প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৯ জুন, ২০২৬, সময় : ৪:৪৯ এএম

ফেসবুক ব্যবহারে শিক্ষকদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কটূক্তি, অপপ্রচার এবং আপত্তিকর পোস্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে অধিদফতর।


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।


নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ অনুসরণ করা সব সরকারি কর্মচারীর জন্য বাধ্যতামূলক।


অধিদপ্তর জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন পোস্ট ও মন্তব্য করছেন, যা নির্দেশিকার পরিপন্থী। এসব পোস্টের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।


নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার, সরকারি দপ্তর কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বা আপত্তিকর পোস্ট দেওয়া এবং সেসব পোস্ট শেয়ার করাও সরকারি চাকরির আচরণবিধির লঙ্ঘন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হবে।


প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব কমিটিকে প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।


অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে শিক্ষকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি, অপপ্রচার এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।


একইসঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।


এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিনের সই করা একটি চিঠি দেশের সব বিভাগীয় উপ পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট এবং উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।



  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৫২ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ পিএম

‎বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন অংকুরের ২০২৬-২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হলেন এগ্রোফরেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী কামরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন প্রান্ত সাহা প্রহর।

‎

‎সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।

‎

‎সহকারী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দিগন্ত আশ্বাস, মাশফিয়া রহমান ও রিমি চৌধুরী। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আবিদ আজাদ শুভ।  

‎

‎কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-

‎যুগ্ম সম্পাদক মোছা. রিমি খাতুন, রেহনুমা রশীদ ও কামরুল হাসান। কোষাধ্যক্ষ  লস্কর মহন্ত, প্রেস ও প্রকাশনা সম্পাদক রাজকুমার বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক খন্দকার সাব্বির,  সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাশেদুল হাসান এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক  সুস্মিতা শর্মা। 

‎


  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১৫ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ‘ফুলকুঁড়ি আসর’-এর ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।


সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় ফুলকুঁড়ি আসর তারামেলা শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সংস্কৃতি কেন্দ্রের (টিএসসিসি) সামনে পায়রা উড়িয়ে ও কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।


অনুষ্ঠানে তারামেলা শাখার পরিচালক খন্দকার আহনাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিচালক মুবাশ্বিরের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন শাখার উপদেষ্টা ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল আল মোহিত এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান। এছাড়াও শাখার সদস্যরা ও বিভিন্ন পর্যায়ের শিশু-কিশোররা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে শাখার পরিচালক খন্দকার আহনাফুজ্জামান বলেন, “পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়—এই অনন্য স্লোগানকে সামনে রেখে ফুলকুঁড়ি আসর ১৯৭৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ফুলকুঁড়ি আসর নিরলসভাবে শিশু অধিকার ও শিশুদের মনন বিকাশ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। আজ ফুলকুঁড়ি আসর তার ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে।”


শাখার উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল আল মোহিত বলেন, “একটি গাছ বা অন্যকিছু কীভাবে গড়ে উঠবে, তা ছোটবেলা থেকেই নির্ধারিত হয়। একইভাবে ছোটবেলা থেকেই নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তুলতে হয়। ফুলকুঁড়ি যেভাবে শিশুদের বিভিন্ন বিষয়ে গাইডলাইন দিচ্ছে এবং সাঁতার শেখানোসহ তাদের মানসিক বিকাশে কাজ করছে, সেজন্য তারা প্রশংসার দাবিদার। তাদের নির্দেশনা ও গাইডলাইন অনুসরণ করলে শিশুরা ছোটবেলা থেকেই সুন্দর মানসিকতাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। আমি তাদের এই সুন্দর উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানাই এবং শিশুদের এই পথ অনুসরণ করার আহ্বান জানাই।”


অন্য উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান বলেন, “ফুল যেমন তার সৌরভ ছড়িয়ে দেয়, তেমনি আমাদেরও মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠে দেশ ও সমাজে সৌরভ ছড়িয়ে দিতে হবে।”


উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ফুলকু্ঁড়ি আসর তারারমেলা শাখা বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মাইন্ড ম্যারাথন, চিত্রাঙ্কন,গল্প বলা, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, ফুলকুড়ি গেমস ও বিতর্ক উৎসবসহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম।


  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৫ পিএম

চলমান মধ্যপ্রাচ্যের রক্তাক্ত সংঘাত এবং সেখানে বৈশ্বিক গণমাধ্যমের ভূমিকা ও নৈতিক অবস্থান নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ। 


আগামীকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ বিশেষ আন্তর্জাতিক সেমিনার। 


‘পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ ও বিশ্ব গণমাধ্যম: নৈতিক জবাবদিহি ও আত্মসমালোচনা’ শীর্ষক এই সেমিনারে প্রধান বক্তা হিসেবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক গ্রেগরি জে. সিমনস। 


আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে সরাসরি উপস্থিত থাকবেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ান ফেডারেশনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন এবং ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমী জাহানাবাদী। 


অনুষ্ঠানে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইস উদ্‌দীন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। একাডেমিক আলোচনায় অংশ নেবেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং আইন বিভাগের শিক্ষক আহমদ ইহসানুল কবীর। 


আয়োজনের সারসংক্ষেপ তুলে ধরে জবির ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, "আমি আসলে এই প্রোগ্রামটা নিয়ে খুবই আশাবাদী এবং আনন্দিত। পৃথিবীতে চলমান সবচেয়ে ক্রুশিয়াল একটি বিষয় নিয়ে আমরা এই প্রোগ্রামটি করছি। মিডল ইস্টের যুদ্ধ এবং সেখানে বৈশ্বিক মিডিয়ার দায়-দায়িত্ব, তাদের নীতি-নৈতিকতা এবং তাদের যে কার্যকলাপ সেটির ওপরে এই প্রোগ্রামটি অনুষ্ঠিত হবে।" 


শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এই অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "এই প্রোগ্রামটিতে উপাচার্য থেকে শুরু করে শিক্ষক, ছাত্র সবার মধ্যে একটা অন্যরকম উৎসব উৎসব আমেজ তৈরি হয়েছে, যা আমাকে খুব অনুপ্রাণিত করেছে। আমি মনে করি এটি এমন একটি একাডেমিক প্রোগ্রাম যা অনেকেই অনুসরণ করবেন। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বাইরের আগ্রহী গবেষক ও শিক্ষার্থীদেরও বিশেষ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আশা করি সবার সার্বিক সহযোগিতায় উৎসবমুখর পরিবেশে এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হবে।"


জবি ছাত্রলীগের কর্মসূচি

  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:০২ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে বৃক্ষরোপণ, লেকে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কৃষি উপহার বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছেন।


আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কেরানীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস এলাকায় এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।


কর্মসূচিতে ব্যবহৃত ব্যানারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবি দেখা যায়। এতে নিষিদ্ধ জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের ছবি দেখা যায়।


জবি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ বলেন, শেখ হাসিনার ৮০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ‘তোমার অপেক্ষায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জন্মদিনকে মানুষের কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রান্তিক কৃষকেরা সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের সংকটে রয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশনায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কৃষি উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ‘কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে, কৃষি বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে’ এই বিশ্বাস থেকেই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।


এ সময় তিনি আরও জানান, বিভিন্ন বাধা ও মামলার মধ্যেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং জবি ছাত্রলীগের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিও ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।


কর্মসূচিতে শাখা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে প্রকৃতি, কৃষক ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে এ আয়োজন করা হয়েছে। দেশের প্রকৃত সমৃদ্ধি শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নে নয়, পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষকের মর্যাদা ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের মধ্যেও প্রতিফলিত হয়।


তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী নিশ্চিত করা, মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে জলজ সম্পদ সংরক্ষণ এবং কৃষি উপহার বিতরণের মাধ্যমে কৃষকের শ্রম ও অবদানের প্রতি সম্মান জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে।


এ কর্মসূচির নেতৃত্ব দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। আরও উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মী সাজবুল ইসলাম সহ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মীরা।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত হলাম। আমরা তাদেরকে কোথাও কোনো কর্মসূচি করতে দিব না। আমি প্রক্টর অফিসে জানাচ্ছি। তাদের বিষয়ে অবগত করার জন্য।


দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলীকে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ জানার জন্য বারবার চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


ছবি: আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস র‍্যালি, নোবিপ্রবি

  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৩২ পিএম

শুধু তথ্য পাওয়াই যথেষ্ট নয়; তথ্যের সত্যতা, উৎস এবং কী উদ্দেশ্যে তা প্রচার করা হচ্ছে সেটি যাচাই করে দায়িত্বশীল তথ্যচর্চা জরুরি বলে মত প্রকাশ করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সামাজিক  যোগাযোগ মাধ্যমের কারণে আমরা খুব অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারছি। একই সঙ্গে ভুল, অসম্পূর্ণ কিংবা বিভ্রান্তিকর তথ্যও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি। ‘ডিজিটাল যুগে সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ : অপতথ্য রোধে তথ্য অধিকারের ভূমিকা’ প্রতিপাদ্যে নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে ওই র‌্যালির আয়োজন করে। র‌্যালিতে অংশ নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। উপাচার্য আরও বলেন, বর্তমানে যার কাছে তথ্য রয়েছে, তিনিই সবচেয়ে জ্ঞানী। এ সময় প্রতিষ্ঠানে কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিতে তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এছাড়াও তিনি নোবিপ্রবি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রত্যেককে তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে দায়িত্বশীল তথ্যচর্চার আহ্বান জানান।  


এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। নোবিপ্রবি জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক (তথ্য ও জনসংযোগ) ইফতেখার হোসাইনের সঞ্চালনায় এবং পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. গাজী মো. মহসিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে আয়োজিত র‌্যালিটি  বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রারম্ভস্থলে এসে শেষ হয়।

  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৫৩ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৫৩ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৫৩ পিএম

কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মুক্তির দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে দুদিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন শিক্ষকরা।


সরেজমিনে ক্যাম্পসে গিয়ে দেখা যায়, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সোমবার দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটক অবরুদ্ধ করে নানা ধরনের স্লোগান দিচ্ছেন। প্রশাসনিক ভবনের ফটক তালা থাকায় কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ ১৪ জন শিক্ষক ভেতরে আটকা পড়েন। এ ছাড়া প্রশাসনিক ভবনে অবরুদ্ধ আছেন আরও ৬ থেকে ৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। বেলা ১১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।


এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের প্রধান ফটক অবরুদ্ধ করে নানা ধরনের স্লোগান দেন। প্রশাসনিক ভবনের ফটক তালা থাকায় শিক্ষকরা ভেতরে আটকা পড়েছেন। গতকাল রোববার দুপুর থেকে তারা অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষকরা। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় শিক্ষার্থীদের একটি অংশ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে বৈঠকে বসেছেন। এতে সিলেট সিটি করপোরেনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীও অংশ নিয়েছেন। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত স্নাতক পর্যায়ের এ প্রকৌশল কলেজের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ, পুরকৌশল বিভাগ এবং কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের পাঁচটি ব্যাচে প্রায় ১ হাজার শিক্ষার্থী আছেন। 


আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রির স্বকীয়তা ও পেশাগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ক্রমাগত দাবি ও আন্দোলন সত্ত্বেও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে কলেজটিকে মুক্ত করার বিষয়ে কোনো আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যায়নি। প্রশাসনিক কালক্ষেপণের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জীবনকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।


আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আরও জানান, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো উচ্চতর ডিগ্রির মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে শিক্ষার্থীরা কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকতে চান না। শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবি হচ্ছে, অবিলম্বে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনতা থেকে মুক্তি এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভূক্ত হতে।


কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে মুক্তির বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত কলেজের সব ক্লাস, পরীক্ষা, ল্যাব ও একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে বলে জানান তারা।


এদিকে,কর্মসূচি চলাকালে রোববার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাজ্জাদ হোসেনের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে অধ্যক্ষ পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কর্তব্যরত সহযোগী অধাপক মো. আসাদুজ্জামানকে ফরিদপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বদলি করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যক্ষ পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. সাহিদ ইকবালকে পদায়ন করা হয়। সোমবারের মধ্যে তাঁদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলি করা কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার জন্য নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। 


তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বদানকারী এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শিক্ষার্থীরা এ বদলির আদেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন। 


তিন জানান, দাবি না মানা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা বদলি হওয়া অধ্যক্ষকে ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে দেবেন না। এমনকি নতুন বদলি হয়ে আসা অধ্যক্ষকেও ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হবে না। দাবি আদায়ের আগপর্যন্ত পুরো ক্যাম্পাস শাটডাউন থাকবে।


প্রশাসনিক ভবনে আটকা পড়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীদের যে দাবি তা উচ্চতর কর্তৃপক্ষ ছাড়া সমধান সম্ভব নয়। তবু তারা আমাদের আটকে রেখেছে। আমরা দুদিন ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি।