে এই সংসদীয় এলাকার নতুন জনপ্রতিনিধি বেছে নেবেন তারা।


এই পাঁচ প্রার্থী হলেন—রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:১৯ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ভালুকায় হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও ভালুকা পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান মিল্টন। তাঁর অংশগ্রহণে নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ কর্মসূচিতে যুক্ত হন।


প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বিকেলে ভালুকা সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। পরে বিকেল ৫টার দিকে মতিউর রহমান মিল্টনের নেতৃত্বে ভালুকা পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ভালুকা সরকারি কলেজ মাঠে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে যুবদলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।।


পরে উপজেলা যুবদলের সভাপতি তারেক উল্ল্যাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রকিবুল হাসান খান রাসেলের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।


সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, ভালুকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ হাতেম খান, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ খান রুবেল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন পাঠান, যুবদল নেতা মতিউর রহমান মিল্টন ও তাজমুল হক মণ্ডলসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।


সমাবেশ শেষে সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর নেতৃত্বে কলেজ মাঠ থেকে আরেকটি বিশাল র‍্যালি বের করা হয়। এতে উপজেলা ও পৌর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

সর্বশেষ সব খবর

লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনের বগি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:১৩ পিএম

যমুনা সেতু রেল সংযোগপথে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া রেলস্টেশনে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে বেলা ১১টার দিকে শেষ বগিটি রেখে চিলাহাটির দিকে রওনা হয় ট্রেনটি। তবে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী বনলতা এক্সপ্রেস ও রাজশাহী কমিউটার ট্রেন টাঙ্গাইল স্টেশনে এবং মির্জাপুর রেলস্টেশনে লালমনিরহাটগামী বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে থাকার খবর পাওয়া গেছে।


মহেড়া রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি মূল লাইন দিয়ে স্টেশন অতিক্রম করার সময় গার্ড ব্রেকের (ট্রেনের শেষ বগি) চারটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। চালক ট্রেনটি থামাতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ট্রেনটির যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় এক হাজার বলে জানা গেছে।


মহেড়া রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার শাহিন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ট্রেনের চাকার সমস্যার কারণে গার্ড ব্রেক লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় যাত্রীদের ক্ষতি না হলেও কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। লাইনের পয়েন্টও কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


ঈশ্বরদী থেকে রিলিফ ট্রেন (দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন বা বগি উদ্ধারে ব্যবহৃত বিশেষ ট্রেন) এসে লাইনচ্যুত বগিটি সরাবে জানিয়ে শাহিন মিয়া বলেন, এতে বেলা একটা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে এর আগেই লাইনচ্যুত বগি রেখে নীলসাগর এক্সপ্রেসকে গন্তব্যে রওনা হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। আর লুপ লাইন (মূল রেলপথের পাশের বিকল্প রেলপথ) দিয়ে আটকে পড়া ট্রেনগুলো চালানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:০৭ পিএম

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে দেশীয় অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ মো.সাইফুল ইসলাম ওরফে শাকের (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় একটি একনলা বন্দুক, বন্দুকের বিভিন্ন অংশ এবং অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো.আরিফ হোসেন। এর আগে বুধবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আকরাম উদ্দিন হাজী বাড়ির একটি কাচারি ঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম দেওটি ইউনিয়নের আকরাম উদ্দিন হাজী বাড়ির মুমিন উল্লার ছেলে।  


পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওসমান গনির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই কাচারিঘরে অভিযান চালায়। এ সময় অস্ত্র তৈরির কারিগর হিসেবে পরিচিত সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়।


পরে তার কাচারিঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, বন্দুকের কাঠের বাট, লোহার বাট ও বডির বিভিন্ন অংশ, ট্রিগার, বোল্ট এবং এসএস স্টিলের আটটি ছোট-বড় অংশ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহৃত তিনটি প্লাস, তারসহ একটি গ্রাইন্ডিং মেশিন ও তিনটি রেত উদ্ধার করা হয়েছে।


অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো.আরিফ হোসেন আরও বলেন, আসামীর বিরুদ্ধে সোনাইমুড়ী থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:০৩ পিএম

নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীতে নিজের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন কাজী আজিজ উল্যা নামে এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, বাড়ির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরতে পারছেন না। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা।


ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম পাড়ার কাজী বাড়ির বাসিন্দা। তার দাবি, ৯৮ নম্বর মাইজদী মৌজায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। বাড়িটির নাম আজিজ টাওয়ার।


লিখিত বক্তব্যে কাজী আজিজ অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ মাঠকর্মী এবিএম আবদুল মতিন চৌধুরী ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর বোনের কাছ থেকে এক শতাংশ জমি কেনেন। পরে তিনি আরো দেড় শতাংশ জমির জাল দলিল তৈরি করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ফ্ল্যাটবাড়ির একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।


কাজী আজিজ বলেন, ২০২৩ সালের ১৩ মে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দাপট দেখিয়ে আবদুল মতিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী আজিজুর নাহারের নেতৃত্বে একদল লোক তার ফ্ল্যাটবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার বৃদ্ধ মা সারেজাহান বেগম ও বোন সেলিনা আক্তার বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। পরে বাড়িটির একতলা ইউনিট দখল করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবদুল মতিন চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেলে তিনি পুনরায় বাড়ির দখল বুঝে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর আবদুল মতিন চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী, ছেলেরা এবং বিভিন্ন এলাকার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আবারও বাড়িটিতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন কাজী আজিজ। এ সময় তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পুনরায় বাড়িটি দখল করা হয়।


কাজী আজিজের অভিযোগ, বর্তমানে বাড়ির ভেতরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান করিয়ে তাঁকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একাধিকবার বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এতে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাঁদের।


কাজী আজিজ উল্যা তার বসতবাড়ি দখল, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মতিন চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৪ পিএম

ঐতিহাসিক বড় মাঠ দ্রুত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে দিনাজপুর। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অজুহাতে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ থাকা ঐতিহ্যবাহী এই মাঠ ফিরে পাওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। 


আন্দোলনকারীদের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মাঠটি খুলে দেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।


গতকাল বুধবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে ‘বড় মাঠ রক্ষা কমিটি’। এতে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, খেলোয়াড়, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল, আইনজীবী, ছাত্র-ছাত্রীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিক্ষুব্ধ জনতা পরে শহরের পৌরসভা-সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।


বড় মাঠ রক্ষা কমিটির কার্যকরী আহ্বায়ক গোলাম নবী দুলালের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব রেহাতুল ইসলাম খোকার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি খালেকুজ্জামান বাবু, সহসভাপতি আখতারুজ্জামান জুয়েল, অধ্যাপক আব্দুল জলিল, রেজাউর রহমান রিজু, অ্যাডভোকেট মেহেরুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন লাবু, মেহেরুল্লাহ বাদল, ডাক্তার শহীদুল্লাহ প্রমুখ।


বক্তারা বলেন, এ অঞ্চলের অন্যতম বড় ও ঐতিহ্যবাহী এই মাঠে বিভিন্ন জাতীয় টুর্নামেন্ট, খেলাধুলা, এশিয়ার বৃহত্তম ঈদের জামাত (গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ ময়দান সংলগ্ন), বাণিজ্য মেলা, রাজনৈতিক সমাবেশ ও ধর্মীয় ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এ ছাড়াও প্রতিদিন সকাল-বিকাল সাধারণ মানুষ ও ডায়াবেটিস রোগীরা এখানে হাঁটাচলা ও নির্মল বিনোদনের সুযোগ পান। কিন্তু দীর্ঘ এক বছর ধরে এ মাঠে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় যুবসমাজ খেলাধুলা থেকে বিচ্যুত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। মাঠটি উন্মুক্ত করার দাবিতে বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়াসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত মাঠটি উন্মুক্ত করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।


কমিটির সদস্য সচিব রেহাতুল ইসলাম খোকা বলেন, ‘এই মাঠ দিনাজপুরের প্রাণ এবং অসংখ্য খেলোয়াড় তৈরির আঁতুড়ঘর। এখন লেখাধুলা বন্ধ। মাঠটি উন্মুক্ত করার দাবিতে আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।’ 


আহ্বায়ক গোলাম নবী দুলাল হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘খেলার জন্য উপযুক্ত বিকল্প কোনো মাঠ না থাকায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে পড়ছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মাঠ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত না করলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’


সার্বিক বিষয়ে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্যাম্প করেছিল। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মাঠ ব্যবহারের দাবিতে স্থানীয়রা এর আগেও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন, আজও করেছেন। আন্দোলনকারীদের এই যৌক্তিক দাবি ও স্মারকলিপি আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। 


সর্বশেষ সব খবর