বিমানবন্দর চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী
কলকাতা বিমানবন্দরের দ্বিতীয় রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য রানওয়ের পাশে থাকা গৌরীপুর জামে মসজিদ বা বাঁকড়া মসজিদে নামাজ বন্ধের প্রতিবাদে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের আজ পথে নামার ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভাপতি সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।
আজ শুক্রবার দুপুরে বিমানবন্দর চত্বরে দেখা গেছে সিদ্দিকুল্লাকে। তবে আজ সকাল থেকে সেখানে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা গেছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তা চাদরে মুড়ে ফেলেছে মসজিদে প্রবেশপথের সামনে বাঁকড়া এলাকা। অবাঞ্ছিত কাউকে জমায়েত করতে দেয়নি পুলিশ।
ভারতীয় ন্যায় সংহীতার ১৬৩ ধারা (পূর্বের ১৪৪ ধারা) সেখানে কার্যকর করা হয়। এর ফলে পণ্ড হয়ে গেছে জমায়েত।
আগের দিন বৃহস্পতিবার তিনি মুসলমানদের এয়ারপোর্ট লাগোয়া বাঁকড়া এলাকার ৭ নম্বর গেটের সামনে আসার অনুরোধ করেন। পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি মুসলমানকে কালোব্যাজ পরে প্রতিবাদ জানিয়ে নামাজে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেন সিদ্দিকুল্লা।
আজ শুক্রবার বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেটে জমায়েতের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১৩৬ বছরের পুরানো মসজিদে অন্যায় ও অবৈধভাবে নামাজ বন্ধের বিরুদ্ধে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করব।
তবে আজ শুক্রবার সেখানে দেখা গেছে, সকাল থেকে বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে চলছে প্রচার। মাইকে বলা হয়, ভারতীয় ন্যায় সংহীতার ১৬৩ ধারা (পূর্বের ১৪৪ ধারা) এই এলাকায় কার্যকর করা হয়েছে। তাই একসঙ্গে চারজনের জমায়েত করা যাবে না।
এ বিষয়ে দমদম উত্তরের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার বলেন, এর পেছনে কোনো বিদেশি শক্তি কাজ করছে না তো, সেটা দেখা দরকার। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেছেন, এক কোটি মুসলিম কালোব্যাজ পরে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করবেন। ধর্মের দোকান চালানোর জন্য এই ধরনের কথা বলছেন। প্রশাসন যেটা ভালো মনে করেছে, করেছে। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী হয়তো ভুলে গেছেন সরকার বদলে গেছে, আর এই সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী।
এয়ারপোর্ট ইস্যু তিনি আরও বলেন, এটা নিয়ে ৯৯ সাল থেকে আলোচনা হচ্ছে। তপন শিকদার সংসদে তুলেছিলেন। ২০০২ সালে শাহানাজ মন্ত্রণালয় জানান মসজিদ সরানোর কথা। ২০০৩ সালে বামফ্রন্ট সরকার না বলে দেয়। লাগাতার বিধানসভায় রাজ্যসভায় লোকসভায় উঠেছে। তখন থেকে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী গোঁ ধরে বসে আছেন। শুধু আধার কার্ড দেখিয়ে ঢুকে যাচ্ছে মসজিদে। সেখান থেকে কোনো ছবি ইমেজ বাইরে গেলে সুরক্ষা বিঘ্নিত হতে পারে।
তিনি বলেন, জিরো ভিজিবিলিটি হলে ল্যান্ডিং করা যায় না এই মসজিদের জন্য। খালি একটা ধর্মীয় আবেগকে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য মানুষের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হবে? আন্তর্জাতিক বিমানের সংখ্যা বাড়লে কর্মসংস্থানের সুযোগ ও থাকবে। ধর্মের ব্যবসায়ী উনি। আজ ও সেখানে চলে গেছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। কোনো ঝামেলা লাগাতে চাইছেন? ওনার উদ্দেশ্যই তাই। আইন ভাঙলে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে রাজ্য সরকার।
আজ শুক্রবার বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেটে জমায়েতের আহ্বান জানিয়ে সিদ্দিকুল্লা বলেন, ১৩৬ বছরের পুরানো মসজিদে অন্যায় ও অবৈধভাবে নামাজ বন্ধের বিরুদ্ধে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করব। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এলাকার লোকজন ওখানে নামাজ পড়তে যাবে। আমি অনুরোধ করব, আমাদের যেন নামাজ আদায় করতে দেওয়া হয়। যদি ঢুকতে না দেয় তাহলে ধস্তাধস্তি করব না। আমরা শান্তিপ্রিয়। আর বাংলার এক কোটি মুসলমানদের কাছে অনুরোধ, কালোব্যাজ পরে নামাজ পড়তে আসবেন। আল্লাহ কাছে দোয়া করে চলে আসুন। কোনো বিক্ষোভ প্রদর্শনের দরকার নেই। কোনো মাইকিং, ক্যানভাস কিছু থাকবে না।
সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী অভিযোগ করেন, যদি সত্যিই উন্নয়নমূলক কাজের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে অন্তত একটি নোটিশ দেওয়া যেত। গত ২৪ বছর ধরে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের সরকারি যোগাযোগ রয়েছে। একটি চিঠি দেওয়া বা আলোচনায় বসতে তাদের অসুবিধা কোথায় ছিল? তাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা ঠিক হয়নি। এলাকায় হিন্দু-মুসলিম সবাই মিলেমিশে থাকেন। আমরা বারবার পুনর্বাসন বা স্থানান্তরের কথা বলছি না। এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিষয় নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের বিষয়। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত- দারুল উলুম দেওবন্দ, জমিয়তে উলেমা-এ-হিন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্বশীলদের সঙ্গে আলোচনা করা। প্রয়োজন হলে আমরাও তাদের সঙ্গে থাকব, যাতে আইন মেনে এবং আলোচনার মাধ্যমে কীভাবে স্থানান্তরের সমাধান করা যায়, তা নির্ধারণ করা যায়।
এ বিষয়ে বুধবার রাতে সংশ্লিষ্ট থানায় গেলেও তাদের অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন সিদ্দিকুল্লা। তার দাবি, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সহযোগিতা মেলেনি। সিদ্দিকুল্লাহর বক্তব্য, ‘আমরা ১১ তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তিনবার ফোন করেছি। এয়ারপোর্ট থানায় এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানায় দু’ঘণ্টা ধরে ঘুরেছি। কিন্তু কেউ আমাদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজনও মনে করেননি। তবুও আমরা বলতে চাই, আমরা শান্তিপ্রিয় মানুষ। গোটা বাংলায় এমন একটি ঘটনাও দেখানো যাবে না, যেখানে আমরা আইন ভেঙেছি। আমরা সব সময় আইন মেনেই চলেছি। মুসলিমরা শুধু নামাজ পড়তে যাবেন। কোনো অশান্তি হবে না। কেউ রাস্তায় নামবেন না, কোনো জোরজবরদস্তি হবে না, মাইকিংও হবে না। আমরা শুধু এই ব্যাজ পরে শান্তিপূর্ণভাবে নমাজ আদায় করতে যাব। এতে আপত্তির কী আছে?’
এ বিষয়ে দমদম উত্তরের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ সিকদার বলেন, ‘এই বাংলায় কোনো জামায়তি, শরিয়তি আইন চলবে না। এখানকার শান্তিপূর্ণ মুসলমান ভাইদের কাছে অনুরোধ, কারও উসকানিতে আইন ভাঙার কাজ করবেন না। এখানে দেশ সবার আগে। নিরাপত্তা সবার আগে। নিরাপত্তা, দেশের প্রশ্নে কখনও ধর্ম বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।
সিদিকুল্লার বিরুদ্ধে তিনি বলেন, ‘ওনার মতো লোকেরা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে। ওরা যা খুশি বলতে পারে। আপনারা কোনো উসকানিতে পা দেবেন না।’
মসজিদ সংক্রান্ত বিষয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তিনি বলেছেন, ওই এলাকায় যদি মসজিদ না হয়ে হনুমানজির মন্দিরও থাকত, সেটিকেও সরানো হতো।
প্রসঙ্গত, এয়ারপোর্টের দ্বিতীয় রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য গৌরীপুর জামে মসজিদ বা বাঁকড়া মসজিদকে সরানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরই মধ্যেই ওই মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ রয়েছে। এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া সূত্রে জানানো হয়েছে, এয়ারপোর্টের সম্প্রসারণ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ওই মসজিদ অন্যত্র সরানো দরকার। মসজিদটির জন্য প্রবলভাবে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। লাখ লাখ যাত্রীর জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে। মসজিদটি রানওয়ে সংলগ্ন হওয়ায় সেকেন্ডারি রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ বিঘ্নিত হচ্ছে। সেকেন্ডারি রানওয়ে থেকে মাত্র ১৬৫ মিটার দূরে রয়েছে এই মসজিদ।
আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সুরক্ষাবিধি স্পষ্ট বলছে, রানওয়ে থেকে যেকোনো কাঠামোর ন্যূনতম দূরত্ব অন্তত ২৪০ মিটার হওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া যারা বিমানবন্দরের ভেতরে নামাজ পড়তে ঢুকছেন, তাদের জন্য কোনো বৈধ পাস ইস্যু হয় না। শুধুমাত্র আধার কার্ডের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছে পৌঁছে তারা নামাজ পড়েন। বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য এই বিষয়টিও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
জীবন বাঁচাতে কার্নিসে আশ্রয় দম্পতির
কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেল। রাত দেড়টার পর একটি কক্ষের দরজায় জোরে ধাক্কা দেন কেউ। ভেতরে ছিলেন বাংলাদেশি দম্পতি সোমাইয়া আখতার ও রেজাউল ইসলাম।
দরজার ওপাশ থেকে আগুন লাগার খবর শুনতেই দুজন জানালা দিয়ে বেরিয়ে কার্নিসে আশ্রয় নেন। হোটেলটি নিউমার্কেট এলাকায় চারতলা ভবনের তৃতীয় তলায়।
ভারতীয় দৈনিক আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহখানেক আগে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় বেড়াতে গিয়েছিলেন সোমাইয়া ও রেজাউল। শিখা ইন হোটেলে ওঠেন দুইদিন আগে। গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে হোটেলটিতে আগুন লাগে।
সোমাইয়ার বর্ণনা অনুযায়ী, রাত ১টা ৫০ মিনিটের দিকে হঠাৎ তাদের কক্ষের দরজায় কেউ জোরে ধাক্কা দিতে থাকেন। ওই সময় তিনি জেগে ছিলেন। ধাক্কার শব্দে ঘুম ভাঙে রেজাউলের। দুজন বিছানা ছেড়ে উঠে দরজা খুলে দেখেন বারান্দা ধোঁয়ায় ভরে গেছে।
চিৎকার, ধোঁয়া দেখেও সে সময় মাথা ঠান্ডা রেখেছিলেন রেজাউল। দ্রুত চিন্তা করে ঠিক করেন, দরজা দিয়ে নয়, জানালা দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করবেন। স্ত্রীকে নিয়ে চলে যান জানালার কাছে। এরপর নেমে যান কার্নিসে। এরপরের ঘটনার বর্ণনা দেন সোমাইয়া। বলেন, ‘কার্নিসে দাঁড়িয়ে হেল্প, হেল্প, আগুন, আগুন বলে চিৎকার করছিলাম।’
ধোঁয়ার কারণে তিনতলার কার্নিস থেকে ওই সময় রাস্তা ভালভাবে দেখা যাচ্ছিল না। নিচে থেকে ওপরে কারও অবস্থান বোঝার উপায় ছিল না। তাই মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে উদ্ধারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন এই দম্পতি।
সোমাইয়া বলেন, ‘রাস্তা দিয়ে যারা যাচ্ছিলেন, তাদের ডেকে আমাদের বিপদের কথা বলি। প্রায় আধা ঘণ্টা আমরা কার্নিসে দাঁড়িয়ে ছিলাম।’ পরে তিনতলার কার্নিস থেকে দুজনকে মইয়ের মাধ্যমে নামান দমকলকর্মীরা।
সোমাইয়া-রেজাউল ছাড়াও ওই ভবনের অন্য হোটেলগুলোতে আরও কয়েকজন বাংলাদেশি ছিলেন। তারা চিকিৎসা বা ব্যবসার কাজে ভারতে গিয়েছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নয়জন নিহতের খবর জানা গেছে। তাদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র তাদের যৌথ সামরিক মহড়া ছোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১১ দিনের পরিবর্তে এবার ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ মহড়া চলবে পাঁচ দিন।
একই সঙ্গে মহড়ার কিছু প্রশিক্ষণও কমিয়ে দেওয়া হবে। আজ বুধবার বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
১৭ আগস্ট শুরু হওয়া মহড়া ২১ আগস্ট শেষ হবে। আগে এটি ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চলার কথা ছিল। মহড়ার কিছু মাঠপর্যায়ের প্রশিক্ষণও কমানো হবে। কিছু প্রশিক্ষণ বাতিল করে সিমুলেশনের মাধ্যমে করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ-ব্যাক জানিয়েছেন, মহড়ার দ্বিতীয় ধাপও বাতিল করা হতে পারে। এই ধাপে প্রতিরক্ষামূলক প্রশিক্ষণের পর পাল্টা হামলার অনুশীলন হওয়ার কথা ছিল।
গত রোববার ট্রাম্প মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ‘উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর’ নির্দেশ দেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, মহড়া কমানোর পেছনে ট্রাম্পের একাধিক লক্ষ্য থাকতে পারে। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের গতি বাড়ানো, ইরান পরিস্থিতি সামলানো এবং উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আবার কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করা এর মধ্যে থাকতে পারে।
এদিকে মহড়া কমানোর পরও উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার নিন্দা জানিয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ বলেছে, ওয়াশিংটন ও সিউলের সামরিক হুমকি মোকাবিলায় উত্তর কোরিয়া আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ চালিয়ে যাবে।
তবে এবার উত্তর কোরিয়া ট্রাম্পের নির্দেশ বা মহড়া কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। এক বিশ্লেষকের মতে, এর মাধ্যমে পিয়ংইয়ং ভবিষ্যতে কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ খোলা রাখতে চাইছে।
এদিকে কিম জং উনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের জন্য ট্রাম্প তার কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন বলে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। নভেম্বরে চীনে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (এপেক) সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় এমন বৈঠক হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে রয়টার্স এ তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র এসব যৌথ মহড়াকে প্রতিরক্ষামূলক এবং উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে দেখে। অন্যদিকে উত্তর কোরিয়া বরাবরই এসব মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি বলে অভিযোগ করে আসছে।
সূত্র: রয়টার্স
ছবি : সংগৃহীত
কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক এবং একজন ভারতীয় নাগরিক বলে জানা গেছে।
নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৬ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতীয়। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন শণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশীষ দত্ত ও মোহাম্মদ আকরাম আলী। তারা সবাই বাংলাদেশের কুষ্টিয়ার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে আহমেদ বাবু নামে আরও একজন নিহত হয়েছেন। তিনি ঢাকার সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আদম আলী।
নিহত ভারতীয় নাগরিকের নাম সন্দীপ পাসওয়ান। তিনি ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা এবং ওই হোটেলের কর্মচারী ছিলেন।
আগুন লাগার সময় হোটেলের অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। ঘুমের মধ্যেই অনেকের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। যারা দ্রুত বিষয়টি বুঝতে পেরে বের হওয়ার চেষ্টা করেছেন, তাদের কেউ কেউ প্রাণে বেঁচেছেন। তবে কয়েকজন ঘুমের মধ্যেই মারা যান।
ভোররাতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়ভাবে ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিচিত নিউমার্কেট এলাকা। এর আশপাশের কলিন স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট ও মার্কুইস স্ট্রিটসহ বিভিন্ন এলাকায় বিপুলসংখ্যক আবাসিক হোটেল রয়েছে।
এসব এলাকায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০টি হোটেল রয়েছে।
নিউমার্কেট এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। ফলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের বেশির ভাগ বাংলাদেশি হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশিদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, বাণিজ্যিক লেনদেন ও আর্থিক কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, চলমান উত্তেজনা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে আমিরাতের বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত তেহরানের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন জেনারেল ও সাবেক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক কিমিট বলেছেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞার চেয়েও আমিরাতের এই সিদ্ধান্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারণ, ইরানের অর্থনীতি ও বৈদেশিক বাণিজ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষ করে দুবাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
কিমিট আল জাজিরাকে বলেন, ইরানের সঙ্গে দুবাইয়ের পণ্য ও আর্থিক লেনদেনের গুরুত্ব কোনোভাবেই কম করে দেখার সুযোগ নেই। ইরানে আমদানি করা পণ্যের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী হলো দুবাই ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ ক্ষেত্রে চীন ও তুরস্কও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
তার ভাষ্য, ইরানের মোট আমদানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে আসে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের ভূমিকা ইরানকে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে।
কিমিট বলেন, ‘অনেক দিক থেকেই আমিরাতের এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
ইরানের হামলা অব্যাহত থাকলে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশও আমিরাতের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করতে পারে কি না—এ বিষয়ে কিমিট বলেন, তারা আপাতত পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবে বলে তিনি মনে করছেন।
তিনি বলেন, ‘আমিরাত ও ইরানের মধ্যে কী ঘটে, সেটিই এখন সবাই দেখবে এবং অপেক্ষা করবে।’
কিমিটের মতে, আমিরাতের এ সিদ্ধান্ত ইরানের কাছে অত্যন্ত গুরুতর বার্তা বহন করছে। এমনকি তেহরান এটিকে যুদ্ধ ঘোষণার কাছাকাছি কোনো পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচনা করতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করেন।
সূত্র: এনডিটিভি, আল জাজিরা
কলকাতা নিউমার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেল শিখা ইনে আগুন
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পরদিন মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার আরেকটি হোটেলে আগুন লেগেছে। এতে আবাসিক হোটেলে থাকা ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। মৃতররা সকলে বাংলাদেশি বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
দমকলকর্মীরা হোটেলের ভেতর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় ৯ জনকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাদের সকলকেই মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।
এর আগে বীরভূম জেলার তীর্থস্থান তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন একটি হোটেলে সোমবার সকালে অগ্নিকাণ্ডে ৮ জন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়। সেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ওই দিন রাতেই হোটেলের মালিক ও তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেই রেশ কাটতে না কাটতে আবার আরেকটি অগ্নিকাণ্ড ঘটলো।
কলকাতার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলের তিন তলায় আগুন লাগে। আগুন ছড়িয়ে পড়ে অন্তত চারটি ঘরে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ঘুম ভেঙে যায় হোটেলের বাসিন্দাদের। তবে ধোঁয়ার কারণে হোটেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছিলেন না তারা।
ভোর তিনটার দিকে আগুন লাগার খবর পায় পুলিশ ও দমকল কর্মী। আগুনের ঘটনাস্থলের একেবারে কাছেই দমকল অফিস। দমকলের ৪টি ইঞ্জিন ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে হোটেলের একাংশ পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের সময় আহত কয়েকজনকে কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হোটেলের এসি থেকে আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। আগুনের পর ঘটনাস্থলে যান দমকল মন্ত্রী ও কলকাতা পুলিশের কমিশনার।
দমকলকর্মীরা হোটেলের ভেতর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় ৯ জনকে উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাদের সকলকেই মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।
পুলিশ এলাকাটি ঘিরে রেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গুরুতর আহত ৬ জনের চিকিৎসা চলছে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে।
অভিযোগ রয়েছে, হোটেলের ঢোকা-বেরোনোর পথ খুবই সঙ্কীর্ণ। হোটেলটি থেকে ৬০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল
বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানিয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশের অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা পূরণের আবেদনও ভারত খতিয়ে দেখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানান, এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই এবং নতুন কোনো আপডেট পেলে তা জানানো হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়ে বাংলাদেশের আহ্বান ভারত খতিয়ে দেখছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের অতিরিক্ত জ্বালানির চাহিদা পূরণের আবেদনটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে এক ব্রিফিংয়ে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এর পাশাপাশি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও ভারতের তরফ থেকে তাকে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই আমন্ত্রণগুলো ইতিমধ্যে পৌঁছে দেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেয়া হবে।’
একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে ভারতের মনোভাব তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে বিদ্যমান জ্বালানিসংকট এবং নতুন করে জ্বালানি সহায়তার অনুরোধ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টিকেও ভারত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আপনারা জানেন, ডিজেল সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের একটি চলমান চুক্তি রয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। আর আপনারা যে অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধের কথা বললেন, সেটি ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, নিজেদের শোধন ক্ষমতা এবং দেশে ডিজেলের সার্বিক প্রাপ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পর্যালোচনা করা হবে।’
অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করেছে সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হওয়া প্রয়োজন। এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
সরকার বলছে, গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে বিদ্যমান পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে সফরের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়ার আগে পারস্পরিক আস্থা ও অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রতিবেশী দেশসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ তার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অব্যাহত রাখবে। সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতেই এসব সম্পর্ক জোরদার করা হবে।
বাংলাদেশের অবস্থান অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও পারস্পরিক আস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ এগিয়ে নেয়া হবে।