পটুয়াখালীর মহিপুর থানার আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে মাছ ধরতে গিয়ে গভীর সমুদ্রে ১৫ জেলেসহ এমবি মায়ের দোয়া-৬ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। তবে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের সহায়তায় ওই ট্রলারে থাকা ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার গভীর বঙ্গোপসাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ট্রলারটির মাঝি মূসা জানান, সকালে আলীপুর বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে রওনা হন। কিছুদূর যাওয়ার পর সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের ঝাপটায় ট্রলারটির তলা/কাঠামো ফেটে যায়। এতে ট্রলারে পানি ঢুকে সেটি ডুবতে শুরু করে। পরে কিছুক্ষণ সাগরে ভেসে থাকার পর কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের দেখতে পেয়ে ১৫ জেলেকে উদ্ধার করে।
ট্রলার মালিক মিজানুর রহমান বলেন, ট্রলারটি মাছ ধরার জন্য সাগরে পাঠানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর জেলেদের উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পেরেছি। ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, গভীর সমুদ্রে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ট্রলারটির এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ট্রলারটি উদ্ধারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
কক্সবাজারের উখিয়ায় বন বিভাগ অভিযান
কক্সবাজারের উখিয়ায় বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে আরো ৩০ একর জমি উদ্ধার করেছে। রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে উখিয়ার রাজাপালং মধুরছড়ায় একাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বিভিন্ন মহলের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল মান্নান দায়িত্ব গ্রহনের ২৭ দিনের মাথায় একাধিক উল্লেখযোগ্য অভিযান চালিয়ে শতাধিক একর বনভূমি দখল মুক্ত করেছেন। ইতিপূর্বে দখল মুক্ত বনভূমিতে গাছের চারা রোপন করেছেন।
আজ ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযানে একাধিক বিটের অর্ধশতাধিক বনকর্মী অংশ গ্রহন করেন। এতে বিএনপির নেতা কর্মীরা এতে সহযোগিতা করেছেন।
রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেন, বিভিন্ন বিটের বিট কর্মকর্তা,স্টাফ,ই আর টি দলের সদস্য সহ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৭টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে আনুমানিক ৩০ একর বনভূমি জবরদখল মুক্ত করা হয়। কথিত হেডম্যন ইব্রাহীম ও তাঁর ভাই ওমর ফারুকের অবৈধভাবে গড়ে উঠা বনভূমি জবর দখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে নানা ভাবে বাঁধার সম্মুখীন হলে স্থানীয় ক্ষমতাসীন বিএনপি নেতা কর্মীরা বনবিভাগের পাশে থাকায় উচ্ছেদ কার্যক্রম সহজভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জবরদখলের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রেসক্লাবের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
নাটোরের লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাব চত্বরে আলোচনা সভা ও কেক কাটা হয়। প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোঃ সালাহ্ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী।
কেক কেটে প্রেসক্লাবের ১৬ বছরে পদার্পণ করা হয়। পরে নাটোরের বিশিষ্ট সাংবাদিক, দৈনিক মানবজমিন ও বৈশাখী টিভির জেলা প্রতিনিধি ইসহাক আলীর রোগ মুক্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল মোতালেব রায়হান, সাধারণ সম্পাদক ফারহানুর রহমান রবিন, যুগ্ম সম্পাদক ফজলুল রহমান পলাশ, দপ্তর সম্পাদক সাব্বির আহমেদ মিঠু, অর্থ সম্পাদক জামিলুর রহমান, আসিরুল ইসলাম, শোভন আমিন প্রমুখ।
মিথ্যা মামলা করায় বাদিকে কারাগারে প্রেরণ
ঠাকুরগাঁওয়ে মিথ্যা মামলা করায় বাদিকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। আজ রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আদালতে আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করায় ঠাকুরগাঁও-এর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. আব্দুল হামিদ মোছা. লাবলী আক্তার নামে এক মহিলাকে অদ্য জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
জানা যায়, মোছা. লাবলী আক্তার (২৮), স্বামী: মোহাম্মদ আলী, গ্রাম: উত্তর পাড়িয়া (নিটালডোবা), থানা: বালিয়াডাঙ্গী, মো. সাদ্দাম হোসেন (৩২), পিতা: মো. আফতাব রহমান, গ্রাম: উত্তর পাড়িয়া (নিটালডোবা), উভয়ের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায়। এর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যা নারী ও শিশু মামলা নম্বর: ৯৩/২০২৫ হিসেবে রেকর্ড হয়। ঐ মামলার বাদি মোছা. লাবলী আক্তার অভিযোগ করেন যে, বিগত ১৪/০৩/২০২৫ ইং তারিখ আসামি মো. সাদ্দাম হোসেন তাকে নুরুল ইসলামের ভূট্টা ক্ষেতে একাকি পেয়ে তাকে জোরপূর্ব ধর্ষণ করেন। উক্ত মামলায় বালিয়াডাঙ্গী থানা তদন্ত করে অভিযোগটি মিথ্যা মর্মে রিপোর্ট দেন এবং রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় যে, বাদিনী পূর্ব শত্রুতার জের ধরিয়া কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় আসামি মো. সাদ্দাম হোসেনকে সামাজিভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও আর্থিকভাবে ক্ষতি সাধরেন উদ্দেশ্যে ধর্ষণের মিথ্যা ঘটনা সাজাইয়া অত্র মামলাটি আনায়ন করেন।
পরবর্তীতে বাদি মোছা. লাবলী আক্তার উক্ত তদন্ত রিপোর্টের অসম্মতিতে নারাজি দরখাস্ত আনায়ন করলে মামলাটি তদন্তের জন্য বিজ্ঞ ট্রাইব্যুনাল পিবিআই, ঠাকুরগাঁওকে অধিতর তদন্তের আদেশ দেন। তৎপ্রেক্ষিতে পিবিআই তদন্ত করে বাদিনীর আনীত অভিযোগ সম্পূর্ন বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলিয়া রিপোর্টে উল্লেখ করেন।
বিজ্ঞ ট্রাইব্যুনাল উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করে আসামি মো. সাদ্দাম হোসেনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন এবং মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মোছা. লাবলী আক্তারের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৭(১) ধারায় অপরাধ আমলে নেন এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করেন। মোছা. লাবলী আক্তার অদ্য আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ছবি : সংগৃহীত
চারপাশে বাঁশের খুঁটি পুঁতে রঙিন পর্দা দিয়ে ঘেরা, প্রথমে দেখে মনে হবে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন চলছে। কিন্তু পর্দার আড়ালে চলছে রেলের জমিতে পাকা ভবন নির্মাণের কাজ। সম্প্রতি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে চলছে এ নির্মাণ কাজ।
সরেজমিনে উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ভাদুলিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রেলওয়ের জমিতে বাঁশের খুঁটি ও রঙিন কাপড় দিয়ে পুরোপুরি ঘিরে রাখা হয়েছে। পর্দার ভেতরে রয়েছে ইট, বালু, নির্মাণসামগ্রীসহ ভবন নির্মাণের বিভিন্ন উপকরণ। শ্রমিকরা নির্মাণ কাজ করছেন।
সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় ঘিরে রাখা পর্দা অপসারণ এবং নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
স্থানীয়রা জানান, গ্লোরিয়া বিশ্বাস মঞ্জু নামে এক প্রভাবশালী নারী এভাবে পর্দা দিয়ে আড়াল করে পাকা ভবনের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ জমিকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, রেলওয়ের অনুমোদন, লিজের বৈধ কাগজপত্র কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই সরকারি এ জমিতে নির্মাণকাজ চলছে। রেলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নজরদারি ও দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের চাপ্তা, ঘোনাপাড়া ও ভাদুলিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের মূল্যবান জমি বেদখল হয়ে আসছে। কোথাও নামমাত্র লিজের অজুহাতে, আবার কোথাও লিজের মেয়াদ ও শর্তকে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে চলছে অবৈধ দখলদারি।
অভিযোগ রয়েছে, রেলওয়ের মাঠপর্যায়ের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশ ও পরোক্ষ ছত্রছায়ায় বেহাত হচ্ছে কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি। ফলে সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় রেলওয়ের মাঠপর্যায়ের নজরদারি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সরকারি জমিতে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং নির্ধারিত নিয়ম মানা প্রয়োজন। কিন্তু এখানে পর্দা দিয়ে জায়গাটি আড়াল করে কাজ করায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। দ্রুত তদন্ত করে জমির মালিকানা, লিজের কাগজপত্র এবং নির্মাণকাজের বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা।
সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় দ্রুত সরেজমিন তদন্ত, জমির রেকর্ড ও লিজসংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
রেলওয়ের জমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের মতে, রেলের জমি লিজ বা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। লিজের শর্ত ভঙ্গ, অনুমোদন ছাড়া স্থাপনা নির্মাণ কিংবা নির্ধারিত এলাকার বাইরে জমি ব্যবহার করা হলে তা নিয়মবহির্ভূত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
রেলের জমিতে ভবন নির্মাণ বিষয় গ্লোরিয়া বিশ্বাস মঞ্জুর সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি আমার মালিকানা জমিতে ভবন নির্মাণ করছি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ পাপিয়া সুলতানা লিজা বলেন, রেলের জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করতেছে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসতে বলেছি এবং জমি পরিমাপ করা হবে।
এ বিষয় বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের পাকশী বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সদর নরোত্তমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাতেন মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবিরহাট উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদ, কবিরহাট উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবদুল বাছেত হিরণ, নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাবলু, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বাকি বিল্লাহ তুষার ও দপ্তর সম্পাদক মো. মহসিন রিয়াজসহ অনেকে।
বক্তারা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। পরে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ, ব্যাগ, কলম ও ডায়েরি তুলে দেওয়া হয়। কাঙ্ক্ষিত সম্মাননা হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল উৎসব মুখর পরিবেশ।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি : সংগৃহীত
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সদস্য সন্দেহে আবারও ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলার ১৮ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান (মিডিয়া) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সন্দেহে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের থেকে যাচাই-বাছাই করে ১৭৩ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান (মিডিয়া) বলেন, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কুমিল্লা জেলার কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার রাতে জেলার ১৮টি থানা এবং ডিবি পুলিশ একযোগে অভিযান পরিচালনা করে। কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন স্থানসহ প্রত্যেকটি থানা এলাকার যেখানে কিশোর বয়সি বখাটেদের উৎপাত রয়েছে সেই সব স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এতে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টার অভিযানে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। উঠতি বয়সি কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ রোধ করতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।