• প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৬:১৮ এএম

তারেক রহমানের বিএনপি সরকারে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় দায়িত্ব পাওয়া ১০ উপদেষ্টার দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।


মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী আহমেদকে ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’র দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


আর বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


নাগরিক ঐক্যের যুগ্ম সম্পাদক ও টেলিভিশন আলোচক জাহেদ উর রহমানকে পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি-সংক্রান্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখাপাত্র মাহদী আমিনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


বিএনপি রিসার্চ অ্যান্ড মনিটরিং সেলের প্রধান রেহান আসিফ আসাদকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বাইরে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপি সেদিনই সরকার গঠন করে।




রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৩২ এএম

চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে উল্লেখ করে প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 


বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভাবনীয় অগ্রগতি এবং জীবনমানের উন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পৃথিবীর সব দেশেই প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। দীর্ঘায়ুর এই যুগ প্রবীণ নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থাপনাকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর বিষয়ে চিন্তার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।’


এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘দ্য এইজ অব লংজিবিটি : রিথিংকিং সিস্টেমস ফর লংগার লাইভস’।


বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ১ অক্টোবর দেশেও ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস’ পালিত হচ্ছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব প্রবীণ নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানান।


এবারের দিবসের প্রতিপাদ্যটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের স্বাভাবিক জীবনচক্রের অংশ হিসেবে বার্ধক্যে উপনীত হওয়া অনিবার্য। তাই প্রত্যেক মানুষের বার্ধক্য নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।


তিনি বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদে ক্রমবর্ধমান প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা খাতে ৫ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতা প্রদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে।


রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবীণদের কল্যাণ ও উন্নয়নে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগ প্রবীণদের কল্যাণ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করেন তিনি।


প্রবীণদের অবদান উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, তারা কেবল অতীতের গল্প নন, তারা বর্তমানের শিকড় এবং ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক। তাদের শ্রম, ঘাম, মেধা, ত্যাগ ও অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করেই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে।


তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের একটি বড় অংশ অবনতিশীল স্বাস্থ্য, আর্থিক অনিশ্চয়তা ও নিঃসঙ্গতার মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন। একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর প্রতি যত্নশীল দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।


রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও জনহিতৈষী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ এবং প্রতিটি পরিবার প্রবীণদের কল্যাণে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনে এগিয়ে আসবে।


তিনি বলেন, প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা, তাদের হাসিমুখ ও নিরাপদ বার্ধক্য নিশ্চিত করা সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত।


রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও বিশ্বের সব প্রবীণ ব্যক্তির সুস্বাস্থ্য ও শান্তিময় জীবন কামনা করেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৩ এএম

একদিনের সফরে ফেনীর পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে সরকারপ্রধানের গাড়িবহর সড়ক পথে যাত্রা করে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।


তিনি পৌনে ৯টায় বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ফেনী যাচ্ছেন। গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে রাজধানী অতিক্রম করছে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর।


“ফেনীতে দিনব্যাপী নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।”


তারেক রহমানের নানা এস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে।


সরকারপ্রধানের মা, প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ফেনী-১ আসনে ভোট করতেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সেখানে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ কারণে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মুখে এখনো ফেরে, ‘নেত্রী মোদের খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা’।


কর্মসূচি: বেলা সাড়ে ১২টায় পশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট মহুরী ব্রিজ এলাকায় ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের উদ্বোধন, দেড়টায় ফুলগাজী বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন, দুপুর ২টায় ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে স্থাপিত রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন এবং বিকাল সাড়ে ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট স্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ অন্য ধর্মাবলম্বীদের সন্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগদান।


দুপুরে ফুলগাজী ডাক বাংলোতে জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজ সারবেন প্রধানমন্ত্রী। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর ফেনীতে তারেক রহমানের এটিই প্রথম সফর।


এর আগে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে গত ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা আসার পথে ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠে এক নির্বাচনি জনসমাবেশে বক্তব্য দিয়েছিলেন তারেক রহমান।



বাড়তি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি খতিয়ে দেখতে ডিসিদের নির্দেশ

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:২৯ পিএম

সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না-তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। সেই সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও কোথাও সংকট দেখা দিলে এর কারণ অনুসন্ধান করে তথ্য-প্রমাণসহ মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।


আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশ দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী। 


ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। এরপরও বিভিন্ন এলাকায় সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোথায় কী কারণে সরবরাহ কম, কোথায় অতিরিক্ত দাম নেয়া হচ্ছে এবং এর পেছনে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো বিষয় আছে কি না- এসব তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন দিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দাম বাড়ানো হলে তা বরদাশত করা হবে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


জেলা প্রশাসকদের পাঠানো তথ্য পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যেসব এলাকায় সরবরাহে ঘাটতি পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। এ সময় এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরও সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।


সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বৃদ্ধির প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। ইতোমধ্যে আমদানিকারকদের পক্ষ থেকে সরবরাহে বড় ধরনের সংকট নেই বলে দাবি করা হলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা বাজারে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। 


কোথাও কোথাও ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার টাকা ছাড়ানোর তথ্যও পাওয়া গেছে। এই অবস্থায় সরবরাহ ব্যবস্থার কোনে পর্যায়ে সমস্যা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিলো সরকার।

ঢাবি-বুয়েটকে টপকে গেল ৪ বিশ্ববিদ্যালয়, ৩টিই প্রাইভেট

বিশ্বের সেরা ১০০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা


ঢাবি-বুয়েটকে টপকে গেল ৪ বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:১৯ পিএম

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশেন ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৭’ প্রকাশ করেছে। এ র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় জায়গা মেলেনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)। 


দেশের এ দুটি বিশ্ববিদ্যালয়কে টপকে তিনটি বেসরকারি ও একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ৮০০ থেকে ১০০০-এর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।


এবার দেশের মোট ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকায় জায়গা পেয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষ ১২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টিই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তালিকায় র‍্যাঙ্কিংয়ের বাইরের ১০টিসহ দেশের মোট ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এসেছে। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) টাইমস হায়ার এডুকেশেনের ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।


শিক্ষার মান, শিক্ষার্থী-শিক্ষকের অনুপাত, গবেষণার মান, সাইটেশন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি সূচকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১১৮টি দেশের ২ হাজার ২৯৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মূল্যায়ন করা হয়েছে।


বিভিন্ন মানসম্মত পারফরম্যান্স সূচক ব্যবহার করে শিক্ষার মান, গবেষণা পরিবেশ, গবেষণা শ্রেষ্ঠত্ব, ইন্ডাস্ট্রি সংযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সম্ভাবনা-এই গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি ক্ষেত্রে টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‍্যাঙ্কিং করে থাকে।


র‍্যাঙ্কিংয়ে দেখা গেছে, তালিকায় ৮০১ থেকে ১০০০ র‍্যাঙ্কের মধ্যে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (এআইইউবি), ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ)।


১০০১ থেকে ১২০০ র‍্যাঙ্কে রয়েছে যথাক্রমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি (ব্র্যাক), গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি), ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)।


১২০১ থেকে ১৪০০ র‍্যাঙ্কে বর্ণমালার ক্রমানুসারে যৌথভাবে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ), মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) নাম রয়েছে।


১৪০১ থেকে ১৬০০ র‍্যাঙ্কে বর্ণমালার ক্রমানুসারে যৌথভাবে রয়েছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি), আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি)।


১৮০১-২০০০ র‍্যাঙ্কে আছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (ইডব্লিউইউ) ও মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)।


অন্যদিকে র‍্যাঙ্কিংয়ে অংশ নিলেও মূল র‍্যাঙ্ক অর্জনের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করায় তালিকায় জায়গা পায়নি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেন (এইউডব্লিউ), চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ), গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (জিইউবি), শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি), স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি), ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব), উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (ডব্লিউইউবি)।


  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৪৫ পিএম

আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে জামায়াতের ইসলামীর বিতর্কিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামের আপস রফা হওয়ার কথা বলেছেন তার আইনজীবী। আজ বুধবার আদালতে এই বিষয়টি তুলে ধরে এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন প্রার্থনা করার কথাও বলেছেন আইনজীবী মাহবুবুর রহমান।


ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে জামিন শুনানি হয়।


আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের আপসের শর্তে জামিন চেয়েছিলাম। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত না।


“ইতোমধ্যে বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসা হয়েছে। শুনানিতে উপস্থিত থেকে বাদী জানিয়েছেন, দুই আসামির জামিন দিলে তার আপত্তি নেই।”


এদিকে শুনানি নিয়ে বিচারক মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন। তবে গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী।


গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সংসদ ভবনের উল্টোদিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।


রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।


মামলার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেছেন, গত জুনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়। সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে থাকতেন মরিয়ম।


এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে বলে গেছেন। এর মধ্যে রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।


পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন ও মাকছুদা বেগমের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।


২৪ সেপ্টেম্বর আদালত এমপি নজরুলকে ফের চার দিনের রিমান্ডে পাঠায়। ২৮ সেপ্টেম্বর এদিন দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার মামলায় নজরুলকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০১ পিএম

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকারকে ঢালাওভাবে দোষারোপ এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে কেউ বক্তব্য দিয়ে থাকলে, তার বিচার জনগণ করবে।


আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকার নিউগিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। 


ওই ঘটনায় কনটেন্ট নির্মাতা সালমান মুক্তাদির লাইভে এসে দাবি করেন, দলীয় পরিচয়ে তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়েছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলেও দাবি করেন তিনি।


তবে পরদিন সকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চাঁদা দাবির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সালমান মুক্তাদির জানান, তার কাছে সরাসরি কেউ চাঁদা চাননি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কয়েকজনকে গ্রেফতারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।


রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দখলদারি প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রভাব খাটানোর কিছু নেই, দুর্বৃত্ত তো দুর্বৃত্তই। মাটিকাটায় জমি দখলের ঘটনা রাতের অন্ধকারে হয়েছে, সেখানে ৯৯৯-এ ফোন করার পরে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ গিয়েছে, গ্রেফতার করেছে এবং কিছু আলামত সংগ্রহ করেছে। ওখানে গোলাগুলি হয়েছিল। ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত হচ্ছে এবং মামলা হয়েছে।


তিনি বলেন, আমাকে সমালোচনা করে একজন (সালমান মুক্তাদির) বলেছেন, মামলা হয়েছে আমি জানি না। তা অন্তত আইনের বিষয়েও তো আমরা একটু খুঁটিনাটি চর্চা করি। কেউ যখন এজাহার নিয়ে যায়, তখন সেটা মামলা হিসেবে লিপিবদ্ধ করার আগে একটু প্রাথমিক তদন্ত পুলিশকে করতে হয়। তা নাহলে দেখা যাবে ওই মামলায় আমাকে-আপনাদেরও আসামি করে ফেলেছে। যদি অ্যাজ ইট ইজ এজাহারে যা থাকে তাই যদি লিপিবদ্ধ করতে হতো, তাহলে দেখা যাবে যে বঙ্গভবনের ভূমি নিয়েও যদি কেউ আপত্তি তোলে, ওইটাও এজাহার হয়ে যাবে। সেজন্য প্রাথমিক একটা তদন্ত করতে হয়। সেটা করে কেস (মামলা) এন্ট্রি করতে হয়। যিনি মামলা করেছেন তিনি সেখানকার একজন এস্টেট কোম্পানির ডিরেক্টর হিসেবে মামলা করেছেন।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সুতরাং ঢালাও ব্লেম করার জন্য, সরকারকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করার জন্য এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাঁদাবাজ বলার জন্য কেউ যদি বক্তব্য দিয়ে থাকে সেটা বিচার করবে জনগণ। সেখানে কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা ছিল না, তিনি (সালমান মুক্তাদির) নিজেই বলেছেন তার কাছে চাঁদা চাননি। কিন্তু তারপরও কেন বলছেন বিএনপি চাঁদাবাজ? এজাতীয় বক্তব্যের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। তাছাড়া এ ঘটনার তদন্ত করছি, করবো। এখানে যেই জড়িত থাকুক-সে নিউগিনির প্রপার্টির হোক অথবা পার্শ্ববর্তী জমির মালিক হোক তাদের সবাইকে তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে এবং খুব দ্রুত আইনানুগ অ্যাকশন নেওয়া হবে।


এদিকে আজ বুধবার সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এ বিষয়ে দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। চিঠিতে সালমান মুক্তাদিরের নামে থাকা ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। কয়েকটি ব্যাংক চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।


চিঠিতে তার ব্যাংক হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম, গ্রাহক পরিচিতি (কেওয়াইসি) সংক্রান্ত নথি এবং হিসাবের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত লেনদেনের বিবরণীসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র বিএফআইইউতে পাঠাতে বলা হয়েছে।