সিলেটের ওসমানীনগরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৯ জন নিহতের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি শিগগিরই প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সদস্যসচিব ও ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনমুন নাহার আশা।
গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাশিকাপন এলাকায় দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) পিংকি সাহাসহ কমিটির অন্যান্য সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
ইউএনও মুনমুন নাহার আশা বলেন, তদন্ত চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা কাশিকাপন এলাকায় এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
এর আগে গত ৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ইউনিক পরিবহন ও বেঙ্গল পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন। পরে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় নয়জনে। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। দুর্ঘটনায় দুই বাসের অন্তত ২৪ জন যাত্রী আহত হন। নিহতরা সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর থেকে দুই বাসের চালকই পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় গত ৮ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ওসমানীনগর থানায় মামলা করা হয়।
এদিকে দুর্ঘটনার পর দুর্ঘটনাকবলিত দুই বাসের রেজিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে বাতিল করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
গতকাল মঙ্গলবার তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন। তদন্ত শেষে শিগগিরই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির সদস্যসচিব।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আয়োজিত র্যালিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে টঙ্গীর এশিয়া পাম্পের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। পরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে চেরাগআলী এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে র্যালিটি শেষ হয়।
র্যালিতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ- সভাপতি মো. আরিফ হোসেন হাওলাদার ও গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. শাহাদাত হোসেন শাহিন।
এ সময় টঙ্গী পশ্চিম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। র্যালিতে জাতীয় ও দলীয় পতাকার পাশাপাশি বিভিন্ন রঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড শোভা পায়। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে নেতাকর্মীদের স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
আয়োজকরা জানান, স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এ বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে অরাজনৈতিক ও সুফিবাদী সংগঠন দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে টঙ্গীতে বর্ণাঢ্য স্বাগত জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাদ জুমা টঙ্গীর মন্নু শাহী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে জুলুসটি বের হয়। এতে আশেকে রাসুল ও মাসুকে এলাহীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। জুলুসটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে আউচপাড়ার নেদায়ে ইসলাম বেপারী বাড়ি মসজিদে গিয়ে শেষ হয়।
জুলুসে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর আগমন উপলক্ষে তাঁর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়। এ সময় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বিভিন্ন নাতে রাসুল, দরুদ ও সালাম পাঠে অংশ নেন।
পরে নেদায়ে ইসলাম বেপারী বাড়ি মসজিদে মিলাদ, কিয়াম, দরুদ ও সালাম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সারা বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ এবং দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
স্বাগত জুলুসে উপস্থিত ছিলেন দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ঢাকা বিভাগের সভাপতি মাহমুদুল হক, জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সাধারণ সম্পাদক কালিমুল্লাহ ইকবাল, দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশ গাজীপুর জেলার সভাপতি হাফেজ ফরিদুল ইসলাম, টঙ্গী পশ্চিম থানার সভাপতি উজ্জল আত্তারী, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, মাওলানা শামসুল ইসলাম, মোঃ সোহেলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
আয়োজকরা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ আগমন করেছেন। তাঁর আদর্শ, মানবতা, শান্তি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই এ ধরনের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। অরাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদে মিলাদুন্নবী সাঃ এর মর্যাদা ও তাৎপর্য তুলে ধরতেই এ স্বাগত জুলুসের আয়োজন করা হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে রিকশার গ্যারেজের মালিক ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা জাহিদ হাসান বুলবুল হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মদনপুর এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে দিলে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে মহাসড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানায়।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় জাহিদ হাসান বুলবুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি সালেহনগর শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে এবং ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবারের দাবি, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় তার রিকশার গ্যারেজে লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলা তুলে নিতে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ঘটনার রাতে প্রধান অভিযুক্ত সিফাত ও তার সহযোগীরা মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিলে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বুলবুলের ওপর হামলা চালায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল হোসেন বলেন, প্রধান অভিযুক্ত সিফাতকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বোঝানোর পর পৌনে ১১টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বৃহস্পতিবার ( ২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় হেয়ার রোডের ৩৫ নম্বর বাড়িতে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন Social Progress and Development Society (SPDS)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সারমীন আক্তার।
সাক্ষাৎকালে সারমীন আক্তার এসপিডিএসের পক্ষ থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি রাষ্ট্রপতির নতুন দায়িত্বের সফলতা কামনা করেন এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে তাঁর নেতৃত্বে একটি সুন্দর, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এসপিডিএসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক সারমীন আক্তার বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে এবং নতুন দায়িত্বের জন্য শুভকামনা জানাতেই এই সাক্ষাৎ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
সাক্ষাৎ শেষে সারমীন আক্তার মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেন। একই সঙ্গে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মানুষের কল্যাণে তাঁর নেতৃত্ব আরও কার্যকর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, Social Progress and Development Society (SPDS) দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা, পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।
গাজীরহাট হাজি নৈমুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
খুলনার দিঘলিয়ায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে তাকে স্কুলের পাশের ভবনের কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক উদ্ধার করেন। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, উদ্ধার শিক্ষার্থী উপজেলার গাজীরহাট হাজী নৈমুদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে ক্লাস শেষে বিদ্যালয়ের টয়লেটে যায় সে। কিন্তু পেছন থেকে কে বা কারা তাকে মারধর ও তার ওপর চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে। চেতনা ফিরে এলে সে দেখে তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা। এ সময়ে বাথরুমের ভেতর থেকে চিৎকার করতে থাকে।
তারা আরও জানান, বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী একটি ভবনে কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারেন। পরে তারা ওয়াশরুমের দরজা ভেঙে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন। এরপর তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে খুলনার বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়।
খুলনার দিঘলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সাথে সে কথা বলেছে। হামলাকারীদের সে দেখতে পায়নি। বিস্তারিত কোনো কিছু সে জানাতে পারেনি। ঘটনাস্থলে পুলিশে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এক ব্যক্তির বসতবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের। ঘটনার পর ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জামিরদিয়া এলাকায় ওয়াসিম মিয়া নামের এক ব্যক্তির মাদক সেবন ও অসদাচরণের প্রতিবাদ করেন স্থানীয় যুবক আলমগীর হোসাইন। এ নিয়ে ওয়াসিমের সঙ্গে আলমগীরের বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এর জের ধরে গত বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আলমগীর হোসাইনের বসতবাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় বাড়ির সীমানাপ্রাচীর ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি আবারও বাড়িতে এসে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। এতে পরিবারটির মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।