মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৫৮ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা ফখরুল একসময় অর্থনীতির শিক্ষক হিসেবে যে মানুষটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার পাঠ দিতেন, সময়ের স্রোতে তিনিই হয়ে উঠেছেন দেশের রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। পৌরসভার চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসেছেন, সংসদে গেছেন, মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন, দীর্ঘদিন বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব করে সামলেছেন, পেরিয়েছেন আন্দোলন, মামলা ও কারাবাসের কঠিন সময়ও।


ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্র, আর সেখান থেকে এবার বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২৫৫ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে তার জীবনে যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়।


ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্র হয়ে বঙ্গভবন- মির্জা ফখরুলের এই পথচলা এক দিনে তৈরি হয়নি। ছাত্রজীবনের বামপন্থি রাজনীতি, সরকারি চাকরি, স্থানীয় সরকার, সংসদীয় রাজনীতি, মন্ত্রিত্ব, বিরোধী দলের আন্দোলন, কারাবাস এবং দলীয় নেতৃত্ব বহু বাঁক পেরিয়ে ৭৮ বছর বয়সে দেশের রাষ্ট্রপতি পদে পৌঁছালেন তিনি।


বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট-সমর্থিত প্রার্থী ও এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন।


১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। তার বাবা মির্জা রুহুল আমিন, স্থানীয়ভাবে ‘চখা মিয়া’ নামে পরিচিত, ছিলেন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। পাকিস্তান আমলে মুসলিম লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। রাজনীতির সঙ্গে মির্জা ফখরুলের পারিবারিক সম্পর্ক আরও পুরোনো। তার চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের পরিচিত রাজনীতিক এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার। ফলে রাজনীতি তার কাছে অপরিচিত কোনো জগত ছিল না, বরং পারিবারিক পরিবেশেই রাজনীতির নানা অনুষঙ্গের সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। তবে পরবর্তী সময়ে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তিনি গড়ে তোলেন দীর্ঘ সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে।


ঠাকুরগাঁওয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় আসেন মির্জা ফখরুল। ঢাকা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক শেষে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে। সেখান থেকেই তার রাজনৈতিক জীবনের সক্রিয় অধ্যায়ের সূচনা। ষাটের দশকে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১৯৬৯ সালের আইয়ুব-বিরোধী গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্বও পান। ছাত্ররাজনীতির সেই সময় ছিল পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনের উত্তাল অধ্যায়। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে মির্জা ফখরুলকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারেও যেতে হয়েছিল।


ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। তাদের দুই মেয়ে মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ। বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং সেখানে শিক্ষকতাও করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় পোস্টডক্টরাল গবেষণায় যুক্ত। ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।


বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে মির্জা ফখরুল সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেননি। তার পেশাগত জীবনের শুরু শিক্ষকতা দিয়ে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন তিনি। ঢাকা কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে অর্থনীতি পড়িয়েছেন। শিক্ষকতা জীবনের একটি পর্যায়ে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজেও অর্থনীতি পড়ান তিনি। শ্রেণিকক্ষের শিক্ষকতার পাশাপাশি সরকারি প্রশাসনের সঙ্গেও তার পরিচয় তৈরি হয়। জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারির সচিব হিসেবেও কাজ করেন তিনি। পরে আবার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান। সরকারি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর এবং ইউনেসকোর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার কথা বিভিন্ন জীবনীমূলক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।


১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন মির্জা ফখরুল। এরপর ১৯৮৮ সালের পৌর নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘সাইকেল’ প্রতীকে নির্বাচন করে জয়ী হন। স্থানীয় সরকারের এই দায়িত্ব তার রাজনৈতিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক তৈরি করে। জাতীয় রাজনীতির বড় পরিসরে যাওয়ার আগে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় রাজনীতিতে নিজের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন। এরপর নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন তিনি। ১৯৯২ সালে তাকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। জেলার রাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় পরিসরে তার উত্থান শুরু হয়।


১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন তিনি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পাননি। তবে রাজনীতির মাঠে তার অবস্থান ক্রমেই শক্তিশালী হতে থাকে। অবশেষে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন মির্জা ফখরুল। এ জয়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের স্থানীয় ও জাতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদে প্রবেশ করেন তিনি। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার গঠন করলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে ২০০৫ সালের নভেম্বর থেকে তাকে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়।


২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও তিনি অংশ নেন। এরপর তার রাজনৈতিক ভূমিকার কেন্দ্রবিন্দু ধীরে ধীরে নির্বাচনী রাজনীতি থেকে সরে বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্বের দিকে চলে আসে।


২০০৯ সালে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে দলের তৎকালীন মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেন মারা গেলে মির্জা ফখরুলকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৬ সালের মার্চে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দলের মহাসচিবের দায়িত্ব পান তিনি। দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির জন্য এই সময়টি ছিল রাজনৈতিকভাবে কঠিন।


আন্দোলন, নির্বাচন, মামলা, গ্রেপ্তার, দলীয় সংকট এবং সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ সবকিছুর মধ্যেই দলের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে সামনে ছিলেন মির্জা ফখরুল। বিএনপির মহাসচিব হিসেবে নির্বাচনী ব্যবস্থা, সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ বিভিন্ন দাবিতে দলটির কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।


২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন বিএনপি বর্জন করে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পাশাপাশি বগুড়া-৬ আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মির্জা ফখরুল। বগুড়া-৬ আসনে জয়ী হলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।


মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম কঠিন অধ্যায় আসে ২০২৩ সালের শেষ দিকে। ওই বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘাত-সহিংসতার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৪ সালের জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের সময়ও তিনি কারাগারে ছিলেন। এমনকি তার ৭৬তম জন্মদিনও কারাগারে কাটে।


২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে আবারও নিজের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঘাঁটি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মির্জা ফখরুল। এবার তিনি বড় ব্যবধানে জয়ী হন। জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের হিসাবে তিনি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী পান ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট। নির্বাচনের পর বিএনপি সরকার গঠন করলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। একই সঙ্গে তিনি বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করতে থাকেন।


১৩ আগস্ট বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। মনোনয়ন ঘোষণার পরই তিনি বিএনপির মহাসচিব এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন। একই দিন বিএনপি তার মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়।


 নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই শেষে মির্জা ফখরুল ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে। এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও আলাদা গুরুত্ব বহন করে। ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ হয়।


বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। এর মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই প্রবীণ রাজনীতিক দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন।


রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে ভোট দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল আবেগাপ্লুত হয়ে বলেছিলেন, অনেক কিছু মিস করবো।’ একই সঙ্গে তিনি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যেটি হবে সুখী, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী।


শ্রেণিকক্ষ থেকে রাজনীতির মাঠ, পৌরসভার চেয়ারম্যানের পদ থেকে জাতীয় সংসদ, মন্ত্রিসভা থেকে বিএনপির মহাসচিব দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এবার তার ঠিকানা বঙ্গভবন। আজ (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে তার





  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৩৫ পিএম

নাটোরের লালপুরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘নিজেরা করি’র উদ্যোগে নেটওয়ার্কিং অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার বড়বড়িয়াস্থ নিজেরা করি কার্যালয়ের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।


আড়বাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাজার শরীফ টেকনিক্যাল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও দৈনিক প্রাপ্তি প্রসঙ্গের প্রকাশক-সম্পাদক ইমাম হাসান মুক্তি। সভাটি সঞ্চালনা করেন নিজেরা করি’র সমন্বয়ক রিনা মন্ডল।


এ সময় আরও বক্তব্য দেন মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম, সাপ্তাহিক পদ্মা প্রবাহের সম্পাদক অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হক, ভূমিহীন নেতা হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।


সভায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশু ও নারী নির্যাতন বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বন্দোবস্ত, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানে সচেতনতা সৃষ্টিসহ সামাজিক নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ভূমিহীনদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


সভায় এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করে ‘নিজেরা করি’ কর্তৃপক্ষ।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪৫ এএম

নোয়াখালী সদর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে আবদুল্লাহ আল সাইফ (১৩) নামে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে।  


মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলের দিকে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জামালপুর এলাকার কাউসারের ফার্মেসি দোকানের পেছনের চেম্বার রুমে এ ঘটনা ঘটে।


নিহত সাইফ উপজেলার দক্ষিণ কাদির হানিফ এলাকার মো.সোহাগের ছেলে। সে জামালপুর এলাকার কাউসার আহমেদের ফার্মেসি দোকানে সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিল।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানের মালিক কাউসার আহমেদ বাইরে থাকার সুযোগে দোকানের পেছনের চেম্বার রুমের ফ্যানের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সাইফ। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে দোকানে ফিরে মালিক সাইফকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে চেম্বার রুমে ঢুকে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সাইফ একটি মোবাইল ফোন কেনার জন্য দোকান মালিকের কাছে টাকা চেয়েছিল। তবে টাকা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি হওয়ায় অভিমানে সে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কাউসারুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।


সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নজরুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম
  • আপডেট : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ পিএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা "আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের" শরীয়তপুর জেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ আগস্ট ২০২৬ আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ শামছুল আলম ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ মনির হোসেন ৪১ সদস্যবিশিষ্ট এ জেলা কমিটি অনুমোদন করেন।


অনুমোদিত কমিটিতে এ্যাড. সুলতান নাসিরকে সভাপতি, উজ্জ্বল খানকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কে এম কামরুজ্জামান মিলন, জি এম ওহিদুজ্জামান, মোঃ কবির খান, মতিউর রহমান মাদবর, ফারুক খান, ডি এম কামাল হোসেন, সুমন খান ও জাকির হোসাইনকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে।


এছাড়া মো. আবুল কালাম (মুন্না) সাধারণ সম্পাদক, মনজুর হাসান সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নাসরিন সুলতানা, এ্যাড. মো. মোস্তফা কামাল, সৈয়দ বেপারী, আব্দুল সাদার সরদার, রিপন ফকির, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, মো. মাহবুব আলম মাহফুজ, মোঃ সোহাগ ও আমির হোসেন সরদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।


এছাড়াও মোঃ বাতেন সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তরিকুল ইসলাম সৈকত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মালেক ঢালী, সোহেল সরদার, নাইম মালত, জহিরুল ইসলাম ও আল আমিন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।


এ কমিটিতে সোহাগ সরদার দপ্তর সম্পাদক, ইনছান সরদার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মোঃ রুহুল আমিন অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, কাওছার হোসেন আইন বিষয়ক সম্পাদক, হাফেজ আনিসুর রহমান ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, মুন্নি হাবিবা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, আতিকুর রহমান রাসেল আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, দাউদ মোঃ,তুহিন প্রশিক্ষণ সম্পাদক, সামিম মাঝি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মোঃ রুবেল মোল্লা সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন।


নতুন এ কমিটিতে রেহেনা সুলতানা আখি, মোঃ আবু সুফিয়ান ও মোঃ আল-আমিন মাতুব্বরকে কার্যনির্বাহী সদস্য করা হয়েছে।


অনুমোদনপত্রে বলা হয়েছে, কমিটিকে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনগত সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। নির্ধারিত সময় পরপর সংগঠনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটেও আইনগত সহায়তা ও মানবাধিকার কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য এবং বিভিন্ন জেলা কমিটির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।


এদিকে, নবগঠিত শরীয়তপুর জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ মানবাধিকার সুরক্ষা, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।


অন্যদিকে, নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৩৭ এএম

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর সন্ত্রাসীরা  হামলা চালায় । এতে নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তত: ১২ সদস্য আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) ও হাসান (২০) নামের ৫ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার শেষ বিকালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি সংলগ্ন বটতলা বাজারে এঘটনা ঘটে।


আহত শ্রমিকরা জানায়, মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত সংগঠন পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকরা। বিকাল তিনটার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় তারা সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করেন। তবে তারা বিচ্ছিন্ন ভাবে বটতলা বাজারেই অবস্থান করছিলো। পরে বিকালে সন্ত্রাসীরা  ৭ থেকে ৮ জন লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা  চালায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে।


কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত এসপি

খুলনার প্রতিটি থানা হবে মানুষের আস্থা ও ভরসার স্থল


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১৪ পিএম

খুলনার নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার ওমর ফারুক খুলনায় এখন থেকে কেউ অপরাধ করে আর ছাড় পাবে না। জেলার প্রতিটি থানা সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সন্ত্রাস, মাদক, ধর্ষণ ও অপরাধ মুক্ত এমন সব প্রত্যয় গতকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে খুলনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচিত ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন। 


নবাগত এসপি আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করবে। খুলনায় অপরাধীদের সংখ্যা খুবই কম। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কোনো জটিল বিষয় নয়। পুলিশের একার পক্ষে সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনগণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, অপরাধ ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কাজ করতে চায়। গণমাধ্যমের সহযোগিতায় অপরাধের তথ্য দ্রুত পুলিশের কাছে পৌঁছালে জনগণের স্বার্থ রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন আরও সহজ হবে।

খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, মাদকদ্রব্য, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ, জেলা প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যারা অপরাধ করে বা অপরাধ ঘটায়, তাদের সংখ্যা খুবই কম। তাদের চেয়ে আইন মেনে চলা মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। জনগণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা এবং পুলিশের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। মতবিনিময় সভায় খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আবির সিদ্দিকী শুভ্র এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এ-সার্কেল সাইফুল ইসলাম সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১০ পিএম

নীলফামারীর ডিমলায় ওজন ও পরিমাপে কম দেওয়া এবং বিএসটিআইয়ের গুণগত মান সনদ নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর ও ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।


অভিযানকালে উপজেলা সদরের মেসার্স আফতাব ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও ডিজেল পরিমাপে কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতি ১০ লিটার পেট্রোলে ১ লিটার ২০ মিলিলিটার এবং প্রতি ১০ লিটার ডিজেলে ১৪০ মিলিলিটার কম দেওয়ার অপরাধে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’-এর ২৯ ও ৪৬ ধারায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।




অপরদিকে, ডিমলার ডোমার রোডের বামুনিয়া এলাকায় অবস্থিত আদিল আটো মুড়ির মিলে মুড়ি পণ্যের বিএসটিআই গুণগত মান সনদ রয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ‘বিএসটিআই আইন, ২০১৮’-এর ৩০ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির। অভিযানে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব, পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো. নাসির উদ্দিন এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. জুলকারনাইন।


বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর জানিয়েছে, জনস্বার্থে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ওজন ও পরিমাপে সঠিকতা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।