সি চিন পিং

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৯:১৪ এএম

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে বেশ টানাপোড়েন চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত সপ্তাহান্তে চীনের শীর্ষ জেনারেল ঝাং ইউকসিয়া এবং আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল লিউ ঝেনলিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনা দেশটির অভিজাত মহলে ক্ষমতার লড়াই নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।


এ ঘটনার নেপথ্য কারণ কী? চীনের যুদ্ধক্ষমতা, বিশেষ করে তাইওয়ান দখল বা অন্য কোনো বড় আঞ্চলিক দ্বন্দ্বে জড়ানোর উচ্চাকাঙ্ক্ষার ওপর এর প্রভাব কী পড়তে পারে, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।


৭৫ বছর বয়সী ঝাং ছিলেন কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের (সিএমসি) ভাইস চেয়ারম্যান। দেশটির নেতা সি চিন পিংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট পার্টির এই গ্রুপই সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে।


সাধারণত সাতজন সদস্য নিয়ে গঠিত সিএমসি এখন মাত্র দুজন সদস্যে নেমে এসেছে। তাঁদের মধ্যে এখন আছেন সি চিন পিং নিজে ও জেনারেল ঝাং শেংমিন।


আগের কয়েক দফা আটক করার পর চলমান ‘দুর্নীতিবিরোধী’ অভিযানে বাকি সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।


সিএমসি লাখ লাখ সামরিক সদস্যকে নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছে। সংস্থাটি এতটাই শক্তিশালী যে চীনের একচ্ছত্র শাসক হিসেবে দেং জিয়াওপিংয়ের হাতে থাকা একমাত্র পদ ছিল সিএমসির চেয়ারম্যানের।


এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের লাইল মরিসের মতে, সিএমসিতে এখন কেবল শি ও একজন জেনারেলের অবশিষ্ট থাকা অভূতপূর্ব এক ঘটনা বটে।


মরিস বিবিসিকে বলেন, পিএলএ এখন বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। চীনের সামরিক বাহিনীতে এখন একটি বিশাল নেতৃত্বশূন্যতা তৈরি হয়েছে।


এত বড় বড় জেনারেলকে সরিয়ে দেওয়ার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মরিস বিবিসিকে বলেন, ‘বাজারে অনেক গুজব ছড়িয়েছে। আমরা এখনো জানি না, এর মধ্যে কোনটি সত্য আর কোনটি মিথ্যা। তবে এটি নিশ্চিতভাবে সি চিন পিংয়ের নেতৃত্ব এবং পিএলএর ওপর তাঁর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে নেতিবাচক বার্তা।’


ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের সহযোগী অধ্যাপক চং জা ইয়ানও বলেন, ঝাংয়ের পতনের সঠিক কারণ সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত নন। তবে এটি নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা রয়েছে।


ইয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক গোপন তথ্য ফাঁস থেকে শুরু করে অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র এবং অভ্যন্তরীণ উপদলীয় কোন্দল—সবকিছুই শোনা যাচ্ছে। এমনকি বেইজিংয়ে গোলাগুলির গুজবও রটেছে।


তবে ঝাং ও লিউয়ের পতন এবং এসব জল্পনা দুটি বিষয়কে স্পষ্ট করে তুলেছে। প্রথমত, সি চিন পিং এখনো অপরাজেয় এবং দ্বিতীয়ত, বেইজিংয়ে তথ্যের প্রবাহ অত্যন্ত সীমিত, যা অনিশ্চয়তা ও গুজবকে বাড়িয়ে তুলছে।


ঝাং ও লিউয়ের বিষয়ে ‘তদন্ত’ চলছে বলে বেইজিং সরকার ঘোষণা দিয়েছে। এতে তাঁদের বিরুদ্ধে ‘শৃঙ্খলা ও আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের’ অভিযোগ আনা হয়েছে, যা মূলত দুর্নীতির একটি মার্জিত পরিভাষা।


এরপর ‘পিএলএ ডেইলি’ তাদের এক সম্পাদকীয়তে বিষয়টি একদম পরিষ্কার করে লিখেছে, এই পদক্ষেপ ‘দুর্নীতি দমনে’ কমিউনিস্ট পার্টির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিরই প্রকাশ। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা ব্যক্তি যে–ই হোন বা তাঁর পদমর্যাদা যত ওপরেই হোক না কেন।


এসব জেনারেলের বিরুদ্ধে আনা সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলো জনসাধারণের সামনে প্রকাশ করা হয়নি। হয়তো কখনো প্রকাশ করা হবেও না। তবে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলার অর্থই হচ্ছে নিশ্চিতভাবে তাঁদের অন্তত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।


‘পিএলএ ডেইলি’র সম্পাদকীয়তে ইতিমধ্যেই ঝাং ও লিউকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তাঁরা ‘কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বিশ্বাস ও প্রত্যাশার সঙ্গে চরম বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছেন এবং ‘কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনকে পদদলিত ও অবমাননা’ করেছেন।


জেনারেলদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি দুর্নীতির কারণে হতে পারে। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয়, এর পেছনে ক্ষমতার রাজনীতিও থাকতে পারে।


সি চিন পিং যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন চীনে দুর্নীতির সমস্যা অবশ্যই ছিল। তবে চীনের এই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাঁর অনুগত নন এমন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বা সরকারি কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিতে দলের ভয়ংকর ‘শৃঙ্খলা পরিদর্শক দল’ ব্যবহার করে এই দুর্নীতিবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। এর ফলে সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং এমন এক স্তরের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছেন, যা চেয়ারম্যান মাওয়ের পর আর দেখা যায়নি।


তবে এ ধরনের নেতৃত্ব হিতে বিপরীতও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, সামরিক বাহিনীতে সন্দেহের পরিবেশ তৈরি হলে তা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা, এমনকি দুর্বলতার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।


ঝাংয়ের বাবা ছিলেন সির বাবার বিপ্লবী কমরেড। সির সঙ্গে এই জেনারেলের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং সাম্প্রতিক এই বিশৃঙ্খলার আগে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে গণ্য করা হতো। তাঁদের এই বিচ্ছেদ হয়তো পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। কারণ, এখন ধারণা করা হচ্ছে যে চীনে কেউই নিরাপদ নন।


ঝাং পিএলএর হাতেগোনা কয়েকজন যুদ্ধ-অভিজ্ঞ শীর্ষ কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া সামরিক বাহিনীর জন্য এক বড় ক্ষতি।


লাইল মরিসের মতে, ঝাংকে সরিয়ে দেওয়া দীর্ঘ মেয়াদে সির জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। সি হয়তো আবারও তাঁর কর্তৃত্ব জাহির করেছেন। কিন্তু এই বিশৃঙ্খলা পিএলএর ভেতরে দীর্ঘস্থায়ী টানাপোড়েন সৃষ্টি করবে।


সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ জেনারেলদের বহিষ্কারের ফলে পরবর্তী স্তরের কর্মকর্তাদের মনেও এখন প্রশ্ন জাগছে, এরপর কার পালা? ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিণতি দেখে তাঁরাও হয়তো সেই ‘বিপজ্জনক অঞ্চলে’ পদোন্নতি পেতে চাইবেন না, যেখানে সির দুর্নীতিবিরোধী নজরদারি যেকোনো সময় তাঁদের ওপর পড়তে পারে।


এসব কিছু এমন সময়ে ঘটছে, যখন বেইজিং তাইওয়ানের ওপর চাপ বৃদ্ধি করছে এবং যেকোনো সময় পূর্ণমাত্রার আক্রমণ চালিয়ে স্বশাসিত দ্বীপটি দখলের হুমকি দিচ্ছে।


বিশ্লেষকেরা খতিয়ে দেখছেন, এসব অপসারণ তাইওয়ান দখলের সম্ভাবনাকে কতটা ব্যাহত করবে। অবশ্য কেউ কেউ মনে করেন যে বেইজিংয়ের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষায় এর বিশেষ প্রভাব পড়বে না।


ইয়ান বলেন, এঁদের বহিষ্কার তাইওয়ানকে চীনের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় কোনো প্রভাব ফেলবে না। কারণ, এটি পুরো সিসিপি এবং বিশেষ করে সির সিদ্ধান্তের বিষয়। যেখানে প্রভাব পড়তে পারে, তা হলো সামরিক কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত গ্রহণ। শীর্ষ সামরিক পেশাদারদের অনুপস্থিতিতে বা তাঁরা ভীতসন্ত্রস্ত থাকলে, তাইওয়ানে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি সির ব্যক্তিগত পছন্দ ও মেজাজের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে।



সর্বশেষ সব খবর

জীবন বাঁচাতে কার্নিসে আশ্রয় দম্পতির

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:২৭ পিএম

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেল। রাত দেড়টার পর একটি কক্ষের দরজায় জোরে ধাক্কা দেন কেউ। ভেতরে ছিলেন বাংলাদেশি দম্পতি সোমাইয়া আখতার ও রেজাউল ইসলাম। 


দরজার ওপাশ থেকে আগুন লাগার খবর শুনতেই দুজন জানালা দিয়ে বেরিয়ে কার্নিসে আশ্রয় নেন। হোটেলটি নিউমার্কেট এলাকায় চারতলা ভবনের তৃতীয় তলায়। 


ভারতীয় দৈনিক আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহখানেক আগে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় বেড়াতে গিয়েছিলেন সোমাইয়া ও রেজাউল। শিখা ইন হোটেলে ওঠেন দুইদিন আগে। গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে হোটেলটিতে আগুন লাগে। 


সোমাইয়ার বর্ণনা অনুযায়ী, রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে হঠাৎ তাদের কক্ষের দরজায় কেউ জোরে ধাক্কা দিতে থাকেন। ওই সময় তিনি জেগে ছিলেন। ধাক্কার শব্দে ঘুম ভাঙে রেজাউলের। দুজন বিছানা ছেড়ে উঠে দরজা খুলে দেখেন বারান্দা ধোঁয়ায় ভরে গেছে।


চিৎকার, ধোঁয়া দেখেও সে সময় মাথা ঠান্ডা রেখেছিলেন রেজাউল। দ্রুত চিন্তা করে ঠিক করেন, দরজা দিয়ে নয়, জানালা দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করবেন। স্ত্রীকে নিয়ে চলে যান জানালার কাছে। এরপর নেমে যান কার্নিসে। এরপরের ঘটনার বর্ণনা দেন সোমাইয়া। বলেন, ‘কার্নিসে দাঁড়িয়ে হেল্প, হেল্প, আগুন, আগুন বলে চিৎকার করছিলাম।’ 


ধোঁয়ার কারণে তিনতলার কার্নিস থেকে ওই সময় রাস্তা ভালভাবে দেখা যাচ্ছিল না। নিচে থেকে ওপরে কারও অবস্থান বোঝার উপায় ছিল না। তাই মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে উদ্ধারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন এই দম্পতি। 


সোমাইয়া বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে যারা যাচ্ছিলেন, তাদের ডেকে আমাদের বিপদের কথা বলি। প্রায় আধা ঘণ্টা আমরা কার্নিসে দাঁড়িয়ে ছিলাম।’ পরে তিনতলার কার্নিস থেকে দুজনকে মইয়ের মাধ্যমে নামান দমকলকর্মীরা।


সোমাইয়া-রেজাউল ছাড়াও ওই ভবনের অন্য হোটেলগুলোতে আরও কয়েকজন বাংলাদেশি ছিলেন। তারা চিকিৎসা বা ব্যবসার কাজে ভারতে গিয়েছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নয়জন নিহতের খবর জানা গেছে। তাদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০৯ পিএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের যৌথ সামরিক মহড়া ছোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১১ দিনের পরিবর্তে এবার ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়া চলবে পাঁচ দিন। 


একই সঙ্গে মহড়ার কিছু প্রশিক্ষণও কমিয়ে দেওয়া হবে। আজ বুধবার বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।


১৭ আগস্ট শুরু হওয়া মহড়া ২১ আগস্ট শেষ হবে। আগে এটি ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চলার কথা ছিল। মহড়ার কিছু মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণও কমানো হবে। কিছু প্রশিক্ষণ বাতিল করে সিমুলেশনের মাধ্যমে করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।


দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ-ব্যাক জানিয়েছেন, মহড়ার দ্বিতীয় ধাপও বাতিল করা হতে পারে। এই ধাপে প্রতিরক্ষামূলক প্রশিক্ষণের পর পাল্টা হামলার অনুশীলন হওয়ার কথা ছিল।


গত রোববার ট্রাম্প মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর’ নির্দেশ দেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে বলেও জানান তিনি।


বিশ্লেষকদের মতে, মহড়া কমানোর পেছনে ট্রাম্পের একাধিক লক্ষ্য থাকতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো, ইরান পরিস্থিতি সামলানো এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আবার কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করা এর মধ্যে থাকতে পারে।


এদিকে মহড়া কমানোর পরও উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার নিন্দা জানিয়েছে। 


দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ বলেছে, ওয়াশিংটন ও সিউলের সামরিক হুমকি মোকাবিলায় উত্তর কোরিয়া আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ চালিয়ে যাবে।


তবে এবার উত্তর কোরিয়া ট্রাম্পের নির্দেশ বা মহড়া কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। এক বিশ্লেষকের মতে, এর মাধ্যমে পিয়ংইয়ং ভবিষ্যতে কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ খোলা রাখতে চাইছে।


এদিকে কিম জং উনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের জন্য ট্রাম্প তার কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নভেম্বরে চীনে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় এমন বৈঠক হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে রয়টার্স এ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি।


দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এসব যৌথ মহড়াকে প্রতিরক্ষামূলক এবং উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখে। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া বরাবরই এসব মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি বলে অভিযোগ করে আসছে।


সূত্র: রয়টার্স

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:১৪ পিএম

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং একজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে।


নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতীয়। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন শণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশীষ দত্ত ও মোহাম্মদ আকরাম আলী। তারা সবাই বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।


অন্যদিকে আহমেদ বাবু নামে আরও একজন নিহত হয়েছেন। তিনি ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আদম আলী।


নিহত ভারতীয় নাগরিকের নাম সন্দীপ পাসওয়ান। তিনি ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা এবং ওই হোটেলের কর্মচারী ছিলেন।


আগুন লাগার সময় হোটেলের অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। ঘুমের মধ্যেই অনেকের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। যারা দ্রুত বিষয়টি বুঝতে পেরে বের হওয়ার চেষ্টা করেছেন, তাদের কেউ কেউ প্রাণে বেঁচেছেন। তবে কয়েকজন ঘুমের মধ্যেই মারা যান।


ভোররাতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


স্থানীয়ভাবে ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিচিত নিউমার্কেট এলাকা। এর আশপাশের কলিন স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট ও মার্কুইস স্ট্রিটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক আবাসিক হোটেল রয়েছে।


এসব এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০টি হোটেল রয়েছে।


নিউমার্কেট এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। ফলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের বেশির ভাগ বাংলাদেশি হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২১ পিএম

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, বাণিজ্যিক লেনদেন ও আর্থিক কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।


আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, চলমান উত্তেজনা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।


সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে আমিরাতের বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত তেহরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।


অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন জেনারেল ও সাবেক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক কিমিট বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার চেয়েও আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, ইরানের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষ করে দুবাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।


কিমিট আল জাজিরাকে বলেন, ইরানের সঙ্গে দুবাইয়ের পণ্য ও আর্থিক লেনদেনের গুরুত্ব কোনোভাবেই কম করে দেখার সুযোগ নেই। ইরানে আমদানি করা পণ্যের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হলো দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ ক্ষেত্রে চীন ও তুরস্কও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।


তার ভাষ্য, ইরানের মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে আসে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের ভূমিকা ইরানকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে।


কিমিট বলেন, ‘অনেক দিক থেকেই আমিরাতের এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’


ইরানের হামলা অব্যাহত থাকলে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশও আমিরাতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে পারে কি না—এ বিষয়ে কিমিট বলেন, তারা আপাতত পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবে বলে তিনি মনে করছেন।


তিনি বলেন, ‘আমিরাত ও ইরানের মধ্যে কী ঘটে, সেটিই এখন সবাই দেখবে এবং অপেক্ষা করবে।’


কিমিটের মতে, আমিরাতের এ সিদ্ধান্ত ইরানের কাছে অত্যন্ত গুরুতর বার্তা বহন করছে। এমনকি তেহরান এটিকে যুদ্ধ ঘোষণার কাছাকাছি কোনো পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচনা করতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করেন।


সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা


সর্বশেষ সব খবর

কলকাতা নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে আগুন

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০১ এএম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পরদিন মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার আরেকটি হোটেলে আগুন লেগেছে। এতে আবাসিক হোটেলে থাকা ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। মৃতররা সকলে বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।  


দমকলকর্মীরা হোটেলের ভেতর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় ৯ জনকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাদের সকলকেই মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।


এর আগে বীরভূম জেলার তীর্থস্থান তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন একটি হোটেলে সোমবার সকালে অগ্নিকাণ্ডে ৮ জন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়। সেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ওই দিন রাতেই হোটেলের মালিক ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই রেশ কাটতে না কাটতে আবার আরেকটি অগ্নিকাণ্ড ঘটলো। 


কলকাতার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলের তিন তলায় আগুন লাগে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে অন্তত চারটি ঘরে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ঘুম ভেঙে যায় হোটেলের বাসিন্দাদের। তবে ধোঁয়ার কারণে হোটেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছিলেন না তারা। 


ভোর তিনটার দিকে আগুন লাগার খবর পায় পুলিশ ও দমকল কর্মী। আগুনের ঘটনাস্থলের একেবারে কাছেই দমকল অফিস। দমকলের ৪টি ইঞ্জিন ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে হোটেলের একাংশ পুড়ে যায়।  


অগ্নিকাণ্ডের সময় আহত কয়েকজনকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হোটেলের এসি থেকে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। আগুনের পর ঘটনাস্থলে যান দমকল মন্ত্রী ও কলকাতা পুলিশের কমিশনার।


দমকলকর্মীরা হোটেলের ভেতর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় ৯ জনকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাদের সকলকেই মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।


পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গুরুতর আহত ৬ জনের চিকিৎসা চলছে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। 


অভিযোগ রয়েছে, হোটেলের ঢোকা-বেরোনোর পথ খুবই সঙ্কীর্ণ। হোটেলটি থেকে ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। 

 

সর্বশেষ সব খবর

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:২৪ পিএম

বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশের অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা পূরণের আবেদনও ভারত খতিয়ে দেখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানান, এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই এবং নতুন কোনো আপডেট পেলে তা জানানো হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।


শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়ে বাংলাদেশের আহ্বান ভারত খতিয়ে দেখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা পূরণের আবেদনটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


এর আগে এক ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এর পাশাপাশি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও ভারতের তরফ থেকে তাকে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই আমন্ত্রণগুলো ইতিমধ্যে পৌঁছে দেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেয়া হবে।’


একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে ভারতের মনোভাব তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে বিদ্যমান জ্বালানিসংকট এবং নতুন করে জ্বালানি সহায়তার অনুরোধ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টিকেও ভারত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।


রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আপনারা জানেন, ডিজেল সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের একটি চলমান চুক্তি রয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। আর আপনারা যে অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধের কথা বললেন, সেটি ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, নিজেদের শোধন ক্ষমতা এবং দেশে ডিজেলের সার্বিক প্রাপ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পর্যালোচনা করা হবে।’


অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করেছে সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।


সরকার বলছে, গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে বিদ্যমান পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সফরের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার আগে পারস্পরিক আস্থা ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিবেশী দেশসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অব্যাহত রাখবে। সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতেই এসব সম্পর্ক জোরদার করা হবে।


বাংলাদেশের অবস্থান অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও পারস্পরিক আস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ এগিয়ে নেয়া হবে।



সর্বশেষ সব খবর