পাবনার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অরবিট একাডেমিক এন্ড এডমিশন কেয়ার–এর উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) দিনব্যাপী পাবনায় প্রতিষ্ঠানটির আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় চান্সপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মাহিন উদ্দিন বলেন, “এ ধরনের সংবর্ধনা আমাদের অনুপ্রাণিত করে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করার উৎসাহ জোগায়।”
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আসাদ নিলয় জানান , পাবনায় সর্বাধিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সাফল্য অর্জনকারী কোচিংগুলোর মধ্যে অরবিট একাডেমিক এন্ড এডমিশন কেয়ার অন্যতম। এছাড়াও এখানে ইন্টারমিডিয়েট ১ম ও ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের বায়োলজি ও রসায়ন পড়ানো হয়।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুল ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।
বায়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম - ডানে কুবি উপাচার্য
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হক স্বাক্ষরিত এক অভিনন্দন বার্তায় এ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একজন সজ্জন, প্রাজ্ঞ ও দূরদর্শী রাজনীতিবিদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন। রাজনৈতিক জীবনের নানা প্রতিকূলতা ও দুঃসময়ে তাঁর দৃঢ়তা, সাহস, সততা ও দায়িত্ববোধ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একজন প্রাজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি আনন্দিত। তাঁর প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আরও সমৃদ্ধ, উন্নত ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী।’
কুবি উপাচার্য আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, রাষ্ট্রপতির নেতৃত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উচ্চশিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন, গবেষণার প্রসার এবং উদ্ভাবনী জ্ঞান সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাবে।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের ২০২৬-২৭ সেশনের সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইউসুফ শেখ। একই সেশনে গার্লস ইন সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা ইন্না।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) কক্ষে নোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের গ্রুপ কাউন্সিল ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়। নোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক ও ফলিত গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল করিমের নেতৃত্বে এ গ্রুপ কাউন্সিল পরিচালিত হয়।
গ্রুপ কাউন্সিলে নোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সদস্যদের সরাসরি ভোটে ২০২৬-২৭ সেশনের সিনিয়র রোভার মেট, গার্লস ইন সিনিয়র রোভার মেট ও রোভার মেট নির্বাচিত করা হয়।
সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত হয়ে মোহাম্মদ ইউসুফ শেখ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, নোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। যারা আমার ওপর আস্থা রেখে আমাকে এই দায়িত্বের জন্য নির্বাচিত করেছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। গত ১৫ বছরের স্কাউটিং জীবনের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে গ্রুপকে আরও এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।
বিশেষ কৃতজ্ঞতা আমার সাবেক সিনিয়র রোভার মেট মমিনুল ভাই ও রিয়া আপুর প্রতি। পাশাপাশি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের শ্রদ্ধেয় গ্রুপ সম্পাদক জনাব আব্দুল করিম স্যারকে তাঁর দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার জন্য। নতুন দায়িত্বে সবার দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।
গার্লস ইন সিনিয়র রোভার মেট নির্বাচিত হয়ে উম্মে হাবিবা ইন্না বলেন, সিনিয়র রোভার মেট হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ, গর্ব ও একইসঙ্গে একটি বড় দায়িত্বের বিষয়। স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করতে চাই। নতুন প্রজন্মের রোভারদের নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে কাজ করাই হবে আমার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সেবার আদর্শকে সামনে রেখে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে আরও বেশি কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই। একইসঙ্গে রোভারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, teamwork ও নেতৃত্বের চর্চা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা রাখি। এই দায়িত্বের মাধ্যমে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে গ্রুপ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইতিবাচক কিছু করার চেষ্টা করব। সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা নিয়ে একটি সক্রিয়, দক্ষ ও মানবিক রোভার স্কাউট গ্রুপ গড়ে তোলাই আমার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন।
নবনির্বাচিত নেতৃত্ব আগামী ২০২৬-২৭ সেশনে নোবিপ্রবি রোভার স্কাউট গ্রুপের কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্যদের নেতৃত্ব প্রদান এবং বিভিন্ন স্কাউটিং কার্যক্রমে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করবেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) এক অভিনন্দন বার্তায় নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুযোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নবদিগন্তের সূচনা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বার্তায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিচক্ষণ দিকনির্দেশনায় দেশের উচ্চশিক্ষা খাত আরও গতিশীল হবে, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রায়োগিক ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক মানের গুণগত গবেষণার প্রসার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপাচার্য।
অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, “একজন প্রাজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি আনন্দিত। আমাদের প্রত্যাশা, একজন দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন।”
এ সময় নোবিপ্রবি উপাচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আবাসিক ১০ হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশনামায় এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশনামা সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদের শহীদ শামসুল হক হলে কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর খান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ফজলুল হক হলে ডেয়রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. রায়হান হাবিব, আশরাফুল হক হলে উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. কামরুল হাছান, শহীদ জামাল হোসেন হলে পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছাব্বির আহাম্মদ এবং মাওলানা ভাসানী হলের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক-ই-রব্বানী প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
এছাড়া ছাত্রীদের সুলতানা রাজিয়া হলের ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. কানিজ ফাতেমা, জুলাই ৩৬ হলের এনিমেল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুক্তা খান, কৃষিকন্যা হলের ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক ড. সাবিনা ইয়াসমিন এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ ইসমাইল হোসেন প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
আদেশনামা অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত প্রভোস্টগণ নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ২১ আগস্ট থেকে কার্যকর সাপেক্ষে প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া হল এবং কৃষিকন্যা হলের প্রভোস্ট পরবর্তী ৬ মাসের জন্য এবং বাকি ৮ হলের প্রভোস্ট আগামী দুই বছরের জন্য এ দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য আরও ৫ টা হলে পূর্বের স্ব স্ব প্রভোস্টগণ তাদের দায়িত্বে বহাল থাকবেন বলে জানা যায়।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ একাধিক পদে পরিবর্তন এসেছে । বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, সহকারী প্রক্টরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় উক্ত পদসমূহে নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
এছাড়া বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস), ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এবং প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের নতুন পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. হেলাল উদ্দীনের স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশনামায় উক্ত দায়িত্ব বণ্টনের তথ্য জানানো হয়।
আদেশনামা সূত্রে জানা যায়, বাকৃবির নতুন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্সটিটিউট অব বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সহকারী প্রক্টর হিসেবে কৃষিতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা এবং পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহিদুর রহমান প্রক্টরিয়াল বডিতে নিয়োগ পেয়েছেন। তারা যথাক্রমে অধ্যাপক ড. মাজবুবুল প্রতীক সিদ্দিক ও অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস হোসেনের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম ও চার সহকারী প্রক্টরকে পূর্ববতী দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে।
এছাড়া বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এনিমেল ব্রিডিং এন্ড জেনেটিক্সের অধ্যাপক ড. মো সামছুল আলম ভূঁঞা। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মুহাম্মদ হোসেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের নতুন পরিচালক হিসেবে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ নিয়োগ পেয়েছেন।
উক্ত পদসমূহে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা আগামী দুই বছরের জন্য এসব দায়িত্ব পালন করবেন বলে আদেশনামায় জানানো হয়।
আসন্ন শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ও ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনা হচ্ছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, এ সময়সূচি উল্লেখ করে তাঁরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবারের মধ্যেই মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে অনুমোদন পাওয়ার আশা করছেন তাঁরা। এর আগে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন নেওয়া এবং ভর্তি কার্যক্রম শেষে ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা ছিল।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবারও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হবে। কোনো ভর্তি পরীক্ষা হবে না। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
কয়েক বছর ধরেই এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হয়। পরে ফলাফল, পছন্দক্রম ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটা বিবেচনায় একটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রীয়ভাবে একাদশ শ্রেণির অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। এই পদ্ধতিতে কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোয় ভর্তি হয় পৃথক প্রক্রিয়ায়। ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া দেশের প্রায় সব কলেজ ও মাদ্রাসায় এ পদ্ধতিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, আবেদনের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি–ইচ্ছুক সবাইকে আবেদন করতে হবে। যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে, তাদেরও আবেদন করতে হবে। তবে পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তাদের পুনরায় আবেদনের সময় দেওয়া হবে। ১০ সেপ্টেম্বর পুনর্নিরীক্ষণে ফল প্রকাশ হওয়ার কথা।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রস্তাব অনুযায়ী, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর যাদের পুনর্নিরীক্ষণে ফল পরিবর্তন হবে, তারা আবেদন করতে পারবে। এভাবে যাচাই–বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তির কাজ হবে। তারপর ২৩ সেপ্টেম্বর ক্লাস শুরু হবে।
তবে যারা এ সময়ে ও প্রক্রিয়ায় কোনো কলেজ-মাদ্রাসা পাবে না বা প্রত্যাশিত কলেজ পাবে না অথবা কোনো কারণে আবেদন করতে পারবে না, ২৩ সেপ্টেম্বরের পরপর তাদেরও ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে।
এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী প্রায় ১৩ লাখ আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন পড়েছে লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি।
অর্ধেকের বেশি আসন খালি থাকবে
১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী ছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অর্থাৎ প্রায় ৭ লাখ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে মোট আসনের অর্ধেকের বেশি এবার খালি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোয় আসনসংখ্যা সীমিত। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন