৫৪ বছর পর আজ চাঁদে যাচ্ছে মানুষ

  • প্রকাশ : বুধবার ০১ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৯:১৩ এএম

ফ্লোরিডার কেনেডি মহাকাশ কেন্দ্রে শুরু হয়েছে কাউন্টডাউন। বহু প্রতীক্ষিত আর্টেমিস-২ উৎক্ষেপণের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে। এই অভিযানে চারজন নভোচারীকে চাঁদের চারপাশে ঘুরিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে। 


১৯৭২ সালের পর এটিই হবে মানুষের অংশগ্রহণে প্রথম চন্দ্র অভিযান।


গত সোমবার মিশন ব্যবস্থাপনা দলের বৈঠকের পর মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয় জানান, আর্টেমিস-২ উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে ও বুধবারই (১ এপ্রিল) তা উৎক্ষেপণ করা সম্ভব। তবে আবহাওয়া এখনো একটি বড় বিবেচ্য বিষয়।


সংস্থাটি জানিয়েছে, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী অনুকূল পরিবেশের সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ। তবে মেঘের উপস্থিতি ও ঝোড়ো বাতাস উদ্বেগের কারণ হতে পারে।


কবে উৎক্ষেপণ হবে?


আজ বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে উৎক্ষেপণের জন্য দুই ঘণ্টার একটি সময়সীমা শুরু হবে। ফ্লোরিডার কেনেডি মহাকাশ কেন্দ্র থেকেই মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হবে।


সূর্যাস্তের পর প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে সোমবার (৬ এপ্রিল) পর্যন্ত এই সময়সীমা খোলা থাকবে। তবে চাঁদের অবস্থান, কক্ষপথ, আবহাওয়া ও পৃথিবীর ঘূর্ণনের সঙ্গে সবকিছু নিরাপদভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেই কেবল উৎক্ষেপণ সম্ভব হবে।


উৎক্ষেপণে দেরি হওয়ার কারণ


মূলত ২০২৬ সালের শুরুর দিকে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা থাকলেও দুটি বড় সমস্যার কারণে তা পিছিয়ে যায়। ফেব্রুয়ারির শুরুতে মহড়া চলাকালে তরল হাইড্রোজেন গ্যাসের লিক ধরা পড়ায় প্রথম প্রচেষ্টা বাতিল করা হয়। এরপর মার্চের শুরুতে দ্বিতীয় প্রচেষ্টাও বাতিল করা হয়, যখন প্রকৌশলীরা রকেটের ওপরের ধাপে হিলিয়াম প্রবাহের সমস্যার সন্ধান পান।


যেভাবে দেখা যাবে উৎক্ষেপণ


মহাকাশ গবেষণা সংস্থা তাদের নিজস্ব মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করবে। এর আগে যান সংযোজন ভবন থেকে উৎক্ষেপণ প্যাড পর্যন্ত পুরো প্রস্তুতি ধাপও সরাসরি দেখানো হয়েছে।


আর্টেমিস প্রোগ্রাম কী?


আর্টেমিস প্রোগ্রাম হলো মানুষের আবার চাঁদে ফেরার একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। ১৯৭২ সালের পর প্রথমবার মানুষের চাঁদে ফেরা, সেখানে দীর্ঘমেয়াদি ঘাঁটি স্থাপন ও ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের অভিযান চালানোর পথ তৈরি করাই এর লক্ষ্য।


এই কর্মসূচি বর্তমানে পাঁচটি ধাপে বিভক্ত, আর্টেমিস-১, ২, ৩, ৪ ও ৫।


আর্টেমিস-১ ছিল প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন, যেখানে কোনো মানুষ ছিল না। ২০২২ সালের ১৬ নভেম্বর উৎক্ষেপণ হয়ে ২৫ দিন স্থায়ী এই অভিযানে ওরিয়ন মহাকাশযানকে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করা হয় এবং আর্টেমিস-২-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়।


আর্টেমিস-২ কী?


আর্টেমিস-২ হলো এই কর্মসূচির প্রথম মানববাহী অভিযান। আর্টেমিস-১ যেখানে কেবল পরীক্ষামূলকভাবে পুতুল ও বিভিন্ন যন্ত্র বহন করেছিল, সেখানে আর্টেমিস-২ এ প্রথমবার ১৯৭২ সালের পর নভোচারীরা নিম্ন পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে ভ্রমণ করবেন।


আর্টেমিস-২ কি চাঁদে নামবে?


না, এই অভিযানে চারজন নভোচারী চাঁদে নামবেন না। তারা চাঁদের দূরবর্তী অংশ ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।


মূল লক্ষ্য কী?


এই অভিযান মূলত একটি পরীক্ষামূলক যাচাই মিশন। এতে ওরিয়ন মহাকাশযানের জীবনধারণ ব্যবস্থা, নেভিগেশন, যোগাযোগ ও গভীর মহাকাশে সামগ্রিক কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা হবে, যা পৃথিবীতে পুরোপুরি পরীক্ষা করা সম্ভব নয়।


এই মিশন সফল হলে পরবর্তী ধাপগুলো এগিয়ে যাবে। আর্টেমিস-৩ এ নিম্ন পৃথিবীর কক্ষপথে মানববাহী অভিযান, আর্টেমিস-৪ এ চাঁদে অবতরণ ও ভবিষ্যতে স্থায়ী মানব উপস্থিতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।


১০ দিনের যাত্রাপথ


এই অভিযানের পুরো যাত্রা প্রায় ১০ দিন স্থায়ী হবে। যেসব ধাপে শেষ হবে এই অভিযান-


উৎক্ষেপণের দুই মিনিট পর বুস্টার বিচ্ছিন্ন হবে।


ছয় মিনিট পর মূল ধাপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সৌর প্যানেল খুলবে।


৯০ মিনিট পর কক্ষপথ বাড়াতে ইঞ্জিন চালু হবে এবং ২৪ ঘণ্টা ধরে সিস্টেম পরীক্ষা চলবে।


এরপর ওরিয়ন আলাদা হয়ে হাতে নিয়ন্ত্রণের অনুশীলন করা হবে।


২৩ ঘণ্টা পর চাঁদের পথে যাত্রা শুরু হবে, যা প্রায় চার দিন সময় নেবে।


চাঁদের চারপাশ ঘুরে আবার চার দিনে পৃথিবীতে ফেরা শুরু হবে।


পুনঃপ্রবেশের আগে ক্রু মডিউল আলাদা হবে।


পৃথিবীতে প্রবেশের সময় গতিবেগ হবে ঘণ্টায় প্রায় ৩২ হাজার ১৮৭ কিলোমিটার এবং তাপমাত্রা ২ হাজার ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠবে।


প্যারাসুট খুলে গতি কমিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করা হবে।


অ্যাপোলো কর্মসূচির সঙ্গে পার্থক্য


গ্রিক পুরাণে আর্টেমিস চাঁদের দেবী ও অ্যাপোলোর যমজ বোন। নামটি আগের অ্যাপোলো কর্মসূচির সঙ্গে সংযোগ নির্দেশ করে, যা ১৯৬১ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছিল।


এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল অ্যাপোলো-১১, যখন ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন প্রথম মানুষ হিসেবে চাঁদে পা রাখেন।


শেষ অভিযান ছিল অ্যাপোলো-১৭, যেখানে ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর ইউজিন সার্নান ও হ্যারিসন শ্মিট চাঁদের মাটি ত্যাগ করেন এবং তারাই এখন পর্যন্ত শেষ মানুষ, যারা চাঁদে হেঁটেছেন।


কারা যাচ্ছেন এই অভিযানে


এই অভিযানে চারজন নভোচারী থাকবেন।


রিড উইজম্যান, বয়স ৫০। অভিযানের কমান্ডার। তিনি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সাবেক কমান্ডার।


ভিক্টর গ্লোভার, বয়স ৪৯। পাইলট ও প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী হিসেবে চন্দ্র অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।


ক্রিস্টিনা কচ, বয়স ৪৭। একজন নারী হিসেবে একটানা ৩২৮ দিন মহাকাশে থাকার রেকর্ডধারী।


জেরেমি হ্যানসেন, বয়স ৫০। প্রথম কানাডীয় হিসেবে চাঁদের পথে যাত্রা করবেন।


তারা কী করবেন


এই অভিযানে নভোচারীরা মহাকাশযানের কার্যকারিতা যাচাই করবেন, বিকিরণ ও অগ্নিকাণ্ডের পরিস্থিতিতে নিজেদের প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করবেন ও পোশাকের চাপ পরীক্ষা চালাবেন।


তারা চিকিৎসা ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালাবেন ও চাঁদের পৃষ্ঠ সম্পর্কে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ করবেন।


কেন আবার চাঁদে যাওয়া


এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদে চাঁদে মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, বিশেষ করে দক্ষিণ মেরু এলাকায় যেখানে বরফ আকারে পানির অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।


এটি ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেও কাজ করবে। একই সঙ্গে মহাকাশ গবেষণায় নেতৃত্ব ধরে রাখতে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটেও এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার বিষয়টি সামনে রেখে।


পরবর্তী সব অভিযান


আর্টেমিস-৩: ২০২৭ সালে নির্ধারিত। এতে চাঁদে নামার পরিবর্তে নিম্ন পৃথিবীর কক্ষপথে মহাকাশযানের সমন্বিত কার্যক্রম পরীক্ষা করা হবে।


আর্টেমিস-৪: ২০২৮ সালের শুরুতে পরিকল্পিত। এতে চাঁদের কক্ষপথে গিয়ে দুই নভোচারীকে দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করানো হবে।


আর্টেমিস-৫: ২০২৮ সালের শেষ দিকে পরিকল্পিত। এতে দ্বিতীয়বারের মতো মানুষ চাঁদে অবতরণ করবে এবং একটি স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের কাজ শুরু হবে।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৩২ পিএম

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসাপ্রার্থীদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দেশটির ক্ষমতায় আসার পর কঠোর অভিবাসনবিরোধী নীতি গ্রহণ করেন। এর অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযান চলছে।


যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, বিশ্বজুড়ে সব মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে একটি বৈশ্বিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ভিসাসেবা–সংক্রান্ত অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হবে। ট্রাম্প আগ্রাসীভাবে অভিবাসীদের বহিষ্কার ও অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। এর আওতায় ভিন্ন রাজনৈতিক মতামত কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েলের গাজায় হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার মতো নানা কারণে মার্কিন ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিল করা হচ্ছে। আবেদনও প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।


ট্রাম্প বলেছেন, তাঁর এ কঠোর অভিযানের লক্ষ্য, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা।


তবে ট্রাম্প প্রশাসনকে অভিবাসনবিরোধী অভিযানে কিছু আইনি বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছে। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিচারক প্রশাসনের এমন একটি নীতি বাতিল করেছেন, যার অধীন বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করা হয়েছিল।


বিচারক বলেন, ওই নীতির মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।


মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রশিক্ষণটির বিস্তারিত বা এর সময়সূচি সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানায়নি। তবে বলেছে, এ প্রশিক্ষণের লক্ষ্য হলো কনস্যুলার কর্মকর্তাদের এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করতে সহায়তা করা, যাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি জনকল্যাণমূলক সুযোগ–সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন বলে মনে করা হয়। পাশাপাশি ভিসাপ্রার্থীদের মূল্যায়ন যেন সামগ্রিকভাবে ও ধারাবাহিকভাবে করা হয়, তা নিশ্চিত করাও এর লক্ষ্য।


ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করার খবরটি প্রথম প্রকাশ করে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস। পত্রিকাটি জানায়, মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে যেসব অভিবাসী ভিসাপ্রার্থীর সাক্ষাৎকারের সময়সূচি নির্ধারিত ছিল, তাঁদের ই-মেইলে জানানো হয়েছে যে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। নতুন তারিখ পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।


মানবাধিকার সংগঠনগুলো ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এ অভিযান বৈষম্যমূলক এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন করছে।


সংগঠনগুলো আরও বলছে, এ কঠোর অভিযানের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে একটি অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য। তাদের আশঙ্কা, তাঁরা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে সন্দেহ বা বিশেষ নজরদারির শিকার হচ্ছেন।


২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন ক্ষমতায় আসার পর তাঁর প্রশাসন বৈধ অভিবাসনকেও কঠিন করে তুলেছে।

সর্বশেষ সব খবর

পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস হাসপাতাল

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫৫ পিএম

ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (পিআইএমএস) হাসপাতালের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগের ওয়ার্ডে আগুন লেগেছে। এতে অন্তত ১৫ নবজাতক মারা গেছে। আজ বুধবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।


পিআইএমএসের কর্মকর্তারা জানান, হাসপাতালটির ওই ওয়ার্ডে নবজাতকদের রাখার কক্ষে মোট ১৬টি শিশু ছিল। একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।


উদ্ধারকারী দল সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত। ধারণা করা হচ্ছে, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) কম্প্রেসর বিস্ফোরণের পর ওই কক্ষে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে।


জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হাসপাতালটির এমসিএইচ ওয়ার্ডের তৃতীয় তলায় লাগা আগুনে ১৪ শিশু পুরোপুরি দগ্ধ হয়েছে। খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি গাড়ি ও চারটি অ্যাম্বুলেন্স সেখানে উদ্ধারকাজে অংশ নেয়।


অগ্নিকাণ্ডে অতিরিক্ত উপকমিশনারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগুন লাগার কারণ খুঁজবে এবং কীভাবে এ ঘটনা ঘটল, সেটা খতিয়ে দেখবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৪৭ পিএম

ভারতে আদিবাসী জনগোষ্ঠী, দলিতসহ বঞ্চিত জাতিগোষ্ঠী এবং বাংলাভাষী মুসলিমদের সুরক্ষা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের বৈষম্যবিরোধী একটি কমিটি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, বেআইনি আটক ও যৌন সহিংসতার মতো গুরুতর অভিযোগ নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাটি।


মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।


জাতিসংঘের জাতিগত বৈষম্য বিলোপবিষয়ক কমিটি (সিইআরডি) আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেছে। বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল এ দেশে বাংলাভাষী মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অপরাধ (হেট ক্রাইম) ঘটছে। এগুলো বন্ধে ভারতকে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে জানিয়েছে সিইআরডি।


কমিটি তাদের তদন্তের পর দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবরে কমিটি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন জাতিগত ও ধর্মীয় গোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ওপর এসব ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে তফসিলি উপজাতি, তফসিলি জাতি—বিশেষ করে দলিত সম্প্রদায় এবং যারা ভারতের নাগরিক নন, তারাও রয়েছেন।’


সিইআরডি কমিটি বলেছে, এসব ঘটনার মধ্যে জাতিগত বিদ্বেষপ্রসূত সহিংসতা, অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, বিচারবহির্ভূত হত্যা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই নির্বিচারে ও দীর্ঘ সময় আটক, নির্যাতন, দুর্ব্যবহার এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিইআরডি।


সিইআরডির মতামত বা সুপারিশগুলো মানতে কোনো দেশ আইনগতভাবে বাধ্য নয়। তবে এসব সুপারিশ কোনো দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।


ভারতে সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রে বর্ণপ্রথা এখনো একটি বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। সম্পদ, শিক্ষা ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে কে কতটা পাবে, তা অনেক সময় এই বর্ণপ্রথাই নির্ধারণ করে দেয়।


হাজার বছরের পুরোনো এ সামাজিক প্রথা হিন্দুদের পেশা ও সামাজিক অবস্থান অনুযায়ী বিভিন্ন স্তরে ভাগ করেছে।


কমিটির আগের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এর সদস্য স্টামাতিয়া স্তাভরিনাকি বলেন, দলিতদের ক্ষেত্রে বৈষম্য বা ভেদাভেদ যে সত্যিকার অর্থে এবং উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, তা প্রমাণ করার মতো সূচক বা তথ্য থাকাটা খুব জরুরি।


সিইআরডি হলো ১৮ জন স্বাধীন মানবাধিকার বিশেষজ্ঞের একটি কমিটি। এ কমিটির ১৮২টি সদস্যদেশ রয়েছে। সদস্যদেশগুলো সব ধরনের জাতিগত বৈষম্য দূর করার সনদ ঠিকমতো মেনে চলছে কি না, তা নজরদারি করে এ কমিটি।


সনদটি ১৯৬৯ সালে কার্যকর হয়। এটির অধীন সদস্যদেশগুলোকে অবশ্যই জাতিগত বৈষম্য ও মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করতে হবে। একই সঙ্গে আইনের চোখে সবার সমানাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।


চলতি মাসের শুরুতে সিইআরডি’র পর্যালোচনায় অংশ নেয় ভারত। ২০০৭ সালের পর এই প্রথম কমিটির সামনে ভারতের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।


পর্যালোচনায় ভারতীয় প্রতিনিধি দল দেশটির বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য, বিশালতা ও জটিলতার পাশাপাশি সংবিধান ও আইনি কাঠামোর কথা তুলে ধরে। ভারতের মিশন এক বিবৃতিতে জানায়, সবার জন্য সমতা, মর্যাদা ও সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশটি এগিয়ে চলেছে।


 




সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৫৩ এএম

ভারতের কর্ণাটকে মন্দিরে প্রবেশকে কেন্দ্র করে এক নারী পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ানোর পর তাকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির এক বিধায়কের মেয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গত ১২ আগস্ট কর্ণাটকের মান্ড্য জেলার শ্রীরঙ্গপাটনা এলাকার আরতি উক্কাদা মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। 


অভিযুক্ত ঐশ্বরিয়া বিজেপি বিধায়ক সুরেশ গৌড়ার মেয়ে। আর পুলিশ কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সবিতা বি. পাতিল মান্ড্য মহিলা থানায় কর্মরত।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভীমনা অমাবস্যার ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ওই দিন মন্দিরে দায়িত্ব পালন করছিলেন সবিতা। এ সময় ঐশ্বরিয়া মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশের চেষ্টা করলে তাকে বাধা দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ঐশ্বরিয়া পুলিশ কর্মকর্তা সবিতাকে চড় মারছেন। এর পরপরই সবিতাও তাকে পাল্টা আঘাত করেন। পরে সেখানে থাকা লোকজন দুজনকে আলাদা করে দেন।


এ ঘটনায় সবিতা পাতিলের অভিযোগের ভিত্তিতে ঐশ্বরিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে পুলিশ। অভিযোগে সবিতা দাবি করেছেন, দায়িত্ব পালন করার সময় ঐশ্বরিয়া তাকে গালিগালাজ ও মারধর করেন।


শ্রীরঙ্গপাটনার কায়থানাহাল্লি থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঐশ্বরিয়ার বিরুদ্ধেই শুধু নয়, তার পক্ষ থেকেও একটি পাল্টা অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


পুলিশের ভাষ্য, ঐশ্বরিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে। ঐশ্বরিয়া একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী বলেও জানা গেছে।


ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।


সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৪৫ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি সামরিক পরিবহন বিমান লাটভিয়া হয়ে সরাসরি মস্কোতে অবতরণ করার তথ্য মিলছে একটি ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। তবে ওই উড়োজাহাজে কারা ছিলেন বা কেন সেটি মস্কো গেছে, সে বিষয়ে ক্রেমলিন বা হোয়াইট হাউসের কেউ মুখ খোলেনি।


ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট 'ফ্লাইটরাডার টোয়েন্টিফোর' এর বরাতে রয়টার্স ও এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে মস্কোর ভনুকোভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে ওই মার্কিন সামরিক উড়োজাহাজ।


বোয়িং সি-১৭এ গ্লোবমাস্টার-৩ মডেলের বিরাট ওই সামরিক বিমানের টেইল নম্বর ছিল ০৭-৭১৮১।


ফ্লাইট ট্র্যাকিংয়ের তথ্য বলছে, উড়োজাহাজটি লাটভিয়ার রাজধানী রিগা থেকে উড্ডয়নের প্রায় দুই ঘণ্টা পর সরাসরি মস্কোতে পৌঁছায়। স্থানীয় সময় সকাল ১০টার পরপরই সেটি অবতরণ করে।


এর আগে রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ডের জয়েন্ট বেজ অ্যান্ড্রুজ (ওয়াশিংটন ডিসি সংলগ্ন ক্যাম্প স্প্রিংস এয়ারবেজ) থেকে উড়োজাহাজটি যাত্রা শুরু করে এবং সেদিনই লাটভিয়ার রিগায় পৌঁছায়।


বিশাল ওই উড়োজাহাজে কোনো যাত্রী বা বিশেষ কার্গো ছিল কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।


রয়টার্স লিখেছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, বিমানটির বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।


অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তা, হোয়াইট হাউস এবং মস্কো ও ওয়াশিংটনে অবস্থিত দুই দেশের দূতাবাসগুলোর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কেউ কোনো মন্তব্য করেনি।


এমন এক সময়ে এ ঘটনা ঘটল, যখন ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার আলোচনা অনেকটা স্থবির হয়ে আছে। রাশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নিবন্ধিত কোনো বিমান অবতরণের সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটেছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। সে সময় ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভেন উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারকে নিয়ে একটি বিমান মস্কো গিয়েছিল।

সর্বশেষ সব খবর

ইমরান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৪৪ পিএম

পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ঘিরে দেশটির সরকারের অবস্থান নিয়ে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন মাইকেল আথারটন। ইংলিশ সাবেক অধিনায়কের অভিযোগ, জনজীবন ও ইতিহাস থেকে ইমরানকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।


কারাবন্দি ইমরানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে গত রোববার পাকিস্তান সরকারকে চিঠি লেখেন বিভিন্ন দেশের একদল সাবেক অধিনায়ক। ছয় মাসের ব্যবধানে যেটি ছিল তাদের দ্বিতীয় চিঠি। ওই অধিনায়কদের মধ্যে একজন ছিলেন আথারটনও।


পরদিন (সোমবার) স্কাই স্পোর্টস ক্রিকেটে বিষয়টি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন আথারটন। যেখানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরেক সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক নাসের হুসেইন। তিনিও ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।


“নাস (নাসের হুসাইন) এবং আমি সেই ২১ সাবেক অধিনায়কের মধ্যে ছিলাম, যারা গতকাল (রোববার) দ্বিতীয়বারের মতো চিঠি দিয়েছি। এটি ছিল মানবিক আবেদন- ইমরান খান যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান। তবে আমার মনে হয়, রাষ্ট্র যেন ইমরানের অস্তিত্ব প্রায় মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে যা দিন দিন আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।”


মোট ২১ জন সাবেক ক্রিকেটার ইমরানের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে ওই চিঠি দেন। যেখানে ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনিল গাভাস্কার, কাপিল দেব ও দিলিপ ভেঙ্গসারকারও স্বাক্ষর করেন। 


এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ১৪ জন সাবেক অধিনায়ক ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শাহবাজকে চিঠি দিয়েছিলেন। ওই সময় খবর বের হয়েছিল, চোখের সমস্যায় ভুগছেন ইমরান। তার পরিবার জানিয়েছিল, ওই সমস্যার কারণে এক চোখে প্রায় সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন তিনি। কারাগারে তার যথাযথ চিকিৎসা হচ্ছে না- এমন অভিযোগও উঠেছিল।


ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের টানাপোড়েন চলছে অনেক দিন ধরেই। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত না করা এবং তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তার কাছে যেতে না দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাবের জন্য সরকারকে অভিযুক্ত করে আসছে বিরোধী দল। সরকার এই অভিযোগগুলো বরাবরই অস্বীকার করেছে।


২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইমরান। এরপর ২০২৩ সালের অগাস্ট থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলে বন্দী আছেন তিনি এবং দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ভোগ করছেন, যে অভিযোগগুলো তিনি ও তার দল অস্বীকার করে আসছে।


পাকিস্তানের হয়ে ৮৮ টেস্ট ও ১৭৫ ওয়ানডে খেলেছেন ইমরান। তাকে মনে করা হয় সর্বকালের সেরা পেসারদের একজন, সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন। পাকিস্তানের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক হিসেবে তিনি অবিসংবাদিত।


১৯৯২ ওয়ানডে বিশ্বকাপে বিদায়ের দুয়ার থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ইমরানের নেতৃত্বেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল পাকিস্তান, যা এখনও ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি রূপকথা হয়ে আছে।

সর্বশেষ সব খবর