সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, যথাযথ ব্যবস্থাপনার কারণে এবার মহাসড়কে কোনো যানজট হবে না বলে আশা করা হচ্ছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সবরকম প্রস্তুতি রয়েছে। যেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, আল্লাহর রহমতে কেউ যানজটে পড়বে না। সবাই নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। তিনি জানান, ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষ যাতে ভোগান্তির শিকার না হন এবং রোজাদারদের যেন সড়কে ইফতার করতে না হয়, সেজন্য সার্বক্ষণিকভাবে মহাসড়ক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন খাতের ছুটি শুরু হওয়ায় আজ থেকে প্রায় ৪০ লাখ অতিরিক্ত মানুষ এ মহাসড়ক ব্যবহার করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে যাতে ঈদযাত্রায় কোনোভাবেই মানুষ ভোগান্তির শিকার না হয়। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী টুকু বলেন, এখন পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও কোনো যানজট নেই এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। যান চলাচল সচল রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে কাজ করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি ডিআইজি, এসপিসহ পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরাসরি তদারকি করছেন। আমাদের কর্মীরাও পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য রাস্তায় রয়েছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, বিগত সময়ে অব্যবস্থাপনার কারণে মানুষ যানজটে পড়েছে। তবে এবার পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। 'জনগণের ভোগান্তি লাঘবের জন্যই আমরা সড়কে নেমেছি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হিসেবে তাদের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে,' যোগ করেন তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাস ও অটোরিকশা
ময়মনসিংহ নগরীতে বাসের চাপায় শিশুসহ অটোরিকশার সাত আরোহীর প্রাণ গেছে। শুক্রবার বেলা সোয়া ১টার দিকে গন্দ্রপা বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।
ওসি বলেন, “দুর্ঘটনায় অটোরিকশা ও বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই শিশুসহ সাতজনের মৃত্যু হয়।”
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ৬ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আলোচিত পুলিশ ভ্যান। ছবি : সংগৃহীত
সাভারের আশুলিয়ায় গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ৬ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আলোচিত সেই পুলিশ ভ্যানটির সন্ধান পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) একটি জমি উদ্ধার অভিযান চালানোর সময় ভ্যানটি সামনে আসে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বাইপাইল ত্রিমোড় এলাকায় আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের (ভূমি) সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মহিবুল্লাহ আকনের নেতৃত্বে জমি উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সেখানে থাকা পুলিশের অস্থায়ী ডাম্পিং স্টেশন খালি করার উদ্যোগ নেওয়া হলে আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকা পোড়া পুলিশ ভ্যানটি দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।
ভ্যানটির সন্ধান পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও স্থানীয়রা জড়ো হন। তারা ভ্যানটিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের একটি ঐতিহাসিক সাক্ষ্য ও নির্মমতার স্মারক হিসেবে সংরক্ষণের দাবি জানান।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত আন্দোলনকারী আবিদুল আফিফ বলেন, ‘আশুলিয়া থানার সামনে গত ৫ আগস্ট আমাদের ছয় ভাইকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন জীবিত ছিলেন। সেই ঘটনার পর থেকেই আমরা এই গাড়িটির খোঁজ করছিলাম। আজ জানতে পারলাম, এটি ডাম্পিং এলাকা থেকে অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। আমাদের দাবি, আশুলিয়ার এই নির্মমতার স্মৃতি হিসেবে ভ্যানটি অবিলম্বে জুলাই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হোক।’
আরেক আন্দোলনকারী ফয়সাল হোসেন ফাল্গুন বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে গাড়িটির খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় নজর রাখছিলাম। এটি আমাদের শহীদ ভাইদের রক্ত ও ত্যাগের নির্মম সাক্ষ্য বহন করছে। ডাম্পিংয়ে না পাঠিয়ে জাদুঘরে সংরক্ষণ করাই যুক্তিসঙ্গত।’
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম ও আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে উচ্ছেদ অভিযানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ঢাকা জেলার রিজার্ভ ফোর্সের অফিসার ইনচার্জ শহিদুল বলেন, ‘গাড়িটি এভাবে দেওয়া সম্ভব নয়। এটি আদালতের আলামত এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি নিতে হলে আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও আদালতের নির্দেশনা প্রয়োজন হবে। সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আশুলিয়া থানার সামনে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ এবং পরে নিহত ও আহতদের পুলিশ ভ্যানে তুলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। দীর্ঘদিন পর সেই ঘটনায় ব্যবহৃত পোড়া ভ্যানটির সন্ধান পাওয়ায় এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দেশের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন ও কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচির আওতায় গাজীপুরের কালীগঞ্জে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠ হতে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলাধীন নাগরী ইউনিয়নের ক্লাব রিসোর্ট থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়। জেলা গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূইয়া এর সভাপতিত্বে ও কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
বিশেষ অতিথি গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ড. চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী।
বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন পিপিএম (বার), গাজীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক ড. মো. আবদুল্লাহ-আল ফারুক, গাজীপুরের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) আহাম্মদ হোসেন ভূইয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব ও এল এ) মো. সোহেল রানা, গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ্ রিয়াজুল হান্নান, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার ও সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, কৃষক দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকের জীবনমানের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। সরকার কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে এবং তাদের উৎপাদন বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ‘কৃষক কার্ড’ তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। কৃষক যেন কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরকারি সেবা পান, সংশ্লিষ্ট সবাইকে সে বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নুরুল করিম ভূইয়া বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য সরকারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা আরও সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম জানান, কৃষকদের যেকোনো প্রয়োজনীয় সরকারি সেবা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার, কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল হক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ, সমাজ সেবা কর্মকর্তা আফরোজা বেগম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন আকাশ সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ শ্রাবন্তি আক্তার (২০) নামে এক নারী মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়ার শাহানারা মঞ্জিল (হোল্ডিং নং-৫২) নামীয় ভবনের নিচতলায় অভিযান পরিচালনা করে। গাজীপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালনা করা এই অভিযানে ভবনটির ভাড়াটিয়া শ্রাবন্তি আক্তারের দেহ ও রুম তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছে রক্ষিত ব্যাগ ও ঘর থেকে ১৫ হাজার পিস ক্ষতিকর অ্যামফিটামিন যুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত শ্রাবন্তি আক্তার নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার চর দিঘলদি গ্রামের মোঃ মতিন ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির মেয়ে। সে দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকার উক্ত বাসায় ভাড়া থেকে মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অভিযানের বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে এবং গাজীপুরকে মাদকমুক্ত করতে ডিএনসির এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ময়মনসিংহ নগরীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচিঝুলি এলাকায় খালের ওপর অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ এবং নির্মাণাধীন ভবনের নির্মাণসামগ্রী খালে ফেলার অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক)।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানকালে খালের ওপর অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনা এবং খালের পানিপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়। একই সঙ্গে নির্মাণাধীন ভবনের ইট, বালু, খোয়া ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী খালে বা খালের পাড়ে ফেলে না রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এ সময় প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, নগরীর খালগুলো দখল ও দূষণমুক্ত রেখে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করবে। খালের ওপর অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ কিংবা খালে নির্মাণসামগ্রী ফেলে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি নগরবাসীকে খাল দখল ও দূষণ না করার পাশাপাশি নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
অভিযানে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ শ্রাবন্তি আক্তার (২০) নামে এক নারী মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিএনসি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ টিম পূর্ব আরিচপুর মদিনাপাড়ার শাহানারা মঞ্জিল (হোল্ডিং নং-৫২) নামীয় ভবনের নিচতলায় অভিযান পরিচালনা করে। গাজীপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে পরিচালনা করা এই অভিযানে ভবনটির ভাড়াটিয়া শ্রাবন্তি আক্তারের দেহ ও রুম তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছে রক্ষিত ব্যাগ ও ঘর থেকে ১৫ হাজার পিস ক্ষতিকর অ্যামফিটামিন যুক্ত ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত শ্রাবন্তি আক্তার নরসিংদী জেলার মাধবদী থানার চর দিঘলদি গ্রামের মোঃ মতিন ও মোসাঃ রেহানা দম্পতির মেয়ে। সে দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর এলাকার উক্ত বাসায় ভাড়া থেকে মাদক কারবার পরিচালনা করে আসছিল বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অভিযানের বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, গাজীপুর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক জানান, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মাদকের মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে এবং গাজীপুরকে মাদকমুক্ত করতে ডিএনসির এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।