• প্রকাশ : শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৮:১৯ এএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক আধিপত্য স্থাপনের মাধ্যমে রংপুরে বড় ধরনের রিবর্তন দেখিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী। এরশাদের হাতেগড়া জাতীয় পার্টির দুর্গকে বিলীন করে এবার একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে ১১ দলীয় জামায়াত জোট।

 

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রংপুর জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান। 

 

ঘোষিত ফলাফলে ছয়টি আসনের পাঁচটিতে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত একটিতে জোটসঙ্গী এনসিপি।

 

রংপুর- (গঙ্গাচড়া সিটির আংশিক)

জামায়াতে ইসলামীর রংপুর মহানগর সহকারী সেক্রেটারি মো. রায়হান সিরাজী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লাখ ৪৭ হাজার ২৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৩১ ভোট। দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৭৫ হাজার ২২৭ জন। গঙ্গাচড়া উপজেলা রংপুর সিটি করপোরেশনের থেকে নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত আসনের ১৩৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এসব কেন্দ্রে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা লাখ ২৮ হাজার ৪৫৭। এর মধ্যে বৈধ লাখ ২৩ হাজার ১৪৪ ভোট বাতিলকৃত ভোট হাজার ৩১৩। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

 

রংপুর- (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ)

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লাখ ৩৫ হাজার ৫৫৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৩৮ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনিছুল ইসলাম মন্ডল পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৯৩০ ভোট।

বদরগঞ্জ তারাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর- আসনে মোট ভোটার লাখ ৮০ হাজার ৯২১ জন। দুটি উপজেলার ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এসব কেন্দ্রে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা লাখ ৬১ হাজার ৮৩৯। এর মধ্যে বৈধ লাখ ৫৬ হাজার ২০৩ ভোট বাতিলকৃত ভোট হাজার ৬৪৩। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

 

রংপুর- (সদর সিটি করপোরেশন)

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য রংপুর মহানগরের সাবেক আমির  মাহবুবুর রহমান বেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপির প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৯৮ ভোট। আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তৃতীয় অবস্থানে থাকেন। দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৭৯০ ভোট।

রংপুর সিটি করপোরেশনের ১০ থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর- আসনটিতে মোট ভোটার লাখ হাজার ২২৪ জন। এখানে ১৬৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এসব কেন্দ্রে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা লাখ ২৪ হাজার ৭৯৫। এর মধ্যে বৈধ  লাখ ১৭ হাজার ৫৯২ ভোট বাতিলকৃত ভোট হাজার ২০৩। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৩ দশমিক ৯১ শতাংশ।

 

রংপুর- (কাউনিয়া-পীরগাছা)

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটসমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বিকে হাজার ৪০২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি। বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন লাখ ৪০ হাজর ৫৬৪ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬৪ ভোট।

পীরগাছা কাউনিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনে মোট ভোটার লাখ হাজার ৯০৬ জন। দুই উপজেলার ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এসব কেন্দ্রে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা লাখ ৩৮ হাজার ৩১৪। এর মধ্যে বৈধ লাখ ৩০ হাজার ৫১ ভোট বাতিলকৃত ভোট হাজার ২৬৩। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

 

রংপুর- (মিঠাপুকুর)

জামায়াতে ইসলামীর রংপুর জেলা আমির অধ্যাপক গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লাখ ৭৬ হাজার ৪১১ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক  মো. গোলাম রব্বানী পেয়েছেন লাখ ১৫ হাজার ১১৬ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী এসএম ফখর উজ-জামান জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৯০ ভোট।

মিঠাপুকুর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত রংপুর- আসনে মোট ভোটার লাখ ৬৯ হাজার ১৮৯ জন। এখানে ১৫২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এসব কেন্দ্রে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা লাখ ১৯ হাজার ৪৮৯। এর মধ্যে বৈধ লাখ ১২ হাজার ৮৪ ভোট বাতিলকৃত ভোট হাজার ৪০৫। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৮ দশমিক ৩১ শতাংশ।

 

রংপুর- (পীরগঞ্জ)

আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মো. নুরুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির নুর আলম মিয়া ভোট পেয়েছেন হাজার ২৮৭ টি।

আসনে মোট ভোটার লাখ ৫৫ হাজার ৭৩৫ জন। এখানকার ১১৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এসব কেন্দ্রে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা লাখ ৪৭ হাজার ৪২৭। এর মধ্যে বৈধ লাখ ৪১ হাজার ৯৭৫ ভোট বাতিলকৃত ভোট হাজার ৪৫২। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসান জানান, রংপুরে ৬টি সংসদীয় আসনে ২৫ লাখ ৯৯ হাজার ২০২ জন ভোটার ৮৭৩টি ভোট কেন্দ্রের হাজার ৯৮৮টি বুথে ভোটারেরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিভিন্ন রাজনৈতি দল স্বতন্ত্র মিলে ৪৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

 

এদিকে, রংপুর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে সরাসরি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এবং একটি আসনে জোট-সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হওয়ায় অঞ্চলে নতুন রাজনৈতিক শক্তির উত্থানের বার্তা মিলছে। বিএনপির সঙ্গে লড়াইয়ে বড় ব্যবধানে জয় আর জাতীয় পার্টি আসনশুন্য অবস্থান আগামীতে রংপুর অঞ্চলের রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

কেউ কেউ মনে করছেন, এবার রংপুরের জনগণ আবেগের লাঙ্গল থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় জামায়াতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে বিএনপির সঙ্গে। তবে উন্নয়ন বৈষম্য থেকে বের হতে না পারলে আবারো পিছিয়ে যাবে তিস্তা নদী বেষ্টিত কৃষিনির্ভর রংপুর অঞ্চলের মানুষেরা।

 

ভোটের দিন সকাল থেকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে কোথাও দেখা যায়নি। মাঠে ছিলেন না জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারাও। অনেকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি বক্তব্য। জিএম কাদের নিজেও বের হননি রংপুরের সেনপাড়ার স্কাই ভিউ নিবাস থেকে। এমনকি গণমাধ্যম কর্মীরা তার বাসার সামনে কয়েক দফায় জড়ো হলেও তিনি গণমাধ্যমের সামনে আসেননি।




  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৩৫ পিএম

নাটোরের লালপুরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘নিজেরা করি’র উদ্যোগে নেটওয়ার্কিং অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার বড়বড়িয়াস্থ নিজেরা করি কার্যালয়ের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।


আড়বাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাজার শরীফ টেকনিক্যাল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও দৈনিক প্রাপ্তি প্রসঙ্গের প্রকাশক-সম্পাদক ইমাম হাসান মুক্তি। সভাটি সঞ্চালনা করেন নিজেরা করি’র সমন্বয়ক রিনা মন্ডল।


এ সময় আরও বক্তব্য দেন মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম, সাপ্তাহিক পদ্মা প্রবাহের সম্পাদক অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হক, ভূমিহীন নেতা হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।


সভায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশু ও নারী নির্যাতন বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বন্দোবস্ত, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানে সচেতনতা সৃষ্টিসহ সামাজিক নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ভূমিহীনদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


সভায় এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করে ‘নিজেরা করি’ কর্তৃপক্ষ।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪৫ এএম

নোয়াখালী সদর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে আবদুল্লাহ আল সাইফ (১৩) নামে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে।  


মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলের দিকে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জামালপুর এলাকার কাউসারের ফার্মেসি দোকানের পেছনের চেম্বার রুমে এ ঘটনা ঘটে।


নিহত সাইফ উপজেলার দক্ষিণ কাদির হানিফ এলাকার মো.সোহাগের ছেলে। সে জামালপুর এলাকার কাউসার আহমেদের ফার্মেসি দোকানে সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিল।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানের মালিক কাউসার আহমেদ বাইরে থাকার সুযোগে দোকানের পেছনের চেম্বার রুমের ফ্যানের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সাইফ। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে দোকানে ফিরে মালিক সাইফকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে চেম্বার রুমে ঢুকে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সাইফ একটি মোবাইল ফোন কেনার জন্য দোকান মালিকের কাছে টাকা চেয়েছিল। তবে টাকা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি হওয়ায় অভিমানে সে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কাউসারুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।


সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নজরুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম
  • আপডেট : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা "আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের" শরীয়তপুর জেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ আগস্ট ২০২৬ আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ শামছুল আলম ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ মনির হোসেন ৪১ সদস্যবিশিষ্ট এ জেলা কমিটি অনুমোদন করেন।


অনুমোদিত কমিটিতে এ্যাড. সুলতান নাসিরকে সভাপতি, উজ্জ্বল খানকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কে এম কামরুজ্জামান মিলন, জি এম ওহিদুজ্জামান, মোঃ কবির খান, মতিউর রহমান মাদবর, ফারুক খান, ডি এম কামাল হোসেন, সুমন খান ও জাকির হোসাইনকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে।


এছাড়া মো. আবুল কালাম (মুন্না) সাধারণ সম্পাদক, মনজুর হাসান সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নাসরিন সুলতানা, এ্যাড. মো. মোস্তফা কামাল, সৈয়দ বেপারী, আব্দুল সাদার সরদার, রিপন ফকির, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, মো. মাহবুব আলম মাহফুজ, মোঃ সোহাগ ও আমির হোসেন সরদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।


এছাড়াও মোঃ বাতেন সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তরিকুল ইসলাম সৈকত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মালেক ঢালী, সোহেল সরদার, নাইম মালত, জহিরুল ইসলাম ও আল আমিন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।


এ কমিটিতে সোহাগ সরদার দপ্তর সম্পাদক, ইনছান সরদার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মোঃ রুহুল আমিন অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, কাওছার হোসেন আইন বিষয়ক সম্পাদক, হাফেজ আনিসুর রহমান ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, মুন্নি হাবিবা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, আতিকুর রহমান রাসেল আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, দাউদ মোঃ,তুহিন প্রশিক্ষণ সম্পাদক, সামিম মাঝি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মোঃ রুবেল মোল্লা সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন।


নতুন এ কমিটিতে রেহেনা সুলতানা আখি, মোঃ আবু সুফিয়ান ও মোঃ আল-আমিন মাতুব্বরকে কার্যনির্বাহী সদস্য করা হয়েছে।


অনুমোদনপত্রে বলা হয়েছে, কমিটিকে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনগত সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। নির্ধারিত সময় পরপর সংগঠনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটেও আইনগত সহায়তা ও মানবাধিকার কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য এবং বিভিন্ন জেলা কমিটির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।


এদিকে, নবগঠিত শরীয়তপুর জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ মানবাধিকার সুরক্ষা, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।


অন্যদিকে, নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৩৭ এএম

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর সন্ত্রাসীরা  হামলা চালায় । এতে নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তত: ১২ সদস্য আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) ও হাসান (২০) নামের ৫ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার শেষ বিকালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি সংলগ্ন বটতলা বাজারে এঘটনা ঘটে।


আহত শ্রমিকরা জানায়, মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত সংগঠন পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকরা। বিকাল তিনটার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় তারা সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করেন। তবে তারা বিচ্ছিন্ন ভাবে বটতলা বাজারেই অবস্থান করছিলো। পরে বিকালে সন্ত্রাসীরা  ৭ থেকে ৮ জন লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা  চালায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে।


কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত এসপি

খুলনার প্রতিটি থানা হবে মানুষের আস্থা ও ভরসার স্থল


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১৪ পিএম

খুলনার নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার ওমর ফারুক খুলনায় এখন থেকে কেউ অপরাধ করে আর ছাড় পাবে না। জেলার প্রতিটি থানা সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সন্ত্রাস, মাদক, ধর্ষণ ও অপরাধ মুক্ত এমন সব প্রত্যয় গতকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে খুলনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচিত ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন। 


নবাগত এসপি আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করবে। খুলনায় অপরাধীদের সংখ্যা খুবই কম। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কোনো জটিল বিষয় নয়। পুলিশের একার পক্ষে সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনগণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, অপরাধ ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কাজ করতে চায়। গণমাধ্যমের সহযোগিতায় অপরাধের তথ্য দ্রুত পুলিশের কাছে পৌঁছালে জনগণের স্বার্থ রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন আরও সহজ হবে।

খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, মাদকদ্রব্য, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ, জেলা প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যারা অপরাধ করে বা অপরাধ ঘটায়, তাদের সংখ্যা খুবই কম। তাদের চেয়ে আইন মেনে চলা মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। জনগণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা এবং পুলিশের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। মতবিনিময় সভায় খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আবির সিদ্দিকী শুভ্র এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এ-সার্কেল সাইফুল ইসলাম সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১০ পিএম

নীলফামারীর ডিমলায় ওজন ও পরিমাপে কম দেওয়া এবং বিএসটিআইয়ের গুণগত মান সনদ নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর ও ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।


অভিযানকালে উপজেলা সদরের মেসার্স আফতাব ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও ডিজেল পরিমাপে কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতি ১০ লিটার পেট্রোলে ১ লিটার ২০ মিলিলিটার এবং প্রতি ১০ লিটার ডিজেলে ১৪০ মিলিলিটার কম দেওয়ার অপরাধে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’-এর ২৯ ও ৪৬ ধারায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।




অপরদিকে, ডিমলার ডোমার রোডের বামুনিয়া এলাকায় অবস্থিত আদিল আটো মুড়ির মিলে মুড়ি পণ্যের বিএসটিআই গুণগত মান সনদ রয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ‘বিএসটিআই আইন, ২০১৮’-এর ৩০ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির। অভিযানে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব, পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো. নাসির উদ্দিন এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. জুলকারনাইন।


বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর জানিয়েছে, জনস্বার্থে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ওজন ও পরিমাপে সঠিকতা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।