নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যে কোন এলাকায় চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দস্যুতা মাদক বন্ধ করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। সমাজের লোকেরা সচেতন হলে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সম্ভব। আজকে থেকে প্রশাসন ভর্তা শান্তিনগর এলাকার মাদক কারবারীদের ছাড় দিবে না । মাদক বিক্রেতাকে ধরতে পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রুপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) সালাউদ্দিন।
শনিবার (১৫ মে ) বিকালে রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভার বরপা শান্তিনগর এলাকায় স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
তিনি এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা সচেতন হোন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের সাথে আছে। এলাকায় খারাপ লোকের সংখ্যা খুব কম দুই-একটি খারাপ লোকের কারণে একটি এলাকার বদনাম হয়। আজকে থেকে যারা এসব অপকর্মের সাথে জড়িত তারা সাবধান হয়ে যান আপনাদেরকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
সাংবাদিক ইসলাম শাহাদাতের সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, লোকমান হোসেন, ওমর আলী , আবু তৈয়ব ভূইয়া, ৬ নং ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক তামজিদ ভূঁইয়া, ৩ নং ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সুমন পাঠানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময়উপস্থিত ছিলেন।
সরকারি হাসপাতালে আসা রোগীদের প্রতি মানবিক ও সেবামূলক মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের জন্য নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদ।
আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে পঞ্চগড় সদর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে অংশীজনদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ও সেবা নিতে আসা রোগীদের ক্ষেত্রে সব ধরনের বাধা ও বৈষম্য দূর করা হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি অতি দ্রুত পঞ্চগড়ের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহেরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজলসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি : সংগৃহীত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মারের নেতৃত্বে ‘বাকশাল’ নামে একটি গরু জবাই করে জুলাই জিয়াফতের আয়োজন করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে এ ভোজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তায় ভোজের ঘোষণা দিয়ে সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘১৫ আগস্ট আপনাদের সবাইকে নিয়ে আমাদের যে প্রাণপ্রিয় গরুটা আনতে পারছি, তার নাম দেওয়া হয়েছে বাকশাল। এই বাকশালটাকে আমরা কোরবানি করে উদ্যাপন করব। এটাকে জুলাই জিয়াফতও বলতে পারেন, জুলাইয়ের আপ্যায়ন। আপনাদের সবাইকে আমন্ত্রণ থাকবে।’
পরে গতকাল গভীর রাতে গরু জবাইয়ের পর একটি পোস্টে সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, ‘১৫ আগস্ট রাতেই বাকশালরে শুয়াইয়া দিলাম। আমি মেজর সালাউদ্দিন আম্মার বলছি। লীগের...।’
‘জুলাই জিয়াফত’ আয়োজনে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিবন্ধন ফি হিসেবে ১৫ টাকা নিয়ে নেওয়া (গুগল ফরমে আবেদনের ভিত্তিতে) হয়েছে। ৭৫০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন। ৬৫০ জনের জন্য গরু ভোজ ও বাকিদের জন্য অন্য খাবার রাখা হয়েছে।
শুরুতে ফেসবুকে রাকসুর পক্ষ থেকে এ জিয়াফতের আয়োজন করা হয়েছে বলে প্রচার চালানো হয়। পরে জানা যায়, এটি রাকসুর কোনো আয়োজন নয়। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেকে ফেসবুকে সমালোচনা করেছেন।
নিশা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘অথচ হলের খাবারের মান আগের মতোই আছে। ইন্টারনেটের বেহাল দশা। আবাসিক সমস্যার নেই কোনো সমাধান। এই হলো আমাদের ৩৫ বছর পর পাওয়া রাকসুর কর্মকাণ্ড।’
সালাউদ্দিন আম্মারের এমন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দেলোয়ার হোসাইন নামের এক শিক্ষার্থী মন্তব্য করেছেন, ‘...তোর সমস্ত কাজকর্ম জুলাইয়ের আন্দোলন পর্যন্ত ঠিক ছিল। তার পর থেকে ব্যবহৃত হচ্ছিস।’
বেলা দেড়টার পর রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে অপেক্ষা করছেন। রাকসু ভবনের ভেতরে খাবারের প্যাকেট প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বসার জন্য কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে ঘাসের ওপর কিছু ত্রিপল বিছানো হচ্ছে। জোহরের নামাজ শেষে বেলা পৌনে দুইটার দিকে শিক্ষার্থীরা আসতে শুরু করেন। ২টা ১০ মিনিটে রাকসু ভবন থেকে ভ্যানে করে খাবার আনতে দেখা যায়।
কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে বসার জায়গার সম্মুখে একটা ব্যানার টাঙানো হয়েছে। সেখানে লেখা আছে, ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও বাকশাল পতনের ঐতিহাসিক দিন উপলক্ষে জুলাইয়ের জিয়াফত।’ ব্যানারের ওপরের এক পাশে লেখা—‘মুজিববাদ, মুর্দাবাদ’, অন্য পাশে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’।
তবে কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নারী শিক্ষার্থীদের দেখা যায়নি। রাকসু ভবন থেকে তাঁদের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
জানতে চাইলে সালাউদ্দিন আম্মার প্রথম আলোকে বলেন, ‘শুরুতে রাকসুর পক্ষ থেকে প্রচারণা চালানো হয়েছিল। তবে রাকসুর সব সদস্য এতে একমত হননি। পরে আমাদের এক ভাই এটি উপহার দিয়েছেন। এখানে রাকসু জড়িত নয়।’
গরুর নাম বাকশাল রাখার কারণ জানিয়ে আম্মার বলেন, ‘আজ বাকশাল পতনের ঐতিহাসিক দিন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি। সে জন্য গরুর নাম বাকশাল রাখা হয়েছে।’
ময়মনসিংহের ভালুকায় বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের সংসদ সদস্য ফখরুদ্দীন আহমেদ বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও ভালুকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব হাতেম খান।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান মজু, উসমান গনি মল্লিক মাখন ও সাখাওয়াত হোসেন পাঠান, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান উল্লাহ খান রুবেল, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রিয়াদ পাঠান, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবুসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার কথা স্মরণ করেন। পরে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ সার্কেলে দায়িত্ব পালনরত সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রবিউল ইসলামসহ এএসপি পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী ‘জনস্বার্থে’ তাদের অবসর দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিধি অনুযায়ী অবসরজনিত সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত সাত কর্মকর্তা হলেন—র্যাব সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার (পেট্রোল) মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর গলাচিপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দুজ্জামান, র্যাব-২-এর সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকার আরআরএফের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জ জেলার সহকারী পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই সংশ্লিষ্ট সাত কর্মকর্তা সরকারি চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য হবেন। তবে তাদের অবসরজনিত প্রাপ্য সুবিধা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী বহাল থাকবে।
সন্ত্রাস বিরোধী আইনে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও নলছিটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জলিলুর রহমান আকন্দসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে বিদ্যালয়ের ভেতরের বাসা থেকে জলিলুর রহমানকে আটক করা হয়। একই দিন দুপুরে দপদপিয়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক মোল্লাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ১৫ আগস্ট নাশকতামূলক কর্মকান্ড পরিচালনার পরিকল্পনা করার অভিযোগে নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক জলিলুর রহমান আকন্দকে আটক করা হয়। তিনি নলছিটি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। একই অভিযোগে দপদপিয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক মোল্লাকে বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় আদালতে পাঠানো হবে।
কুমিল্লায় বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ময়নামতি রেজিমেন্টের তত্ত্বাবধানে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ময়নামতি রেজিমেন্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং বিপুলসংখ্যক বিএনসিসি ক্যাডেট অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিটি কুমিল্লার আলেখারচর বিশ্বরোড থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরেন।
বিএনসিসি ময়নামতি রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহত্তর কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ১০টি জেলার ১১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে থাকা বিএনসিসি প্লাটুনের সদস্যরা একই সময়ে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক র্যালিতে অংশ নেন।
একযোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার বার্তা দেওয়া হয়।