• প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৮ পিএম

ইসলামী শিক্ষা দিবস উপলক্ষে শহীদ আব্দুল মালেকের স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় প্রায় দুই হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হবে।


আজ রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হল প্রাঙ্গণে একটি বকুল গাছ রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন ইসলামী ব্যাংক হেড অফিসে কর্মরত ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এফএভিপি) মো. শওকত আলী।


শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলীর পরিচালনায় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, দাওয়া অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা: কামরুজ্জামান, সাদ্দাম হোসেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, অ্যাডভোকেট ওয়ালীউল্লাহ্ এবং শাখা ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।


আয়োজকরা সূত্রে জানা গেছে, শহীদ আব্দুল মালেকের স্মরণে নেওয়া এ কর্মসূচির আওতায় আম, লিচু, কদবেল, জাম, পেয়ারা, আমড়া, জলপাই, লটকন ও নিমসহ বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের প্রায় দুই হাজার চারা রোপণ করা হবে। যা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান ও পার্শ্ববর্তী এলাকাতে রোপণ করা হবে।


শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “শহীদ আব্দুল মালেক আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে ইসলামের পক্ষে ও ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে কথা বলতে হয় এবং প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতে হয়। তাঁর সেই অনুপ্রেরণাকে সামনে রেখে আমরা ইসলামী শিক্ষা দিবস উপলক্ষে এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। তাঁর স্মৃতি ও আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।”


এসময় তিনি বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে নৈতিকতাসম্পন্ন ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।


কর্মসূচির পৃষ্ঠপোষক মো. শওকত আলী বলেন, “এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ক্যাম্পাসের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই শহীদ আব্দুল মালেকের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার ফলজ ও ঔষধি চারা রোপণ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে এসব গাছের সুফল ভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে চারা রোপণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।”


বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “দেশে ইসলামী শিক্ষা বাস্তবায়ন ও প্রতিষ্ঠার জন্য যারা আন্দোলন করছে, সেই আন্দোলনের পাশাপাশি তারা বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশকে সুন্দর ও সবুজ করে তুলতে চায়। এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে পেরে আমরা নিজেদের ধন্য মনে করছি।”




  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০৭ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।


মানববন্ধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে স্মারকলিপি দেন ক্যাম্পাসে কর্মরত ৩৩ জন সাংবাদিক।


এশিয়া পোস্টের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি তৌফিক আল মাহমুদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে ক্যাম্পাসে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশ নেন। এতে গতকাল ছাত্রদলের উচ্ছৃঙ্খল কিছু নেতাকর্মীর হাতে দৈনিক কালের কণ্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সাদমান রাকিন, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম এবং দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মেহেদী হাসানের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান সাংবাদিকরা।

মানববন্ধনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।


বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার দেশের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নাহিদুল ইসলাম বলেন, “গতকাল ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরির পেছনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উভয় পক্ষই যদি সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করত, তাহলে পরিস্থিতি এতটা দূর গড়াত না বলে আমরা মনে করি। এ ক্ষেত্রে এটি তাদের সাংগঠনিক ও দলীয় ব্যর্থতা।”


তিনি আরও বলেন, “গতকালই যখন বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে, তখনই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে, ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”


এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাদমান রাকিন বলেন, “ক্যাম্পাসে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিকদের ওপর যে ধরনের হামলা ও আক্রমণের ঘটনা ঘটছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও উদ্বেগজনক। গত ১৭ বছর ধরে ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রলীগের যে স্বৈরাচারী ভূমিকা আমরা দেখেছি, এখন যদি একই ধরনের ভূমিকা ছাত্রদলের কাছে চলে যায়, তাহলে বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ জুলাই আন্দোলনে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করেছি।”


তিনি আরও বলেন, “আমি প্রশাসনের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাবো, তারা যেন ঘটনাগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অন্যথায় প্রশাসন যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ক্যাম্পাসগুলোতে আবারও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হওয়ার এবং অতীতের মতো স্বৈরাচারী পরিস্থিতি ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।”


সাদমান রাকিন বলেন, “আমাদের কাছে এ ঘটনায় যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে এবং আমরা সেগুলো প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছি। পাশাপাশি বিষয়টি গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। তাই এসব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যথাযথ ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”


মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্তা বাজারের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি ফাহাদ হোসেন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি সাজিদ খান, ভোরের বাণীর প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি নাঈমুর রহমান, চ্যানেল ২৪-এর প্রতিনিধি কাউসার আহমেদ, মুক্ত কলমের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সদস্য ফাইজা আফরোজ প্রমি।


পরে মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ক্যাম্পাসে কর্মরত ৩৩ জন সাংবাদিকের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। এতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়


  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২৪ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণকালে দৈনিক কালের কণ্ঠ-এর মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার সাদমান রাকিনের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম ভবনের পূর্ব পাশে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন সাংবাদিক সাদমান রাকিন। সংঘর্ষের সময়ই তাঁর কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।


ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ছাত্রদল কর্মী ও আইন বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী খান মোহাম্মদ রোম্মান লাঠি হাতে দৌড়ে এসে ভিডিও ধারণরত সাংবাদিক সাদমান রাকিনের কাছ থেকে মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। এরপর ভিডিও ধারণ বন্ধ হয়ে যায়।


এ বিষয়ে সাংবাদিক সাদমান রাকিন বলেন, আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলাম। এসময় খান মোহাম্মদ রোম্মান লাঠি হাতে আমার দিকে এগিয়ে এসে জোরপূর্বক আমার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেন। এতে আমি সংবাদ সংগ্রহে বাধাগ্রস্ত হই। একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে এভাবে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত ও স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী।‌


পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে একজন সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।


  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:০০ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর তদন্তে গঠিত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনের নেতৃত্বে কমিটির সদস্যরা হল দুটির বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো ঘুরে দেখেন এবং ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেন।


এর আগে ১৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক অফিস আদেশে ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে ছাত্রদলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘটিত সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়।


কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান এবং সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান। অফিস আদেশে কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।


পরিদর্শনকালে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়গুলো তুলে আনা হবে। সবার বক্তব্য ও প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে।”


এদিকে, দুই হলের সিসিটিভি ফুটেজ যাতে কেউ নষ্ট বা পরিবর্তন করতে না পারে, সে জন্য পরিদর্শনকালে হল দুটির প্রভোস্টের কক্ষ সিলগালা করে রাখা হয়।

তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ভূমিকা এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন দেবে বলে জানা গেছে।


সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।


শাহ বিলিয়া জুলফিকার ও ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১৯ এএম

বাংলাদেশে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো ভাইভা। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও বাস্তব পরিস্থিতির প্রস্তুতির অভাবে অনেক মেধাবী পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে পিছিয়ে পড়েন। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে তরুণ লেখক শাহ বিলিয়া জুলফিকারের প্রথম বই ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ প্রকাশিত হয়েছে।

চার বছর ধরে বিভিন্ন বিচারক ও সফল পরীক্ষার্থীর বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে আসছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার। কালের কণ্ঠ, আজকের পত্রিকা ও কালবেলাসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এসব অভিজ্ঞতার দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও তথ্যভিত্তিক কাজের সমন্বয়েই বইটির জন্ম।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ বিলিয়া জুলফিকার লেখালেখির বিভিন্ন শাখায় সক্রিয়। কবিতা, ছড়া, কলাম, প্রবন্ধ ও ফিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কালের কণ্ঠের ‘চাকরি ও সিলেবাসে নেই’ পাতার নিয়মিত লেখক।

ক্লাস সেভেনে স্থানীয় ‘সুসঙ্গ বার্তা’ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে তাঁর সাহিত্যযাত্রা শুরু। পরে চাকরি, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস), বার কাউন্সিল প্রস্তুতি ও বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক ফিচার লেখার মাধ্যমে তিনি পাঠকদের কাছে পরিচিতি তৈরি করেন।

প্রকাশকের ভাষ্য, ‘ভাইভা বুস্টার’ শুধু একটি গাইডবই নয়; বরং বাস্তব ভাইভা বোর্ডের অভিজ্ঞতা, সম্ভাব্য প্রশ্ন, প্রস্তুতির কৌশল ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে একত্র করা একটি প্রস্তুতি-সহচর। বইটিতে বিজেএস, বার কাউন্সিল, একাডেমিক ও অন্যান্য আইনভিত্তিক ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাতটি অধ্যায়ে বিভক্ত বইটিতে প্রথমে ভাইভা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, মানসিক প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে রয়েছে সফল প্রার্থীদের ভাইভা প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা। তৃতীয় অধ্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সিভিল জজদের বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায় বইটির সবচেয়ে বিস্তৃত অংশ। এতে সাধারণ জ্ঞান, বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, পারিবারিক আইন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন, সাংবিধানিক আইন, সম্পত্তি আইন এবং বিভিন্ন ঐচ্ছিক আইন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিজেএস ও বার কাউন্সিলের বিষয়গুলোর পাশাপাশি জুরিসপ্রুডেন্স, টর্ট, ইকুইটি, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক বিষয়ও প্রশ্নোত্তর আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

পঞ্চম অধ্যায়ে রয়েছে ‘লিগ্যাল টার্মস অ্যান্ড ম্যাক্সিম’। এতে গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন পরিভাষা ও আইনি নীতিগুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘কারেন্ট ল অ্যাফেয়ার্স’ অংশে সাম্প্রতিক আইনগত পরিবর্তন, বিচারিক সিদ্ধান্ত ও সমসাময়িক আইনি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সপ্তম ও শেষ অধ্যায়ে রয়েছে ভাইভায় বহুল জিজ্ঞাসিত সাধারণ প্রশ্ন, যা দ্রুত পুনরাবৃত্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বইটির সঙ্গে প্রায় ৪০ জন সিভিল জজ, অ্যাডভোকেট ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রকাশক। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় বইটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

বইটির সম্পাদনা করেছেন আইন অঙ্গনের লেখক, শিক্ষক ও বিচারক সাইমন সৈয়দ। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জে সিভিল জজ হিসেবে কর্মরত। তাঁর আইনচর্চা, লেখালেখি ও পাঠদানের অভিজ্ঞতা বইটির বিষয়বস্তুকে আরও ব্যবহারিক ভিত্তি দিয়েছে।

শাহ বিলিয়া জুলফিকার বলেন, “ভাইভা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক ভয় ও অনিশ্চয়তা কাজ করে। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে এমন একটি বই দিতে চেয়েছি, যা শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়াতে সাহায্য করবে।”

বইটির সম্পাদক সাইমন সৈয়দ বলেন, “ভাইভা শুধু জ্ঞানের পরীক্ষা নয়, এটি আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও প্রাসঙ্গিকভাবে উত্তর দেওয়ারও পরীক্ষা। ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ বইটিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও ব্যবহারিক দিকগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, বইটি বিজেএস, বার কাউন্সিল ও আইনভিত্তিক ভাইভা প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

তিনি আরও বলেন, “একজন পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতি তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সে শুধু প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ না করে প্রশ্নের অন্তর্নিহিত বিষয়টি বুঝতে শেখে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তা প্রকাশ করতে পারে। এই বইটি সেই প্রস্তুতির একটি কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

বইটি প্রকাশ করেছে লিগ্যাল হোম পাবলিকেশন। প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন শিল্পী মাহমুদুল হাসান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ভাস্কর্যে এমএফএ ডিগ্রিধারী এবং শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির চারুকলা বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর হিসেবে কর্মরত।

লিগ্যাল হোম পাবলিকেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বইটি ইতোমধ্যে আইন অঙ্গনের পাঠকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।


ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫০ এএম

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অবশেষে ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এই নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (BoT)-এর সম্মানিত সদস্য ও প্রজেক্ট কমিটির কনভেনার আলতাফ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাক্টিং) ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহা. মোস্তাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক এবং প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. জালাল আহমেদ।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুততম সময়ে এবং নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।


উল্লেখ্য, ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জমির উন্নয়ন ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয়। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মূল ভবনের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে এখানে একটি ৭ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে।


নভেম্বর ২০১২-এ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর অনুমোদন লাভের পর ১৫ মে ২০১৩ তারিখে ‘সেন্টার ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনী ইউনিভার্সিটি তার একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


বর্তমানে ফেনী ইউনিভার্সিটিতে ৩টি অনুষদ, ৮টি বিভাগ, ফেনী ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সেল এবং ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) -এর কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের নতুন এই মূল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত হবে।


নোবিপ্রবি ছাত্রদল।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনক্রমে সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। শিগগিরই উক্ত ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।




কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।


উল্লেখ্য, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার বিষয়টি এমন সময়ে এলো, যখন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


  নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দু’পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ৫