নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ড. মো. এমতাজ হোসাইনকে সংবর্ধনা প্রদান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫১ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য ড. মো. এমতাজ হোসাইনকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া ইবি শাখা। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে উপ-উপাচার্য কার্যালয়ে সংবর্ধনা দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 


এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া, ইবি শাখার সভাপতি এস এম শামীম, সাবেক সহ-সভাপতি সাজ্জাতুল্লাহ শেখ, সাইফুল ইসলাম আলিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল মুন্তাকিম, সহ-সভাপতি আহসান হাবীব, শাকিল আহমেদ, সেক্রেটারি খন্দকার আরিফসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী শিক্ষা ও ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে মাননীয় উপ-উপাচার্যের নিকট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরেন।


দাবিসমূহ হলো : বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন ইসলামী বিষয়সমূহ পুনরায় চালু করতে হবে। ইসলামী শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে গঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্রুত তার প্রতিষ্ঠাকালীন মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের দিকে ফিরিয়ে নিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা মাওলানা মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলের নামকরণ করতে হবে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৮ পিএম

ইসলামী শিক্ষা দিবস উপলক্ষে শহীদ আব্দুল মালেকের স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় প্রায় দুই হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে।


আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হল প্রাঙ্গণে একটি বকুল গাছ রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন ইসলামী ব্যাংক হেড অফিসে কর্মরত ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এফএভিপি) মো. শওকত আলী।


শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলীর পরিচালনায় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, দাওয়া অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা: কামরুজ্জামান, সাদ্দাম হোসেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, অ্যাডভোকেট ওয়ালীউল্লাহ্ এবং শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।


আয়োজকরা সূত্রে জানা গেছে, শহীদ আব্দুল মালেকের স্মরণে নেওয়া এ কর্মসূচির আওতায় আম, লিচু, কদবেল, জাম, পেয়ারা, আমড়া, জলপাই, লটকন ও নিমসহ বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের প্রায় দুই হাজার চারা রোপণ করা হবে। যা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান ও পার্শ্ববর্তী এলাকাতে রোপণ করা হবে।


শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “শহীদ আব্দুল মালেক আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে ইসলামের পক্ষে ও ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে কথা বলতে হয় এবং প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতে হয়। তাঁর সেই অনুপ্রেরণাকে সামনে রেখে আমরা ইসলামী শিক্ষা দিবস উপলক্ষে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। তাঁর স্মৃতি ও আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।”


এসময় তিনি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে নৈতিকতাসম্পন্ন ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।


কর্মসূচির পৃষ্ঠপোষক মো. শওকত আলী বলেন, “এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ক্যাম্পাসের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই শহীদ আব্দুল মালেকের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার ফলজ ও ঔষধি চারা রোপণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে এসব গাছের সুফল ভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে চারা রোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”


বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “দেশে ইসলামী শিক্ষা বাস্তবায়ন ও প্রতিষ্ঠার জন্য যারা আন্দোলন করছে, সেই আন্দোলনের পাশাপাশি তারা বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশকে সুন্দর ও সবুজ করে তুলতে চায়। এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি।”

সর্বশেষ সব খবর

নবনিযুক্ত সহকারী প্রক্টর হালিমা আক্তার ও মঞ্জুর হোসেন

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৪৬ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নতুন সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুর হোসেন এবং ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হালিমা আক্তার।


রোববার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুর হোসেনকে এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক শাহিনুর আক্তারের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হালিমা আক্তারকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


নিয়োগের বিষয়ে ড. মো. মঞ্জুর হোসেন বলেন, ‘আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা চাই। সকলকে সঙ্গে নিয়ে এবং সবার মতামতকে বিবেচনায় নিয়ে কাজ করব। আমার ভুল-ত্রুটিগুলো অবশ্যই আপনারা ধরিয়ে দেবেন।’


সহকারী প্রক্টর হিসেবে কবে দায়িত্বে যোগ দেবেন জানতে চাইলে তিনি জানান, নিয়োগের পরবর্তী কার্যদিবসেই তিনি দায়িত্বে যোগ দেবেন।


অন্যদিকে, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হালিমা আক্তার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য যোগ্য মনে করেছে। এজন্য আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি সবসময় বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের, সবার আগে শিক্ষার্থী, এরপর সহকর্মী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর রাখার বিষয়ে দায়িত্বে না থেকেও মতামত দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি।’


তিনি আরও বলেন, ‘প্রক্টরসহ প্রশাসনের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ করব।’


উল্লেখ্য, উভয় শিক্ষকই যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছর সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।


সর্বশেষ সব খবর

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৫৪ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে সবুজায়ন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্র্যাক ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতা এবং উদ্ভিদ ও পরিবেশবিষয়ক সংগঠন ‘তরুপল্লব’-এর সার্বিক সহযোগিতায় ৩ হাজার ৫০০টি দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।


রোববার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন চত্বরে চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করা হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, ব্র্যাক ব্যাংকের কুমিল্লা শাখার আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ মাসুদ আলম, ‘তরুপল্লব’-এর সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন ও সংগঠক হেনা সোলতানা।


জানা যায়, রোপণ করা চারাগুলোর মধ্যে রয়েছে কনকচাঁপা, স্বর্ণচাঁপা, ম্যাগনোলিয়া, পলাশসহ বিভিন্ন ঔষধি ও ফলজ গাছ। এসব চারার মধ্যে দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির গাছের সংখ্যাই বেশি।


ব্র্যাক ব্যাংকের কুমিল্লা শাখার আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ মাসুদ আলম বলেন, ‘প্রকৃতির উন্নয়ন ও সবুজায়নে ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় বিশ্বাসী। এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও আর্থিক সহায়তায় ৩ হাজার ৫০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। সারাদেশের ১৪টি প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় ব্র্যাক ব্যাংকের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে।’


‘তরুপল্লব’-এর সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় ‘তরুপল্লব’ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও প্রতিষ্ঠানে মোট ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করছে। এর অংশ হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩ হাজার ৫০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা এসব চারার মধ্যে দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির গাছই বেশি।’


তিনি বলেন, ‘উপাচার্য কনকচাঁপার চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিনিধিরা স্বর্ণচাঁপার চারা রোপণ করেন। বর্তমানে এ প্রজাতির চারা পাওয়া অত্যন্ত দুর্লভ।’


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার প্রধান মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক ও ‘তরুপল্লব’-এর সহযোগিতায় রোপণ করা ৩ হাজার ৫০০টি গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও দেখাশোনা করা হবে। গাছগুলো বেড়ে উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও সবুজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে।’


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৫১ পিএম

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) অনুষ্ঠিত 'পঞ্চম ন্যাশনাল রিসার্চ প্রজেক্ট কনটেস্ট-২০২৩' এর 'এ' ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) তিন সদস্যের একটি গবেষণা দল। রবিবার (১৬ আগস্ট) বিইউপির বিজয় অডিটোরিয়ামে প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিইউপি রিসার্চ সোসাইটি


রিসার্চ প্রজেক্ট কনটেস্টে বাকৃবি চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলে- বাকৃবির কৃষি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাশমিন ফেরদাউস, একই অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী চপল কুন্ডু এবং মুশফিকুর ইবনে জাহিদ। 


আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের প্রায় ৫০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনলাইনে মোট ২৫০টি গবেষণা প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ (অ্যাবস্ট্রাক্ট) জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাই শেষে এর মধ্য থেকে ৩২টি গবেষণা অফলাইন উপস্থাপনার জন্য নির্বাচিত হয়।


ফাইনাল পর্বে নির্বাচিত গবেষণা দলগুলো বিচারকমণ্ডলীর সামনে তাদের গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে। উপস্থাপনার মান, গবেষণার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা ও গবেষণালব্ধ ফলাফলের সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে বাকৃবির দলটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়। পরে বিজয়ী দলের সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।


এ প্রতিযোগিতায় দুটি পৃথক সেগমেন্ট অনুষ্ঠিত হয়- রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার ও ক্রিটিক্যাল অ্যাসে রাইটিং। বাকৃবির দলটি রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার সেগমেন্টের 'রিসার্চ ইন সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি' ক্যাটাগরিতে অংশ নেয়।

চূড়ান্ত পর্বে তারা ‘অ্যাক্টিভেশন অফ অটোফ্যাগি মিটিগেটেড দ্য সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে।


গবেষণাটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস)-এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘ইফেক্টস অফ অটোফ্যাগি অ্যাক্টিভেটর অ্যান্ড ইনহিবিটর অন সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ শীর্ষক প্রকল্পের ফলাফলের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়। প্রকল্পটির প্রধান গবেষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আরিফ শাকিল। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থী ওই গবেষণা প্রকল্পে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে যুক্ত থেকে গবেষণাকাজে অবদান রাখেন।


বিজয়ী দলের সদস্য নাশমিন ফেরদাউস অনুভূতি প্রকাশে বলেন, 'এই কম্পিটিশনে বিজয়ী হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। গবেষণার প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকেই আমরা প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রান বিজ্ঞান বিভাগের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ড. মো: আরিফ সাকিল (পল্লব) স্যারের কাছে যাই এবং স্নাতক পর্যায়েই গবেষণায় সংযুক্ত হবার আগ্রহের কথা জানাই। তিনি আমাদেরকে তাঁর সাথে কাজ করার সুযোগ করে দেন।'


তিনি আরও বলেন, 'এই কম্পিটিশনের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে প্রেজেন্টেশনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি এবং তাঁর গবেষণা দলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ আমাদের মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান ও সহযোগিতা করেছেন। তাদের নিরন্তর সহযোগিতা, পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং প্রতিযোগিতায় নিজেদের সেরাটা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সবমিলিয়ে দারুণ একটা অনুভূতি নিজের ঝুলিতে ধারণ করতে পেরে সত্যিই ভালো লাগছে।'

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:১৭ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এসিসিই) বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ রোববার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।


এসিসিই বিভাগের অধ্যাপক ড. ফতেহ নূর রোবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম, বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. তানভীর হোসেন, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।


অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে ১৫তম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষায় সাফল্য কামনা করেন।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে শিক্ষার্থীরা এখন কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করছে। অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধ কাজে লাগিয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।


এ সময় বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও অনুভূতি প্রকাশ করা হয়। তারা বিভাগের শিক্ষক, সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষা ও পথচলায় শিক্ষকদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষক ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৭ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ছাত্রদলের একাংশের উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত হাজী সালেহ উদ্দিন নূরুল উলুম মাদ্রাসায় এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।


মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম, মেজবাউল হক মিজু, মো. নুরনবী হোসেন, মো. শামীম রেজা, দানিয়েল ইবনে আহাম্মেদ, সদস্য সাকলাইন হোসেন সাকিব, সাকিব আহাম্মেদসহ হল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।


এ সময় বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজু বলেন, ‘আপসহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য এবং গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতন, কারাগারের ভয়াবহ দিন ও চিকিৎসাবঞ্চিত থাকার মতো কোনো নির্যাতনই তাঁকে দমাতে পারেনি।’


তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আপসহীন দেশনেত্রী আজ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া সংগ্রামের ইতিহাস ও আদর্শকে ধারণ করে আমরা ছাত্রদল আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ব—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপসহীন দেশনেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’


ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম বলেন, ‘দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য তাঁর সারাজীবন বিসর্জন দিয়েছেন। তিনি দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য নিবেদিত ছিলেন। তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের কারণে দেশের মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের জন্য আদর্শ। এই আদর্শ ধারণ করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সামনে এগিয়ে যেতে চায় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে চায়।’


যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরনবী হোসেন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নেত্রী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেছেন। গণতন্ত্রের জন্য তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’


তিনি আরও বলেন, ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে।’


যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামীম রেজা বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রের প্রতীক। দেশ ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আমরা তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম হৃদয়ে ধারণ করে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।’

সর্বশেষ সব খবর