পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ড

  • প্রকাশ : বুধবার ০৬ মে, ২০২৬, সময় : ৫:৩৪ এএম

পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হলো সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ড। দৈনন্দিন ও অন্যান্য সেবামূলক কার্য পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নগরকে করা হয়েছে। এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।


স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ৬০ নং আইন) এর ধারা ৪৭-এ প্রদত্ত ক্ষমতা বলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিসিকের জনসংযোগ কর্মকর্ত নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ।


অঞ্চল-১ঃ ১, ২, ৩, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-১ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-১ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: দরগা মহল্লা, ঝর্ণারপাড়, দর্শনদেউড়ি, আম্বরখানা (পশ্চিম), চৌহাট্টা, রাজারগলি, মিয়া ফাজিলচিশত, মিরের ময়দান, দাঁড়িয়া পাড়া, কাজি ইলিয়াছ, পুলেরপার, সরষপুর, কুরিটুলা, মির্জা জাঙ্গাল (উত্তর), জল্লারপাড়, জিন্দাবাজার, ক্ষেত্রীপাড়া, বারইপাড়া, পুরাতন মেডিকেল এলাকা, কাজলশাহ, পুলিশ লাইন, কাজল শাহ আ/এ, মুন্সিপাড়া, কেওয়াপাড়া, সুবিদবাজার, পশ্চিম কাজলশাহ, ওসমানী মেডিকেল এলাকা, রিকাবীবাজার, বাগবাড়ী, সাগর দীঘিরপাড়, আখালীঘাট (অংশ), নিহারীপাড়া, নরশিংটিলা, এতিম স্কুল রোড, নগর, খুলিয়াপাড়া, ধানুহাঁটা, আখালিয়া বাজার, কানিশাইল, ঘাসিটুলা, মজুমদারপাড়া, ওয়াপদা, ডহর, কলাপাড়া, হিয়াবরন, মধুশহীদ, লালাদীঘির পাড়, নোয়াপাড়া, কাজলশাহ, ভাতালিয়া, বিলপাড়, লামাবাজার, সচিলাপুর, শেখঘাট প্রথম অংশ, ইটাখলা, ভাংগাটিকর, শেখঘাট দ্বিতীয় অংশ, শেখঘাট তৃতীয় অংশ, শেখঘাট ৪র্থ অংশ, সওদাগরটুলা, শেখঘাট কলোনি, কুয়ারপাড়, তোপখানা, গির্জার পশ্চিম, রামের দীঘির পাড়, লামাবাজার, খুলিয়াটুলা, মনিপুরী রাজবাড়ী, মাছুদীঘির পাড়, তালতলা (দক্ষিণ), তেলিহাওর, কাজিরবাজার, যুগলটিলা, চাঁদনীঘাট, শেখ নাসির আলী, ছড়ারপাড়, ধোপাদীঘির দক্ষিণপাড়, ব্রহ্মময়ী বাজার, লাল দীঘিরপাড়, আমজাদ আলী রোড, কালীঘাট, কাষ্ঠঘর, চালিবন্দর পশ্চিম, বন্দরবাজার, মহাজনপট্টি, কামালগড়, তালতলা (উত্তর), জামতলী, জল্লারপাড়, মির্জাজাঙ্গাল দক্ষিণ, জেলা জজ ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শেখ জিয়াউল্লাহ, কারপাসটুলা, পুরানলেন, বারুতখানা, জেলরোড, বেতবারটুলা, পঞ্চখানা, নন্দাইপট্টি, পর্বতখানা, লাল বাজার, ধোপাদীঘির পূর্বপাড়, চন্দানীটুলা, মিরাবাজার দক্ষিণ, চালিবন্দর পূর্ব, সুপানিঘাট, যতরপুর, নাইওরপুল, জয়নগর ও নয়াপাড়া ।


অঞ্চল-২ঃ ২১, ২২, ২৩, ২৪, ৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-২ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-২ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: গোপালটিলা, ভাটাটিকর, কালাপিন, টিকরিপাড়া, নিষ্করপাড়া, রাজপাড়া, কল্যাণপুর, শাপলাবাগ, বাদুরলটকা পূর্ব, লাকড়িপাড়া পূর্ব, গঙ্গাদাস, ব্রাহ্মণপাড়া, শিবগঞ্জ, সাদিপুর, উপশহর, টিলাবাড়ি, মাছিমপুর, মেন্দিবাগ, দুবড়িহাওর, দেওয়ানবাগ, উপকন্ঠ, দক্ষিণ সাদিপুর, টুলটিকর, মিরাপাড়া পশ্চিম, তেররতন, সৈদানীবাগ, মাদারপাড়া, নোয়াবাজার, তৈয়াটিকর (গোলাপবাগ), গঙ্গাদাস (হাতিমবাগ), কল্যাণপুর (শাপলাবাগ), লামাপাড়া পূর্ব, কুশিঘাট, সাদাটিকর, উত্তর সাদিপুর, কুইটুক, নয়াবস্তি, মুরাদপুর, পেশনেওয়াজ (মুক্তিরচক), পীরেরচক, মিরেরচক (আংশিক), সোনাপুর, বেতার কেন্দ্র, ইসলামপুর (আংশিক), ইসলামপুর (কলোনী) ইসলামপুর দক্ষিণ (ফাল্গুনী), মুসলিম নগর, মুগীরপাড়া, মুড়িলা, নূরপুর, নাথপাঁড়া, আটালু, পূর্ব ভাটপাড়া, পশ্চিম ভাটপাড়া, কান্দিহুতা, মীরাপাড়া, পূর্ব শাপলাভাগ, টুলটিকর আ/এ, পূর্ব কুশিঘাট, শাহপরান উপশহর আ/এ, কৃষিখামার, কৃষি খামারের (আংশিক), খাদিমপাড়া (আংশিক), কালাটিকর (আংশিক), নিপবন, মনিপুরি পাড়া বস্তি, বহর দাসপাড়া, ধনকান্দি, পাঁচগরী, লালখাটংগী, শাহপরান আ/এ, বহর নোয়াগাঁও, এ.টি.আই, ভাওয়াল টিলা, ইসলামাবাদ, কল্পগ্রাম।


অঞ্চল-৩ঃ ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৩৪, ৩৫ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৩ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৩ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: হাওয়াপাড়া, তাতিপাড়া, খন্দকারটুলা, নয়াসড়ক, চারাদীঘিরপাড়, মজলিস আমীন, কুমারপাড়া পশ্চিম, সওদাগরটুলা, খান্দাউড়া, ধোপাদীঘির উত্তরপাড়, নাইওরপুল, খ্রিষ্টান মিশন, কাজীটুলা, কাজী জালাল উদ্দিন, মহলে আব্দুল্লাহ, ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই (শাহ চান গলি), আম্বরখানা পূর্ব, চন্দনটুলা, চৌহাট্টা, মিরবক্সটুলা, বেতবারটুলা (পূর্ব জিন্দাবাজার), মানিকপীর রোড, শাহী ঈদগাহ, উত্তর মিরাবাজার, আগপাড়া, ব্রজনাথটিলা, ঝরনারপার, নয়াপাড়া, ঝেরঝেরি পাড়া, কুমারপাড়া (পূর্ব) মুক্তারখাকিমানী (পশ্চিম), শাখারীপাড়া, ভাইয়ারপাড়া, সুনাতলা, দর্জিপাড়া, সোনারপাড়া, দর্জিবন্দ, আলমটুলা, দপ্তরীপাড়া, রায়নগর, মুক্তারখাকিমানী (পূর্ব), খারপাড়া, ধুনিশাহী ঈদগাহ, মজুমদারপাড়া, সোনারপাড়া লাল মঞ্জিল, ছাপার বনপাড়া, খন্ডিকরপাড়া, ঠাকুরপাড়া, লামাপাড়া (উত্তর-পশ্চিম), রায়নগর, সেনপাড়া, নাথপাড়া, দক্ষিণ বালুচর, খরাদিপাড়া, ধোপার, ব্রাহ্মণপাড়া, আদিত্যপাড়া, দাসপাড়া, দেবপাড়া, লাকড়িপাড়া পশ্চিম, বাদুলটকা পশ্চিম, শিবগঞ্জ, ব্ৰাহ্মণপাড়া (খন্ডিকরপাড়া), খাদিমপাড়া (আংশিক), মীরমহল্লা, বহর কলোনী, বাহুবল আ/এ, বাহুবল, কলোনী, উদ্দিন টিলা, কালাটিকর (আংশিক) (শান্তিভাগ), জাহানপুর, সৈয়দপুর (আংশিক), মোহাম্মদ পুর, চামেলীবাগ (গোয়াল গাঁও), শ্যামলী আ/এ (আংশিক), ইসলামপুর পূর্ব, সরকারি কলেজের (আংশিক), সিলেট টেক্সটাইল (আংশিক), প্রকৌশলী কলেজ, দুগ্ধ খামার, শ্যামলী আ/এ (আংশিক), সৈয়দপুর (আংশিক), জাহানপুর উত্তর, (বুড়িবস্তি), আলুরতল, উত্তর বালুচর, আরামভাগ, দুর্গাবাড়ী, এম.সি.কলেজ আ/এ, টি.ভি.গেইট হাসপাতাল এলাকা, বন বিভাগ টিলা, ইকো পার্ক, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।


অঞ্চল-৪ঃ ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৩৭, ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৪ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৪ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: হাউজিং এস্টেট, মনিপুরীপাড়া, দত্তপাড়া, কোনাপাড়া, গড়দোয়ার, হানিটুলা, ৩৭, ৩৮, ৩৯ আম্বরখানা বড়বাজার রাস্তার পশ্চিম অংশ, আম্বরখানা বড় বাজার রাস্তার পূর্বাংশ, ওয়াপদা কলোনি, গোয়াইপাড়া, রায় হোসেন, কলবাখানী, হাজারীবাগ, খাসদবীর, পীরমহল্লা, চৌকিদেখি পূর্ব, মালীপাড়া, বাদাম বাগিচা, চৌকিদেখি পশ্চিম, সৈয়দ মুগনী, জালালাবাদ আ/এ, পশ্চিম পীর মহল্লা, ফাজিল চিশত, সুবিদবাজার পূর্ব, বানিয়ামহল, হাতর হাওর (উত্তর পীর মহল্লা), উমর কাটিগড়, মুগলীটুলা, সুবিদবাজার নয়াবস্তি, সুবিদবাজার ছয়েফ খান রোড, ব্রাহ্মণশাসন, পনিটুলা, পাঠানটুলা পূর্ব, পাঠানটুলা পশ্চিম, করেরপাড়া, কুচারপাড়া, চান্দাই গির্দা, নোয়াপাড়া এক, কলোনি দুই, কলোনি তিন, ভট্টপাড়া, পানতলা, আড়খাই, চুড়ারপাড়া, কালিবাড়ী, হাওলাদারপাড়া (অংশ), দর্জিপাড়া, কারীপাড়া, টিলারগাঁও, ডলিয়া, বড়গুল, দুসকী, বিশ্ববিদ্যালয়, আখালিয়া নতুন বাজার আ/এ, যুগীপাড়া, দামালীপাড়া, খাদরা মডেল টাউন, ক্বারীপাড়া, খলাপাড়া, চান্দিয়ালা, নোয়াপাড়া, বিজিবি এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, আখালিয়া ঘাট, নাজিরের গাঁও, টিওরবাড়ী, খালিগাঁও হায়দরপুর, চরুগাঁও, সাহেবেরগাঁও, শেখপাড়া, ওয়াবদা, কুমারগাঁও, শাহপুর, নোয়াগাঁও (আংশিক), নয়া খুরুমখলা, শাহপুর খুরুমখলা, পীরপুর (আংশিক), টুকেরগাঁও (আংশিক), খুরুমখলা, নোয়াপাড়া, তালুকদারপাড়া, মইয়ারচর, পীরপুর (আংশিক), নোয়াগাঁও (আংশিক), নোয়াগাঁও হিন্দু পাড়া, গৌরিপুর।


অঞ্চল-৫ঃ ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৫ গঠন করা হয়েছে। অঞ্চল-৫ এর আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো: খোজারখলা, গাংগু দক্ষিণ-পশ্চিম (অর্ধাংশ), বারখলা, ভার্থখলা, কায়স্তরাইল, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১। মোমিনখলা পশ্চিম, কাজীরখলা, দাউদপুর, ঝালোপাড়া, গাংগু (রেল লাইনের উত্তর), সাধুরবাজার, কদমতলী, আলমপুর, গোটাটিকর, পাঠানপাড়া, পৈত্যপাড়া, বাটঘর, হরিনন্দী, আচার্যপাড়া, কিষাণপাড়া, যোগীশাসন, মোমিনখলা পূৰ্ব, সামাল হাসান, মজলিসপুর, গাংগু, কাজীরখলা, রিয়াছতপুর, মাজপাড়া, সুনামপুর, পশ্চিম বরইকান্দি, কামুশেনা, তেলিরাই, নিয়ামতপুর, মজিদপুর, সিরাজগঞ্জ, পিরিজপুর, পর্বতপুর, বদিকোনা (আংশিক), ধরাধরপুর, উম্মুর কবুল, লাউয়াই, মোহাম্মদপুর, রায়েরগাঁও, জৈনপুর, চান্দাই, তেলীপাড়া, চান্দাই পশ্চিমপাড়া, টিয়রগাঁও, তালুকদারপাড়া, নজরপুর, বকশীপুর, গালিমপুর, দাউদপুর (আংশিক), কুচাই, পালপুর, দক্ষিণ কুশিঘাট, চিটা শ্রীরামপুর, রুগনপুর, সামাল হাসান, মজলিশপুর (আংশিক), গংগানগর, মনিপুর (আংশিক), আলমপুর (আংশিক) ছিটা গোটাটিকর, গংগা রায়েরচক, পশ্চিমভাগ, পশ্চিমভাগ আ/এ, সারপিং, সুলতানপুর, তৈয়ব কামাল (আংশিক), শেখপাড়া (আংশিক) ও শ্রীরামপুর।


অঞ্চলসমূহের প্রতিটিতে নিম্নোক্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত হবে- ক) প্রশাসনিক কাজ খ) হিসাব রক্ষণ (কর্মচারীদের বেতন, অফিস পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত খরচ), পূর্ত কাজসমূহ ও রক্ষণাবেক্ষণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, দাতব্য চিকিৎসালয়, ভেজাল খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, স্যানিটেশন ভেটেরিনারি কার্যক্রম, জবাইখানা ব্যবস্থাপনা, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনকরণ, মশক নিধন, পাবলিক টয়লেট, শিশু কেন্দ্র, কবরস্থান এবং শ্মশানঘাট রক্ষণাবেক্ষণ, সিটি কর নির্ধারণ ও আদায়, লাইসেন্স প্রদান ও ফি আদায়, বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত, বাজার ফি আদায়, আবর্জনা পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নকরণ, স্যানিটারী ল্যান্ডফিলিং, ডাম্পিং গ্রাউন্ড রক্ষণাবেক্ষণ, সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি (কমিউনিটি সেন্টার, পার্ক, পাঠাগার), ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, আত্ম-কর্মসংস্থানে সহায়তা প্রদান, উদ্বুদ্ধকরণ ও প্রশিক্ষণ। 

প্রজ্ঞাপনে সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে অবিলম্বে এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে




  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৩৫ পিএম

নাটোরের লালপুরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘নিজেরা করি’র উদ্যোগে নেটওয়ার্কিং অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার বড়বড়িয়াস্থ নিজেরা করি কার্যালয়ের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।


আড়বাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মাজার শরীফ টেকনিক্যাল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও দৈনিক প্রাপ্তি প্রসঙ্গের প্রকাশক-সম্পাদক ইমাম হাসান মুক্তি। সভাটি সঞ্চালনা করেন নিজেরা করি’র সমন্বয়ক রিনা মন্ডল।


এ সময় আরও বক্তব্য দেন মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম, সাপ্তাহিক পদ্মা প্রবাহের সম্পাদক অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হক, ভূমিহীন নেতা হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।


সভায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, শিশু ও নারী নির্যাতন বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বন্দোবস্ত, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানে সচেতনতা সৃষ্টিসহ সামাজিক নানা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।


বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ভূমিহীনদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


সভায় এসব বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করে ‘নিজেরা করি’ কর্তৃপক্ষ।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪৫ এএম

নোয়াখালী সদর উপজেলায় গলায় ফাঁস দিয়ে আবদুল্লাহ আল সাইফ (১৩) নামে এক কিশোর আত্মহত্যা করেছে।  


মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলের দিকে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের জামালপুর এলাকার কাউসারের ফার্মেসি দোকানের পেছনের চেম্বার রুমে এ ঘটনা ঘটে।


নিহত সাইফ উপজেলার দক্ষিণ কাদির হানিফ এলাকার মো.সোহাগের ছেলে। সে জামালপুর এলাকার কাউসার আহমেদের ফার্মেসি দোকানে সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিল।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দোকানের মালিক কাউসার আহমেদ বাইরে থাকার সুযোগে দোকানের পেছনের চেম্বার রুমের ফ্যানের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সাইফ। বিকেল সোয়া ৩টার দিকে দোকানে ফিরে মালিক সাইফকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে চেম্বার রুমে ঢুকে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। সাইফ একটি মোবাইল ফোন কেনার জন্য দোকান মালিকের কাছে টাকা চেয়েছিল। তবে টাকা দেওয়া নিয়ে গড়িমসি হওয়ায় অভিমানে সে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে সোনাপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কাউসারুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন।


সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নজরুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হয়েছে।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম
  • আপডেট : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪১ এএম

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা "আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের" শরীয়তপুর জেলা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ আগস্ট ২০২৬ আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোঃ শামছুল আলম ও ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোঃ মনির হোসেন ৪১ সদস্যবিশিষ্ট এ জেলা কমিটি অনুমোদন করেন।


অনুমোদিত কমিটিতে এ্যাড. সুলতান নাসিরকে সভাপতি, উজ্জ্বল খানকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কে এম কামরুজ্জামান মিলন, জি এম ওহিদুজ্জামান, মোঃ কবির খান, মতিউর রহমান মাদবর, ফারুক খান, ডি এম কামাল হোসেন, সুমন খান ও জাকির হোসাইনকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে।


এছাড়া মো. আবুল কালাম (মুন্না) সাধারণ সম্পাদক, মনজুর হাসান সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নাসরিন সুলতানা, এ্যাড. মো. মোস্তফা কামাল, সৈয়দ বেপারী, আব্দুল সাদার সরদার, রিপন ফকির, মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, মো. মাহবুব আলম মাহফুজ, মোঃ সোহাগ ও আমির হোসেন সরদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।


এছাড়াও মোঃ বাতেন সাংগঠনিক সম্পাদক এবং তরিকুল ইসলাম সৈকত সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মালেক ঢালী, সোহেল সরদার, নাইম মালত, জহিরুল ইসলাম ও আল আমিন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।


এ কমিটিতে সোহাগ সরদার দপ্তর সম্পাদক, ইনছান সরদার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মোঃ রুহুল আমিন অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, কাওছার হোসেন আইন বিষয়ক সম্পাদক, হাফেজ আনিসুর রহমান ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, মুন্নি হাবিবা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, আতিকুর রহমান রাসেল আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, দাউদ মোঃ,তুহিন প্রশিক্ষণ সম্পাদক, সামিম মাঝি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মোঃ রুবেল মোল্লা সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হয়েছেন।


নতুন এ কমিটিতে রেহেনা সুলতানা আখি, মোঃ আবু সুফিয়ান ও মোঃ আল-আমিন মাতুব্বরকে কার্যনির্বাহী সদস্য করা হয়েছে।


অনুমোদনপত্রে বলা হয়েছে, কমিটিকে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, মানবাধিকার সুরক্ষা, আইনগত সহায়তা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। নির্ধারিত সময় পরপর সংগঠনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন দাখিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইটেও আইনগত সহায়তা ও মানবাধিকার কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্য এবং বিভিন্ন জেলা কমিটির তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।


এদিকে, নবগঠিত শরীয়তপুর জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ মানবাধিকার সুরক্ষা, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।


অন্যদিকে, নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৩৭ এএম

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর সন্ত্রাসীরা  হামলা চালায় । এতে নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তত: ১২ সদস্য আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত রেজাউল প্যাদা (৪০), হীরন প্যাদা (৩৫), ইমাম প্যাদা (৩০), খোকন (২৫) ও হাসান (২০) নামের ৫ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার শেষ বিকালে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটি সংলগ্ন বটতলা বাজারে এঘটনা ঘটে।


আহত শ্রমিকরা জানায়, মঙ্গলবার বেলা এগারোটা থেকে পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জাহাজের মালামাল বোঝাই ও খালাস কার্যক্রমে সরকার নিবন্ধিত সংগঠন পটুয়াখালী নৌযান শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিকরা। বিকাল তিনটার দিকে কলাপাড়া থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় তারা সাময়িকভাবে আন্দোলন স্থগিত করেন। তবে তারা বিচ্ছিন্ন ভাবে বটতলা বাজারেই অবস্থান করছিলো। পরে বিকালে সন্ত্রাসীরা  ৭ থেকে ৮ জন লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর অতর্কিতভাবে হামলা  চালায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে।


কলাপাড়া থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে নবাগত এসপি

খুলনার প্রতিটি থানা হবে মানুষের আস্থা ও ভরসার স্থল


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১৪ পিএম

খুলনার নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার ওমর ফারুক খুলনায় এখন থেকে কেউ অপরাধ করে আর ছাড় পাবে না। জেলার প্রতিটি থানা সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সন্ত্রাস, মাদক, ধর্ষণ ও অপরাধ মুক্ত এমন সব প্রত্যয় গতকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে খুলনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচিত ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন। 


নবাগত এসপি আরও বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করবে। খুলনায় অপরাধীদের সংখ্যা খুবই কম। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একসঙ্গে কাজ করলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কোনো জটিল বিষয় নয়। পুলিশের একার পক্ষে সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এ জন্য জনগণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, অপরাধ ও বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ কাজ করতে চায়। গণমাধ্যমের সহযোগিতায় অপরাধের তথ্য দ্রুত পুলিশের কাছে পৌঁছালে জনগণের স্বার্থ রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন আরও সহজ হবে।

খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, মাদকদ্রব্য, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। এসব অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশ, জেলা প্রশাসন, সাংবাদিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যারা অপরাধ করে বা অপরাধ ঘটায়, তাদের সংখ্যা খুবই কম। তাদের চেয়ে আইন মেনে চলা মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। জনগণ ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা এবং পুলিশের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। মতবিনিময় সভায় খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) আবির সিদ্দিকী শুভ্র এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এ-সার্কেল সাইফুল ইসলাম সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১০ পিএম

নীলফামারীর ডিমলায় ওজন ও পরিমাপে কম দেওয়া এবং বিএসটিআইয়ের গুণগত মান সনদ নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।


আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর ও ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।


অভিযানকালে উপজেলা সদরের মেসার্স আফতাব ফিলিং স্টেশনে পেট্রোল ও ডিজেল পরিমাপে কম দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রতি ১০ লিটার পেট্রোলে ১ লিটার ২০ মিলিলিটার এবং প্রতি ১০ লিটার ডিজেলে ১৪০ মিলিলিটার কম দেওয়ার অপরাধে ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮’-এর ২৯ ও ৪৬ ধারায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।




অপরদিকে, ডিমলার ডোমার রোডের বামুনিয়া এলাকায় অবস্থিত আদিল আটো মুড়ির মিলে মুড়ি পণ্যের বিএসটিআই গুণগত মান সনদ রয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ‘বিএসটিআই আইন, ২০১৮’-এর ৩০ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।


ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির। অভিযানে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুরের প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিদর্শক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী মো. আহসান হাবিব, পরিদর্শক (মেট্রোলজি) মো. নাসির উদ্দিন এবং ফিল্ড অফিসার (সিএম) মো. জুলকারনাইন।


বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর জানিয়েছে, জনস্বার্থে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ওজন ও পরিমাপে সঠিকতা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।