• প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৪৪ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৪৪ পিএম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৪৪ পিএম

কসবা থানার দায়েরকৃত মামলা ও আসামী গ্রেফতার নিয়ে আদালত অঙ্গনে তোলপাড় চলছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা তলব করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার বিচারিক স্বচ্ছতা নিরপেক্ষতা  এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জগনের আস্থা রক্ষার্থে উচ্চ পদস্থ ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা দ্বারা তদন্ত আবশ্যক বলে আদালত মনে করেন।


জানা যায়, কসবা জি.আর ৩৯৩/২৬ নং মামলায় বিল্লাল হোসেন প্রকাশ কসাই মনির ও সুজন মিয়া নামে আসামীরা জেল হাজতে আটক রয়েছে। এর-ই মধ্যে তাদেরকে ংযড়ি অৎৎবংঃ  দরখাস্ত গুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়।


এদিকে মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায় আসামী মনির, সুজন মিয়া ও মোঃ রুমন ভূইয়াকে গ্রেফতারের পর নিকট আত্মীয় হিসাবে তাদের সকলের পিতাকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ১৫/৯/২৬ইং আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালতের তারা নিবেদন করেন যে, তাদের পিতা ইতিমধ্যে মৃত্যু বরণ করেছে। বিষয়টি আদালতের নিকট সন্দেহজক প্রতিমান হয় এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা স্মারক যথাযথ লিপিবদ্ধ না করায় তদন্ত কর্মকর্তা কাজী ছানোয়ার হোসেনকে আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নিদের্শ প্রদান করা হয়। এর প্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে একটি লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করে এবং একই দিনে গ্রেফতারকৃত আসামী মনির, সুজন মিয়া ও  রুমন ভূইয়াদের সংশোধনকৃত গ্রেফতারী স্বারক পুনরায় দাখিল করেন। 


তদন্তকারী কর্মকর্তার দাখিলকৃত ব্যাখায় উল্লেখ করেন যে, গ্রেফতারের পর আসামীরা এজাহারে বর্ণিত নাম ও ঠিকানা প্রদান করলেও তাদের পিতামৃত বা মৃত্যু বরণ করেছে সে বিষয়ে কোন তথ্য প্রদান করেনি। এখানে উল্লেখ থাকে য, জৌদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৪৬ এ  ৪৬(অ)  ধারায় বিধানমতে আসামী গ্রেফতারের পরপরই গ্রেফতারের স্মারক (গবসড়ৎধহফঁস ড়ভ অৎৎবংঃ) যথাযথ ভাবে পুরণ করতে হবে। শুধু তাই নহে উক্ত স্মারকের ১৩নং কলামে বর্ণিত বিধানমতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবার/আত্মীয়/নিকটজন/ প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা(হ্যা/না) তা সঠিক ভাবে উল্লেখ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অথচ অত্র মামলায় ৩ আসামীর মৃত পিতাদেরকে আসামী গ্রেফতারের বিষয় জানানো হয়েছে মর্মে নথিতে উল্লেখ করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করে সংশোধনকৃত গ্রেফতারী স্মারক পুনরায় দাখিল করে। 


সেখানে তদন্তকারী কর্মকর্তা ব্যাখ্যায় উল্লেখ্য করেন যে, আসামীরা নাম  ও ঠিকানা প্রদান করলেও তাদের পিতা মৃত বা মৃত্যু বরণ করেছে সে বিষয়ে কোন তথ্য প্রদান করেনি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার গুরুতর ও অস্বাভাবিক ক্রটি নথিপত্রে দৃশ্যমান হওয়ায় এজাহারের সত্যতা ও পুলিশের গ্রেফতার প্রক্রিয়া সর্ম্পকে আদালতের মনে বস্তুনিষ্ট সন্দেহের সৃষ্টি হয়। 


মামলার নথি থেকে আরো জানা যায়, যে, তালতলা চৌরাস্তা পয়েন্টটি দীর্ঘদিন ধরে ভারত সীমান্তবর্তী অবৈধ পণ্য ও মাদকের বড় চালান পরিবহনের কৌশলগত রুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত হিসাবে অভিযুক্ত বাদশাহ জুয়েল এবং কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদের পরোক্ষ যোগ সাজশে পুর্বতন সিন্ডিকেডের অংশীদারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সরিয়ে দিয়ে ওই রুটের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে এই সাজানো মামলা তৈরী করা হয়েছে।

এই অবস্থায় বিচারিক স্বচ্ছতা নিরপেক্ষতা এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনগনের আস্থা রক্ষার্থে উচ্চ পদস্থ ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তা দ্বারা তদন্ত আবশ্যক বলে আদালত মনে করেন। 


আদালতের আদেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার নিচে নন এমন একজন দক্ষ ও নিরপেক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগের কথা বলা হয়।

 বিষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্বরাস্ট্র সচিব, পুলিশ  মহাপরিদর্শক, ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জকে প্রেরন করা হয়েছে। একই সাথে পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া অফিসার ইনচার্জ কসবা থানা,এস আই/(নিরস্ত্র) কাজী ছানোয়ার হোসেনকে অবগত করা হয়েছে। 


এব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার শাহ মোঃ আব্দুর রউফ এর মোবাইল ০১৩২০-১১৪৯০০ এ যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেনি। কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ এর মোবাইল-০১৩২০-১১৫১৩৭ এ যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেনা বলে জানান। তবে মামলা নম্বর হোয়াটএ্যাপে পাঠানো কথা বলে ফোন রেখে দেন। মামলার তদন্তকারী অফিসার এর ফোন নং-০১৭১৮-৬৪২৮৮৩ যোগাযোগ করে বক্তব্যে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আদালতকে ব্যাখ্যা দিয়েছি এবং বিষয়টি মামলার বাদী পুরণ করার কথা, এটি তার বিষয় নয়। আমি ওসি স্যারের সাথে মিটিং এ রয়েছি বলে ফোন রেখে দেন।



সর্বশেষ সব খবর

বিশ্ব হার্ট দিবস পালন

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৯ পিএম

"হ্রদস্পন্দনের কোন মুহূর্তেই যেন হারিয়ে না যায়", হৃদয়কে ভালোবাসুন হৃদরোগ প্রতিরোধ করুন এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত হয়েছে।


আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেলছ হাসপাতালে আয়োজনে উক্ত দিবস পালিত হয়েছে।


আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বক্তব্য দেন,২৫০শয্যার জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: ফিরোজ জামান জুয়েল, সহকারী পরিচালক ডা: জয়ন্ত কুমার সাহা, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: মনজুরুল ইসলাম ফুয়াদ।


এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা: রেজাউল করিম শিপলু, জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা: অনুপম ঝাঁ সহ অন্যান্যরা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৯ পিএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতসহ ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।


আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম প্রাথিতা যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীদের বৈধ ঘোষণা করেন।


বৈধ প্রার্থীরা হলেন, বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, ১১ দলীয় ঐক্য-সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদেমুল ইসলাম, খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল আলীম নিজামী, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।


রিটার্নিং কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম জানান, পাঁচটি রাজনৈতিক দলের ছয় প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিয়েছিলেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সকল প্রার্থীকেই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনী অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি দলের প্রার্থী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকলে মিলে প্রচেষ্টা থাকবে সুন্দর একটি নির্বাচন উপহার দেয়ার।


নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন জমাদানের শেষ দিন ছিল ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টা। আজ ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হলো। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৮ অক্টোবর। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।


উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে সংসদ সদস্য মন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন তৎকালিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরবর্তীতে তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশিন।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৬ পিএম

শহীদ আবু সাঈদের বাড়িতে নতুন ঘর নির্মাণ, তার বাবা-মায়ের থাকার ব্যবস্থা এবং কবরস্থানের সৌন্দর্যবর্ধনে এক কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রংপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার সকালে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে আবু সাঈদের বাড়িতে গিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।


এ সময় প্রতিমন্ত্রী আবু সাঈদকে গণঅভ্যুত্থানের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বঞ্চনা দূর করতে সরকার কাজ করছে। আবু সাঈদের আত্মত্যাগ শুধু ইতিহাসের অংশ নয়, তরুণ সমাজ ও ছাত্র-জনতার জন্যও অনুপ্রেরণা। তার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে আন্দোলন সারা দেশের মানুষকে রাজপথে নামিয়েছিল, তা ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।


আবু সাঈদের বাড়ি ও কবরস্থানের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আবু সাঈদ গণঅভ্যুত্থানের বীর। আমরা আবু সাঈদকে ছড়িয়ে দিতে চাই। এক কোটি টাকার এই উন্নয়নকাজ জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। এ জন্য জেলা প্রশাসককে নকশা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।


উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী, স্বাস্থ্য কার্ড, খাল খনন, কর্মসংস্থান ও খেলাধুলার উন্নয়নসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।


ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। পর্যায়ক্রমে দেশের চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। কৃষকদের ভূমিহীন, প্রান্তিক, মধ্যম ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিবেচনা করে কার্ড দেওয়া হবে। এজন্য তদবিরের প্রয়োজন নেই ।


ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্মান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মাসের প্রথম সপ্তাহে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে সম্মানীর অর্থ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।


কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তৃতীয় ভাষা চালুর চিন্তা করছে সরকার। এর মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।


জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে তেল-গ্যাসের বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতির জন্য সরকার দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং সাময়িক অসুবিধার কথা জানিয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।


বিরোধীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘লংমার্চ করে কখনো সমস্যার সমাধান হবে না। আপনাদের কোনো সুনির্দিষ্ট মতামত থাকলে সংসদে দাঁড়িয়ে কথা বলুন।’ একই সঙ্গে সরকারের সফলতা-ব্যর্থতা মূল্যায়নের জন্য সময় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


এ ছাড়া রংপুর স্টেডিয়ামকে শহীদ আবু সাঈদের নামে করার আগ্রহের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রংপুর জেলা স্টেডিয়ামের নাম ইতোমধ্যে ‘শহীদ আবু সাঈদ স্টেডিয়াম’ করা হয়েছে।


অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৪৮ পিএম

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ২৫টি অভিযান চালিয়ে ৬৭ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। পরে তাদের মধ্যে ৬২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে ১৫১ ধারায়, একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার এবং তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে, সোমবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।  


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন থানায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।


পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানা, কোম্পানীগঞ্জ, বেগমগঞ্জ মডেল থানা, সেনবাগ, চাটখিল ও চরজব্বর থানায় আটক কিশোরদের মধ্যে যথাক্রমে ৭, ৭, ১৩, ১১, ১১ ও ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোনাইমুড়ী থানায় একজনকে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার, একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার এবং দুজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া কবিরহাট থানায় তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।


নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৩ পিএম

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় ১০০ জন নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী মুসল্লিকে পবিত্র ওমরাহ পালন ও মক্কা-মদিনা জিয়ারতের সুযোগ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল মা জাহানারা ইসলামিয়া মহিলা  একাডেমির  প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাহমুদ হোসেন টিটু। এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় প্রথম ধাপে তিনজন ইমাম একজন মুয়াজ্জিন ও একজন মুসল্লী ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের পবিত্র মক্কার পথে যাত্রা করেছেন।


সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মাহমুদ হোসেন টিটুর পল্টন কার্যালয় থেকে তাঁরা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় প্রত্যেককে নগদ ৩৫০ সৌদি রিয়াল ও হাদিয়া প্রদান করা হয়।


ওমরাহযাত্রীদের মধ্যে রয়েছেন আল মদিনা জামে মসজিদের খতিব মুফতি আজিজুল ইসলাম, শিবলী, চৌধুরীবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো. ইমাম উদ্দিন, আল মদিনা জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন মাওলানা মো. অলিউল্লাহ এবং গোলাকান্দাইল এলাকার মুসল্লি মো. সেকান্দার শেখসহ পাঁচজন।


মাহমুদ হোসেন টিটু জানান, তিনি আল্লাহর দরবারে নিয়ত করেছিলেন, ১০০ জন নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়কারী মুসল্লিকে ওমরাহ পালন এবং পবিত্র মক্কা ও মদিনা জিয়ারতের সুযোগ করে দেবেন। সেই নিয়ত বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে মুসল্লিদের ওমরাহ পালনের ব্যবস্থা করছেন তিনি।


তিনি আরও জানান, ইনশাআল্লাহ, পরবর্তী ধাপে আরও ২০ জনকে একসঙ্গে ওমরাহ পালনের জন্য পাঠানো হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে ১০০ জন মুসল্লিকে পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।


নিজ উদ্যোগে মুসল্লিদের পবিত্র ওমরাহ পালনের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চার পাশাপাশি মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও জোরদার হবে।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৫৬ পিএম

রংপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সারের কোন সংকট নেই, এটি বেহেস্তের টিকিট বিক্রি করে নির্বাচিতরাই ওই সব জেলায় নিজ দলের কর্মী দ্বারা হইচই করে এই কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। শুধুমাত্র জনগণের সরকারকে হেও প্রতিপন্ন করার জন্য এই রাজনৈতিক দল এই সংকট তৈরী করেছে।


মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত পরবর্তি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের মাধ্যমে জাতির কাছে জানাতে চাই, যে সব জেলায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে, সেইসব জেলাগুলো হচ্ছে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, রংপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, মেহেরপুর, নড়াইল। অর্থাৎ যে সমস্ত জেলা থেকে বেহেশতের টিকেট বিক্রি করে নির্বাচিত হয়েছেন ঠিক ওই জেলাগুলোতেই তৈরি হয়েছে এই সারের সংকট। চট্টগ্রাম বিভাগের কোন জেলায় স্যারের সংকট নেই, বগুড়াতেও স্যারের সংকট নেই, পাবনায়, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, রাজশাহী ও সিলেটে সারের কোন সংকট নেই।


তিনি বলেন, যে সব জেলায় সারের কৃত্রিম সংকট তৈরী হয়েছে, সেই সব জেলায় যারা সারের ডিলার রয়েছে, এর বাইরে আমরা নতুন করে ডিলার নিয়োগ দিচ্ছি, যাতে করে আর সংকট তৈরী করতে না পারে। প্রয়োজনে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ডিলারদের গোডাউন চেক করা হবে। যাতে করে কেউ মজুত রেখে কোন সংকট তৈরি করতে না পারে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান সরকারের শুরুর দিকে তেল এবং গ্যাস নিয়ে সমস্যা হয়েছে, এটা সরকার অস্বীকার করে না এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে বিভিন্ন কারণে বিশ্বের মত বাংলাদেশেও সমস্যা করেছে।এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে একই সাথে সাময়িক সমস্যার কারনে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে জাতির কাছে।


তিনি বলেন, তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। দাম না বাড়ালে এই তেল ইন্ডিয়াতে পাচার হয়ে যেত। যার কারনে দাম বাড়ানো হয়েছে। এখনও সমান হয়নি ইন্ডিয়ার সাথে। তাছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, বিশ্বে তেলের মূল্য কমে গেলে আমরাও সমন্বয় করে তেলের দাম কমিয়ে দেব।


বিদ্যুৎ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৃৎ সমস্যা এটা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সমস্যা। এই সমাস্যার সমাধানে আমাদের সময় দিতে হবে। সরকারের ছয় মাসের মেয়াদে একটা ভঙ্গুর অর্থনীতি, একটা অনির্বাচিত সরকারের হাত থেকে ক্ষমতা নেওয়া, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুধু দায় ও সময় বাড়িয়েছে। তারা দেশের জন্য কোন কাজ করেনি অথচ ছয় মাসের মাথায় এসে সরকারকে সহযোগিতা না করে ১১ দলীয় জোট ফুটবল কিংবা ক্রিকেট টিম বানিয়ে তারা যে রংপুরে এসে লংমার্চ করে গেল এখান থেকে কি প্রাপ্তি হলো। তারা বলছে তেলের ক্রাইসিস রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন তাদের দুই হাজার গাড়ির জন্য কোথায় তেল পেলো। লংমার্চ করে যদি তেল ও গ্যাসের সমাধান হতো তাহলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত লংমার্চ করত।


এরপর প্রতিমন্ত্রী বড়দরগা সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি রংপুর জেলার আইন-শৃঙ্খলা ও জেলার উন্নয়ন সভায় যোগদেন। বিকালে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে কৃতি শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং পরে জেলা পরিষদ স্কুল এন্ড কলেজের কি প্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।


এসময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশসাক ইসরাত জাহান, শহিদ আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ সব খবর