• প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২৭ পিএম

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজন করা হয়েছে ‘কনসার্ট ফর সলিডারিটি’। আজ এ কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবে সাতটি ব্যান্ড। সাত ঘণ্টার এই আয়োজনে থাকছে নগরবাউল জেমস, মাইলস, ওয়ারফেজ, ফিডব্যাক, আর্টসেল, শিরোনামহীন ও মেকানিক্সের পরিবেশনা।


কনসার্টটি আয়োজন করছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের (বামবা)।


এক ভিডিও বার্তায় ওয়ারফেজ বলেছে, ‘ঐক্য, সম্প্রীতি ও অদম্য চেতনার বাংলাদেশকে উদ্‌যাপন করতে আপনাদের মাঝে আসছি আমরা, ওয়ারফেজ। দেখা হচ্ছে সবার সাথে।’


ব্যান্ডটির দলনেতা শেখ মনিরুল আলম গতকাল জানান, ৪৫ থেকে ৫০ মিনিটের মতো ব্যান্ডটি গাইবে। ‘হারিয়ে তোমাকে’, ‘বসে আছি’, ‘পূর্ণতা’র মতো জনপ্রিয় গান পরিবেশন করবে ওয়ারফেজ।


বেলা সাড়ে তিনটায় কনসার্টের প্রবেশপথ খুলে দেওয়া হবে। মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল চারটায়।


কনসার্টের আগে বেলা তিনটায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর।


বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমিন বেগম।


আয়োজকদের ভাষ্য, ঐক্য, সম্প্রীতি, সংহতি ও উদার চেতনার বাংলাদেশের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন। সংগীতের মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপনের পাশাপাশি দর্শক-শ্রোতাদের জন্য তৈরি হবে উৎসবমুখর পরিবেশ। কনসার্টটি সবার জন্য উন্মুক্ত।




ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো চরিত্রে জনি ডেপ। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৩৮ পিএম

আইকনিক চরিত্র ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ হয়ে আবারও পর্দায় হাজির হবেন জনি ডেপ। দীর্ঘ বিরতির পর তার এই ফেরা নিয়ে ভক্তদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান’ সিরিজের ষষ্ঠ কিস্তিতে আবারও দেখা যাবে কি না- গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনার উত্তর দিলেন জনি ডেপ নিজেই।


নতুন সিনেমা ‘ইবেনেজার’-এর প্রচারণায় অংশ নিয়ে এ কিংবদন্তি অভিনেতা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল প্রযোজক জেরি ব্রুকহেইমারের অনুরোধে তিনি আবারও জলদস্যুর পোশাকে পর্দায় হাজির হতে পারেন। এর আগে আইনি জটিলতা এবং ডিজনি স্টুডিওর সঙ্গে দূরত্বের কারণে ডেপ জানিয়েছিলেন তিনি আর কখনো এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরবেন না। তিক্ততা ভুলে জলদস্যু রূপে ফেরার ক্ষেত্রে জনি ডেপ শর্ত দিয়েছেন।


তিনি জানান, পাইরেটস ফ্র্যাঞ্চাইজিকে একটি সুন্দর ও সম্মানজনক সমাপ্তির দিকে যদি নিয়ে যাওয়া হয় এবং দস্যু চরিত্রটিকে কেবল একটি ইতিবাচক বা ভালো বার্তা দিয়ে বিদায় জানানো হলেই তিনি ফিরবেন। গত বছর প্রযোজক ব্রুকহেইমার নিশ্চিত করেছিলেন, ‘স্ক্রিপ্ট পছন্দ হলে জনি ডেপ কাজ করতে রাজি হবেন। আমরা সিনেমাটি বানাতে চাই, কিন্তু তার আগে সঠিক চিত্রনাট্য হাতে পেতে হবে।


আমরা এখনো চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি, তবে বেশ কাছাকাছি আছি।’ ২০০৩ সালে গোর ভারবিনস্কি পরিচালিত ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান: দ্য কার্স অব দ্য ব্ল্যাক পার্ল’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আইকনিক ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’ চরিত্রে অভিনয় করেন জনি ডেপ। প্রথম কিস্তিতে তার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন অরল্যান্ডো ব্লুম (উইল টার্নার) ও কেইরা নাইটলি (এলিজাবেথ সোয়ান)।


পরে জনি ডেপ ২০০৬ সালে ‘ডেড ম্যানস চেস্ট’ এবং ২০০৭ সালে ‘এট ওয়ার্ল্ডস অ্যান্ড’ সিনেমায় একই চরিত্রে অভিনয় করে ভক্তদের মন জয় করেন। এরপর ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ ও পঞ্চম পর্ব—‘অন স্ট্রেঞ্জার টাইডস’ (২০১১) এবং ‘ডেড ম্যান টেল নো টেলস’ (২০১৭)-এ শেষবারের মতো দেখা গিয়েছিল ডেপকে। বেশ কয়েক বছর পর আবার জলদস্যুরূপে সেই আইকনিক রুপালি পোশাকে তাকে দেখা যাবে কি না, সেটাই এখন হলিউডের বড় চমক।

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১৬ পিএম
  • আপডেট : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১৬ পিএম


রানিয়ার মুখ প্রকাশ্যে আনলেন সারা খান। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১৬ পিএম

পাকিস্তানের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী সারা খান প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এনেছেন ছোট মেয়ে রানিয়ার মুখ। সম্প্রতি নীডা ইয়াসিরের উপস্থাপনায় ‘গুড মর্নিং পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে মেয়ের ছবি দেখান তিনি, যা নিয়ে ভক্তদের মধ্যেও বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।


‘সাবাত’, ‘বেলাপুর কি দায়ান’, ‘হাম তুম’, ‘রাকস-এ-বিসমিল’, ‘নামক হারাম’ ও ‘মুমকিন’-এর মতো জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন সারা খান। সম্প্রতি দানিশ তাইমুরের সঙ্গে ‘শের’ নাটকেও অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ২৭ লাখ। বিশিষ্ট পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী ফালাক শাব্বিরের সঙ্গে সংসার করছেন সারা। তাদের দুটি মেয়ে রয়েছে, যাদের নাম আলিয়ানা ও রানিয়া।



‘গুড মর্নিং পাকিস্তান’ অনুষ্ঠানে ছোট মেয়ের ছবি দেখিয়ে সারা বলেন, আপনার দর্শকদের জানিয়ে দিন, আমি অন্য কোথাও রানিয়ার মুখ প্রকাশ করিনি। আমার মেয়ের মুখ প্রথমবারের মতো এই অনুষ্ঠানেই দর্শকরা দেখছেন। অনুষ্ঠানের উপস্থাপক নীডা ইয়াসিরের মতে, রানিয়ার সঙ্গে তার বড় বোন আলিয়ানা ফালাকের চেহারার বেশ মিল রয়েছে। তবে বাবার চেহারার সঙ্গেও কিছুটা সাদৃশ্য আছে।


বড় হওয়ার সঙ্গে শিশুদের মুখের গড়নে পরিবর্তন আসে উল্লেখ করে নীডা বলেন, ভবিষ্যতে রানিয়ার চেহারার সঙ্গে কার মিল বেশি, তা বোঝা যাবে। অনুষ্ঠানে রানিয়ার যে ছবিগুলো দেখানো হয়েছে, সেগুলো প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৩ পিএম
  • আপডেট : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৩৯ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৩ পিএম

দীর্ঘদিন ধরে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের দাম্পত্য জীবন নিয়ে বলিউডে নানা জল্পনা চলছে। তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জনও ছড়িয়েছে বিভিন্ন সময়। এমন আলোচনার মধ্যেই একসঙ্গে জনসমক্ষে হাজির হয়েছেন এই তারকা দম্পতি। ফ্যাশন ডিজাইনার মণীশ মলহোত্রার দীপাবলির অনুষ্ঠানে অভিষেকের হাত ধরে প্রবেশ করেন ঐশ্বরিয়া। তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।প্রতি বছরের মতো এবারও মুম্বাইয়ে দীপাবলি উপলক্ষে তারকাদের নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন মণীশ মলহোত্রা। বলিউডের অনেক পরিচিত মুখ সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন সাইফ আলি খান, কারিনা কাপুর খান, মাধুরী দীক্ষিত, অক্ষয় কুমার ও জেনেলিয়া ডি’সুজার মতো তারকারা। তবে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার একসঙ্গে আগমনই ছিল অনুষ্ঠানের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।


অনুষ্ঠানে অভিষেকের পরনে ছিল কালো শেরওয়ানি। অন্যদিকে লাল শাড়ি ও সোনালি পাড়ে সেজেছিলেন ঐশ্বরিয়া। দুজনকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছবিও তুলতে দেখা যায়। তাদের একসঙ্গে দেখে ভক্তদের অনেকে পুরোনো দিনের কথা মনে করেছেন। কারও কারও মতে, এই দম্পতির মধ্যে আবারও দেখা গেছে ২০০৮ সালের সেই পরিচিত রসায়ন।


অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক নিয়ে কয়েক বছর ধরেই নানা আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তাদের আলাদা থাকা এবং দাম্পত্য জীবনে দূরত্ব তৈরির খবর বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে। তবে এসব গুঞ্জন নিয়ে তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে কোনো অনুষ্ঠানে তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি ভক্তদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করে।অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে বড় পর্দায় অনুপস্থিত ঐশ্বরিয়া। মেয়ে আরাধ্যার জন্মের পর থেকে ব্যক্তিগত জীবন ও পরিবারকে বেশি সময় দিচ্ছেন এই অভিনেত্রী। অভিনয়ের ব্যস্ততা কমিয়ে দিলেও তাকে ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ কমেনি। এবার মণীশ মলহোত্রার দীপাবলির অনুষ্ঠানে অভিষেকের হাত ধরে তার প্রবেশ এবং দুজনের একসঙ্গে ছবি তোলার মুহূর্ত ভক্তদের আনন্দিত করেছে। বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মধ্যে এই যুগল উপস্থিতি তাই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।


সালমান খান

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:০৭ এএম

১৯৯৮ সালের ঘটনা। সেই সময় রাজস্থানের কঙ্কানি গ্রামে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে বিতর্কে জড়ান বলিউডের 'ভাইজান'খ্যাত অভিনেতা সালমান খান। সেই সময় বলিউড সুপারস্টারের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ ওঠে। দুই দশক আগের সেই ঘটনার পর থেকেই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নিশানায় সালমান খান। একাধিকবার বলিউডের ভাইজানকে খুনের হুমকি দিয়ে খবরের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই।


সেই উপদ্রব আবারও বেড়েছে। '২৪ সালে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গুলি চালানো হয়। বিদেশে সালমানের বন্ধু-গায়কের বাড়িতে হামলা করা হয়। তারপর সালমান-ঘনিষ্ঠ বাবা সিদ্দিকীর খুন থেকে শুরু করে নতুন করে অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত, টাইগার শ্রফদের টার্গেট করা— একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে ভাইজানকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বিষ্ণোই গ্যাং। যার জেরে ওয়াই ক্যাটাগরির পাশাপাশি সালমান খানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।


এর মধ্যে দুবাই থেকে দুই কোটি রুপি খরচ করে বুলেটপ্রুফ গাড়িও এনেছেন সালমান খান। বুলেটপ্রুফ কাঁচে মুড়েছেন গ্যালাক্সির বারান্দা। শুটিং ছাড়া গতিবিধিতেও রাশ টানতে হয়েছে এ অভিনেতাকে। কিন্তু সারাজীবন কি এভাবে প্রাণভয়ে বেড়াতে হবে? কী করলে বিষ্ণোইদের কাছ থেকে মুক্তি পাবেন সালমান খান? 


এবার সেই নিদান দিল রাজস্থানের বিষ্ণোই সম্প্রদায়। যারা কৃষ্ণসার হরিণকে দেবতাজ্ঞানে পূজা করেন। লরেন্স বিষ্ণোইয়ের কাকা ভাইজানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এক মোক্ষম উপায় বাতলে দেন।


এ বিষয়ে লরেন্স বিষ্ণোইয়ের কাকা রমেশ বিষ্ণোই বলেন,তিনি কোনো ধরনের সহিংসতাকে সমর্থন করেন না। বহুকাল ধরেই গ্যাংয়ের সবাইকে সতর্ক করে আসছেন। তিনি বলেন,  'সালমান বা তার ঘনিষ্ঠ কারও ওপর হামলা কিংবা হত্যাকে আমি সমর্থন করি না। আসলে বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ জমে রয়েছে এবং এর সমাধান হওয়া উচিত। সালমান যদি আমাদের মন্দিরে পূজা দিয়ে ক্ষমা চাইতেন, তাহলে বিষয়টি অনেক আগেই মিটে যেত।'


কাকা রমেশ বিষ্ণোই বলেন, বিষ্ণোইরা মনে করেন— কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করে গর্হিত অপরাধ করেছেন সালমান খান, যা কিনা বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের আচারবিধির বিরুদ্ধাচরণ। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের থেকে মুক্তি চাইলে সালমানকে অবশ্যই রাজস্থানের বিকানিরে অবস্থিত মুক্তিধাম মুকামে যেতে হবে। 


তিনি বলেন, এ মন্দির বিষ্ণোইদের সব থেকে পবিত্র ধর্মীয় স্থান। এই একই নিদান বহু আগে দিয়েছিলেন ‘অল ইন্ডিয়া বিষ্ণোই সমাজ’-এর সম্পাদক হনুমানরাম বিষ্ণোই। কিন্তু শোনেননি ভাইজান! 


রমেশ বিষ্ণোই বলেন, বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের বিশ্বাস— কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার মধ্যে অবশ্যই অনুশোচনাবোধ থাকতে হবে, যা তাকে প্রায়শ্চিত্তের পথে নিয়ে যাবে। কেউ যদি বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের সঙ্গে কোনো রকম অপরাধ বা অন্যায় করেন, তাহলে তাকে মুক্তিধাম মুকামে গিয়ে পুরো সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে হয়। শুধু তাই নয়, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ক্ষমা চাওয়া হলে, সেটি গ্রহণযোগ্য হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে যাচাই করেন বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের সদস্যরা।


অন্যদিকে সালমান খানের বাবা সেলিম খানের আশঙ্কা— এই মন্দিরে পূজা দিতে গেলে সালমানের ওপর হামলা হতে পারে। এ আশঙ্কায় লরেন্সের কাকা রমেশ বিষ্ণোই জানিয়েছেন— 'আমি ব্যক্তিগতভাবে সালমানের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছি। এটা অনেক দিন ধরে চলছে। এ অধ্যায়ের অবসান হওয়া উচিত। একটা ক্ষমা প্রার্থনাই তো যথেষ্ট।'


অন্যদিকে আবার ক্ষমা চাইলেই আইনি জটিলতায় পড়তে হবে খোদ ভাইজানকেই। কারণ ২০১৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সালমানকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন নিম্ন আদালত। যদিও নিজেকে নির্দোষ দাবি করে রাজস্থান হাইকোর্টের দ্বারস্থও হন অভিনেতা। মামলাটি বর্তমানে সেখানেই বিচারাধীন। 


এদিকে সেলিম খান বলেন, যে ছেলে ছোট থেকে একটা আরশোলা মারতে পারেনি, সে কীভাবে হরিণ মারবে? তাই ক্ষমা চাওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।


শাহরুখ খান

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৪ এএম

৬২তম জন্মদিনে তার ভক্ত-অনুরাগীদের বিশেষ উপহার দিয়েছেন বলিউডের বাদশাহ শাহরুখ খান। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত আসন্ন সিনেমা ‘কিং’-এর প্রথম গান ‘তু মিল জায়ে’ প্রকাশ্যে এসেছে সোমবার (২ নভেম্বর)। এ গান নিয়ে আবার শাহরুখ ও দীপিকার রসায়ন সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে। নাচের দৃশ্যগুলোও প্রশংসিত হচ্ছে। গানটির সুর দিয়েছেন সচিন-জিগর, কথা লিখেছেন কুমার। কোরিওগ্রাফার পীযূষ-শাজিয়া জুটি।


এর আগে পীযূষ-শাজিয়া জুটি ‘রুহি’, ‘ভেড়িয়া’ ও ‘লাইগার’-এর নাচের দৃশ্য পরিচালনা করেছেন। তবে তারা এখনো নিজেদের নতুন বলেই মনে করেন। সিদ্ধার্থ আনন্দের আগের ছবি ‘ফাইটার’-এর ‘হীর আসমানি’ গানটির নৃত্যপরিচালনাও ছিল তাদেরই। সেই সূত্রেই দীপিকার সঙ্গে আগেও কাজের অভিজ্ঞতা ছিল তাদের। তবে শাহরুখের সঙ্গে এই প্রথম।


সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কোরিওগ্রাফার পীযূষ-শাজিয়া বলেন,  'কর্মজীবনের এত অল্প সময়ে শাহরুখের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ সবার হয় না। হয়তো অন্যদের থেকে আমাদের কাজের ধরন কিছুটা আলাদা। সে কারণেই এত বড় সুযোগ পেয়েছি।'


এ যুগল নৃত্যপরিচালক বলেন, তাদের কাজের মধ্যে নতুন ভাবনা দেখেছিলেন সিদ্ধার্থ। প্রায় এক বছর আগেই এ গানের দায়িত্ব তাদের হাতে তুলে দেন পরিচালক। শাহরুখও তাদের নতুন ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তারা বলেন, 'শাহরুখকে কুর্নিশ জানাতেই হয়। আমাদের নতুন ভাবনা বুঝতে পেরেছেন তিনি। নতুন কিছু করার প্রস্তাব দিয়েছি, শুটিংয়ের ধরন নিয়ে নিজেদের ভাবনার কথা জানিয়েছি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি আগ্রহ দেখিয়েছেন।' 


 ‘তু মিল জায়ে’ যে আর পাঁচটা নাচের গানের মতো নয়, তা স্পষ্ট করেছেন পীযূষ-শাজিয়া। তারা বলেন, 'এই গানটির নাচ তৈরি করা বেশ কঠিন ছিল। কারণ এটি একেবারে নাচের গান নয়। বরং একটা আবহ, একটা অনুভূতি রয়েছে। তাই নাচের ভঙ্গিও সেই মেজাজের সঙ্গে মানানসই করতে হয়েছে।'


তবে গানটিতে শুধু প্রেমের আবহ রাখতে চাননি তারা। শাহরুখের চরিত্রের মধ্যে যে তীব্রতা এবং হিংস্রতার ছাপ রয়েছে, সেটিও গানের দৃশ্যায়নে তুলে ধরতে চেয়েছেন। তাই রোমান্টিক মুহূর্তের পাশাপাশি রয়েছে অ্যাকশনের ঝলক। গানটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘হুক স্টেপ’। সেটিও তৈরি করা হয়েছিল শাহরুখের নিজস্ব নাচের ধরন মাথায় রেখে। 


পীযূষ-শাজিয়া বলেন, শাহরুখ নিজেই বলেছিলেন— যতক্ষণ না আমি ভালো করে নাচটা করতে পারছি, ততক্ষণ আমাকে মহড়া করতে দিও। শাহরুখের এই পরিশ্রম এবং সহকর্মীদের প্রতি তার আচরণ মুগ্ধ করেছে এ নৃত্যপরিচালক জুটিকে।


বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ‘নবীনবরণ ও ডোনার সংবর্ধনা–২০২৬’ । ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২৯ পিএম

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ‘নবীনবরণ ও ডোনার সংবর্ধনা–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাঁধন বুটেক্স ইউনিট। ‘একের রক্ত অন্যের জীবন, রক্তই হোক আত্মার বাঁধন’ স্লোগানকে ধারণ করে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদায়ী ৪৮তম ব্যাচের রক্তদাতাদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।


অনুষ্ঠানের শুরুতে বাঁধনের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এতে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, বুটেক্স ইউনিটের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং বাঁধনের সঙ্গে যুক্ত রক্তদাতাদের অভিজ্ঞতা ও অবদানের চিত্র তুলে ধরা হয়।


বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক শিহাব উদ্দিন মারুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইটিইটি'র সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন, আইটিইটি'র সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আরফান আলী প্রামাণিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনা, শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, ওয়েলকিন টেক্সটাইল ইনোভেশনস লিমিটেডের পরিচালক কে. এম. আলাওল কবির এবং বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক রিফাত জাহান। এছাড়া অনুষ্ঠানে বাঁধনের সাবেক কর্মী, নতুন ও পুরাতন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, "বাঁধন বুটেক্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সংগঠন, যা স্বেচ্ছায় রক্তদান ও রোগীদের সহায়তায় কাজ করে আসছে। গত বছর এ ইউনিটের মাধ্যমে ৫০০টিরও বেশি ব্যাগ রক্ত সরবরাহ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ জন রোগী উপকৃত হয়েছেন। এ বছর নতুন উদ্যোগ হিসেবে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা করা হয়েছে।"


তিনি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে চক্ষু পরীক্ষা আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাঁধনের প্রতি আহ্বান জানান। এসব মানবিক কার্যক্রম পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইটিইটি'র সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন বলেন, "মানবতার সেবায় কাজ করার ক্ষেত্রে বাঁধন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম পথিকৃৎ। নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, গভীর রাতেও রক্তের প্রয়োজনে যোগাযোগ করা হলে বাঁধনের কর্মীরা সবসময় ইতিবাচক সাড়া দিয়ে থাকেন।"


তিনি বুটেক্সে একটি স্থায়ী ‘ব্লাড ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা এবং মরণোত্তর চক্ষুদান কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি আইটিইটি ও অ্যালামনাইদের পক্ষ থেকে বাঁধনের যেকোনো কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


শিক্ষার্থী কল্যাণ পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, "মানুষ সামাজিক দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যেতে পারে না। বাঁধন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে সেই দায়বদ্ধতা পালনের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। রক্তদানের ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে শুরুতে ভয় বা দ্বিধা কাজ করলেও রক্তদানের পর যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, তা অসাধারণ। বাঁধনের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে।"


তিনি বাঁধনকে রক্তদানের পাশাপাশি আরও বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান, যাতে এর মাধ্যমে সমাজ ও দেশ উপকৃত হয়।


সমাপনী বক্তব্যে বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের সভাপতি পিয়াল আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, রক্তদাতা ও নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "২০০৬ সালে যাত্রা শুরু করা বাঁধন বুটেক্স ইউনিটের বর্তমান সাফল্যের পেছনে নিবেদিতপ্রাণ রক্তদাতা ও দায়িত্বশীলদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সফলভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবী ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সবার আন্তরিক সহযোগিতায় বাঁধন অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবে। এ সময় তিনি সংগঠনের মানবিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ব্যান্ড সংগীতের মধ্য দিয়ে আয়োজনের পরিসমাপ্তি ঘটে।