সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তার ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়
"মানুষের মৃত্যু হয় না মানুষ হারিয়ে যায়” এই উক্তিটি করেছেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ, বাংলা সাহিত্যের নন্দিত কথা সাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল। তার করা উক্তির বিপরীতে হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যু হয়েছে ঠিকই কিন্তু তিনি হারিয়ে যাননি তিনি রয়েছেন অসংখ্য সাহিত্য প্রেমীর হৃদয়ে, অপরদিকে হারাতে বসেছে তার নিজ হাতে গড়া নুহাশ পল্লীর সেই পুরনো জৌলুস।
হুমায়ূন আহমেদের নিজের হাতে গড়া নুহাশ পল্লীতে গতকাল ১৯ জুলাই (রবিবার) সকালে কুরআন তেলাওয়াত, খাবার বিতরণ, কবর জিয়ারত ও সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তার ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়। এ সময় তার দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও তার দুই পুত্র সহ অসংখ্য ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে হুমায়ূন আহমেদের সহধর্মিনী মেহের আফরোজ শাওন জানান, গত ১৪ বছর যাবত আমরা আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ও মৃত্যু বার্ষিকী পালন করে আসছি এখন পর্যন্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অথবা সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোন উদ্যোগ দেখিনি, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমরা আমাদের সমর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করে যাব আমার মৃত্যুর পর আমার সন্তানরা এটা করে যাবেন এখন আর কারো প্রতি আমাদের কোন আশা নেই দাবিও নেই।
নুহাশ পল্লীতে আসা হুমায়ূন আহমেদের ভক্ত ও দর্শনার্থীদের অনেকেই অভিযোগের সুরে বলেন, স্যারের মৃত্যুর কয়েক বছর পর পর্যন্ত নুহাস পল্লীর একটা জৌলুস ছিল হুমায়ূন আহমেদের নিজ হাতে লাগানো গাছগুলোর সৌন্দর্য, স্যারের নির্মাণ করা স্থাপনা গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকভাবেই চলছিল, কিন্তু স্যারের মৃত্যু ১৪ বছর পরের ও তার জীবদ্দশায় নুহাশ পল্লীর অবস্থা বিবেচনা করলে দেখা যায় অনেকটাই হারিয়ে যেতে বসেছে নুহাশ পল্লীর সেই জৌলুস, তার নিজ হাতে লাগানো গাছের মধ্যে কয়েকটি প্রায়ই মৃত্যুর পথে, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তার স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন স্থাপনায় শেওলা জমে গিয়েছে, তাতে বিভিন্ন উদ্ভিদ জন্ম নিয়েছে।
সাহিত্যপ্রেমী ও ভক্তবৃন্দের দাবি বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হুমায়ূন আহমেদের স্মৃতি বিজড়িত নুহাশ পল্লীকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা 'অন্যদিন’এর নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল্লাহ নাসের বলেন, নুহাশ পল্লীতে আমার দীর্ঘদিনের আসা, প্রায় ২৭ বছর ধরে আমি এখানে আসছি, হুমায়ূন আহমেদ জীবিত থাকাকালীন নুহাশ পল্লীর অনেক পরিবর্তন পরিবর্ধন হয়েছে তিনি কখনো কখনো নতুন কিছু সংযোজন করতেন গাছপালা লাগাতেন বিভিন্ন স্থাপনা করতেন আবার কখনো কখনো কোনো কিছুর বিয়োজন হতো, তার বিভিন্ন ভাবনা থেকে তিনি এগুলো করে থাকতেন। তার মৃত্যুর ১৪ বছর পরও তার জীবদ্দশায় নুহাশ পল্লীর রক্ষণাবেক্ষণে যেসব কর্মকর্তা কর্মচারী ছিলেন তারা এখনো আছেন তারা স্যারের সেই আগের অবস্থাটা ধরে রেখে যতটুকু সুন্দর করা যায় তা করে যাচ্ছেন বলে আমার মনে হয়।
জননন্দিত এই কথা সাহিত্যিক ১৯৪৮ সালের ১৩ই নভেম্বর নেত্রকোনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন, পরবর্তীতে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিউইয়র্কের বেনভিউ হাসপাতালে ২০১২ সালের ১৯শে জুলাই ৬৩ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে তাকে তার নিজ হাতে গড়া গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালীর নুহাশ পল্লীতে সমাহিত করা হয়।
মৃত্যুর আগে তিনি সাহিত্য প্রেমীদের জন্য নন্দিত নরকে, শঙ্খচিল কারাগার, এইসব দিনরাত্রি, বহুব্রীহি, কৃষ্ণপক্ষ, মধ্যাহ্ন, অপেক্ষা, কুটু মিয়া, লীলাবতী, জোছনা, জননীর গল্প, অচিনপুর সহ অসংখ্য শিল্পকর্ম রেখে গেছেন।
শঙ্খচিল কারাগার চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৯২ সালে তিনি প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন, পরবর্তীতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন, এরপর থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তিনি অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোহাম্মদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাহারুল ইসলাম মোল্লা, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিরূপা ভৌমিক, সাংবাদিক নিয়াজ মোঃ খান বিটু, গভঃ মডেল গালর্স হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল লতিফ, সদর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সালাহউদ্দিন, এনজিও নেতা এস.এম শাহীন, জেলা বিএনপির নেতা মোঃ নূরুল হুদা, নারী নেত্রী ফারজানা খানম জারমিন, ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান শফিক, জেলা বিএনপির নেতা আতিকুল ইসলাম জালাল প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে মাদকের বিস্তার ঘটেছে, কিন্তু এ ব্যাপারে আইন-শৃংখলা বাহিনীর কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই।
সভায় বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার নাটাই ইউনিয়নের বটতলী বাজারের বিভিন্ন দোকানের ছাদে ও তিতাস নদীর পূর্বপাড়ে মাইমল হাটিতে প্রতিদিন বিকেল থেকেই প্রকাশ্যে জুয়া খেলা শুরু হয়, চলে মধ্য রাত পর্যন্ত। জুয়া খেলে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরে। এ ব্যাপারে প্রতিকার হওয়া দরকার।
এছাড়াও অনলাইন জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতে মানুষ দিশেহারা। বক্তারা অনলাইন জুয়া বন্ধে, কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ও মাদক কারবারিদের পুলিশের অভিযান জোরদার করার দাবি জানান।
সভায় বক্তারা বলেন, শহরে অবৈধ মোটর সাইকেলের চলাচল বেড়েছে। এর মধ্যে বেশীর ভাগই টানা গাড়ি। এসব মোটর সাইকেলের চালকরা হেলমেট ছাড়াই বেপরোয়া গতিতে মোটর সাইকেল চালায়। এতে একদিকে দুর্ঘটনা বাড়ছে। অপরদিকে অপরাধ প্রবনতাও বেড়েছে।
বক্তারা বলেন, শহরে ছিচকে চুরির প্রবনতা বেড়েছে, এসব চোরেরা বিভিন্ন বাড়ির টিউবওয়েল, বাসা-বাড়ির বিদ্যুতের সার্ভিস লাইন, এসির কুলিং পাইপ, নির্মাণাধীন বাড়ির দরজা-জানলা, রড খুলে নিয়ে ভাঙ্গারীর দোকানগুলো বিক্রি করছে।
বক্তারা এসব ভাঙ্গারীর দোকানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
সভায় বক্তারা দুর্ঘটনারোধে শহরের বিরাসার মোড় গ্যাস ফিল্ডের সামনে, পৌর এলাকার গোর্কণঘাট ব্রীজের গোড়ায় ও সূর্যমুখী কিন্ডারগার্টেনের সামনে নিয়মিত একজন করে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েনের দাবি জানান। শহরের যানজট নিরসনকল্পে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং শহরের মসজিদ রোড ও পুরাতন কোর্টরোডকে ওয়ানওয়ে করার দাবি জানান।
সভায় সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, মাদকের ব্যাপারে কোন আপোষ নেই। মাদকরোধে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদেরকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সাধ ও সাধ্যেও মধ্যে সমন্বয় কওে সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটবো।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক। সকলের সহযোগীতায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরো উন্নতি করা হবে। এজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কোন আপোষ নেই। মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চলছে। ভ্রাম্যমান আদালতে সাজাও দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, পৌরসভার রাস্তা-ঘাটে চলাচল করতে গিয়ে জনগন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এসব ভাঙ্গা-চুরা রাস্তাঘাট সংস্কার করতে পৌর কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, যানজট আমাদের বড় সমস্যা। অতিরিক্ত যানজটের কারনে শহরে চলাফেরা করতে কষ্ট হয়। যানজট লাঘবে অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে চলাচলকরা সিএনজিচালিত অটোরিকসার বিরুদ্ধে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, আসন্ন দূর্গাপূজাকে সামনে রেখে কেউ যাতে কোন ধরনের নাশকতা করতে না পারে সেজন্য সকলকে খেয়াল রাখতে হবে।
সভায় সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যানগন, সদর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন ও আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঝালকাঠির নলছিটিত মোটরসাইকেল মহড়া ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ও পৌর যুবদল। মিছিলটি শহর ঘুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপততিত্ব করনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন শাহীন। বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব পলাশ সজ্জন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লাভলু সিকদার, যুগ্ম আহ্বায় রেজওয়ানুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান শিমুল, শহর যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম শরীফ, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন রাজন, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহাগ মুন্সি, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাজিব এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
সভায় বক্তারা বলেন, সারাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য করার ষড়যন্ত্র করছে। এই সন্ত্রাসীদের কোন জায়গা নলছিটিতে হবে না। এদের প্রতিহত করতে নলছিটি উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অবৈধভাবে টায়ার পুড়িয়ে বায়ু ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ‘গ্রীন এনার্জি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ধল্লা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ধল্লা এলাকায় গ্রীন এনার্জি নামের প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে টায়ার পুড়িয়ে বায়ু ও পরিবেশ দূষণ করে আসছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এবং বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার ৮(১) বিধি লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সব স্থাপনা দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির বলেন, ‘জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পাশের দোকানে ঢুকে যায়। এ ঘটনায় চারজন নিহত হন। আহত হয়েছেন সাতজন। নিহত সবাই অটোরিকশার আরোহী।
আজ সোমবার সকাল আটার দিকে লালমনিরহাট-পাটগ্রাম-বুড়িমারী মহাসড়কের ঘুন্টি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন পাটগ্রামের বুড়িমারী ইউনিয়নের গুড়িয়াটারী উফারমারা গ্রামের বাসিন্দা মো. ফাতুল মিয়া (৩৫), মো. মোস্তাকিম (৩৮) ও আনোয়ার হোসেন (২০) এবং একই ইউনিয়নের ইসলামপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মো. নুর আমিন (৩০)।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি আছেন বুড়িমারী ইউনিয়নের ঘুন্টি বাজার এলাকার মো. বাদশা (৫৫) ও জাফর উদ্দিন (৬০), গুড়িয়াটারী উফারমারা গ্রামের মো. দিপু মিয়া (৩০), মো. মিশন মিয়া (২০) ও সাইফুল ইসলাম (৩২) এবং ইসলামপুর ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আইনুল হক (৩৫)। তাঁরা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে পাটগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অটোরিকশাটি ঘুন্টি বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারোনো ট্রাকটি সড়কের পাশের দোকানে ঢুকে পড়ে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান দুজন।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা লিখিত কোনো অভিযোগ করেননি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ নিতে চাইলে মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গাজীপুরের টঙ্গীতে ১০ কেজি গাঁজাসহ মোছা. মাজেদা বেগম (৩৭) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ। টঙ্গী গাজীপুরা কাজীবাড়ি এলাকার চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাজেদা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার ধরাভাঙ্গা (মধ্যপাড়া ছলিমগঞ্জ) গ্রামের মৃত ইদ্রিস মিয়ার মেয়ে এবং আরিফুল ইসলাম বাছেদের স্ত্রী। তিনি বর্তমানে গাজীপুরা কাজীবাড়ি এলাকার চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের ৫ম তলার ডি-৫ ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গী পূর্ব থানার একটি টিম গাজীপুরা কাজীবাড়ি এলাকার চন্দ্রিমা হাউজিংয়ের ৫ম তলার ডি-৫ ফ্ল্যাটে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং মাজেদা বেগমকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা (নম্বর-৫০, ধারা ৩৬(১) এর ১৯(খ)) রুজু করা হয়েছে।
টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যথাযথ পুলিশ পাহারাধীন অবস্থায় তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি উদ্যোগে ও ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি'র সহযোগিতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোয়ালপাড়া সবুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম শরীফ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপি'র সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আলম লাবু, সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সায়েম সহ অন্যরা।
এ সময় শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ ও বনজ ও ঔষধি জাতের দুুইশত গাছের চারা বিতরণ করা হয় ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষর্পণ করা হয়।