‘মাইকেল’–এ জাফর জ্যাকসন

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ২:৪৬ এএম

সমালোচকেরা পাত্তা না দিলেও মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’। ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম দিনেই প্রায় ৩৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে ছবিটি। সপ্তাহান্তে সেই অঙ্ক দাঁড়ায় ৯৫ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, যা সংগীতভিত্তিক জীবনীচিত্রের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়ার পথে। এর আগে ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’ বা ‘স্ট্রেইট আউটা কম্পটন’ যে মানদণ্ড তৈরি করেছিল, তা সহজেই ছাপিয়ে গেছে এই ছবি।


শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও ছবির দাপট সমান। ৮০টির বেশি দেশে মুক্তি পেয়ে প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী আয় ২০০ মিলিয়ন ডলার ছুঁয়ে ফেলেছে। মহামারির পর প্রযোজনা সংস্থা লায়নসগেটের কোনো সিনেমার এটিই সবচেয়ে বড় ওপেনিং, যা স্টুডিওটির জন্য এক বিশাল স্বস্তির বার্তা।


দর্শকের উচ্ছ্বাস বনাম সমালোচকের সংশয়


মজার বিষয় হলো, সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি ইতিবাচক নয়। অনেকেই মনে করছেন, ছবিটি মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়গুলো এড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে ১৯৯০-এর দশকের অভিযোগগুলো নিয়ে ছবিতে খুব বেশি গভীরে যাওয়া হয়নি।


কিন্তু দর্শকের প্রতিক্রিয়া একেবারেই ভিন্ন। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের নাচ–গানের সঙ্গে গলা মেলানো—সব মিলিয়ে যেন একধরনের উদ্‌যাপনের আবহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, এটি শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং ‘একটি অভিজ্ঞতা’—একটি নস্টালজিক টাইম মেশিন, যা দর্শককে ফিরিয়ে নিয়ে যায় ‘বিলি জিন’ কিংবা ‘থ্রিলার’-এর যুগে।


নির্মাণের পেছনের গল্প


ছবিটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্টনি ফুকোয়া, যিনি এর আগে ‘দ্য ইকুয়ালাইজার’–এর মতো অ্যাকশন চলচ্চিত্রে সফলতা পেয়েছেন। প্রযোজনায় ছিলেন ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’র গ্রাহাম কিং। আগেরটির মতো এবারও তিনি আরেকটি সফল সংগীত বায়োপিক উপহার দিতে চলেছেন।


সবচেয়ে বড় চমক, ছবিতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাঁরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। তাঁর পারফরম্যান্স ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে—বিশেষ করে মাইকেলের নাচ, ভঙ্গি ও কণ্ঠস্বর অনুকরণের নিখুঁততার জন্য।


বিতর্ক, কাটছাঁট এবং পুনর্নির্মাণ


এই ছবির পথ মোটেও সহজ ছিল না। নির্মাণের মাঝপথে আইনি জটিলতা, তৃতীয় অঙ্ক পুনর্নির্মাণ—সব মিলিয়ে বাজেট বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ডলারে। এমনকি ছবির একটি বড় অংশ পুনরায় শুট করতে হয়। কারণ, বাস্তব জীবনের একটি মামলার প্রসঙ্গ দেখানোর ক্ষেত্রে আইনি বাধা ছিল।


মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের বিতর্কিত অধ্যায়—বিশেষ করে ১৯৯৩ সালের অভিযোগ—প্রথমে গল্পে অন্তর্ভুক্ত থাকলেও পরে আইনি জটিলতার কারণে তা বাদ দিতে হয়েছে। ফলে নির্মাতাদের গল্পের ফোকাস সরিয়ে আনতে হয়েছে তাঁর পরিবার, বিশেষ করে বাবা জো জ্যাকসনের সঙ্গে সম্পর্কের দিকে, যা ছবির আবেগঘন স্তরকে আরও গভীর করেছে।


সিনেমাটির নির্মাণপ্রক্রিয়াও ছিল জটিল ও বিতর্কে ঘেরা। এই ছবিতে সংগীতের স্বত্ব, বিশাল কনসার্টের দৃশ্য এবং পুনরায় শুটিং—সব মিলিয়ে খরচ বেড়েছে কয়েক ধাপে। বিশেষ করে ছবির তৃতীয় অংশ নিয়ে বড় পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

এ জায়গাই ছবির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড়। কারণ, মাইকেল জ্যাকসনের জীবনের আলো-অন্ধকার বুঝতে গেলে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ককে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। কঠোর ও নিয়ন্ত্রণমূলক বাবার ছায়া তাঁর শৈশব ও ক্যারিয়ারের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। ছবিটি সেই দিককেই নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।


কেন এত বড় সাফল্য


এই সাফল্যের পেছনে কয়েকটি বড় কারণ কাজ করেছে—প্রথমত, মাইকেল জ্যাকসনের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা। তাঁর গান, নাচ, স্টেজ পারফরম্যান্স—সবকিছুই এখনো বহু প্রজন্মকে আকর্ষণ করে।


দ্বিতীয়ত, ছবিটি তৈরি হয়েছে একধরনের ‘ফ্যান সার্ভিস’ হিসেবে, যেখানে দর্শক তাদের প্রিয় তারকার উজ্জ্বল দিকগুলোই বেশি দেখতে পায়।


তৃতীয়ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবির প্রচারণা ছিল ব্যাপক। মুক্তির আগেই ট্রেলার ও গানগুলো কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।


বক্স অফিসের দিকে তাকালে বোঝা যায়, এই ছবির প্রতি দর্শকদের আগ্রহ কতটা প্রবল। ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’ বা ‘প্রজেক্ট হেল মেরি’ ছবি দুটি ভালো ব্যবসা করলেও ‘মাইকেল’–এর তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে। এটি প্রমাণ করে, শক্তিশালী একটি ব্যক্তিত্বকেন্দ্রিক গল্প এখনো দর্শকদের হলে টানতে পারে।


এই সাফল্যের আরেকটি দিকও আছে। সাম্প্রতিক সময়ে হলিউডে বায়োপিকের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। ফ্রেডি মার্কারি থেকে শুরু করে হিপহপ গ্রুপ—বিভিন্ন শিল্পীর জীবন নিয়ে নির্মিত ছবি দর্শকপ্রিয় হয়েছে। তবে ‘মাইকেল’ সেই ধারার এক উচ্চতর উদাহরণ, যেখানে শুধু একজন শিল্পীর জীবন নয়, বরং পুরো একটি যুগকে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে।


এই ছবির সাফল্য কি শুধু নস্টালজিয়ার ফল, নাকি এটি সত্যিই এক শক্তিশালী চলচ্চিত্র? তার উত্তর সময়ই দেবে। তবে আপাতত নিশ্চিত করে বলা যায়, ‘কিং অব পপ’ রাজত্ব হারাননি।



  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ এএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ এএম


কাজিয়াহ লিজ মেজো

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ এএম

‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৬’-এর মুকুট জিতেছেন কাজিয়াহ লিজ মেজো। রোববার রাতে জয়পুরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে ৫২ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সেরার মুকুট অর্জন করেন ১৯ বছর বয়সী এই তরুণী। গত বছরের বিজয়ী মানিকা বিশ্বকর্মার কাছ থেকে মুকুট গ্রহণ করেন কাজিয়াহ। এই জয়ের ফলে আগামী নভেম্বরে পুয়ের্তো রিকোয় অনুষ্ঠিতব্য ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।


সেরার মুকুট জয়ের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কাজিয়াহ বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। এই মুহূর্তটির জন্য আমি তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছি। আমি ভীষণ খুশি যে এই মুকুটটি আমার কেরালায় নিয়ে যেতে পারছি এবং আমার শহরকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছি।’


কেরালার মাভেলিক্কারায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা কাজিয়াহ বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে আইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি মডেলিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। ছোটবেলা থেকেই শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এই তরুণী।


গত বছর ‘মিস টিন ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন কাজিয়াহ। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে কিশোরীদের আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে ভারতের অন্যতম বড় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার জাতীয় মুকুট জয় করেছেন তিনি।


১৯ বছর বয়সে এমন সাফল্যকে তাই বেশ বড় অর্জন হিসেবেই দেখছেন আয়োজক ও প্রতিযোগিতা বিশ্লেষকেরা।


সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির জন্য প্রশংসা পেলেও একসময় নিজের চেহারা নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তায় ভুগতেন কাজিয়াহ। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নিজের সেই সময়ের কথা জানিয়েছেন তিনি।


কাজিয়াহ জানিয়েছেন, আত্মবিশ্বাসের অভাবে একসময় বছরের পর বছর নিজের একটি ফিল্টারহীন ছবিও সংরক্ষণ করতেন না। নিজের চেহারা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে তার মধ্যে কাজ করত এক ধরনের আত্মসচেতনতা। তবে ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করেন তিনি। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নিজেকে বারবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে যেতে শুরু করেন।


‘ফেক ইট টিল ইউ মেক ইট’ পদ্ধতি অনুসরণ করতেন তিনি—অর্থাৎ আত্মবিশ্বাসী হওয়ার আগেই আত্মবিশ্বাসী আচরণ করার চেষ্টা করতেন। একসময় সেই অভিনয় করা আত্মবিশ্বাসই তার কাছে বাস্তব হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছেন কাজিয়াহ।


জাতীয় পর্যায়ে মুকুট জয়ের পর কাজিয়াহর সামনে এখন আরও বড় পরীক্ষা। আগামী নভেম্বর পুয়ের্তো রিকোয় অনুষ্ঠিতব্য ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজয়ীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।


আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাম্প্রতিক সাফল্যও তার ওপর প্রত্যাশা বাড়াবে। বিশেষ করে ২০২১ সালে হরনাজ সান্ধু ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জেতার পর ভারতের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার প্রতি দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। সূত্র: এনডিটিভি ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


সালমান শাহ ও ডন

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৫ পিএম

চিত্রনায়ক সালমান শাহ ‘হত্যা’ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা খল চরিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে তিন কারণ দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি। আবেদনে ডনকে ‘অত্যন্ত সুকৌশলী ও ধূর্ত প্রকৃতির লোক’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমান গত বৃহস্পতিবার এ আবেদন করেন।


আজ সোমবার প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম জানান, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ২৭ অগাস্ট ধার্য করেছেন।


রিমান্ডের জন্য আবেদনে তিন কারণ দেখিয়ে সিআইডি বলেছে, মামলার ঘটনা আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর। ভুক্তভোগী জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। তার মা মামলার পর থেকে অর্থাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করে আসছেন। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বিভিন্ন পত্রিকাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৎপর রয়েছেন। এমতাবস্থায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ডনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।


রিমান্ড আবেদনের দ্বিতীয় কারণে ডনকে ‘অত্যন্ত সুকৌশলী ও ধূর্ত প্রকৃতির’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। 


সিআইডি বলছে, তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মামলার ঘটনায় জড়িত অপরাপর সহযোগী আসামিদের অবস্থান নির্ণয় করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য ও নিবিড়ভাবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।


তৃতীয় কারণ হিসেবে সিআইডির দাবি, ডনের বিরুদ্ধে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিভিন্ন কৌশলে, কী কারণে ও কার ইন্ধনে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছিলন এ সংক্রান্ত তথ্য উদঘাটনসহ মামলার প্রকৃত রহস্য জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ৯ অগাস্ট ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এরপর তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১২ অগাস্ট জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তা নাকচ করে দেয়।


সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে গেল বছরের ২০ অক্টোবর তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম মামলাটি করেন।


চিত্রনায়ক সালমান শাহ (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের ফ্ল্যাটে মারা যান। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে সে সময় তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে।


ছেলের মৃত্যুর পর প্রথমে একটি অপমৃত্যু মামলা করেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। কিন্তু পরে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে- এমন অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার আবেদন জানান তিনি।


তখন অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেয় আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে সিআইডি জানায়, সালমান শাহ ‘আত্মহত্যা’ করেন।


সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে কমরউদ্দিন চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠায় আদালত।


দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট সেই প্রতিবেদন দাখিল করেন মহানগর হাকিম ইমদাদুল হক। তাতেও হত্যার অভিযোগ নাকচ করা হয়।


সালমান শাহের বাবার মৃত্যুর পর তার মা নীলা চৌধুরী মামলটি চালিয়ে যান। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে ‘নারাজি’ দেন। তিনি ১১ জনের নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, এরা তার ছেলেকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।


মামলাটি এরপর তদন্ত করে র‌্যাব। তখন রাষ্ট্রপক্ষ আপত্তি তুললে ২০১৬ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েশ র‌্যাবকে মামলাটি আর তদন্ত না করার আদেশ দেন।


তখন তদন্তের দায়িত্বে আসে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। চার বছর তদন্তের পর ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।


সেখানেও বলা হয়, ঘটনার সময় উপস্থিত ও ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে, জব্দ করা আলামত পর্যালোচনা করে হত্যার অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি।


পিবিআই তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বলে, চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে পারিবারিক কলহ আর স্ত্রী সামিরা হকের কারণে মা নিলুফা চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরীকে ছেড়ে থাকার মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেই অভিমানী সালমান শাহ আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন।


ওই প্রতিবেদনেও অসন্তুষ্টি জানান সালমানের মা নীলা চৌধুরী। ছেলের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল, তা জানতে তিনি আরও তদন্ত চান।


ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের অব্যাহতির আদেশ দেন। এরপর আবার সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকটি বিষয় নিয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের আবেদন করা হয়।


২০২২ সালের ১২ জুন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন আবেদন গ্রহণ করেন। তবে বিভিন্ন কারণে আর রিভিশন শুনানি হয়নি।


গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তার মায়ের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। 


এবিষয়ে সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিনের অভিযোগ এবং ঘটনায় জড়িত রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের জবানবন্দি সংযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়ে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে রমনা মডেল থানা পুলিশকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।


এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাত পলাতক আসামিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজসে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ্কে হত্যা করেছে বলে মামলায় অভিযোগ করেন মোহাম্মদ আলমগীর।


প্রভার তৃতীয় বিয়ের গুঞ্জন

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:০৩ পিএম

ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার রহস্যময় পোস্ট ও ছবি ঘিরে মাঝেমধ্যেই প্রেম ও বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়ায়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী এবং নিজের চেয়ে বয়সে ছোট এক যুবকের সঙ্গে প্রভার তৃতীয় বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। 


এমনকি পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও আগস্টের শুরুতে ব্যাংককে তাদের বিয়ে হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। তবে অভিনেত্রী নিজেই বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব।


গত কয়েক মাসে প্রভার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি পোস্ট থেকেই মূলত নতুন সম্পর্কের গুঞ্জনের সূত্রপাত। এপ্রিলে অনামিকায় হীরার আংটি পরা একটি ছবি প্রকাশ করে বাগদানের ইঙ্গিত দেন তিনি। 


এরপর জুনে নেপাল ভ্রমণের সময় ‘আই লাভ ইউ’ লেখা বেলুন ও এক পুরুষের হাতের ছবি পোস্ট করে পরে তা সরিয়ে নেন। জুলাইয়ের শেষেও ‘তোমাকে ছাড়া দিন কাটছে’ শিরোনামে একটি রহস্যময় পোস্ট করেন অভিনেত্রী।


এসব পোস্টের কারণে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। চলতি বছরের শুরুতেও এক লাইভে বিয়েকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় বলে মন্তব্য করেছিলেন প্রভা। পরে জুনে এক ভিডিও বার্তায় নারীদের বিবাহিত পুরুষের ছলনায় না ভোলার পরামর্শ দেন তিনি। ওই সময় এক জনপ্রিয় কার রিভিউয়ারের সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জনও ছড়িয়েছিল।


প্রভার ব্যক্তিগত জীবনে এর আগে দুটি বিয়ে ও বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। ২০১০ সালে অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর সঙ্গে বিয়ে হয় তার। পরবর্তীতে মাহমুদ শান্তর সঙ্গেও বিয়ের পর বিচ্ছেদ ঘটে।


অতীতের দুই বিয়ে, সাম্প্রতিক রহস্যময় পোস্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করেই তৃতীয় বিয়ের গুঞ্জন জোরালো হয়। তবে প্রভা সরাসরি বিষয়টি অস্বীকার করায় আপাতত সেই গুঞ্জনের অবসান ঘটেছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৯ পিএম

২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জেলার’ সিনেমার সাফল্যের পর এবার আসছে এর সিক্যুয়েল ‘জেলার ২’। রজনীকান্ত অভিনীত সিনেমাটির প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে প্রথম গান ‘আলা বোলেলো’। আর এই গানেই রজনীকান্তের সঙ্গে নেচে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী শামনা কাসিম।


দক্ষিণ ভারতের উৎসব ওনমের আবহে তৈরি গানটির সংগীত ও কণ্ঠ দিয়েছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর। প্রকাশের পর থেকেই গানটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। তবে গানের পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে এর নাচ। রজনীকান্তের সঙ্গে শামনা কাসিমের পারফরম্যান্স দর্শকদের নজর কেড়েছে।


কেরালার কান্নুরে জন্ম শামনা কাসিমের। ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি আগ্রহ ছিল তার। ২০০৪ সালে মালায়ালাম সিনেমা ‘মঞ্জু পলোরু পেংকুট্টি’ দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক হয় তার। 


পরে তেলুগু সিনেমা ‘শ্রী মহালক্ষ্মী’ ও তামিলের ‘মুনিয়ান্দি বিলাঙ্গিয়াল মুনরামান্ডু’সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেন। ‘দ্রোহী’, ‘আডু পুলি’, ‘থাগারারু’, ‘সাভারাকাথি’সহ বেশ কিছু তামিল সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। ‘থালাইভি’ সিনেমায় শশিকলার চরিত্রেও অভিনয় করেছেন শামনা।


‘জেলার ২’ সিনেমায় কেবল ‘আলা বোলেলো’ গানটিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। তবে এই একটি গানেই দর্শকদের নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী।


‘জেলার ২’ সিনেমায় রজনীকান্তের সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন রম্যা কৃষ্ণন, এসজে সূর্য, মিঠুন চক্রবর্তী, বিদ্যা বালান, মির্না ও যোগী বাবু। অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে বিজয় সেতুপতি, মোহনলাল, শিবরাজকুমার, জ্যাকি শ্রফ ও হৃতিক রোশনকে। সিনেমাটি মুক্তি পাবে ১৫ অক্টোবর।


  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:০৯ পিএম

নায়ক সালমান শাহকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন সিনেমা ‘লাভ ৯৬’। এটি পরিচালনা করছেন তরুণ নির্মাতা ইভান মল্লিক। নব্বইয়ের দশকে সালমান শাহকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া উন্মাদনা, আবেগ ও ভক্তদের পাগলামির গল্প নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি। 


আগামী ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকী। জানা গেছে, তার দুদিন আগেই ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সারাদেশে সিনেমাটি প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে গত ১০ মে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে এটি বিনা কাটছাঁটে সেন্সর ছাড়পত্র লাভ করে। 


সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্যদের কাছেও সিনেমাটির নির্মাণশৈলী এবং নব্বইয়ের দশকের উপস্থাপন প্রশংসিত হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্মাতা সূত্র।


এ প্রসঙ্গে নির্মাতা ইভান মল্লিক জানিয়েছেন, সিনেমাটি যেহেতু সেন্সর বোর্ড থেকে আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে এবং প্রশংসিত হয়েছে, তাই এখানে বিতর্কিত কিছু নেই। আছে শুধু সালমান শাহ ভক্তদের আবেগ, উন্মাদনা এবং নব্বইয়ের দশকের সেই সময়কে ফিরে দেখার চেষ্টা।


নব্বইয়ের দশকে ব্যাটারিচালিত সাদাকালো টেলিভিশনে প্রিয় অনুষ্ঠান দেখা, চাঁদা তুলে ভিসিআর ভাড়া করে রাতভর সিনেমা উপভোগ, ভিউকার্ড কেনা কিংবা ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিওতে গান শোনার রঙিন নস্টালজিয়ার সময়টিতেই ঢালিউডে আগমন ঘটেছিল সালমান শাহর। ১৯৯৬ সালে তার আকস্মিক প্রয়াণে স্তব্ধ হয়ে পড়েছিল পুরো দেশ, শোক সামলাতে না পেরে আত্মাহুতির পথও বেছে নিয়েছিলেন অনেক অনুরাগী। সেই প্রেক্ষাপটে এক অন্ধ ভক্তের জীবনকাহিনি ও আবেগের গল্প নিয়েই আবর্তিত হয়েছে ‘লাভ ৯৬’-এর মূল পটভূমি।


রাইসা ফিল্মসের ব্যানারে মো. জসিম উদ্দিনের প্রযোজনায় এই সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে নতুন জুটি আরিয়ান খান ও পূর্ণতার। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন শিবা সানু, সানজিদা মিলা, তমাল মাহবুব, রেবেকা রউফ, আরমান খান, প্রিয়া, ডি জে সোহেল, রুবেল রানা ও সিমান্ত খন্দকার।



অভিনেত্রী চমক

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৩৬ পিএম

অভিনেত্রী, মডেল ও ভ্লগার রুকাইয়া জাহান চমক এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ করে আলোচনায় এসেছেন। নিজের ভ্লগ সিরিজের নতুন পর্বে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও অবদান তুলে ধরতে তাঁর পরিচিত সাজে ক্যামেরার সামনে হাজির হন চমক। 


ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’ ভ্লগ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের ১৯তম পর্ব প্রকাশ করেন তিনি। 


‘বেগম খালেদা জিয়া’ শিরোনামের ওই পর্বের ক্যাপশনে চমক লেখেন, এটি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর গল্প; যাকে তিনি গণতন্ত্রের মা ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আপসহীন নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেন।


ঢাকার জিয়া উদ্যানসহ বিভিন্ন স্থানে ভিডিওটির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। এতে চমককে হালকা রঙের প্রিন্টের শাড়ি, গলায় মুক্তার মালা ও চোখে সানগ্লাস পরা অবস্থায় দেখা যায়। তাঁর সাজ ও উপস্থাপনায় খালেদা জিয়ার পরিচিত উপস্থিতির ছাপ ফুটে উঠেছে।


ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা। অনেক নেটিজেন চমকের সাজ, অভিব্যক্তি ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন। 


কেউ মন্তব্য করেছেন, তাঁকে দেখতে অনেকটাই খালেদা জিয়ার মতো লাগছে। আবার কেউ লিখেছেন, এমনভাবে আগে কখনো খালেদা জিয়াকে উপস্থাপন করা হয়নি।


একজন নেটিজেন চমককে ‘প্রতিভাবান শিল্পী’ উল্লেখ করে তাঁর রূপান্তরের প্রশংসা করেছেন। আরেকজনের মন্তব্য, ভিডিওটি দেখে কিছু সময়ের জন্য মনে হয়েছে যেন সত্যিই খালেদা জিয়াকে দেখা যাচ্ছে। এর আগে চলতি বছর কুষ্টিয়ার একটি আসন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হতে বিএনপির হয়ে মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচনায় এসেছিলেন চমক। সে সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন।


রুকাইয়া জাহান চমক ২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন। এরপর বিরতি নিয়ে ২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয়ে পা রাখেন।


অল্প সময়ের মধ্যেই ‘হায়দার’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ ও ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে ভ্লগিংয়েও সক্রিয় এই অভিনেত্রী।