রাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদক জায়িদ হাসান জোহা

  • প্রকাশ : শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬, সময় : ১১:৪৪ এএম

শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকীকে ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাংস্কৃতিক–বিষয়ক সম্পাদক জায়িদ হাসান। আজ শনিবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে এই কটাক্ষ করেন তিনি।


জায়িদ হাসান রাকসুতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ছাত্রশিবিরে তাঁর কোনো পদপদবি আছে কি না, তা জানা যায়নি।


ওই পোস্টের ক্যাপশনে জায়িদ হাসান লেখেন, ‘জাহান্নামের ইমামের মরণ দিবস আজ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে বাস্তবায়ন করেছিল বিদেশি নকশা।’ আর পোস্টের ফটোকার্ডে লেখা ছিল, ‘শহীদ জননী জাহানারা ইমামের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিকে মূলধারায় আনতে গঠন করেছিলেন গণ-আদালত।’


পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে অনেকে এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন এবং জায়িদ হাসানের পদ স্থগিতের দাবি জানান। এরপর জায়িদ হাসান এ বিষয়ে আরেকটি পোস্ট দিয়ে লিখেছেন, ‘আমি কোনো শহীদের মাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করিনি। বাংলাদেশে মব কালচারের গোড়াপত্তনকারী জাহানারা ইমামকে জাহান্নামের ইমাম বলেছি। শহীদের মা পরিচয় কারও খুনি পরিচয় মুছে দিতে পারে না। লাউড অ্যান্ড ক্লিয়ার।’


জায়িদ হাসানের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফী এক পোস্টে লিখেছেন, ‘রাকসুর অপ!সংস্কৃতি সম্পাদক জোহা শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে “জাহান্নামের ইমাম” বলে ফতোয়া দিয়েছে। কারণ, জাহানারা ইমামই প্রথম ওদের জাতির পিতা রাজাকারকুলের শিরোমণি গোলাম আযমকে গণ-আদালত ফাঁসি দিয়েছিল। এটাই আমাদের গত ৫৫ বছরের রাজনৈতিক খেসারত যে জায়িদের মতো যুদ্ধাপরাধীর উত্তরসূরিরা দেশের দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়, শহীদের মাকে নিয়ে বাজে কথা বলার সাহস পায়।’


পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আমানউল্লাহ খান লিখেছেন, ‘রাবিতে যারা ছাত্ররাজনীতি করে, তারা খুবই আনস্মার্ট। ক্যাম্পাসে এতক্ষণ প্রতিবাদমুখর হওয়া উচিত ছিল। রাকসুর অপসংস্কৃতি–বিষয়ক সম্পাদকের পদ বাতিলের দাবিতে রাকসুর সভাপতিকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া উচিত। তারা বাংলাদেশে থেকে এ দেশের ইতিহাস কটাক্ষ করবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।’


জাহানারা ইমাম একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন। ১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর গোলাম আযমকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ঘোষণার পর প্রতিবাদ ওঠে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি থেকে। তাঁর বড় ছেলে শাফী ইমাম রুমী স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করতে গিয়ে শহীদ হন। তাঁর রচিত ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর পরিবারের এই অসামান্য আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলাদেশে ‘শহীদ জননী’ হিসেবে পরিচিত ও সম্মানিত।




সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:০০ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তদন্তে গঠিত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা হল দুটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।


এর আগে ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক অফিস আদেশে ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।


কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান এবং সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান। অফিস আদেশে কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।


পরিদর্শনকালে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়গুলো তুলে আনা হবে। সবার বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে।”


এদিকে, দুই হলের সিসিটিভি ফুটেজ যাতে কেউ নষ্ট বা পরিবর্তন করতে না পারে, সে জন্য পরিদর্শনকালে হল দুটির প্রভোস্টের কক্ষ সিলগালা করে রাখা হয়।

তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন দেবে বলে জানা গেছে।


সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ সব খবর

শাহ বিলিয়া জুলফিকার ও ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১৯ এএম

বাংলাদেশে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো ভাইভা। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও বাস্তব পরিস্থিতির প্রস্তুতির অভাবে অনেক মেধাবী পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে পিছিয়ে পড়েন। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে তরুণ লেখক শাহ বিলিয়া জুলফিকারের প্রথম বই ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ প্রকাশিত হয়েছে।

চার বছর ধরে বিভিন্ন বিচারক ও সফল পরীক্ষার্থীর বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে আসছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার। কালের কণ্ঠ, আজকের পত্রিকা ও কালবেলাসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এসব অভিজ্ঞতার দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও তথ্যভিত্তিক কাজের সমন্বয়েই বইটির জন্ম।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ বিলিয়া জুলফিকার লেখালেখির বিভিন্ন শাখায় সক্রিয়। কবিতা, ছড়া, কলাম, প্রবন্ধ ও ফিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কালের কণ্ঠের ‘চাকরি ও সিলেবাসে নেই’ পাতার নিয়মিত লেখক।

ক্লাস সেভেনে স্থানীয় ‘সুসঙ্গ বার্তা’ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে তাঁর সাহিত্যযাত্রা শুরু। পরে চাকরি, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস), বার কাউন্সিল প্রস্তুতি ও বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক ফিচার লেখার মাধ্যমে তিনি পাঠকদের কাছে পরিচিতি তৈরি করেন।

প্রকাশকের ভাষ্য, ‘ভাইভা বুস্টার’ শুধু একটি গাইডবই নয়; বরং বাস্তব ভাইভা বোর্ডের অভিজ্ঞতা, সম্ভাব্য প্রশ্ন, প্রস্তুতির কৌশল ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে একত্র করা একটি প্রস্তুতি-সহচর। বইটিতে বিজেএস, বার কাউন্সিল, একাডেমিক ও অন্যান্য আইনভিত্তিক ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাতটি অধ্যায়ে বিভক্ত বইটিতে প্রথমে ভাইভা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, মানসিক প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে রয়েছে সফল প্রার্থীদের ভাইভা প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা। তৃতীয় অধ্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সিভিল জজদের বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায় বইটির সবচেয়ে বিস্তৃত অংশ। এতে সাধারণ জ্ঞান, বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, পারিবারিক আইন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন, সাংবিধানিক আইন, সম্পত্তি আইন এবং বিভিন্ন ঐচ্ছিক আইন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিজেএস ও বার কাউন্সিলের বিষয়গুলোর পাশাপাশি জুরিসপ্রুডেন্স, টর্ট, ইকুইটি, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক বিষয়ও প্রশ্নোত্তর আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

পঞ্চম অধ্যায়ে রয়েছে ‘লিগ্যাল টার্মস অ্যান্ড ম্যাক্সিম’। এতে গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন পরিভাষা ও আইনি নীতিগুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘কারেন্ট ল অ্যাফেয়ার্স’ অংশে সাম্প্রতিক আইনগত পরিবর্তন, বিচারিক সিদ্ধান্ত ও সমসাময়িক আইনি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সপ্তম ও শেষ অধ্যায়ে রয়েছে ভাইভায় বহুল জিজ্ঞাসিত সাধারণ প্রশ্ন, যা দ্রুত পুনরাবৃত্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বইটির সঙ্গে প্রায় ৪০ জন সিভিল জজ, অ্যাডভোকেট ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রকাশক। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় বইটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

বইটির সম্পাদনা করেছেন আইন অঙ্গনের লেখক, শিক্ষক ও বিচারক সাইমন সৈয়দ। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জে সিভিল জজ হিসেবে কর্মরত। তাঁর আইনচর্চা, লেখালেখি ও পাঠদানের অভিজ্ঞতা বইটির বিষয়বস্তুকে আরও ব্যবহারিক ভিত্তি দিয়েছে।

শাহ বিলিয়া জুলফিকার বলেন, “ভাইভা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক ভয় ও অনিশ্চয়তা কাজ করে। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে এমন একটি বই দিতে চেয়েছি, যা শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়াতে সাহায্য করবে।”

বইটির সম্পাদক সাইমন সৈয়দ বলেন, “ভাইভা শুধু জ্ঞানের পরীক্ষা নয়, এটি আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও প্রাসঙ্গিকভাবে উত্তর দেওয়ারও পরীক্ষা। ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ বইটিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও ব্যবহারিক দিকগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, বইটি বিজেএস, বার কাউন্সিল ও আইনভিত্তিক ভাইভা প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

তিনি আরও বলেন, “একজন পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতি তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সে শুধু প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ না করে প্রশ্নের অন্তর্নিহিত বিষয়টি বুঝতে শেখে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তা প্রকাশ করতে পারে। এই বইটি সেই প্রস্তুতির একটি কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

বইটি প্রকাশ করেছে লিগ্যাল হোম পাবলিকেশন। প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন শিল্পী মাহমুদুল হাসান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ভাস্কর্যে এমএফএ ডিগ্রিধারী এবং শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির চারুকলা বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর হিসেবে কর্মরত।

লিগ্যাল হোম পাবলিকেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বইটি ইতোমধ্যে আইন অঙ্গনের পাঠকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।

সর্বশেষ সব খবর

ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫০ এএম

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অবশেষে ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এই নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (BoT)-এর সম্মানিত সদস্য ও প্রজেক্ট কমিটির কনভেনার আলতাফ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাক্টিং) ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহা. মোস্তাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক এবং প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. জালাল আহমেদ।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুততম সময়ে এবং নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।


উল্লেখ্য, ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জমির উন্নয়ন ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয়। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মূল ভবনের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে এখানে একটি ৭ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে।


নভেম্বর ২০১২-এ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর অনুমোদন লাভের পর ১৫ মে ২০১৩ তারিখে ‘সেন্টার ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনী ইউনিভার্সিটি তার একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


বর্তমানে ফেনী ইউনিভার্সিটিতে ৩টি অনুষদ, ৮টি বিভাগ, ফেনী ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সেল এবং ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) -এর কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের নতুন এই মূল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত হবে।

সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবি ছাত্রদল।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনক্রমে সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। শিগগিরই উক্ত ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।




কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।


উল্লেখ্য, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার বিষয়টি এমন সময়ে এলো, যখন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


  নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দু’পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ৫

সর্বশেষ সব খবর

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করছেন কুবি উপাচার্য

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ পিএম

শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘রাউন্ডটেবিল অন ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এ ছাড়া বৈঠকে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


বৈঠকে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চাকরিতে কুবি শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ল্যাব সুবিধা বিনিময়েরও প্রতিশ্রুতি দেন তারা। এছাড়া, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী করতে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থান উপযোগী বিষয় চালুর পরামর্শ দেন তারা।


বৈঠক শেষে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এমওইউ স্বাক্ষরে সম্মতি জানায়।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা শুরু থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করার কথা বলে আসছি। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির উৎসাহেই আজকের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ ৪২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছি। এসব এমওইউর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ তৈরি করা, ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ, পারস্পরিক চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কাজ করা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যাব পারস্পরিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা।’


তিনি আরও বলেন, ‘আজ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমওইউ হয়েছে, সামনে আরও হবে। আজ ইউজিসির সদস্য জানিয়েছেন, দুই মাস পর এ উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। আমরা কতটুকু করতে পেরেছি, তা দেখা হবে। আমরা অবশ্যই আমাদের মূল লক্ষ্য, অর্থাৎ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মযোগ্যতা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কাজ করে যাব।’



ইউজিসির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন। এর অন্যতম অনুষঙ্গ হলো একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে যেসব সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং এমওইউর উদ্দেশ্যের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না, তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে আমরা যে জব লার্নিং পিরিয়ড নির্ধারণ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয় ও একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্কের মাধ্যমে সেটিও যেন ফলপ্রসূ হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।’


তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজন এবারই প্রথম। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটি এ ধরনের ১২তম আয়োজন।’



উল্লেখ্য, ৪২টি প্রতিষ্ঠান বৈঠকে অংশ নিলেও এমওইউ স্বাক্ষর করেছে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্মার্ট সলিউশন, বাংলাদেশ স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিক), ড্যাপকো ভেঞ্চারস লিমিটেড, সুপ্রিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, উইডেভস অ্যান্ড উইল্যাব এবং ফ্লোরিনা কসমেটিকস।

সর্বশেষ সব খবর

ঢাকা এসোসিয়েশনের নবীনবরণ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৮ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত ঢাকাস্থ শিক্ষার্থীদের আঞ্চলিক সংগঠন ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা অ্যাসোসিয়েশন’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এছাড়াও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান ও প্রভাষক মশিউর রহমানসহ ঢাকা অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পরিচিতি ও মতবিনিময়সহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।


সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ সাফিন বলেন, “মিলনমেলার উদ্দেশ্যে আয়োজিত আমাদের এই আয়োজনটি ছিল প্রাক্তন, নবীন এবং বর্তমানে ক্যাম্পাসে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সুন্দর সেতুবন্ধন তৈরি করার প্রয়াস। সবার সঙ্গে দেখা হওয়া, পরিচিত হওয়া এবং একসঙ্গে কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটানোর লক্ষ্যেই আমরা এই আয়োজন করেছি। সবার আন্তরিক অংশগ্রহণ ও ভালোবাসাই আমাদের আয়োজনকে সফল করেছে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এমন আরও সুন্দর ও বড় আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই।”


সর্বশেষ সব খবর