উত্তরপত্র। ফাইল ছবি।

  • প্রকাশ : বুধবার ০৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:১১ এএম

পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরিক্ত বা কম নম্বর প্রদানকারী পরীক্ষকদের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।


মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২০তম দিনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।


সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।


সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্রে অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। তবে এ ধরনের অপরাধে শাস্তি দিতে হলে তৃতীয় একজন পরীক্ষকের মাধ্যমে নম্বরের অসঙ্গতি নিশ্চিত করতে হবে।


সংশোধিত আইনটি ১৯৮০ সালের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) অ্যাক্ট’-কে সময়োপযোগী করে হালনাগাদ করা হয়েছে।


এ আইনে অনুমতি ছাড়া পরীক্ষার ডাটাবেজে প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য বিকৃত করা বা পরীক্ষার রেকর্ডে কারসাজিসহ যেকোনও ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।


এ ছাড়া সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি, পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তা এবং অন্যান্য ডিজিটাল কারসাজির বিরুদ্ধেও কঠোর শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:০১ পিএম

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) কোরিয়া-বাংলাদেশ ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ ক্লাইমেট অ্যাকশন প্রজেক্টের উপস্থাপনা ও তায়কান্দোর ওপর প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি প্রতিনিধিদল।


গত সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এ আগ্রহ প্রকাশ করেন।


সাক্ষাৎকালে দক্ষিণ কোরিয়ার ইও জিইয়ন ও লিম বঙ ট্যাক যুব নেতৃত্ব ও তায়কান্দো বিষয়ে আলোচনা করেন।


প্রতিনিধিদল আগামী ১৮ নভেম্বর জাবিতে কোরিয়া-বাংলাদেশ ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ ক্লাইমেট অ্যাকশন প্রজেক্টের উপস্থাপনা এবং ২০২৭ সালের ২৪ জানুয়ারি তায়কান্দোর ওপর একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করতে চায়।


উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক শামছুল আলম প্রতিনিধিদলকে জাবিতে স্বাগত জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করায় তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি অনুষ্ঠান আয়োজনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেন।


সাক্ষাৎকালে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. খন্দকার মো. শরিফুল হুদা, শারীরিক শিক্ষা অফিসের উপপরিচালক আজমল আমীন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:২৭ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন ও বিডিজবস প্লাটফর্মের যৌথ উদ্যোগে ‘শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার প্রস্তুতি ও কর্মসংস্থান’ বিষয়ক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 


অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন এবঙ কী-নোট স্পিকার ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এছাড়া প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, সোসিও ইকোনমিক হেলথ এডুকেশন অর্গানাইজেশনের মহাপরিচালক ড. মেহেদী হাসান, এনজিও সংস্থা ‘সেতু’র মাইক্রোফাইন্যান্স (MF) বা ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের সমন্বয়ক মো. আলাউল আলম এবং রূপালী ব্যাংক পিএলসির এজিএম ও শাখা প্রধান আবুল কালাম আজাদ।


উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে সুপারিশ বা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শুধু তার একাডেমিক ফলাফলই বিবেচ্য নয়। রক্তদান কর্মসূচি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কিংবা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে একজন শিক্ষার্থী কীভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে নিজেকে উপস্থাপন করেছে, সেসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।”


তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি এসব কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে নিজেদের দক্ষতা শাণিত করতে হবে। ভবিষ্যতে সরকার কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করলে কিংবা যেকোনো দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে Problem Solving Capacity না থাকলে তিনি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বের জন্য কতটা উপযোগী—সেটিও বিবেচনায় আসে।”


উল্লেখ্য, এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে বর্তমান চাকরির বাজার  ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা, কার্যকর পেশাদার CV প্রস্তুতকরণ, ইন্টারভিউ কৌশল এবং কর্মজীবনে সফলতার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৪১ পিএম

উচ্চশিক্ষায় অসাধারণ কৃতিত্ব ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ 'প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক' ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১-এর জন্য বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ১৩ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন।


সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) সর্বমোট ৪৬৯ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর তালিকা প্রকাশ করে, যার মধ্যে বুটেক্সের ২০১৯ সালের ৪ জন, ২০২০ সালের ৪ জন ও ২০২১ সালের ৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।  


ইউজিসির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৯-এর জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন–ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সুস্মিতা সাহা, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এ. এম. এহসানুল হক, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগের মো. সবুজ এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আখিরি জান্নাত।


২০২০ সালের জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন–ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. আবু সাঈদ, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তানিয়া আক্তার, টেক্সটাইল ফ্যাশন অ্যান্ড ডিজাইন বিভাগের মো. রেদওয়ানুল ইসলাম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের পূজা কুন্ডু।


এছাড়া ২০২১ সালের জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন–ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. নাঈমুল ইসলাম, ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এস.কে. মোহাম্মদ রাফি, অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ফৌজুন নাহার খান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মো. ইমরান হোসেন এবং টেক্সটাইল মেশিনারি ডিজাইন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স বিভাগের পৃথ্বিলা কামাল।


নীতিমালা অনুযায়ী, মনোনীত প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ২২ ক্যারেট মানের ৪.৫ গ্রাম স্বর্ণ ও ১০ গ্রাম রৌপ্য দিয়ে তৈরি একটি আকর্ষণীয় পদক এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হবে।


উল্লেখ্য, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণায় তরুণদের উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে ২০০৫ সাল থেকে প্রতিভাবান গ্র্যাজুয়েটদের ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ প্রদান করে আসছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১২ এএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অফিসার পরিষদ ২০২৬-২৭ বছরের নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে বাকৃবি অফিসার পরিষদ।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।


বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রুকনোজ্জামান সরকার রোকন, ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মোতাহার হোসেন তালুকদার, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার পরিষদের সভাপতি ড. এ. কে. এম. মাহবুবুর রশীদ গোলাপ। সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে বরণ করে নেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। পরে বক্তারা নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এসময় বক্তারা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছতা বাড়াতে নতুনদের নতুন কর্মস্পৃহা নিয়ে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় দেশের নেতৃত্ব ধরে রাখতে কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এমপি বলেন, বাকৃবির নবগঠিত অফিসার পরিষদের নেতৃবৃন্দের প্রতি শুভকামনা। বাকৃবিকে এগিয়ে নিতে হলে আপনাদের কর্মস্পৃহা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যেতে হবে। শহীদ জিয়াউর রহমানের সেই কথা স্মরণ করতে চাই, তিনি বলতেন 'কথা কম কাজ বেশি'। আজকে যারা এই পরিবারে আছেন তারা সুন্দর ভাবে কাজ করে যাবেন।


এসময় মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আপনার বাসার আশেপাশে সন্ধ্যার পরে খেয়াল করলে দেখবেন মাদক বিক্রি হচ্ছে এবং সেবন হচ্ছে। আপনি কোথাও যাওয়ার পথে মাদকসেবীদের দেখেও এড়িয়ে গেলেন, ভাবলেন অমুকের ছেলে খাচ্ছে, আমার কি? আমার ছেলে মসজিদে যায়। কিন্তু মাদক একদিন আপনার মাদ্রাসাপড়ুয়া ছেলেকেও প্রভাবিত করবে। একদিন, দুইদিন করে সেবন করাবে এবং একপর্যায়ে সে আসক্ত হয়ে পড়বে।


তিনি বলেন, প্রশাসন বা এমপি, চেয়ারম্যান বা প্রশাসক তারা একা পারবে না যদি আপনারাও দায়িত্ব না নেন। সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিতে হবে এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, অফিসার পরিষদের বিজয়ীদের অভিনন্দন জানাই। আমাদের মূল উদ্দেশ্য দুটি। প্রথমত, বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা। আর দ্বিতীয়ত আমাদের ন্যায্য অধিকার থেকে যেন কেউ বঞ্চিত না হয় সেজন্য প্রশাসনের সাথে নিয়মতান্ত্রিক ও সুন্দরভাবে আলোচনা করা।


নির্বাচিত অফিসারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা যে শপথ নিয়েছেন এবং শপথে যা উল্লেখ করেছেন, তার যথাযথভাবে অনুসরণ ও দায়িত্ব পালন করবেন। এতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। কোনো দাবিদাওয়া থাকলে তা প্রশাসনিক ও নিয়মতান্ত্রিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৯ পিএম

রাজধানীর সদরঘাটে প্রিন্স আওলাদ লঞ্চে অর্থ দাবি ও লেনদেনের অভিযোগের সংবাদ সংগ্রহকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনের কর্মীদের দ্বারা দুই সাংবাদিককে হেনস্তা, ধাক্কাধাক্কি এবং ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব।


মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জবি প্রেসক্লাবের দপ্তর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ রোকুনুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।


জবি প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ মুসফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ লিমন ইসলামের উক্ত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, গত সোমবার (৫ অক্টোবর) সদরঘাটের ৪ নম্বর টার্মিনালে প্রিন্স আওলাদ লঞ্চে প্রবেশকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে লঞ্চকর্মীদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বিরোধ মীমাংসার নামে ৪০ হাজার টাকা দাবি করে ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসার অভিযোগ ওঠে।


এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সদস্য ও বাংলাদেশ বুলেটিনের জবি প্রতিনিধি আকাশ আহমেদ রুপম এবং পাবলিক নিউজের জবি প্রতিনিধি এটিএম হাসনাত হাবিবকে হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধাক্কাধাক্কি করে ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় জবি শাখা ছাত্রদলের কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈকত, কাব্য, ইমন, আসিফ, লোক প্রশাসন বিভাগের আলিমুল, ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের সাইন আহমেদ পবন, ইতিহাস বিভাগের ১৮তম ব্যাচের সাইদ ও নাইম, থিয়েটার বিভাগের ১৮তম ব্যাচের নাইম, আইইআর বিভাগের ১৮তম ব্যাচের তাজ এবং আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের (আইএমএল) বহিষ্কৃত ছাত্রদল কর্মী শের আলীসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন।


যাদের বেশিরভাগই আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে জবি ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামছুল আরেফিনের কর্মী হিসেবে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতা, মাদক সেবন ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।


জবি প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধান ও তথ্য সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সাংবাদিকদের হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা মতপ্রকাশ ও সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ এবং গণতান্ত্রিক ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।


তাই এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে জবি প্রেসক্লাব। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা, হুমকি কিংবা হেনস্তার ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছে সংগঠনটি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৩ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের পরীক্ষার খাতার উত্তরপত্র খুঁজে না পাওয়ায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


এতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের পরীক্ষা-২০২৫-এর ২১০৭ নম্বর কোর্সের ২য় পরীক্ষকের উত্তরপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। উত্তরপত্রগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেনের কাছে দেয়া হয়েছিল বলে দাবি বিভাগের সংশ্লিষ্টদের। তবে প্রো-ভিসি তা অস্বীকার করেছেন।


আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।


অফিস আদেশ অনুযায়ী, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আয়নুল হক আকন্দকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজ্জামান।


অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গঠিত তদন্ত কমিটি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আগামী ৩ (তিন) কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।


কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ বলেন, ‘চিঠি পেয়েছি। কাজ শুরু করে দিচ্ছি।’


প্রসঙ্গত, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ২১০৭ নম্বর কোর্সের ৬০টির বেশি উত্তরপত্র হারিয়ে যায়। 


বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কোর্সের ইন্টারনাল পরীক্ষক ড. শাহাবুল আলম গত ১১ মে উত্তরপত্র নেন এবং ২০ মে বিভাগে জমা দেন। এরপর বিভাগীয় কর্মচারী জাবেদ আলীর দাবি, তিনি উত্তরপত্রগুলো কোর্সের দ্বিতীয় পরীক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের কাছে জমা দিয়েছিলেন।


তবে উপ-উপাচার্য দাবি, উত্তরপত্র তাঁর কাছে আসেনি। এই নিয়ে সৃষ্টি হয় দায় চাপানোর পরিস্থিতি। বিভাগে একটা আভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দেয়।

সর্বশেষ সব খবর