বয়স্ক মানুষের খাবারদাবার হতে হবে সুষম ও স্বাস্থ্যকর।

  • প্রকাশ : শনিবার ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১০:৪৯ পিএম

বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সুস্থ থাকতে সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার অত্যন্ত জরুরি। কারণ, সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখে। গবেষণায় দেখা যায়, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলে বয়সের সঙ্গে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে।  


বয়স্ক মানুষের খাবারদাবার


আসুন জেনে নেওয়া যাক বয়স্ক মানুষের খাবারদাবার কেমন হবে-


কম ক্যালরিযুক্ত, তবে আরও পুষ্টিকর


বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্যালরি কম খাওয়া প্রয়োজন। বয়স হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চলাফেরা ও শারীরিক পরিশ্রম কমে যায়। পাশাপাশি ক্ষুধা ও পানির চাহিদাও কমে যায়। কম ক্যালরি প্রয়োজন হলেও স্বাস্থ্যকর পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে বয়স্ক মানুষের। এ জন্য ফলমূল, শাকসবজি, মাছ ও চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়া বেশি দরকার। এ সময় ভাত, আলু ও মিষ্টিজাতীয় খাবার কম খেতে হবে।


প্রোটিন গ্রহণ বাড়াতে হবে


বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশির ক্ষমতা ও শক্তিক্ষয় হতে শুরু করে, যা সারকোপেনিয়া নামে পরিচিত। এটি প্রবীণদের দুর্বলতা, হাড়ভাঙা ও স্বাস্থ্যহীনতার বড় একটি কারণ। তাই খেতে হবে ডাল, ডিম, মটরশুঁটি, বাদাম, বীজ, মাশরুম, মুরগি, মাছ ও চর্বি ছাড়া মাংস।


আঁশযুক্ত খাবার


বয়স্কদের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি সাধারণ স্বাস্থ্যসমস্যা। বিশেষ করে ৬৫ বছরের বেশি বয়সের মানুষের। কেননা, এই বয়সে মানুষের চলাফেরা কমে যায় এবং বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যায়। এ জন্য কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে ও অন্ত্রের গতিবিধি ঠিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় খেতে হবে লাল আটার রুটি, শাকসবজি, মটরশুঁটি, খোসাসহ ফল, যেমন পেয়ারা, আপেল, কালোজাম ইত্যাদি।


ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি


বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন হাড় তৈরির ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং পরবর্তী সময়ে ফ্র্যাকচারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে, যা অস্টিওপোরোসিসের কারণ হতে পারে। এসব থেকে দূরে থাকতে দরকার ভিটামিন ডি। আর ভিটামিন ডি-এর ভালো উৎস হলো সূর্যের আলো। প্রতিদিন নিয়ম করে একাধিকবার ১০-২০ মিনিট করে সূর্যের আলোতে থাকতে হবে। এ ছাড়া দুধ, দই, পনির, ডিমের কুসুম, তিল, মাশরুম, কমলার রস, কাঁটাসহ ছোট মাছ, কচুশাক ও কলমিশাক খেতে পারেন।


ভিটামিন বি১২


বয়স্ক ব্যক্তিদের পেটে অ্যাসিড উৎপাদন হ্রাস পায়। যার ফলে ভিটামিন বি১২ কম শোষণ হয়। এ ছাড়া বয়স্কদের বিভিন্ন নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারের সমস্যা থাকতে পারে। যাঁরা নিরামিষ খাবার খান, তাঁদের জন্য ভিটামিন বি১২ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য খেতে হবে শিমের বিচি, বাদাম, কলা, মটরশুঁটি ও সবুজ শাকসবজি। আর যাঁরা নিরামিষ খাবার খান না, তাঁদের মাছ, চর্বি ছাড়া মাংস, ডিম, দুধ, দই ইত্যাদি খেতে হবে।


পটাশিয়াম


বয়স বাড়ার সঙ্গে রক্তচাপ, কিডনিতে পাথর, অস্টিওপোরোসিস এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এ রোগগুলো প্রবীণদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এ জন্য বয়স্কদের পটাশিয়ামের উৎস হিসেবে খেতে হবে ডাল, বাদাম, বিভিন্ন ধরনের বীজ, আলু, টমেটো, খেজুর, বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি, যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, মটর ইত্যাদি।


আয়রন


বয়স্কদের রক্তস্বল্পতা একটি সাধারণ সমস্যা। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আয়রনযুক্ত খাবার খাওয়া জরুরি। এ জন্য খেতে হবে ডালিম, বিটরুট, শাকসবজি, ডাল, বাদাম, চর্বি ছাড়া মাংস, ডিম ইত্যাদি।


পানি


বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেহে পানির পরিমাণ হ্রাস পায়। আর এই দীর্ঘমেয়াদি ডিহাইড্রেশনের ফলে ওষুধ শোষণের ক্ষমতা হ্রাস পায় এবং অবসন্নতা বাড়ে। এ জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। এ ছাড়া পানিশূন্যতা এড়াতে স্যুপ, ফলের রস এগুলোও খাওয়া যেতে পারে।


অ্যান্টিফ্ল্যামেটরি খাবার


রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের খাবার তালিকায় রাখতে হবে। কারণ, এ খাবারগুলো যেকোনো ধরনের প্রদাহ কমাতে পারে এবং কার্ডিওভাস্কুলার রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে পারে। অ্যান্টিফ্ল্যামেটরি খাবারের মধ্যে রয়েছে টমেটো, জলপাইয়ের তেল, আখরোট, চর্বিযুক্ত মাছ, ব্লুবেরি, চেরি ও কমলালেবু।


যে বিষয়টি উল্লেখ করে রাখা প্রয়োজন তা হলো, যদি আগে থেকে শারীরিক কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের পরামর্শমতো খাবার খেতে হবে। ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ আপনাকে যেকোনো ধরনের সমস্যা থেকে মুক্ত রাখতে সহায়তা করবে।


কিছু করণীয়

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধা হ্রাস পায়। এ কারণে ওজন কমে যেতে পারে এবং পুষ্টিহীনতা দেখা দিতে পারে। এ জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে বাদাম, দই ও সেদ্ধ ডিম খেতে হবে।


> প্রতি ২-৩ ঘণ্টা পর খাবার খেতে হবে।


> বয়সের সঙ্গে সঙ্গে খাবারের গন্ধ, স্বাদ ও অনুভূতি হ্রাস পেতে থাকে। ফলে খাবার কম আকর্ষণীয় মনে হতে পারে। এ জন্য খাবারে বৈচিত্র্য রাখতে হবে এবং পছন্দ অনুসারে খাবার খেতে হবে।


> প্রবীণদের দাঁত পড়ে যাওয়া, খাবার খেতে ও চিবাতে অসুবিধা হতে পারে। তাই খাবার হতে হবে নরম ও সহজপাচ্য।


> বয়স্কদের বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা, পারিবারিক ও আর্থিক সমস্যার কারণে অবসন্নতা ও একাকিত্ব বাড়তে পারে। এ জন্য মাঝেমধ্যে বাড়ির বাইরে যাওয়া প্রয়োজন।


> বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও চা, কফি, সফট ড্রিঙ্কস এড়িয়ে চলতে হবে।


> ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে।


> প্রতিদিন ৩০-৪৫ মিনিট হাঁটতে হবে।






  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ পিএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ পিএম

দাম্পত্য জীবনে সুখ ও স্থায়িত্বের জন্য স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত—এ প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোনো উত্তর নেই। সমবয়সী দম্পতি যেমন সুখী সংসার করতে পারেন, তেমনি এক বা দেড় দশকের বয়সের ব্যবধান থাকা দম্পতিরাও দীর্ঘদিন ভালোভাবে সংসার করছেন। আবার বয়সের ব্যবধান কম হলেও অনেক সম্পর্কে দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা।


বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সফল দাম্পত্যের মূল ভিত্তি বয়সের ব্যবধান নয়; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, বোঝাপড়া, মানসিক পরিপক্বতা ও খোলামেলা যোগাযোগ। তবে বয়সের ব্যবধানের ওপর ভিত্তি করে সম্পর্কের কিছু বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য দেখা যেতে পারে।


৫ থেকে ৭ বছরের ব্যবধান


বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ৫ থেকে ৭ বছরের বয়সের ব্যবধান থাকলে অনেক ক্ষেত্রে মানসিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্যে ভালো ভারসাম্য তৈরি হতে পারে। এতে মতবিরোধ সামাল দেওয়া তুলনামূলক সহজ হতে পারে। তবে এটিকে কোনোভাবেই সুখী দাম্পত্যের নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা যায় না।


১০ বছরের ব্যবধান


১০ বছরের বয়সের ব্যবধানও একটি সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না, যদি দুজনের মূল্যবোধ, জীবনযাপনের ধরন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মিল থাকে। তবে বয়সে বড় সঙ্গীর একক কর্তৃত্ব যেন সম্পর্কে তৈরি না হয়, সেদিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ।


২০ বছর বা তার বেশি ব্যবধান


বয়সের ব্যবধান ২০ বছর বা তার বেশি হলে জীবনধারা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি কিংবা সন্তান নেওয়ার সময় নিয়ে মতপার্থক্যের সম্ভাবনা বাড়তে পারে। তবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বোঝাপড়া থাকলে এমন সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।


গবেষণায় কী পাওয়া গেছে?


২০১৭ সালের একটি অস্ট্রেলীয় গবেষণায় দেখা যায়, যেসব দম্পতির বয়সের ব্যবধান ১ থেকে ৩ বছর এবং পুরুষ সঙ্গী বয়সে বড়, তাদের সম্পর্কের সন্তুষ্টির মাত্রা তুলনামূলক বেশি ছিল। একই গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধানের সঙ্গে সন্তুষ্টির পরিবর্তনের বিষয়টিও উঠে আসে।


তবে গবেষণার কোনো ফলাফলকেই সবার জন্য প্রযোজ্য চূড়ান্ত নিয়ম হিসেবে দেখা যায় না। কারণ একটি দাম্পত্য সম্পর্কের সাফল্যের পেছনে ব্যক্তিত্ব, আর্থিক স্থিতিশীলতা, পারিবারিক পরিবেশ, মূল্যবোধ ও পারস্পরিক যোগাযোগের মতো বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স গুরুত্বপূর্ণ


দাম্পত্যের বয়সের ব্যবধানের চেয়ে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনায় স্বামী-স্ত্রীর বয়স বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে নারীর ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রজননক্ষমতা কমে যায়। পুরুষের ক্ষেত্রেও বয়স বাড়ার সঙ্গে শুক্রাণুর মান ও প্রজনন সক্ষমতায় পরিবর্তন আসতে পারে।


তাই সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে শুধু বয়সের ব্যবধান নয়, উভয়ের বয়স, স্বাস্থ্য, প্রজননক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।


উল্লেখ্য, স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধানের কোনো ‘আদর্শ সংখ্যা’ নেই। ২ বছর, ৫ বছর কিংবা ১৫ বছরের ব্যবধান—কোনোটিই একা একটি দাম্পত্যকে সুখী বা অসুখী করে না। বরং পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, দায়িত্ববোধ, মানসিক সামঞ্জস্য এবং কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে থাকার মানসিকতাই সম্পর্কের স্থায়িত্বে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৭ এএম

ব্যস্ত জীবনে খাবার গরম করতে অনেকেই মাইক্রোওয়েভের উপর নির্ভর করেন। এতে খাবার গরম করতে ২-৩ মিনিটের বেশি সময় লাগে না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ধরনের খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়। কারণ এমন কিছু খাবার আছে, যা মাইক্রোওয়েভে গরম করার পরে বিষাক্ত হয়ে ওঠে। আবার কিছু খাবারের স্বাদ, গঠন ও টেক্সচার বদলে যায়। কোন খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয় তা জেনে নিন-


খোসাসহ ডিম


মাইক্রোওয়েভে ডিম সিদ্ধ করা ঠিক নয়। ডিমের ভিতরের জলীয় বাংশ বাষ্পীভূত হয়ে ভিতরেই তীব্র চাপ তৈরি করে। সিদ্ধের পরে ডিমের খোসা ছাড়ানো পরে সমস্যা হতে পারে। এ কারণে মাইক্রোওয়েভেই ডিম সিদ্ধ করতে চাইলে উপরের দিকে একটু অংশ ভেঙে খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপরে সিঙ্গল এগ হোল্ডারে বসেই গরম করে নিন।


কাঁচা মরিচ


মাইক্রোওয়েভে কাঁচা মরিচ গরম করা একদমই উচিত নয়। গরম করার পরে যখন মাইক্রোওয়েভের দরজা খুলবেন, চোখে-মুখে মরিচের ঝাঁজ এসে লাগবে। তবে তরকারিতে কাঁচা মরিচ মিশিয়ে গরম করলে সমস্যা নেই। 


ফ্রায়েড ফুড


অনেকেই ভাজাভুজি খাবার ঠান্ডা হয়ে গেলে আবার মাইক্রোওয়েভে গরম করেন। এটা ঠিক নয়। এতে খাবারের মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যায়। ফ্রায়েড ফুড আবার গরম করতে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন।


সি ফুড


সামুদ্রিক মাছ বা খাবার মাইক্রোওয়েভে আবার গরম করলে তা রাবারের মতো হয়ে যায়। পাশাপাশি তীব্র গন্ধ বেরোতে পারে। যদি মাইক্রোওয়েভে সি ফুড গরম করতে হয় তাহলে এতে অল্প পানি বা সস মিশিয়ে ঢেকে গরম করুন।


প্রক্রিয়াজাত মাংস


সসেজ বা হট ডগের মতো প্রক্রিয়াজাত মাংস মাইক্রোওয়েভে সঠিক ভাবে গরম হয় না। এই ধরনের খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্যাট ও লবণ থাকে। এগুলো মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়। এগুলো ছাঁকা তেলে বা গরম পানিতে ফুটিয়েই রান্না করা উচিত। খাবার থেকে গরম ধোঁয়া না বেরোনো পর্যন্ত রান্না করুন।

বিষয় : খাবার


ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ও ট্রাস্ট ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৯ পিএম

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহকরা ঢাকা রিজেন্সির গ্র্যান্ডিওজ রেস্টুরেন্টে প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্র ও শনিবার বছরব্যাপী বুফে ডিনারে 'বাই ওয়ান গেট থ্রি' অফার উপভোগ করতে পারবেন।   


সোমবার বিকেলে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে এ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ঢাকা রিজেন্সির ম্যানেজিং ডিরেক্টর (কারেন্ট চার্জ) মো. মিজানুর রহমান সিদ্দিকী এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের প্রধান এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোস্তফা মোশাররফ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 


চুক্তি অনুযায়ী, প্রযোজ্য শর্ত ও নিয়ম সাপেক্ষে ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহকরা প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্র ও শনিবার গ্র্যান্ডিওজ রেস্টুরেন্টে বুফে ডিনারে বিশেষ 'বাই ওয়ান গেট থ্রি' সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। 


এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা, বিশেষ সুবিধা এবং স্মরণীয় ডাইনিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪১ এএম

কাশির সঙ্গে রক্ত দেখা গেলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে সব ক্ষেত্রে এটি গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। অতিরিক্ত কাশির কারণে গলা বা শ্বাসনালিতে সামান্য ক্ষত তৈরি হলেও কফের সঙ্গে রক্ত আসতে পারে। আবার কখনো এটি ফুসফুসের সংক্রমণ বা অন্য কোনো গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে।


কাশি দেয়ার সময় কফ, লালা বা শ্লেষ্মার সঙ্গে রক্ত বের হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হেমোপ্টাইসিস বলা হয়। সাধারণত রক্ত অল্প পরিমাণে থাকে এবং গোলাপি, লাল কিংবা মরিচা-রঙের হতে পারে। অনেক সময় কফের সঙ্গে মিশে এটি ফেনার মতোও দেখাতে পারে। তবে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা আর রক্তবমি এক বিষয় নয়। কাশির সঙ্গে বের হওয়া রক্ত সাধারণত শ্বাসনালি বা ফুসফুসের দিক থেকে আসে, আর রক্তবমি সাধারণত পরিপাকতন্ত্রের ওপরের অংশ থেকে হয়ে থাকে।


যেসব কারণে কাশির সঙ্গে রক্ত আসতে পারে?


কাশির সঙ্গে রক্ত আসার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ কারণগুলো হলো—


> ব্রঙ্কাইটিস বা শ্বাসনালির প্রদাহ


> নিউমোনিয়া


> যক্ষ্মা (টিবি)


> দীর্ঘসময় বা অতিরিক্ত কাশি


> ফুসফুসের কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ


> রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন


> নাক, দাঁত, টনসিল বা গলা থেকে রক্ত শ্বাসনালিতে চলে আসা


এ ছাড়া ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধা, রক্তনালির সমস্যা, কিছু অটোইমিউন রোগ, হৃদযন্ত্রের সমস্যা এবং বিরল ক্ষেত্রে ফুসফুসের ক্যানসার থেকেও এমন হতে পারে। বিশেষ করে ধূমপায়ী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কাশির সঙ্গে রক্ত আসাকে অবহেলা করা উচিত নয়।


কখন সতর্ক হবেন 


অল্প পরিমাণ রক্ত একবার দেখা গেলেই যে গুরুতর রোগ হয়েছে, এমন নয়। কিন্তু অনেকটা রক্ত কাশির সঙ্গে বের হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে রক্তের সঙ্গে যদি—


> শ্বাসকষ্ট,


> বুকে ব্যথা,


> উচ্চ জ্বর,


> দুর্বলতা বা মাথা ঘোরা,


> প্রস্রাব বা পায়খানায় রক্ত থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অল্প অল্প করে কাশির সঙ্গে রক্ত আসলেও চিকিৎসকের কাছে গিয়ে কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।


রোগ নির্ণয়


চিকিৎসক প্রথমে জানতে চান কতটা রক্ত বের হচ্ছে, কতদিন ধরে হচ্ছে, কতবার হচ্ছে এবং রক্তটি কফের সঙ্গে কীভাবে মিশে আছে। প্রয়োজনে করা হতে পারে—


বুকের এক্স-রে: ফুসফুসে সংক্রমণ, তরল বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা খুঁজতে।


সিটি স্ক্যান: এক্স-রেতে সন্দেহজনক কিছু দেখা গেলে আরও বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করতে।


ব্রঙ্কোস্কপি: শ্বাসনালির ভেতর সরাসরি দেখে রক্তপাতের উৎস খুঁজে বের করতে।


রক্ত পরীক্ষা: রক্তক্ষরণ, সংক্রমণ বা রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা আছে কি না তা দেখতে।


কফ পরীক্ষা: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা যক্ষ্মার মতো সংক্রমণ শনাক্ত করতে।


কাশির সঙ্গে রক্ত মানেই ক্যানসার নয়। সাধারণ সংক্রমণ বা অতিরিক্ত কাশির কারণেও অল্প রক্ত আসতে পারে। তবে এর কারণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। অনেকটা রক্ত, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথার সঙ্গে কাশিতে রক্ত এলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

বিষয় : কাশি


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:০৬ পিএম

মিষ্টি খাবার মানেই যে অস্বাস্থ্যকর, এমনটা নয়। ডেজার্ট তৈরিতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে খাবারটি কতটা পুষ্টিকর হবে। অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত উপাদানের বদলে ফল, দই, বাদাম, খেজুর কিংবা আঁশযুক্ত উপাদান ব্যবহার করলে মিষ্টি খাবারও তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর হতে পারে।


গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি সম্প্রতি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে এমন সাত ধরনের ডেজার্টের কথা জানিয়েছেন। এসব খাবারে থাকা আঁশ, প্রোবায়োটিক, প্রিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হজম প্রক্রিয়া এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য সহায়ক হতে পারে।


তরমুজ ও লেবু


তরমুজে প্রচুর পানি ও কিছু আঁশ রয়েছে। এর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় হালকা ও সতেজ একটি ডেজার্ট। গরমের দিনে এটি শরীরে পানির ঘাটতি পূরণেও সহায়তা করতে পারে। চাইলে এর সঙ্গে কয়েকটি পুদিনা পাতা যোগ করা যায়। বাড়তি চিনি না দিলেই খাবারটি আরও স্বাস্থ্যকর থাকে।


খেজুর ও বাদামের মিশ্রণ


চিনি ব্যবহার না করেও খেজুর দিয়ে মিষ্টি খাবার তৈরি করা যায়। বিচি ছাড়ানো খেজুরের সঙ্গে কাজু, কাঠবাদাম বা আখরোট মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করা যেতে পারে। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও আঁশের পাশাপাশি বাদাম থেকে পাওয়া স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান খাবারটিকে পুষ্টিকর করে। বিকেলের নাশতা হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।


ডার্ক চকলেট ও ফল


ডার্ক চকলেটের সঙ্গে স্ট্রবেরি, আপেল বা কমলার মতো ফল মিশিয়ে তৈরি করা যায় সহজ ডেজার্ট। ডার্ক চকলেটে থাকা কোকো পলিফেনল এবং ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের জন্য উপকারী। স্ট্রবেরি সবসময় সহজলভ্য না হলে পেয়ারা, আপেল বা কমলার সঙ্গে অল্প পরিমাণ ডার্ক চকলেট খাওয়া যেতে পারে।


আপেল, দই ও দারুচিনি


আপেল ছোট টুকরো করে এর সঙ্গে টক দই, সামান্য মধু ও এক চিমটি দারুচিনি মিশিয়ে নেওয়া যায়। কয়েক মিনিটেই তৈরি হয়ে যায় এই ডেজার্ট। আপেলের আঁশ এবং দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য সহায়ক হতে পারে। বাড়তি চিনি না দিয়ে খেলে এটি আরও ভালো বিকল্প হতে পারে।


মিষ্টি আলু ও দারুচিনি


মিষ্টি আলু সাধারণত ভর্তা বা নাশতা হিসেবে খাওয়া হলেও এটি মিষ্টি খাবার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। সেদ্ধ বা বেক করা মিষ্টি আলুর সঙ্গে সামান্য দারুচিনি ও মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। মিষ্টি আলুতে আঁশ ও রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ রয়েছে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য খাবার হিসেবে কাজ করতে পারে।


কিউই ও দই


কিউই ছোট টুকরো করে দই ও সামান্য মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা যায় সহজ একটি ডেজার্ট। কিউইতে আঁশের পাশাপাশি অ্যাক্টিনিডিন নামের একটি এনজাইম রয়েছে, যা হজম প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। কিউই না পাওয়া গেলে পাকা পেঁপে বা পেয়ারা দিয়েও দইয়ের সঙ্গে একই ধরনের ডেজার্ট তৈরি করা যায়।


ফল ও দইয়ের ঘরোয়া ডেজার্ট


পাকা কলা, পেঁপে, আপেল বা পেয়ারা কেটে এর সঙ্গে টক দই মিশিয়ে নেওয়া যায়। চাইলে সামান্য খেজুর কুচি, চিয়া সিড বা বাদাম যোগ করা যেতে পারে। ফল থেকে আঁশ ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, আর দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে। তাই অতিরিক্ত চিনি দেওয়া মিষ্টির পরিবর্তে এটি সহজ একটি বিকল্প হতে পারে।


মিষ্টি খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ডেজার্টে কতটা চিনি, ক্রিম বা প্রক্রিয়াজাত উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, সেদিকে নজর রাখা জরুরি। ফল, দই, বাদাম ও খেজুরের মতো উপাদান দিয়ে ঘরে তৈরি ডেজার্ট তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে এসব খাবার কোনো রোগের চিকিৎসা নয়। অন্ত্র বা হজমের সমস্যা নিয়মিত হলে শুধু খাবারের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


  • প্রকাশ : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৩২ পিএম
  • আপডেট : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৩২ পিএম


  • প্রকাশ : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৩২ পিএম

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পেটে ভারী লাগার সমস্যা অনেকেরই হয়। অনিয়মিত খাবার, পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া, অতিরিক্ত তেল-মসলা এবং কম শারীরিক পরিশ্রমের কারণে এমন অস্বস্তি বাড়তে পারে। তবে দিনের শুরুতে কয়েকটি সহজ অভ্যাস নিয়মিত করলে হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে সহায়তা করতে পারে।


ইন্টিগ্রেটিভ লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞ লুক কৌটিনহোর পরামর্শ অনুযায়ী, পেটের সুস্থতার জন্য কোনো কঠিন ডায়েট বা দ্রুত সমাধানের পেছনে না ছুটে প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসে গুরুত্ব দেওয়া বেশি জরুরি।


সকালে পানি পান করুন


ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস স্বাভাবিক বা হালকা গরম পানি পান করতে পারেন। রাতে দীর্ঘ সময় পানি না খাওয়ার পর সকালে পানি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। পর্যাপ্ত পানি হজমের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ।


খাবারে আঁশ বাড়ান


সবজি, ফল, ডাল, ওটস, চিয়া সিডের মতো খাবারে ভালো পরিমাণে আঁশ থাকে। এগুলো নিয়মিত খাবারের অংশ করলে অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। তবে হঠাৎ করে অনেক বেশি আঁশ খাওয়া ঠিক নয়। ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়ানো ভালো।


আদা ও মৌরি রাখতে পারেন


আদা ও মৌরি দীর্ঘদিন ধরে হজমের অস্বস্তিতে ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সকালে হালকা আদা বা মৌরি দিয়ে গরম পানি খেতে পারেন। এতে পেটের অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।


চিয়া সিড খেলে আগে ভিজিয়ে নিন


চিয়া সিডে আঁশ থাকে। খাওয়ার আগে পানিতে ভিজিয়ে নিলে এটি নরম হয়ে যায়। অল্প পরিমাণ চিয়া সিড দই, ওটস বা পানিতে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। এর সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করাও জরুরি।


সকালে একটু হাঁটুন


শুধু খাবারের দিকে নজর দিলেই হবে না। সকালে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করুন। নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা হজম ও অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে।


অতিরিক্ত ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন


সকালে খুব বেশি তেল-মসলা, ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার খেলে পেট ভারী লাগতে পারে। দিনের শুরুতে সহজপাচ্য ও পরিমিত খাবার বেছে নেওয়া ভালো।


খাওয়ার সময়ের দিকে নজর দিন


প্রতিদিন খাবারের সময় মোটামুটি নির্দিষ্ট রাখার চেষ্টা করুন। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা এবং পরে একসঙ্গে অনেক বেশি খাবার খাওয়ার অভ্যাস হজমের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে।


পেটের সুস্থতা একদিনে তৈরি হয় না। পর্যাপ্ত পানি, আঁশযুক্ত খাবার, নিয়মিত হাঁটা, পরিমিত খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের মতো ছোট ছোট অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে বেশি কাজে দেয়। কোনো একটি খাবার বা ঘরোয়া উপায়কে পেটের সব সমস্যার সমাধান হিসেবে দেখা ঠিক নয়। পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা নিয়মিত হলে, খুব বেশি অস্বস্তি হলে কিংবা এর সঙ্গে তীব্র পেটব্যথা, বমি বা রক্তপাতের মতো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।