• প্রকাশ : সোমবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ৬:৩১ এএম

আগামীকাল মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকবে। আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) ডিএমটিসিএলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই পোস্টে বলা হয়, মেট্রোরেলের যাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় প্যারাজাম্প অনুষ্ঠিত হবে বিধায় প্যারাট্রুপারদের নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ থাকবে।

এতে আরও বলা হয়, সম্মানিত যাত্রীদের সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সাময়িক অসুবিধার জন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখিত।




  • প্রকাশ : শনিবার ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৪ পিএম

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়াসহ সাভার ও ধামরাইয়ের বিভিন্ন শিল্পকারখানা থেকে বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে ঘটনাস্থলে বিকাশ নম্বর রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগে সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে শিল্প পুলিশ-এক (ঢাকা)। পুলিশের দাবি, চুরি করা মিটার ফেরত দেওয়ার বিনিময়ে দর-কষাকষির মাধ্যমে বিকাশে টাকা নিত চক্রটি।


শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর দুই টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুরে শিল্প পুলিশ-এক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিল্প পুলিশ-এক এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া (পিপিএম)।


গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার পাথরাইল গ্রামের কাইয়ুম আলীর ছেলে মো. সবুজ মিয়া ওরফে ‘মিটার সবুজ’ (২৫) এবং একই উপজেলার রেহাই পুকুরিয়া এলাকার লিটন মোল্লার ছেলে মো. মারুফ মোল্লা (৩৫)।


পুলিশ জানায়, গত কয়েক মাস ধরে সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ের শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ মিটার চুরি করে আসছিল চক্রটি। মিটার চুরির পর সেটি আশপাশের কোনো স্থানে লুকিয়ে রেখে পলিথিনে মোড়ানো একটি চিরকুটে বিকাশ নম্বর লিখে যেত। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে দর-কষাকষির মাধ্যমে বিকাশে টাকা নিয়ে মিটার ফেরত দেওয়া হতো বলে পুলিশের ভাষ্য।


পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, গত পাচ আগস্ট ধামরাইয়ের ঢুলিভিটা এলাকায় ‘দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড’-এর এক নম্বর গেটের সামনে থেকে পল্লী বিদ্যুতের একটি মিটার চুরি হয়। এ ঘটনায় ধামরাই থানায় মামলা হলে শিল্প পুলিশ- এক ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামিদের শনাক্ত করা হয়।


এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকার ঘোড়াপীর মাজারসংলগ্ন মানিকগঞ্জ বুক হাউসের সামনে অভিযান চালায় শিল্প পুলিশের একটি দল। পুলিশ জানায়, এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা সবুজ মিয়া ও মারুফ মোল্লাকে থামার সংকেত দেওয়া হলে তারা পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে গেলে তারা আহত হন। পরে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে গ্রেপ্তার করা হয়। একই ঘটনায় অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশের দুই সদস্যও আহত হন বলে জানানো হয়েছে।


পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সবুজ মিয়া শিল্পাঞ্চল থেকে ১৫০ থেকে ২০০টি এবং মারুফ মোল্লা ৬০ থেকে ৭০টি মিটার চুরির কথা জানিয়েছেন। তবে এসব তথ্যের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে।


শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, সাম্প্রতিক সময়ে একমি ল্যাবরেটরিজ, স্টারলিং লন্ড্রি অ্যান্ড ডেনিমস লিমিটেড, কাইজেন মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ জে ডব্লিউ টি কোম্পানি, প্যাক অ্যান্ড টিম প্যাকেজিং লিমিটেড, ম্যাকটেক করপোরেশন, আয়েশা ক্লোথিং, ইফাদ অটোস, ট্রেন্ড সেটার্স ট্রিমস ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউবেস্ট (বাংলা) ফ্যাশন, টর্ক ডিজাইন, এম এম মাল্টিমাইন্ড নিট গার্মেন্টস, সিনলিয়ান ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি বাংলাদেশ এবং ফেব্রিলাইফ ফ্যাশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে।


গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের একটি হেক্সিং ব্র্যান্ডের বিদ্যুৎ মিটার, দুটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এবং একটি কালো-লাল রঙের বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


পুলিশ আরও জানায়, সবুজ মিয়ার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর ও কামারখন্দ, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ও মির্জাপুরসহ বিভিন্ন থানায় চুরি, চাদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত ছয়টি মামলা রয়েছে। মারুফ মোল্লার বিরুদ্ধে আশুলিয়া, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ও মির্জাপুর, সিরাজগঞ্জের চৌহালী, বেলকুচি ও কামারখন্দ এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া ও সিংগাইর থানায় চুরি, দস্যুতা, চাঁদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত মোট ১০টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। এসব মামলা বিচারাধীন।


সংবাদ সম্মেলনে শিল্প পুলিশ- এক এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মাহবুবুল হক সজীব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশনস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স) সৈয়দ ফয়ছল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, লজিস্টিকস অ্যান্ড ট্রেনিং) মো. তোফাজ্জল হোসেন এবং সহকারী পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রাশেদুল ইসলাম বিশ্বাসসহ শিল্প পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



  • প্রকাশ : শনিবার ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:০৭ পিএম

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের অ্যাভিনিউ-২ সড়ক। গতকাল শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে পানির ট্যাংক এলাকায় এসে থামল ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা। আরোহী ছিলেন দুই নারী। একজন ব্যাগ থেকে ভাড়ার টাকা বের করছিলেন, অন্যজন তাকাচ্ছিলেন চারদিকে। সড়ক ও ফুটপাতজুড়ে কোথাও কোনো দোকান নেই, নেই হকার বা ভ্রাম্যমাণ কোনো বিক্রেতাও।


চারপাশ এতটাই ফাঁকা যে রিকশা থেকে নামবেন কি না, তা নিয়েও যেন খানিকটা দ্বিধায় পড়েছিলেন তাঁরা। কারণ, এত দিনের চেনা জায়গাটি যেন ভিন্ন রূপ নিয়েছে।


শেষ পর্যন্ত ভাড়া মিটিয়ে রিকশা থেকে নামলেন দুজন। এগিয়ে গিয়ে কথা বলে জানা গেল, তাঁরা এসেছেন মিরপুর ১০-এর হোপ মার্কেটে কাপড় কিনতে। অতীতেও এখান থেকে কাপড় কিনেছেন; কিন্তু পরিচিত এই জায়গায় এসে দোকানপাটের কোনো চিহ্ন না দেখে অবাক হয়েছেন। গত বুধবার ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফুটপাত ও সড়ক থেকে হকার ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করা হয়েছে-এ তথ্য তাঁদের জানা ছিল না।


এলাকাটিতে হোপ প্লাজা নামের একটি ভবন আছে। এর আশপাশের সড়ক ও ফুটপাতে এত দিন ভ্রাম্যমাণ যে বাজার বসত, তা হোপ মার্কেট নামে পরিচিতি পায়।


গতকাল কেনাকাটা করতে আসা দুই নারীই ছিলেন শিক্ষার্থী। রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় একটি ছাত্রীনিবাসে থাকেন। তাঁদের একজন সুরাইয়া মিম, অন্যজন নওশীন জাহান। হোপ মার্কেটে এসে কেনাকাটা করতে না পেরে কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তবে ফুটপাত ও সড়কের সুন্দর ফাঁকা অবস্থা দেখে ভালো লাগছে বলেও তাঁরা জানান।


সুরাইয়া মিম বলেন, এত দিন এই সড়ক যে এতটা প্রশস্ত এবং পাশে হাঁটার জন্য ফুটপাত আছে, তা বোঝারই উপায় ছিল না।


নওশীন জাহান বলেন, ফুটপাত ও সড়কজুড়ে হকারদের দোকানের কারণে এখানকার বাসিন্দাদের যে কী পরিমাণ ভোগান্তি হতো, তা এখন ফাঁকা জায়গাটি দেখে বোঝা যাচ্ছে।


গতকাল বিকেলে হোপ মার্কেট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কে কোনো ভ্রাম্যমাণ দোকান নেই। ফুটপাতও ফাঁকা। মাথার ওপর ছাউনির মতো কাঠ-বাঁশের সঙ্গে বেঁধে রাখা পলিথিন বা ত্রিপলও নেই। প্রশস্ত ফুটপাত দিয়ে স্বচ্ছন্দে হাঁটছেন পথচারীরা। সড়কও দেখাচ্ছে খোলামেলা। মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে মিরপুর ১৩ নম্বর সেকশনের দিকে কয়েক কিলোমিটার এলাকা ঘুরেও একই চিত্র দেখা যায়। হোপ মার্কেটসহ আশপাশের সড়ক ও ফুটপাত থেকে হকারদের দোকানপাট সরে গেছে।


বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। একপর্যায়ে হকার ও দোকানিদের সঙ্গে পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের মধ্যে ডিএনসিসির তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া এবং পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার হন গণমাধ্যমকর্মীরাও।


পরে দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে যান ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তাঁর উপস্থিতিতে মিরপুর ১০ থেকে মিরপুর ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাতের ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়।


গোলচত্বর থেকে বিআরটিএ পর্যন্ত এখন ফাঁকা


অভিযানের আগে হোপ মার্কেটকে কেন্দ্র করে মিরপুর ১০ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ১১/১ ও ১১/২ নম্বর লেন, বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদের পাশের ফুটপাত, মিরপুর আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এবং সি ব্লকের অ্যাভিনিউ-২-এর সড়ক ও ফুটপাতের বড় অংশ দখলে ছিল হকারদের। ফুটপাতের সীমানাদেয়ালের সঙ্গে বাঁশ ও কাঠ বেঁধে পলিথিন ও ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে দোকান বসানো হয়েছিল। মূল সড়কের ভেতরেও দুই থেকে তিন সারিতে বসানো হয়েছিল অস্থায়ী দোকান। এসব দোকানে মূলত নারী ও শিশুদের পোশাক, জুতা, অলংকার, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হতো। ছিল ফুচকা, চটপটি ও ভাজাপোড়া খাবারের দোকানও।


সি ব্লকের অ্যাভিনিউ-২ থেকে ৬ নম্বর লেন পর্যন্ত প্রায় ২০০ মিটার সড়কের দুই পাশের ফুটপাতের পুরোটাই দখলে ছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান। গতকাল সরেজমিন সেখানে কোনো দোকান দেখা যায়নি। বুধবার ভেঙে দেওয়া দোকানের বাঁশ, কাঠ ও ত্রিপলের অংশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।


চার বছরের ছেলে আফসারকে নিয়ে ফুটপাত দিয়ে হাঁটছিলেন ফরিদা বেগম। ৬ নম্বর লেনের একটি বাসায় প্রায় দুই বছর ধরে থাকেন তিনি। ফরিদা বলেন, ‘আগে এই রাস্তা ও ফুটপাত দিয়ে হেঁটে চলার উপায় ছিল না। বিশেষ করে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতার প্রচুর ভিড় থাকত। এখন নির্বিঘ্নে হাঁটতে পারছি। ছেলেও নিজে নিজেই হাঁটছে।’


হোপ মার্কেটের পাশের বি ব্লকের ১১/২ নম্বর লেনের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কী যে একটা যন্ত্রণার মধ্যে ছিলাম! আর এখন কী যে ভালো লাগছে, বলে বোঝানো যাবে না। এখন বাসা থেকে বের হয়ে শান্তি লাগছে।’


এই ফুটপাত-সড়ক এমনই দখলমুক্ত থাকুক- এমন প্রত্যাশা করে রফিকুল বলেন, সিটি করপোরেশন যেন এদিকে দৃষ্টি রাখে। আবারও অবৈধ কোনো দখলদারের কবলে না পড়ে ফুটপাত-সড়ক।


সভাপতি রাশেদ ও সম্পাদক হুমায়ূন

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৯ পিএম

ঢাকার স্থানীয়দের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন ঢাকা সাংবাদিক ফোরামের (ডিএসএফ) নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি পদে রাজধানী টেলিভিশনের নির্বাহী পরিচালক রাশেদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক কালবেলার বিশেষ প্রতিনিধি মো. হুমায়ূন কবীর নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন কমিটি গঠন করা হয়। ২০২৬-২৮ মেয়াদে আগামী দুবছরের জন্য ২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।


নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন বিশিষ্ট কবি, শিশুসাহিত্যিক ও দৈনিক আগামীর সময়ের ডিরেক্টর-ক্লাব অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সাইদুজ্জামান রওশন (দন্ত্যস রওশন)।


নতুন কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন এনটিভির জাহিদ রহমান, সহ-সভাপতি পদে দৈনিক সংগ্রামের এ কে এম কামরুজ্জামান (হিরু), সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মানবজমিনের রাশিম মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মাসুদ রানা, অর্থ সম্পাদক পদে প্রেসেঞ্জা ইন্টারন্যাশনাল প্রেস এজেন্সির মাকসুদা লিসা, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের মো. রাশেদ নিজাম, দপ্তর সম্পাদক পদে একুশে টেলিভিশনের আফসানা জাহান নীলা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে সাপ্তাহিক সাফকথার মো. মাহমুদুর রশিদ, ক্রীড়া সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে এনটিভির ইয়াসির আরাফাত (কুশল), তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে নিউজ টোয়েন্টিফোর টেলিভিশনের আল মোহাইমিনুল খান, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক পদে আজকের দৈনিকের মো. আবুল কাশেম, আইন ও কল্যাণ সম্পাদক পদে চ্যানেল এসের মিঠুন সরকার, নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে দ্য বিজনেস ফাইলের সৈয়দা রিমি কবিতা নির্বাচিত হয়েছেন।


এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বাসসের মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন (লিটন), এখন টিভির শাহরিয়ার জামান দীপ, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের দেলোয়ার হোসেন বাদল, এগ্রি নিউজ টোয়েন্টিফোর.কমের মো. খোরশেদ আলম জুয়েল, ডিবিসি টেলিভিশনের হোমায়রা মাহমুদা ফারুকী ও দৈনিক মানবজমিনের আনোয়ার হোসেন পিন্টু নির্বাচিত হয়েছেন।


সাধারণ সভায় ডিএসএফের গঠনতন্ত্রে কিছু পরিবর্তন আনার সুপারিশ করা হয় এবং তা পাস হয়।


দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় বক্তারা ঢাকার ঐতিহ্য তুলে ধরতে এবং সবার জন্য বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে ঢাকা সাংবাদিক ফোরামকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে কাজ করার আহ্বান জানান।


উদ্ধার হওয়া ঘণ্টা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:১৭ পিএম

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চের প্রায় ৭০ কেজি ওজনের একটি পিতলের ঘণ্টা চুরির পর তা উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিটে জাকির হোসেন রোডের একটি ময়লার ডাস্টবিনের পাশ থেকে সাদা পলিব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ঘণ্টাটি উদ্ধার করা হয়।


মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, গত বুধবার রাত ১২টার পর যেকোনো সময় ৯২ আসাদ অ্যাভিনিউয়ে ওয়াসা ভবনের সামনে অবস্থিত সেন্ট পল স্কুল অ্যান্ড চার্চের দোতলার ঘণ্টাটি চুরি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার আগে রাত ১২টা ৩ মিনিট থেকে চার্চের সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং বন্ধ ছিল। তবে কী কারণে ওই সময় থেকে সিসিটিভির রেকর্ডিং বন্ধ ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


ওসি আরও বলেন, ঘটনার পর চুরি হওয়া ঘণ্টা উদ্ধার ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করে। পুলিশের অভিযানের মুখে চোর বা চোরচক্র ঘণ্টাটি ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডের ময়লার ডাস্টবিনের পাশ থেকে সাদা পলিব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় সেটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় ঘণ্টাটি অক্ষত ছিল।


পুলিশ জানায়, উদ্ধার করা ঘণ্টাটি থানা-হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান। চুরির আগে সিসিটিভি রেকর্ডিং বন্ধ হওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। চুরির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 


মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৩৪ পিএম

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি-সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা, নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় মামলাটি করেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা শাহরিয়ার আলম সজিব।


বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, মামলার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরপর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মামলার এজাহারে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট (বিজি-৩৩৮) বিমানবন্দরে অবতরণের পর বিপুল যাত্রীর চাপ সৃষ্টি হয়। এ সময় ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় ট্রলি-সংকট দেখা দেয় এবং যাত্রীরা লাগেজ পেতে বিলম্বের মুখে পড়েন। এতে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যাত্রীদের ক্ষোভ ও উত্তেজনার মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেনের আহ্বানে ঘটনাস্থলে যান বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান তার দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে এগিয়ে যান এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। আখতারুজ্জামান নির্বাহী পরিচালককে ‘আমি কিন্তু পিটাব ধইরা’ এবং ‘ঘাড় ধরে বের করে দেব’ বলে হুমকি দেন। একই সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী সম্পর্কেও অশালীন মন্তব্য করেন তিনি।


এজাহারে আরও বলা হয়েছে, আখতারুজ্জামানের সঙ্গে থাকা প্রটোকল সহকারীরা বিমানবন্দরের সংরক্ষিত (কেপিআই) এলাকায় মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করছিলেন। সেখানে দায়িত্ব পালনরত নিরাপত্তা সুপারভাইজার ওয়ারেন্ট অফিসার মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন তাদের ভিডিও ধারণে নিষেধ করেন। এতে আখতারুজ্জামান ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং একপর্যায়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।


এ ছাড়া সাধারণ যাত্রীদের সংগ্রহ করা জমজমের পানির বোতল ট্রলি থেকে ফেলে দিয়ে ক্ষতিসাধন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক প্রতিনিধির সঙ্গে মারমুখী আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।


মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, অভিযুক্তের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্পর্শকাতর ও সংরক্ষিত বিমানবন্দর এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।


পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য ও অন্যান্য আলামত সংগ্রহ করে তদন্ত করা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৫ পিএম

রাজধানীর মিরপুরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নির্মিত আবাসন প্রকল্পের একটি ভবনের লিফট ছিঁড়ে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের আগারগাঁওয়ের জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূর্নবাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) নেওয়া হয়েছে। আহতরা হলেন- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক কর্মচারী মোস্তাফিজুর রহমান (৬২), নাইস আহমেদ (৪০) ও তার ছেলে ওয়াসি (৮)। তাদের মধ্যে নাইস আহমদের দুটি পা ভেঙে গেছে। 


ভবনের বাসিন্দা সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, সকাল ৬টার দিকে পাইকপাড়া আনসার ক্যাম্পের কাছে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন প্রকল্পের ১ নম্বর ভবনে এ ঘটনা ঘটে। ফজরের নামাজের পর ভবনের পাঁচ তলার তিন বাসিন্দা লিফটে ওঠেন। কিছুক্ষণ পর বিকট শব্দে লিফটটি ছিঁড়ে পড়ে। শব্দ শুনে দারোয়ান সেখানে গিয়ে লিফটের ভেতরে চিৎকার শুনতে পান। পরে আশপাশের কয়েকজন গিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন।


ভবনের আরেক বাসিন্দা অর্থ বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমির চন্দ্র শীল অভিযোগ করেন, লিফটটি প্রায়ই অচল থাকে। মাঝেমধ্যে সামান্য মেরামত করে চালানো হচ্ছে। এটি যে অত্যন্ত ঝুঁকিপুর্ণ এই দুর্ঘটনাই তার প্রমাণ। লিফটের বিষয়টি কয়েকবার গণপূর্ত বিভাগের কাছে চিঠি দিয়ে জানানো হলেও তারা কর্ণপাত করেনি।


মিরপুর থানা পুলিশ বলছে, এ বিষয়ে পুলিশের কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।