পুলিশ সুপারের জেলা ট্রাফিক অফিস পরিদর্শন

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৩ পিএম

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপারের জেলা ট্রাফিক অফিস পরিদর্শন করেছেন। আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলা ট্রাফিক অফিস এর বার্ষিক পরিদর্শন করেন। এ সময় পুলিশ সুপার আনুষ্ঠানিকভাবে সালাম ও সম্মাননা প্রদান করেন ট্রাফিক শাখার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (শ ও য), জনাব মোঃ হাসান আসকরী।


পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় ট্রাফিক অফিসের সার্বিক কার্যক্রম, জেলার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি বিভিন্ন রেজিস্টার ও নথিপত্র পরিদর্শন ও পর্যালোচনা করেন। পাশাপাশি ট্রাফিক অফিসে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা, অসুবিধা ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে অবগত হন। উত্থাপিত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।




এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় ঠাকুরগাঁও জেলার সার্বিক ট্রাফিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং জনসাধারণের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পেশাদারিত্ব ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সেবা প্রত্যাশী জনগণের সঙ্গে সৌজন্যপূর্ণ আচরণ নিশ্চিত করার নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে সততা, নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য ট্রাফিক শাখায় কর্মরত সকল পুলিশ সদস্যকে আহ্বান জানান।


পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আলমগীর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), ঠাকুরগাঁও; জনাব মোঃ হাসান আসকরী, ইনচার্জ, ট্রাফিক শাখা, ঠাকুরগাঁও এবং ট্রাফিক শাখায় কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ।




  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৭ পিএম

দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্তবর্তী পৃথক দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৯৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের জব্দমূল্য ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা।


গত ৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার উত্তর রনসিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালায় দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধীন দানাজপুর বিওপির সদস্যরা। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৪০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, ১০ অক্টোবর রাত ১টার দিকে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার বৈরাগীপাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেন একই ব্যাটালিয়নের অধীন রামচন্দ্রপুর বিওপির সদস্যরা।


সেখানেও মাদকদ্রব্যগুলো মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।বিজিবি জানিয়েছে, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি এসব মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৫ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা লিগ্যাল এইড অফিস কর্তৃক পরিচালিত “তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের মধ্যে সরকারি আইনগত সহায়তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উঠান বৈঠক” অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) মহোদয়ের সাথে আলোচনাক্রমে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের উদ্যেগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলা বুধন্তী ইউনিয়ন সেমড়া এলাকায় তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের মধ্যে সরকারি আইনগত সহায়তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উঠান বৈঠক আয়োজন করা হয়। 


উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজ্ঞ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার (সিভিল জজ) তানজিনা নাফিজ। আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, পুলিশ ফারির ইনচার্জ, প্যানেল চেয়ারম্যন, ওয়াড মেম্বার, গ্রাম পুলিশ এবং স্থানীয় প্রতিনিধিগণ। 


বিজ্ঞ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার তানজিনা নাফিজ প্রধান আলোচক হিসেবে সরকারি আইনগত সহায়তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উপস্থাপন করেন। উক্ত উঠান বৈঠকে মোট ১০০ জন অংশ গ্রহন করেন। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার অনুষ্ঠানের শুরুতে উঠান বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে করে দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন। উক্ত উঠান বৈঠকে দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে, ১ম পর্যায়ে আইনগত সহায়তা সেবা সম্পকিত মূল বক্তব্য জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার প্রদান করেন। পাশাপাশি পরিচিতিমূলক বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। 


এছাড়াও পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এবং প্যানেল চেয়ারম্যান ও গরীব অসহায়দের উদ্দ্যেশে সরকারি সহায়তা বিষয়ে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারের মূল বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে উঠান বৈঠকের ১ম পর্যায় সমাপ্ত হয়। পরবর্তীতে ২য় পর্যায়ে অংশ গ্রহণকারীদের উন্মুক্ত আলোচনা এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরু হয়। এই পর্যায়ে উঠান বৈঠকে অংশগ্রহনকারীদের সরকারী আইনগত সহায়তা তথ্য সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়। 


প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ গ্রহণকারীগণ তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে প্রশ্ন করে তৎক্ষনাৎ আইনগত সেবা গ্রহণে সক্ষম হয় এবং আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির আবেদন পত্রে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের হটলাইন নাম্বার সংরক্ষণ করেন। জাতীয় হটলাইন নাম্বার সর্ম্পকে সকলে সচেতন হয়। পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে যে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে জাতীয় হটলাইন নাম্বারে ফোন করে সেবা গ্রহন করবে।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৩ পিএম

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানির চরের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে উচ্চ ফলনশীল গাজরের বীজ বিতরণ ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় গাজর চাষের ভালো ফলন পাওয়ার নানা রকম প্রযুক্তিগত কৌশল শেখানো হয়।


 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাগানবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে চরম চাপপূর্ণ চর আক্রান্ত এলাকায় ভিটামিন এ এবং অ্যান্থোসায়ানিন সমৃদ্ধ গাজরের উন্নয়ন এবং বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় কামারজানির চরের প্রায় ৫০ জন কৃষকের মাঝে উচ্চ ফলনশীল গাজরের বীজ বিতরণ করা হয়েছে।


এ সময় গাইবান্ধা সদর উপজেলার কৃষি অফিসার রাকিবুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ হারুন অর রশিদ,প্রকল্প পরিচালক বাগানবিজ্ঞান বিভাগ, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা সদর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আনিসুজ্জামান,মুরাদসহ আরও অনেকে।


প্রফেসর ড. হারুন অর রশিদ জানান, বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সের আর্থিক সহায়তায় এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে দেশি-বিদেশি ৪০ টি গাজরের জাত ও জার্মপ্লাজম নিয়ে গবেষণা চলছে। চরাঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার উপযোগী জাত নির্বাচন এবং উৎপাদন বৃদ্ধিই এর মূল লক্ষ্য।


গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার রাকিবুল আলম জানান, উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারলে চরাঞ্চলে গাজর চাষ লাভজনক হতে পারে।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৫৬ পিএম

গোপালগঞ্জে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ সাইফুর রহমান নান্টুর এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ শনিবার দুপুরে বৌলতলী সম্মিলিত উচ্চ বিদ্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইফুর রহমান নান্টু এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক অগ্রগতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এলাকার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং তরুণ সমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে তিনি সর্বদা পাশে থাকবেন। তিনি আরো বলেন, সামাজিক ভাবে হোক রাজনৈতিক ভাবে হোক আমি আপনাদের পাশে আছি।

 

মতবিনিময় সভায় বক্তারা স্থানীয় নানা সমস্যা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে মুক্ত আলোচনা করেন। সভায় উপস্থিত সকলে এলাকার সার্বিক কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।


এ সময় গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক শরিফ রাফিকুজ্জামানসহ নেতা কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:১১ পিএম

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রবিউল হোসেন (১৯) নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।


আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম। এর আগে, গত সোমবার ৫ অক্টোবর রাত ১১টার দিকে উপজেলার নেওয়াজপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।


অভিযুক্ত রবিউল হোসেন একই ইউনিয়নের ধন্যপুর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।


ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা জানান, তার মেয়ে একসময় মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। বর্তমানে তার লেখাপড়া বন্ধ রয়েছে। একই বাড়ির রবিউল দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করে আসছিল।


তিনি অভিযোগ করেন, গত সোমবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে যায় তার মেয়ে। পরে বাথরুম থেকে ঘরে ফেরার সময় রবিউল তাকে রান্নাঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ওই দিন বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর তার সন্দেহ হলে মেয়ের কাছে বিষয়টি জানতে চান। তখন কিশোরী তাকে ধর্ষণের কথা জানায়। পরে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা ঘটনা অস্বীকার করেন এবং উল্টো আমাদের গালমন্দ করেন


অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রবিউল হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


সুধারাম থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম আরও বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে থানায় এসেছে। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করছেন। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


  • প্রকাশ : শনিবার ১০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:১৮ পিএম

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে একই বাড়ির দূর সম্পর্কের চাচাতো ভাইয়ের ঘরের আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ হওয়া মো. সোহাগ (৪৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।


আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) ভোরে ঢাকার বার্ন ইউনিট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে, গত ৩ অক্টোবর বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কালুয়াই গ্রামের সুলতান চকিদার বাড়িতে আগুন নেভাতে গিয়ে দগ্ধ হন সোহাগ।


নিহত সোহাগ ওই বাড়ির মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ অক্টোবর সোহাগের দূরসম্পর্কের চাচাতো ভাই সালাউদ্দিনের বসতঘরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বাড়ির ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। আগুন দেখে অন্যদের সঙ্গে সোহাগও তা নেভাতে এগিয়ে যান। একপর্যায়ে সালাউদ্দিনের ঘর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বের করার সময় তার শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকার বার্ন ইউনিট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাত দিন পর তার মৃত্যু হয়।


স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আজগর হোসেন সহেল বলেন, সোহাগ বেকার ছিলেন। তিনি খুব অসহায় ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


সোনাইমুড়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ডিউটি অফিসার ফায়ার ফাইটার নোমান হোসেন বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ওই দিন ছয়টি ঘর পুড়ে যায়। আগুন লাগার খবর পেয়ে সোহাগও অন্যদের সঙ্গে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। একপর্যায়ে একটি ঘর থেকে আসবাবপত্র বের করতে গিয়ে তিনি দগ্ধ হন।


সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগের মৃত্যু হয়েছে বলে তার স্বজনেরা জানিয়েছেন। তারা ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে আবেদন করেছেন। এ জন্য সোনাইমুড়ী থানা থেকে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় একটি ঘর থেকে গ্যাস সিলিন্ডার বের করতে গিয়ে তিনি আগুনে দগ্ধ হন।