বাকৃবিতে দারুল কুরআন মুসলিম একাডেমির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

  • প্রকাশ : শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ২:০৬ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) চত্বরে অবস্থিত দারুল কুরআন মুসলিম একাডেমির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান–২০২৬ এক আনন্দঘন ও বর্ণাঢ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) একাডেমির প্রাঙ্গণে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত কৃতিত্ব ও নৈতিক উৎকর্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১১০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারকারী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যেও পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া অন্যান্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থাও রাখা হয়।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবদুল হালিম সরদার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগের ন্যাশনাল একাডেমি ফর প্রাইমারি এডুকেশনের (ন্যাপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ। এছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, অভিভাবকবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


পবিত্র কুরআনে কারীম তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দারুল কুরআন মুসলিম একাডেমির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান। তিনি একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রম তুলে ধরার পাশাপাশি অভিভাবকদের সুবিধার্থে একটি স্থায়ী বসার ছাউনি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।


সভাপতির বক্তব্যে প্রকৌশলী মো. আবদুল হালিম সরদার বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু কুরআন হিফজ করানো নয়, বরং এমন আদর্শ মানুষ তৈরি করা, যারা সমাজ ও জাতির কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, কুরআনভিত্তিক শিক্ষা একটি জাতির নৈতিক চরিত্র গঠনে অপরিসীম ভূমিকা রাখে। তিনি দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত দারুল কুরআন মুসলিম একাডেমির শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী আখ্যায়িত করেন এবং ভবিষ্যতে একাডেমির যেকোনো প্রয়োজনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।



সর্বশেষ সব খবর

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৫৪ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ক্যাম্পাসে সবুজায়ন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ব্র্যাক ব্যাংকের আর্থিক সহযোগিতা এবং উদ্ভিদ ও পরিবেশবিষয়ক সংগঠন ‘তরুপল্লব’-এর সার্বিক সহযোগিতায় ৩ হাজার ৫০০টি দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।


রোববার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন চত্বরে চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করা হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম, ব্র্যাক ব্যাংকের কুমিল্লা শাখার আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ মাসুদ আলম, ‘তরুপল্লব’-এর সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন ও সংগঠক হেনা সোলতানা।


জানা যায়, রোপণ করা চারাগুলোর মধ্যে রয়েছে কনকচাঁপা, স্বর্ণচাঁপা, ম্যাগনোলিয়া, পলাশসহ বিভিন্ন ঔষধি ও ফলজ গাছ। এসব চারার মধ্যে দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির গাছের সংখ্যাই বেশি।


ব্র্যাক ব্যাংকের কুমিল্লা শাখার আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ মাসুদ আলম বলেন, ‘প্রকৃতির উন্নয়ন ও সবুজায়নে ব্র্যাক ব্যাংক সবসময় বিশ্বাসী। এরই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও আর্থিক সহায়তায় ৩ হাজার ৫০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। সারাদেশের ১৪টি প্রতিষ্ঠানে এ কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও সবুজায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় ব্র্যাক ব্যাংকের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকবে।’


‘তরুপল্লব’-এর সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগিতায় ‘তরুপল্লব’ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও প্রতিষ্ঠানে মোট ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করছে। এর অংশ হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩ হাজার ৫০০টি চারা রোপণ করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা এসব চারার মধ্যে দুর্লভ ও দুষ্প্রাপ্য প্রজাতির গাছই বেশি।’


তিনি বলেন, ‘উপাচার্য কনকচাঁপার চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রতিনিধিরা স্বর্ণচাঁপার চারা রোপণ করেন। বর্তমানে এ প্রজাতির চারা পাওয়া অত্যন্ত দুর্লভ।’


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট শাখার প্রধান মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘ব্র্যাক ব্যাংক ও ‘তরুপল্লব’-এর সহযোগিতায় রোপণ করা ৩ হাজার ৫০০টি গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও দেখাশোনা করা হবে। গাছগুলো বেড়ে উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ আরও সবুজ ও সুন্দর হয়ে উঠবে।’


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৫১ পিএম

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) অনুষ্ঠিত 'পঞ্চম ন্যাশনাল রিসার্চ প্রজেক্ট কনটেস্ট-২০২৩' এর 'এ' ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) তিন সদস্যের একটি গবেষণা দল। রবিবার (১৬ আগস্ট) বিইউপির বিজয় অডিটোরিয়ামে প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পর্যায়ের এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিইউপি রিসার্চ সোসাইটি


রিসার্চ প্রজেক্ট কনটেস্টে বাকৃবি চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলে- বাকৃবির কৃষি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাশমিন ফেরদাউস, একই অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী চপল কুন্ডু এবং মুশফিকুর ইবনে জাহিদ। 


আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের প্রায় ৫০টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনলাইনে মোট ২৫০টি গবেষণা প্রবন্ধের সারসংক্ষেপ (অ্যাবস্ট্রাক্ট) জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাই শেষে এর মধ্য থেকে ৩২টি গবেষণা অফলাইন উপস্থাপনার জন্য নির্বাচিত হয়।


ফাইনাল পর্বে নির্বাচিত গবেষণা দলগুলো বিচারকমণ্ডলীর সামনে তাদের গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে। উপস্থাপনার মান, গবেষণার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা ও গবেষণালব্ধ ফলাফলের সামগ্রিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে বাকৃবির দলটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়। পরে বিজয়ী দলের সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।


এ প্রতিযোগিতায় দুটি পৃথক সেগমেন্ট অনুষ্ঠিত হয়- রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার ও ক্রিটিক্যাল অ্যাসে রাইটিং। বাকৃবির দলটি রিসার্চ প্রজেক্ট পেপার সেগমেন্টের 'রিসার্চ ইন সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি' ক্যাটাগরিতে অংশ নেয়।

চূড়ান্ত পর্বে তারা ‘অ্যাক্টিভেশন অফ অটোফ্যাগি মিটিগেটেড দ্য সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করে।


গবেষণাটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস)-এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘ইফেক্টস অফ অটোফ্যাগি অ্যাক্টিভেটর অ্যান্ড ইনহিবিটর অন সল্ট স্ট্রেস সেনসিটিভিটি ইন রাইস সিডলিংস’ শীর্ষক প্রকল্পের ফলাফলের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়। প্রকল্পটির প্রধান গবেষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আরিফ শাকিল। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তিন শিক্ষার্থী ওই গবেষণা প্রকল্পে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে যুক্ত থেকে গবেষণাকাজে অবদান রাখেন।


বিজয়ী দলের সদস্য নাশমিন ফেরদাউস অনুভূতি প্রকাশে বলেন, 'এই কম্পিটিশনে বিজয়ী হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। গবেষণার প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকেই আমরা প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রান বিজ্ঞান বিভাগের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ড. মো: আরিফ সাকিল (পল্লব) স্যারের কাছে যাই এবং স্নাতক পর্যায়েই গবেষণায় সংযুক্ত হবার আগ্রহের কথা জানাই। তিনি আমাদেরকে তাঁর সাথে কাজ করার সুযোগ করে দেন।'


তিনি আরও বলেন, 'এই কম্পিটিশনের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে প্রেজেন্টেশনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি এবং তাঁর গবেষণা দলের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ আমাদের মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান ও সহযোগিতা করেছেন। তাদের নিরন্তর সহযোগিতা, পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং প্রতিযোগিতায় নিজেদের সেরাটা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সবমিলিয়ে দারুণ একটা অনুভূতি নিজের ঝুলিতে ধারণ করতে পেরে সত্যিই ভালো লাগছে।'

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:১৭ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (এসিসিই) বিভাগের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েশন-পরবর্তী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ রোববার (১৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।


এসিসিই বিভাগের অধ্যাপক ড. ফতেহ নূর রোবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম, বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. তানভীর হোসেন, বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।


অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে ১৫তম ব্যাচের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের স্মৃতিচারণ করেন এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষায় সাফল্য কামনা করেন।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করে শিক্ষার্থীরা এখন কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করছে। অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধ কাজে লাগিয়ে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য তারা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।


এ সময় বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও অনুভূতি প্রকাশ করা হয়। তারা বিভাগের শিক্ষক, সহপাঠী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন এবং শিক্ষা ও পথচলায় শিক্ষকদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আমন্ত্রিত অতিথি, শিক্ষক ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ফটোসেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:০৭ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ছাত্রদলের একাংশের উদ্যোগে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত হাজী সালেহ উদ্দিন নূরুল উলুম মাদ্রাসায় এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।


মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম, মেজবাউল হক মিজু, মো. নুরনবী হোসেন, মো. শামীম রেজা, দানিয়েল ইবনে আহাম্মেদ, সদস্য সাকলাইন হোসেন সাকিব, সাকিব আহাম্মেদসহ হল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।


এ সময় বাকৃবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মেজবাউল হক মিজু বলেন, ‘আপসহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সারাজীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য এবং গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতন, কারাগারের ভয়াবহ দিন ও চিকিৎসাবঞ্চিত থাকার মতো কোনো নির্যাতনই তাঁকে দমাতে পারেনি।’


তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আপসহীন দেশনেত্রী আজ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া সংগ্রামের ইতিহাস ও আদর্শকে ধারণ করে আমরা ছাত্রদল আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ব—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আপসহীন দেশনেত্রীকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’


ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শাহীন আলম বলেন, ‘দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য তাঁর সারাজীবন বিসর্জন দিয়েছেন। তিনি দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য নিবেদিত ছিলেন। তাঁর আপসহীন নেতৃত্বের কারণে দেশের মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। তাঁর আত্মত্যাগ আমাদের জন্য আদর্শ। এই আদর্শ ধারণ করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সামনে এগিয়ে যেতে চায় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে চায়।’


যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরনবী হোসেন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নেত্রী। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করেছেন। গণতন্ত্রের জন্য তাঁর রাজনৈতিক সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’


তিনি আরও বলেন, ‘মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে।’


যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামীম রেজা বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রের প্রতীক। দেশ ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আমরা তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম হৃদয়ে ধারণ করে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।’

সর্বশেষ সব খবর

কমলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৮ পিএম

প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এসময় সংগঠনের সদস্যরা ক্যাম্পাসের কয়েকটি স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত, সদস্যসচিব নাঈম হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। 


কর্মসূচি নিয়ে সংগঠনের উপদেষ্টা মোতাছিম বিল্লাহ পাটোয়ারী রিফাত বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ। তাই আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উদ্যোগে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।”


সংগঠনের সদস্যসচিব নাঈম হোসেন বলেন, “সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘কমল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’ এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দেশনায়ক তারেক রহমানের সবুজ বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আজকের একটি গাছই আগামী প্রজন্মের জন্য নির্মল বাতাস, ছায়া ও নিরাপদ পরিবেশের নিশ্চয়তা হতে পারে।”


সংগঠনটির নেতাকর্মীরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ক্যাম্পাসকে আরও সবুজ করে তুলতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার উদ্যোগ রয়েছে।


সর্বশেষ সব খবর

কুবি ছাত্রদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল

  • প্রকাশ : শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৫ পিএম

প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর মোড় সংলগ্ন জামিয়া মোহাম্মদিয়া তা'লিমুল কুরআন মাদ্রাসায় (পাকিস্তান মসজিদ) এ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।


এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়।


এ বিষয়ে কুবি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আবুল বাশার বলেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য একটাই, যাতে এতিম, অসহায়, দুস্থ ও কোমলমতি শিশুদের দোয়ায় দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে আল্লাহ তায়ালা জান্নাত দান করেন। আমাদের এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরে এ দেশের মানুষের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। স্বৈরাচার এরশাদের আমল থেকে শেখ হাসিনার পতন পর্যন্ত তিনি আন্দোলন-সংগ্রাম করে গেছেন।’


তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনে আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। পাশাপাশি সাড়ে ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির যেসব নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন, তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ওয়াসিম আকরাম এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আবদুল কাইয়ুমের মাগফিরাতও কামনা করছি। যারা আহত হয়েছেন, তাঁদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল এভাবেই সবসময় শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাবে।’


কুবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘এই দোয়ার আয়োজনটি মূলত ছিল আপসহীন দেশনেত্রী ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য। আজ তিনি এই পৃথিবীতে নেই। আমরা বাংলাদেশের জনগণ সবাই তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাঁর আপসহীনতার গুণাবলি এবং গণতন্ত্রের জন্য তাঁর যে সংগ্রাম, তা মনে ধারণ করে আগামী দিনে আমরা প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে চাই।’


তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। পাশাপাশি আমরা প্রত্যাশা করি, বর্তমান সময়ের রাজনীতি এবং আগামী দিনের রাজনীতি হবে পরিবর্তনের রাজনীতি। চিরাচরিত নিয়মে কারও জন্মদিনে কেক কেটে উদযাপন করার পরিবর্তে আমরা এখন প্রতিটি মানুষের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করি। পাশাপাশি আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থী ভাই-বোন এবং এতিম শিশুরা, যারা বিভিন্ন সময় অর্থের অভাবে পাঠ্যপুস্তক কিংবা শিক্ষাসামগ্রী কিনতে পারে না, তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা হাতে নিয়েছি।’

সর্বশেষ সব খবর