• প্রকাশ : রবিবার ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১০:০৪ এএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের পক্ষে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়াম চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। পরে তা জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বানিয়া পাড়া হয়ে আবার অডিটোরিয়াম চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।


মিছিলে জেলা বিএনপি, মহিলা দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও তাঁতী দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের প্রধান সড়কগুলো। মিছিলকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়।


মিছিলের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। মিছিলটির নেতৃত্ব দেন তাঁর ছোট ভাই, নির্বাচনী এজেন্ট, বিশিষ্ট লেখক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ব্যারিস্টার নওফল জমির। এ সময় নেতাকর্মীরা ১২ তারিখ শুভ দিন, ধানের শীষে ভোট দিন, তারেক রহমানের সালাম নিন, ধানের শীষে ভোট দিন, পঞ্চগড়ের মার্কা ধানের শীষ মার্কা ও গণতন্ত্রের মার্কা ধানের শীষ মার্কা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।


মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ব্যারিস্টার নওফল জমির বলেন, ধানের শীষের বিজয় মানেই গণতন্ত্রের বিজয়। পঞ্চগড়ের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হলে পঞ্চগড়কে আইনের শাসন ও সুশাসনের মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।


তিনি আরও বলেন, ধানের শীষের পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা আগামী দিনগুলোতে আরও বিস্তৃত হবে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার চালানোর আহ্বান জানান। 


পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।




  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৩৪ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।


মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।  


ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।


পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।


তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।


পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।


এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।


পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।


অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।


এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।


কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।



  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৩০ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীর ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের এরশাদ নগর ছাত্রদল নেতা রিফাত দেওয়ান ও তাঁর বন্ধু জুম্মনকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। টিভি আনোয়ার ও তাঁর ভাগিনা মঞ্জুর নির্দেশে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। গত সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে এরশাদনগরের ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের দলীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 


সংবাদ সম্মেলনে ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী রিফাত দেওয়ান অভিযোগ করে বলেন, গত ২৯ অক্টোবর ফুটবল খেলতে মাঠে যাওয়ার পথে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। একপর্যায়ে তাঁকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। একই ঘটনায় তাঁর বন্ধু জুম্মনও হামলার শিকার হন। হামলার সময় তাঁকে টঙ্গী থানা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থী কামরুল ইসলাম কামুর সঙ্গে চলাফেরা না করার জন্য হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন রিফাত। 


তিনি আরও জানান, হামলায় রিফাতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। আহত জুম্মনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় গত ৩০ অক্টোবর টঙ্গী পূর্ব থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন টঙ্গী থানা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম কামু। 


তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন ওরফে টিভি আনোয়ার তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। কামরুল ইসলাম কামু আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে তাঁকে হামলা-মামলা ও নানা হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তাঁকে কারাভোগ করতে হয়েছে এবং বাড়িছাড়া থাকতে হয়েছে। এমনকি বাড়িতে থাকতে না পারায় নিজের মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জানাজায়ও অংশ নিতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। 


তিনি আরও অভিযোগ করেন, আনোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে ব্যবসা-বাণিজ্য করেছেন। তাঁর ভাগিনা মঞ্জুর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র হত্যার ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলেও দাবি করেন কামরুল ইসলাম। এমন অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মঞ্জু কীভাবে যুবদলের পরিচয় ব্যবহার করছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সংবাদ সম্মেলন শেষে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, আহতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।


 মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন ছাত্রদল নেতাসহ দুজনের ওপর এমন হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। তাঁরা অবিলম্বে মামলার সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৩২ পিএম

কাল দিনভর শ্রমিকদের বিক্ষোভের পর আজও স্বাভাবিক হয়নি আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় অনেক কারখানায় কর্মীরা হাজির হলেও কাজ না করে বিক্ষোভ করে শুরু করেন। কিছু কারখানার ভেতরে এবং কিছুক্ষেত্রে কারখানা থেকে বের হয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। এ পরিস্থিতিতে অনেক কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে। ছুটি ঘোষণা করা কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে- অনন্ত গার্মেন্টস, ডেকো গার্মেন্টস, নিউ এইজ, আল-মুসলিম, সাদিয়া ফ্যাশন, নীট এশিয়া, হা-মীম গ্রুপ ও শারমিন গ্রুপ। 


আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর বর্তমান পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, কিছু কারখানায় শ্রমিকরা এলেও কাজ না করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এমন প্রেক্ষাপটে বেশ কয়েকটি কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। 


তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলায় আশুলিয়ায় অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। 


ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ কয়েকটি দাবিতে কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ করে আসছে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা। রাজধানীর মিরপুর, ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া, গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল এবং নারায়ণগঞ্জে মিছিল, সমাবেশ, সড়ক অবরোধ করেছে শ্রমিকরা। কারখানা ভাঙচুর, পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। 


পুলিশ জানায়, গত কয়েক দিনের শ্রমিক বিক্ষোভের জের ধরে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গতকাল পর্যন্ত ১০টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ৫টি, গাজীপুরে ৩, সাভার ও আশুলিয়ায় ২টি। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত ৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রয়েছেন।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:২৬ এএম

সড়কে ‘শৃঙ্খলা ফেরানোর’ চেষ্টার অংশ হিসেবে ই-রিকশা নিবন্ধন করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার দিয়ে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) থেকে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।


ডিএসসিসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ই-রিকশার নিবন্ধনে মঙ্গলবার থেকে প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যের আবেদন ফরম বিতরণ করা হবে। নগর ভবন ও ডিএসসিসির সব আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করা যাবে।


সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগের জারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিক্সা (ই-রিক্সা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬ অনুসরণ করে এ নিবন্ধন পরিচালিত হচ্ছে।আবেদনকারীর যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র


নিবন্ধনের আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। 

নির্ধারিত ফি জমা দেওয়া সাপেক্ষে আবেদনপত্রের সঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। যেমন- জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত অনুলিপি, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট আকারের ছবি, ফি জমার মূল রসিদ, নির্ধারিত ফরমে ফিটনেস সার্টিফিকেট।

ডিএসসিসির ঘোষণা অনুযায়ী, আবেদন ও কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড এবং নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ই-রিকশার উপযুক্ততা পরীক্ষা ও কারিগরি ছাড়পত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক।


এ ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি তার একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫টি আবেদন ফরম সংগ্রহ ও ই-রিক্সার নিবন্ধন গ্রহণ করতে পারবেন। ফরম সংগ্রহ বা জমা দিলেই নিবন্ধন নিশ্চিত হবে না; সব মানদণ্ডে উত্তীর্ণ বাহনকেই সনদ দেওয়া হবে।


ভারতীয় ফেন্সিডিল জাতীয় মাদকদ্রব্য (আরসি কাফ)। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:২৪ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৯ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল জাতীয় মাদকদ্রব্য (আরসি কাফ) উদ্ধার করেছে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)। গত ১ নভেম্বর দিবাগত রাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় মাদকদ্রব্যগুলো উদ্ধার করা হয়।


৪২ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বাশালগাঁও বিওপির দায়ীত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ২৯ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল জাতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেন বিজিবি সদস্যরা।


উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত চোরাচালানিদের শনাক্ত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারী ও তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে বিজিবি।


দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান জানান, সীমান্তে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত টহল ও নজরদারীর পাশাপাশি অপরাধী চক্রের গতিবিধি এবং তাদের ব্যবহৃত কৌশল শনাক্তে কাজ করছে। সীমান্তের যেকোনো স্থানে সন্দেহজনক তৎপরতার তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, বিজিবির লক্ষ্য শুধু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িত চোরাচালান চক্রের তৎপরতা বন্ধ করাও। এ লক্ষ্যে সীমান্তজুড়ে বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সতর্ক ও সজাগ রয়েছেন।

নেপথ্যের কারণ এডিসিকে অপসারণ না করা

সাতক্ষীরায় আইনজীবীদের পুনরায় কঠোর হুঁশিয়ারি


সভার আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:১৪ পিএম

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন কুমার বিশ্বাস কর্তৃক সাধারণ আইনজীবীদের লাঞ্ছিত ও পেশাগত দায়িত্বে অবজ্ঞা করার অভিযোগ তুলে দ্রুত অপসারণ ও ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির দুই নম্বর বিল্ডিংয়ের নিচ তালায় জরুরি তলবী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ ২রা নভেম্বর সোমবার  দুপুরে এ সভার আয়োজন করে আইনজীবীরা।


অনুষ্ঠানে অ্যাড. শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র বল্লভের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সদস্য সচিব হালহাজ অ্যাড. মোঃ নুরুল আমিন।


অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন— মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সাতক্ষীরার  দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী, বিভাগীয় কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ ও জনপ্রশাসনের সচিব সহ দেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা শাখা থেকে সকল সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে ইতিমধ্যে এডিসি রিপন বিশ্বাসের ঘুষ-দুর্নীতি সহ সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার থাকার তথ্য জানানো হয়েছে। তাছাড়া ইতিপূর্বে সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির ১০ আইনজীবীকে হুমকি প্রদান সহ  এডিএম কোর্টে থাকাকালিন তিন তিনবার কোর্ট বর্জনও করার অভিযোগ রয়েছে।


তাছাড়াও সিনিয়র আইনজীবী অ্যাড. আকরাম আলীকে টাই ধরে চড় ও কিল-ঘুসির মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত হয়েও তিনি বহাল তবিয়তে কর্মরত কিভাবে থাকেন তা নিয়ে আমরা রীতিমতো অবাক হচ্ছি। ঐ ঘটনায় মিমাংসার জন্য সাতক্ষীরা আইনজীবী সমিতির  সদস্য সচিব অ্যাড. নুরুল আমিন তার সাথে সাক্ষাৎ করলে তাকেও রুমে এক ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন এডিসি রিপন বিশ্বাস।


একজন ছাত্রলীগ ক্যাডার হয়েও তিনি এতো ক্ষমতা কোথা থেকে পান এবং তা আইনজীবীদের সঙ্গে প্রয়োগ করেন তা নিয়ে রীতিমত আমরা বিস্মিত। তার এসকল অভিযোগে ইতিপর্বে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে ৪৮ ঘন্টা আল্টিমেটাম দিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের পর আবারো আজ অপসারণের দাবিতে জরুরী ভিত্তিতে এই সভার আয়োজন করা হয়েছে। তাকে দ্রুত অপসারণ করা না হলে অনতিবিলম্বে আমরা লাগাতার কর্মসূচি পালন করবো বলে সকলের সম্মতি প্রদান সহ কঠোর হুঁশিয়ারি দেন উপস্থিত আইনজীবীরা।


এ সময় অনুষ্ঠানে অ্যাড. গোবিন্দ চন্দ্র, অ্যাড. নুরুল আমিন, অ্যাড. শাহরিয়ার আসিফ, অ্যাড. সোহরাব হোসেন সুজন, অ্যাড. স্বপন কুমার মন্ডল, অ্যাড. ইসলাম খোকন, অ্যাড. হিরা সহ প্রায় ২০০শ আইনজীবী এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।