নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার জন্য স্থাপিত ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:১২ পিএম

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার জন্য স্থাপিত ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার (মোবাইল ল্যাবরেটরি ভ্যান) পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রবেশের আগে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটি পরিদর্শন করেন তিনি। 


সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নিচে রাখা ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটির ভেতরে প্রবেশ করে খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরীক্ষাগারটির কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন।


কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, দেশের ৬৪টি জেলায় ভেজাল বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্য পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।


বর্তমানে দেশের ৮টি মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪টি জেলায় এ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পৃথকভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়।


এদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে।


এছাড়া, খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থাও রয়েছে। ভ্যানের বাইরের দিকে স্থাপিত মনিটরে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রচার করা হয়।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৪ পিএম

দেশের তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে রক্ষা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একইসঙ্গে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংলগ্ন এলাকা সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত রাখতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।


আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বঙ্গভবনে সকালে উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং ভাইস চ্যান্সেলর (উপাচার্য) অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।


সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন উপাচার্য। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা, সীমাবদ্ধতা ও সমস্যার বিষয়গুলোও রাষ্ট্রপতির নজরে আনেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রাষ্ট্রপতি।


উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি), আসন্ন উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি ওই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।


সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

এলপিজি বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৫৮ পিএম

এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।


এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান জানান, দাবিগুলো নিয়ে আগামী ২৯ তারিখ সকালে বিইআরসিতে গণশুনানি হবে। এই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর আগে সকালে এলপিজি আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ওই বৈঠক থেকে জানানো হয়, ‘জনগণকে জিম্মি করে এলপিজি ধর্মঘট করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


এর আগে কমিশন বাড়ানো, গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধসহ সাত দফা দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ও পরদিন শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সারাদেশে এলপিজি বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল সংগঠনটি। গত ১২ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ কর্মসূচি দেন ব্যবসায়ীরা।


তবে আজ বুধবার সকালে এলপিজি আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘এলপিজি একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। এর সরবরাহ ব্যাহত করে জনস্বার্থবিরোধী পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে সরকার তা কঠোরভাবে মোকাবিলা করবে।’


মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে জানান যে, বাজার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এলপিজি নিয়ে বাজারে কারসাজি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা ধর্মঘটের মাধ্যমে জনগণকে জিম্মি করার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


ধর্মঘট প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সরকারের অবস্থান ব্যবসায়ীদের সামনে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। তিনি পুনরুল্লেখ করেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় এ পণ্যের সরবরাহ নিয়ে কারসাজি, জনগণকে জিম্মি করা কিংবা ধর্মঘটের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আগামী ২৯ তারিখ বিইআরসিতে গণশুনানির আশ্বাসের পর এলপিজি ব্যবসায়ীরা তাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থেকে সরে আসেন।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৪০ পিএম

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২৭টি শিশু। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।


এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ১ হাজার ৭৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ১৭৭টি শিশু মারা গেছে।


এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৯৯। এই সময়ে ১ হাজার ২১টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২৬টি শিশু।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ৫৭০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৮৪০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৯০ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৯৮ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

সর্বশেষ সব খবর

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:০৬ পিএম

নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে জানানো হয়, বিষয়টি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে উত্থাপন করে এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনকে নির্দেশনা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


বিবৃতিতে বলা হয়, দুষ্কৃতকারীরা নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।


নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব উল্লেখ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিদেশের মাটিতে তাকে হয়রানির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।


মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এ ঘটনার পেছনে যারা দায়ী, তারা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ ও দেশের নাগরিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

সর্বশেষ সব খবর

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৫ পিএম

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ওই সরকারের উপদেষ্টারা। আজ মঙ্গলবার যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা বলেছেন, দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘোষণা করতে চাই- ভয়ভীতি, মিথ্যাচার, অনলাইন হয়রানি কিংবা ব্যক্তিগত হুমকি জুলাইয়ের প্রতিশ্রুত পরিবর্তনের সংকল্প থেকে আমাদের বিন্দুমাত্র দমাতে পারবে না।


বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের আপামর জনগণের ম্যান্ডেট এবং তরুণ সমাজের বিপুল আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত সংস্কার ও মর্যাদার ঐতিহাসিক অর্জনকে কোনো অপপ্রচার কিংবা ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসরদের চক্রান্তে মুছে যেতে দেওয়া হবে না।


বিবৃতিতে সাবেক উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, সি আর আবরার, ড. আসিফ নজরুল, আদিলুর রহমান খান, লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. সাখাওয়াত হোসেন (অব.), ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক, ফরিদা আখতার, শারমিন সোনিয়া মুরশিদ, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী (চলচ্চিত্র নির্মাতা) এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের নাম রয়েছে। 


সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে অনলাইন অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণে গভীর ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন সাবেক উপদেষ্টারা। 


তাঁরা বিবৃতিতে বলেছেন, দেশ যখন মহাবিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল, তখন অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চরম ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনের গুরুদায়িত্ব কাঁধে নেয়। বছরের পর বছর ধরে চলা লাগামহীন অর্থনৈতিক লুটপাট, গণতান্ত্রিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ভাঙন, দুর্নীতি, প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচার এবং মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের শিকার একটি জাতিকে টেনে তোলার জন্য এই সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিয়মিত ঘটে যাওয়া গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য ও নির্মম অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছে। 


বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন, ফ্যাসিবাদী শাসনের শিকার ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার দেওয়া এবং মানবাধিকারের সুরক্ষাকে অব্যাহত রাখার প্রত্যয়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।


সাবেক উপদেষ্টারা বলেছেন, গভীর পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, কিছু রাজনৈতিক দুষ্কৃতকারী ও কায়েমী স্বার্থান্বেষীরা অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে অনবরত মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। এমনকি তাঁকে শারীরিকভাবেও হুমকি দিচ্ছে। দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গ্রহণযোগ্যতাকে ক্ষুণ্ন করতেই ড. ইউনূসকে হেনস্তা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সাবেক উপদেষ্টারা।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৪ পিএম

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতি মাধ্যমে নেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের ভর্তি। যদিও দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি হতে হলে শিক্ষার্থীদের দিতে হবে ভর্তি পরীক্ষা। এর মধ্যে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ নম্বরের এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা-২০২৭ এ জানানো হয়েছে এসব তথ্য।


আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা প্রকাশ করেছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস।


নীতিমালায় বলা হয়ে- প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। প্রথম শ্রেণিতে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি বিদ্যালয়ে পছন্দক্রম সম্পাদন হয়েছে বলে গণ্য হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সকল আবেদন বাতিল হবে।


মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারির কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। লটারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।


লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। ভর্তি কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


যদিও দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে ভর্তি নীতিমালায়। 


নীতিমালা বলা হয়েছে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।


লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা প্রস্তুত রাখতে হবে। ভর্তি কমিটি নির্ধারিত তারিখে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক স্তর অর্থাৎ, দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ ও গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্নপত্র থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের ওপর। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর থাকবে। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে ২ ঘণ্টা।


নীতিমালার নির্দেশনা মতে, ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রচার করবেন। এছাড়া ভর্তি কমিটি জাতীয়, স্থানীয় পত্রিকা এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা নেবে।

সর্বশেষ সব খবর